Logo
শিরোনাম

তালা ভেঙে হলে ঢুকছেন জাবির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তালা ভেঙে আবাসিক হলে প্রবেশ করছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আল বেরুনি হলের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।

পরে শিক্ষার্থীরা ফজিলাতুন্নেসা হল, নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল, শেখ হাসিনা হল, খালেদা জিয়া হল ও জাহানারা ইমাম হলের গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ছাত্রীদের হলগুলোতে গেট ভেঙে প্রবেশের চেষ্টা করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, আমি শিক্ষার্থীদের এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানাই।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের হল খোলার দাবি মেনে নেয়নি। আমরা এভাবে অনিরাপদভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থাকতে পারি না। তাই আমরা বাধ্য হয়েই তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করছি।


Share

আরও খবর



বান্দরবানে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হয়েছেন। রবিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

বিজিবির দাবি, নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী। তাদের কাছ থেকে এক লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি আলমগীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Share

আরও খবর



স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস আজ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ২৬জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দানবের সাথে লড়াইয়ে যেকোনো পরিণতিকে মাথা পেতে বরণের জন্য আমরা প্রস্তুত। তেইশ বছর রক্ত দিয়ে এসেছি। প্রয়োজন বোধে বুকের রক্তে গঙ্গা বইয়ে দেব। তবু সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও বাংলার বীর শহীদদের

আজ ঐতিহাসিক ৩ মার্চ; স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত একটি জনসভাতেও স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন। ওই সভায় তিনি না থাকলেও যেন বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলন না থেমে থাকে সে জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর টালবাহানা এবং জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠেছিল পুরো দেশ। ছাত্রলীগ এবং শ্রমিকলীগের উদ্যোগে ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানের জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে পাঠ করা হয় স্বাধীনতার ইশতেহার। বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীকার আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করে ছাত্রসমাজ।

বঙ্গবন্ধু ওই সভায় বলেছিলেন, আমি মরে গেলেও সাত কোটি মানুষ দেখবে দেশ সত্যিকার স্বাধীন হয়েছে। তিনি বলেন, হয়তো এটাই আমার শেষ ভাষণ। আমি যদি না-ও থাকি, আন্দোলন যেন থেমে না থাকে। বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলন যাতে না থামে।

একাত্তরের ৩ মার্চ পল্টনে ছাত্রলীগ এবং শ্রমিকলীগের উদ্যোগে এক বিশাল জনসভায় বঙ্গবন্ধু এ আহ্বান জানান। পরদিন ৪ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাক এবং আজাদে সভার বিস্তারিত ছাপা হয়।

জনসভায় বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার কথা বলায় উদ্বেলিত মানুষ বীর বাঙালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর, গ্রামে গ্রামে দূর্গ গড়, মুক্তিবাহিনী গঠন কর স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে। নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বঙ্গবন্ধুকে বাংলার স্বাধীকার আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করা হয় । জনসভায় বক্তব্য রাখেন তোফায়েল আহমেদ, শ্রমিক নেতা আবদুল মান্নান এবং ডাকসু নেতা আবদুল কুদ্দুস মাখন।

ড. মোহাম্মদ হান্নান তাঁর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গ্রন্থে এ ব্যাপারে বিস্তারিত লিখেছেন। তিনি লেখেন, বঙ্গবন্ধু এদিন ভাষণে অফিস আদালতে যাওয়া এবং কর খাজনা দেওয়া বন্ধ রাখতে বলেন। রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করলে তিনি তা মান্য না করার নির্দেশ দেন।

বঙ্গবন্ধু বলেন, দানবের সাথে লড়াইয়ে যেকোনো পরিণতিকে মাথা পেতে বরণের জন্য আমরা প্রস্তুত। তেইশ বছর রক্ত দিয়ে এসেছি। প্রয়োজন বোধে বুকের রক্তে গঙ্গা বইয়ে দেব। তবু সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও বাংলার বীর শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি করব না।

এর আগে ৩ মার্চ রাজনৈতক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় পাকিস্তানের নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের নেতাদের একটি বৈঠক ডাকেন। আমন্ত্রিতদের তালিকায় উল্লেখযোগ্যরা ছিলেন- পাকিস্তান আওয়ামী লীগের শেখ মুজিবুর রহমান, পাকিস্তান পিপলস পার্টি থেকে জুলফিকার আলী ভুট্টো, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি থেকে খান আবদুল ওয়ালী খান, পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাইউম) থেকে খান আবদুল কাইউম খান, মুসলিম লীগ কাউন্সিল থেকে মিয়া মোমতাজ দৌলানা প্রমুখ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার এই রাজনৈতিক সভাকে বন্দুকের নলের মুখে নিষ্ঠুর তামাশা বলে অভিহিত করে তা প্রত্যাখ্যান করেন।

বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক, কবি এবং সাংবাদিক আবুল মোমেন ৩ মার্চের জনসভায় বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, আগে থেকে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি এদিনের জনসভাতেও স্বাধীনতার প্রসঙ্গটি এনেছিলেন। যদিও জোরালোভাবে তা উচ্চারিত হয়েছিল ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে।

সাংবাদিক আবুল মোমেন বলেন, অনেক আগে থেকে বিচ্ছিন্নভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিষয়টি আলোচিত হলেও সত্তর দশকে এবং আগে সংগঠিত নানা আন্দোলন সংগ্রামে স্বাধীনতার প্রত্যাশাটি আরো বেশি জোরালো হয়ে উঠে। স্বাধীনতার প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনুধাবন এবং পাকিস্তানীদের প্রতিক্রিয়া এবং প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণের জন্য ৩ মার্চের জনসভায় বঙ্গবন্ধু স্বাধানতার প্রসঙ্গটি তুলেছিলেন বলে মনে করেন আবুল মোমেন।

পল্টনের সভা থেকে এ দিন ৪ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন ৬টা থেকে ২টা পর্যন্ত হরতাল পালনের আহ্বান জানানো হয়। ৫ মার্চ বায়তুল মোকারম থেকে একটি লাঠি মিছিল বের করারও কর্মসূচি ঘোষিত হয়। এদিকে ৩ মার্চ সারা দেশে পূর্ণ হরতাল শেষে ঢাকা, চট্রগ্রাম, রংপুর ও সিলেটে গোলযোগ হয়। পরদিন দৈনিক আজাদের খবরে বলা হয়, এদিন রাজশাহীতে টেলিফোন অফিসের সামনে সামরিক বাহিনীর গুলিতে আহতদের স্থানীয় মুসলীম কমার্শিয়াল ব্যাংকের বারান্দায় ফেলে রাখা হয়। এ সময় আহতদের কয়েকজন ব্যাংকের দেয়ালে তাঁদের দেহ থেকে নিঃসরিত রক্ত দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন কর কথা লেখেন।

Share

আরও খবর

জাতীয় পতাকা দিবস আজ

মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1




সরস্বতী পূজা আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
তাকে ঐশ্বর্যদায়িনী, বুদ্ধিদায়িনী, জ্ঞানদায়িনী, সিদ্ধিদায়িনী, মোক্ষদায়িনী এবং শক্তির আঁধার হিসাবে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আরাধনা করেন

আজ হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা। সনাতন ধর্মমতে, জ্ঞান ও বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতী ভক্তদের মানবীয় চেতনায় উদ্দীপ্ত করতে প্রতিবছর ধরাধামে আবির্ভূত হন।

বিদ্যা ও ললিতকলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর আরাধনা করবে মর্ত্যের ভক্তকুল। ঢাক-ঢোল-কাঁসর-শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজায় অংশ নিতে সার্বজনীন পূজা কমিটি অনুরোধ জানিয়েছে।

শাস্ত্র মতে, প্রতিবছর মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে শ্বেতশুভ্রা কল্যাণময়ী বিদ্যাদেবী সরস্বতীর আরাধনা করা হয়। শ্বেতশুভ্র বসনা সরস্বতী দেবীর এক হাতে বেদ, অন্য হাতে বীণা থাকে। এ জন্য তাকে বীণাপাণিও বলা হয়। তাকে ঐশ্বর্যদায়িনী, বুদ্ধিদায়িনী, জ্ঞানদায়িনী, সিদ্ধিদায়িনী, মোক্ষদায়িনী এবং শক্তির আঁধার হিসাবে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আরাধনা করেন।

সরস্বতী পূজা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা সরস্বতী পূজা উপলক্ষে দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঘরে ঘরে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় বিভিন্ন এলাকা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূজার আয়োজন হলেও সরস্বতী পূজার প্রধান কেন্দ্র হয়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল মাঠ। কিন্তু এবার করোনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় সেই উৎসবমুখর পরিবেশে আর হচ্ছে না।

যদিও পূজা উপলক্ষে বরাবরের মতো নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির। ভক্ত ও দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজায় অংশ নিতে অনুরোধ করেছেন মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্রনাথ মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কিশোররঞ্জন মণ্ডল।

