Logo
শিরোনাম

টাঙ্গাইলে পুকুর থেকে দুই ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ২২ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ২৬০১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টাঙ্গাইল থেকে শরিফুল ইসলাম

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাঘিল বাজারের উত্তর পাশের একটি পুকুর থেকে সহোদর দুই ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২২ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো টাঙ্গাইল পৌর শহরের পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়ার আদম মন্ডলের মেয়ে আবিদা (১২) ও ছেলে রিফাত (১০)।

দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লাভলু মিয়া জানান, নিহত শিশু দুইটি বাবার সাথে আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে যায়। শনিবার দুপুরে আত্বীয় বাড়ীর পাশের একটি পুকুরে শিশু দুটির মরদেহ ভেসে উঠে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন পানি থেকে শিশু দু'টির মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর খবর পেয়ে শিশু দুটির লাশ পুলিশ এসে নিয়ে গেছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



আরও খবর



ঢাবিতে ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ২০

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে টিএসসি এলাকায় অসহায়দের খাবার ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি শুরুর আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুরে টিএসসির জনতা ব্যাংকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

সেখানে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনসহ ছাত্রদলের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

হামলার বিষয়ে ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহবায়ক মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, খাবার ও ত্রাণ সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম শুরুর আগে আমাদের নেতাকর্মীরা টিএসসি এলাকায় একত্রিত হলে ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মিজানুর পিকুলের নেতৃত্বে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ হামলা চালায়। এতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতিসহ অনেকে আহত হয়েছেন। ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে ২০ জনের বেশি চিকিৎসা নিচ্ছে।


আরও খবর



মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর অধ্যক্ষের হুমকি

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১১১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
রাত প্রায় আড়াইটার দিকে মাও. মিন্টু হলরুমে প্রবেশ করে ওই ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি জানাজানি না করার জন্য হুমকি দেয়

বগুড়ার শিবগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাও. আবদুর রহমান মিন্টু (৩২) নামের এক মাদরাসা অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার মিন্টু শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়নের পার লক্ষ্মীপুর চাঁনপাড়া গ্রামের মৃত সোলাইমান আলীর ছেলে এবং শিবগঞ্জ পৌর এলাকায় অবস্থিত বানাইল কলেজ পাড়া মহল্লার হযরত ফাতেমা (রা.) হাফেজিয়া মহিলা মাদরাসার মুহতামিম (অধ্যক্ষ)।

মঙ্গলবার (১ জুন) বিকেলে থানায় দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণ মামলায় রাতেই শিবগঞ্জ এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে তাকে। বুধবার (২ জুন) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম।

পুলিশ সূত্র জানায়, হযরত ফাতেমা (রা.) হাফেজিয়া মহিলা মাদরাসাটি আবাসিক। সেখানে আরও ১১ থেকে ১২ জন ছাত্রী একসঙ্গে হলরুমে থাকতো। তাদের সঙ্গে ভুক্তভোগী ছাত্রীও লেখাপড়া করতো। সে হলরুমের পাশেই পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন অধ্যক্ষ মাও. আবদুর রহমান মিন্টু। রবিবার (৩০ মে) ছাত্রীরা সবাই রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত প্রায় আড়াইটার দিকে মাও. মিন্টু হলরুমে প্রবেশ করে ওই ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি জানাজানি না করার জন্য হুমকি দেয়। কিন্তু ওই ছাত্রী বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। পরে পরিবার থেকে মামলা করা হয় ওই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে।

শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত মিন্টু ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। সে এর আগেও মাদরাসার আরও একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে বলে জানিয়েছে। তবে তারা আত্মসম্মানের ভয়ে আইনের আশ্রয় নেয়নি।


আরও খবর



শনিবার থেকে সাতক্ষীরায় ৭ দিনের কঠোর লকডাউন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রামণ বেড়ে যাওয়ায় সাতক্ষীরায় আগামী শনিবার পর্যন্ত সাত দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এস এম মোস্তফা কামাল এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, আগামী শনিবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত গোটা জেলা সাত দিনের কঠোর লকডাউন থাকবে। শনিবার থেকে আগামী ৭ দিন বাইরের জেলা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোনো পরিবহন ঢুকতে পারবে না এবং জেলা থেকে অন্য কোথাও যেতে পারবে না। অর্থাৎ আন্তঃজেলা পরিবহন বন্ধ থাকবে।

তবে এ সময়ে জরুরি পরিসেবা চালু থাকবে।

জরুরি পরিষেবা যেমন- কৃষি উপকরণ, খাদ্যশস্য পরিবহন, কোভিড টিকা, ত্রাণ বিতরণ, গণমাধ্যমকর্মী, ইন্টারনেট লাইন সংযোগ সংশ্লিষ্টরা লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবেন।

কঠোর লকডাউনে সব ধরনের যানবাহন বন্ধ থাকবে। তবে অ্যাম্বুলেন্স ও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করবে। এছাড়া শিল্প কলকারখানার শ্রমিকরা নিজস্ব পরিবহনে যাতায়াত করবেন।

সাতক্ষীরা সীমান্তের চোরাইপথ দিয়ে অবৈধ লোকজনের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।


আরও খবর



রোজিনা ইসলামের জামিন না হলে কঠোর কর্মসূচি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ মে 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রোজিনা ইসলামের জামিন রবিবার (২৩ মে) যদি না হয় তবে সব সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