Share

আরও খবর

ভালোবাসা সম্পর্কে ইসলাম যা বলে

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১




নারায়ণগঞ্জে চার শ্রমিক হত্যা: মৃত্যুদণ্ড ২, যাবজ্জীবন ৯

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৪৯জন দেখেছেন
Share

Image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলীতে চার বাল্কহেড শ্রমিক হত্যা মামলায় দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড ও নয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৭ আদালতের বিচারক মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াসমিন সাত আসামির উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন।

এছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বাল্কহেডের দুই ফিডারম্যান (ইঞ্জিনমিস্ত্রী) তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিন। মামলায় বার আসামির মধ্যে চারজন এখনও পলাতক রয়েছেন এবং একজন ইতোপূর্বে মারা গেছেন।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জানান, ২০০৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শাহপরাণ নামের বাল্কহেড সিলেট থেকে পাথর বোঝাই করে মুন্সীগঞ্জে একটি সিমেন্ট কারখানায় যায়। সেখানে পাথর খালাস করে ২১ সেপ্টেম্বর বাল্কহেডটি ফেরার পথে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে থেমে যায়। পরে বাল্কহেডটি মেরামত করার জন্য এর চালক দুই ফিডারম্যান তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিনকে ফোন করে ডেকে আনেন। মেরামত শেষে বাল্কহেডটি সচল হলে দুই ফিডারম্যান তা পরীক্ষা করার কথা বলে রাতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ডাকাতদের যোগসাজশে বক্তাবলীর চরে নিয়ে থামিয়ে দেয়। ওইদিন রাতের কোন এক সময় দুই ফিডারম্যান সহযোগিদের সাথে নিয়ে চালক নাসির মিয়া, কর্মচারি মঙ্গল, ফয়সাল ও হান্নানকে হাত পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়া হয়। পরে মেঘনা নদী থেকে হাত পা বাঁধা ও গলাকাটা অবস্থায় নাসির এবং মঙ্গলের লাশ উদ্ধার হলেও ফয়সাল ও হান্নান নামের অপর দুই শ্রমিক নিখোঁজ থাকেন। পরে বাল্কহেডটি বক্তাবলীর চর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পুলিশ জব্দ করে।

এ ঘটনার পরদিন ২০০৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বাল্কহেডটির মালিক এরশাদ মিয়া ফতুল্লা থানায় বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ দুই ফিডারম্যান তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিনসহ সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে ও দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফতুল্লা থানার উপ-পরিদর্শক বদরুল আলম আসামিদের জবানবন্দীর ভিত্তিতে ২০০৯ সালের ২৬ মার্চ ১২ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত যুক্তিতর্ক ও ১৮ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এই রায় প্রদান করেন।

বাংলাদেশ কার্গো বাল্কহেড ও ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বেপারী জানান, হত্যার সাথে আসামিরা সকলেই জড়িত ছিল। সবার মৃত্যুদণ্ড হলে এ রায় পরিপূর্ণ হতো।

Share

আরও খবর



‘নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে’

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৪৮জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ঢাকাস্থ খুলনার সাবেক ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের বনভোজন ও মিলনমেলা ২০২১-এ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এসময় মন্ত্রী বলেন, "সন্তানদের শেখাতে হবে  মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কাকে বলে। কোমলমতি বাচ্চাদের শেখাতে হবে অসাম্প্রদায়িকতা কাকে বলে। তাদেরকে শেখাতে হবে বঙ্গবন্ধু একটা প্রতিষ্ঠান ছিল। তাঁর জীবনালেখ্য পড়াতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মৃত্যুঞ্জয়ী শেখ হাসিনা ঊনিশ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও কীভাবে অদম্য গতিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, সেটাও এ প্রজন্মকে শেখাতে হবে।"

তিনি আরো বলেন, '৭১ এ পাকিস্তানিদের নৃশংসতার কথা নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। একদিন বাংলাদেশে আমরা ক্ষমতায় নাও থাকতে পারি, কিন্তু আমাদের সন্তানরা যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বেড়ে উঠে।"

ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে স্মরণ করে শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, "৭ মার্চ প্রকৃতপক্ষে বাঙালির স্বাধীনতা ঘোষণার দিন। বঙ্গবন্ধু '৭১ এর ২৬ শে মার্চ প্রথম প্রহরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এদিন তিনি যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন। তার মানে ৭ মার্চে স্বাধীনতার ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল। এটাই বাস্তবতা।"

Share

আরও খবর