শুক্রবার (২১ মে) দুপুরে সাংবাদিক রোজিনাকে নির্যাতন ও গ্রেফতারের ঘটনায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) প্রতিবাদী সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ডিআরইউ প্রাঙ্গণে।

সমাবেশে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ ও নাগরিক টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক আজাদ বলেন, আমি সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন করতে চাই। বিশেষ করে সরকারের চারজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বলেছেন রোজিনা ইসলাম যেন ন্যায় বিচার পান, তারা তা দেখবেন। কিন্তু আমি তাদের কার্যক্রম নিয়ে সন্দিহান। কেননা জামিন যোগ্য মামলায় একটি মামলা হলো, অথচ তাকে এতটা বেগ পেতে হচ্ছে।

আমি দাবি করেছিলাম একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করুন। নতুন একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে কিন্তু এটি অত্যন্ত হাস্যকর। কেননা যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের নিয়ে তদন্ত কমিটি। আমরা চাই এ কমিটিতে সাংবাদিকরা থাকবে, সরকারের অন্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা থাকবে, একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি হবে।

তিনি বলেন, তথ্য আইনে বলা হয়েছে অন্য যেকোনো আইনে যাই থাকুক না কেন এখন থেকে এটি বিধানযোগ্য। অথচ রোজিনার বিরুদ্ধে মামলা হল একটি ব্রিটিশ আমলের আইনে। এটিতো প্রথম দিনই খারিজ হওয়ার কথা ছিল। শাহবাগ থানার কর্মকর্তারা বলেছেন, আমাদের ওপর চাপ আছে, তাহলে কি আইন তার নিজের গতিতে চলছে?

ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন, রোজিনা আপাকে হেনস্তা করা হয়েছে। এজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত। যদি পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা না হয়, তবে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে মামলা করা হবে।  ডিআরইউর সহ-সভাপতি ওসমান গণি বাবুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- সহ-সভাপতি আজমল হক হেলাল, নারী সম্পাদক রীতা রাহাত, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাইদুর রহমান রুবেল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, কারা বরণ করা বিশিষ্ট সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল, সিনিয়র সাংবাদিক আশীষ কুমার দে প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, এ সমস্যার সমাধান না হলে আমরা স্বেচ্ছায় কারাবরণ করতে চাই। জনগণের তথ্য জনগণকে দিয়ে যদি আমরা অপরাধ করি, তবে আমরা এ অপরাধ করে যাব। আমরা বুঝে গেছি এ ন্যায় বিচারটি সহজতর হবে না। কেননা যারা বিচার করছেন তারাই দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও আমলারা সুপরিকল্পিতভাবে রোজিনা ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছে। আমরা এ আন্দোলন চালিয়ে যাব।

আমরা চাই তথ্যমন্ত্রীর নিজ উদ্যোগে রোজিনা ইসলামকে ছাড়িয়ে আনা হোক। তাকে সব প্রকার মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। সাংবাদিক সুরক্ষা আইন দ্রুত বাস্তবায়ন হোক, সংবাদকর্মীদের কর্মক্ষেত্র সুরক্ষিত থাকুক।

তারা বলেন, জব্দ তালিকায় যেসব জিনিস দেখানো হয়েছে সেগুলো জব্দ করেছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। অথচ এ কাজ পুলিশের। এ থেকেই বোঝা যায় যে কর্মকর্তারা তাদের ডেস্ক থেকে এসব কাগজ এনে রোজিনা ইসলামকে ফাঁসিয়েছেন। আর মামলাটা যে ভুয়া, সেটিও তথ্য প্রমাণসহ গণমাধ্যম প্রমাণ করেছে।

বক্তারা বলেন, গত ২০ বছরে 'অফিস সিকিউরিটি অ্যাক্ট' আইনে ভারতসহ উপমহাদেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যত মামলা হয়েছে তার সবগুলোই খারিজ করা হয়েছে। বরং সাজা হয়েছে ওই অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তথ্য পাচারের অভিযোগে। তাহলে রোজিনা ইসলাম এখনো কারাগারে কেন! এ মন্ত্রণালয়ের একজন গাড়ি চালকের যদি কোটি কোটি টাকা থাকে তাহলে অন্য কর্মকর্তাদের কি অবস্থা তা সবাই জানেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির এ প্রতিবাদ সমাবেশের সঙ্গে সাংবাদিকদের অন্যান্য সংগঠনও এ সময় একাত্মতা প্রকাশ করেন।


আরও খবর



মিয়ানমারে বিমান বিধ্বস্ত, সামরিক কর্মকর্তাসহ নিহত ১২

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্তের খবর পাওয়া গেছে। রুশ সংবাদমাধ্যম স্পুটনিক তাদের খবরে জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত আরও চার জন। বিমানটি ১৬ জন যাত্রী নিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সও একই রকমের খবর দিয়েছে। মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় শহর মান্দালয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

গত ১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে রাজপথে জোরালো প্রতিবাদ গড়ে উঠলে প্রাণঘাতী বল প্রয়োগ করে সেনা সরকার। দেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে আট শতাধিক বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে। রাজপথে বিক্ষোভ কিছুটা প্রশমিত হয়ে এলেও সেনা সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটির বহু গোষ্ঠী। তবে সামরিক বিমানটি কোনও গোষ্ঠীর হামলায় ধ্বংস হয়েছে কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।


আরও খবর