Logo
শিরোনাম

টিকটকের রাজস্বের অংশ পাবেন নির্মাতারা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এখন থেকে টিকটকের রাজস্বের অংশ পাবেন নির্মাতারা। বুধবার এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে যে, জনপ্রিয় টিকটক নির্মাতাদের সঙ্গে বিজ্ঞাপন রাজস্বের একটি অংশ শেয়ার করা হবে।

সংক্ষিপ্ত-ভিডিও ফরম্যাটের অ্যাপটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এক শ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী নিয়ে বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। যদিও টিকটক নির্মাতাদের ঠিক উপায়ে অর্থ প্রদান না করার জন্য সমালোচিত হয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।

টেক এক্সপ্লোরের প্রতিবেদনে জানা যায়, নতুন টিকটক পালস প্রোগ্রামের অধীনে হেলথ, ফ্যাশন, রান্না, গেমিং এবং অন্যান্য নির্দিষ্ট বিভাগে ব্যবহারকারীর বিষয়বস্তুর পাশে বিজ্ঞাপন রাখা যাবে। এবং নির্মাতারা এই বিজ্ঞাপন থেকে অর্জিত রাজস্বের একটি অংশ পাবেন।

টিকটকের সহযোগী সংস্থা চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স এক বিবৃতিতে জানায়, আমরা নির্মাতা, পাবলিক ব্যক্তিত্ব এবং মিডিয়া প্রকাশকদের সঙ্গে প্রথমে আমাদের বিজ্ঞাপনের রাজস্ব শেয়ারের বিষয়টি পরীক্ষামূলক ভাবে প্রয়োগ করব।

বাইটড্যান্স আরও জানায়, আমরা মনিটাইজেশনের বিষয়ে মনোনিবেশ করছি যাতে নির্মাতারা টিকটকে নিজেদের মূল্যবান এবং সম্মানিত বোধ করেন।

টিকটক বলছে, প্রথম পর্যায়ে একটি অ্যাকাউন্টে অন্তত ১ লাখ সাবস্ক্রাইবার হলে মনিটাইজেশন পরিকল্পনার জন্য যোগ্য হবে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে টিকটক আনুমানিক ৪৬০ কোটি ডলার আয় করেছে। এই সংখ্যা আগের বছরের রাজস্বের দ্বিগুণেরও বেশি।

ভিডিওতে ফোকাস করে প্রতিষ্ঠিত এমন অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক যেমন ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম এবং স্ন্যাপচ্যাট ইতিমধ্যেই ব্যবহারকারীদের সঙ্গে রাজস্ব শেয়ারের বিষয়টি চালু করেছে।


আরও খবর



২ বিমানের সংঘর্ষের ঘটনায় বিমানের প্রধান প্রকৌশলীসহ ৫ জন বরখাস্ত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দু’টি উড়োজাহাজের ধাক্কার ঘটনায় বিমানের প্রধান প্রকৌশলীসহ পাঁচজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন বিমানের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম, প্রকৌশলী মো. মাইনুল ইসলাম, সৈয়দ বাহাউল ইসলাম, সেলিম হোসেন খান এবং জিএসই অপারেটর মো. হাফিজুর রহমান।

বুধবার রাতে বরখাস্তের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মুখপাত্র ও জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক তাহেরা খন্দকার। তিনি জানান, এ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সাময়িকভাবে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিপূর্ণ তদন্ত শেষে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ১০ এপ্রিল শাহজালাল বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে বোয়িং ৭৭৭ ও বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আঘাত করা উড়োজাহাজটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজের সামনের অংশে থাকা ওয়েদার রাডার নষ্ট হয়ে গেছে। আর বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজের লেজের ভার্টিকাল স্ট্যাবিলাইজার ভেঙে যায়।

ঘটনার পরদিন ১১ এপ্রিল ক্ষতিগ্রস্ত উড়োজাহাজ দু’টি পরিদর্শন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। পরে১৩ এপ্রিল এ ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। কমিটিকে সাতদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।


আরও খবর



বাড়ি আরশোলা-মুক্ত করার ৩ টি উপায়

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এমনও নারী আছেন যারা একটা আরশোলা দেখলে এতোটা ভায় পান যে, সাপ দেখলেও হয়তো ততটা ভয় পাননা। আরশোলাকে আপাত দৃষ্টিতে নিরীহ গোছের সাধারণ পোকা মনে হলেও এটি কিন্তু অত্যন্ত ক্ষতিকর! কারণ, আরশোলা ময়লা আবর্জনা থেকে উঠে আসে আরশোলার গায়ে বা পায়ের সঙ্গে নানা ক্ষতিকর রোগ-জীবানু বহন করে বেড়ায়।

আপনার সারা ঘরময় ঘুরে বেড়ায়, খাবার-দাবারের উপর হেঁটে বেড়ায়। ফলে আরশোলা গায়ে বা পায়ে লেগে থাকা ক্ষতিকর জীবাণু আমাদের খাবারের সংস্পর্শে আসে আমাদের ক্ষতি করে। নানা রোগ-জীবানু ছড়ায় এই আরশোলার থেকেই। তাই ঘর-বাড়ি থেকে আরশোলা দূর করা অত্যন্ত জরুররি।

আসুন জেনে নেওয়া যাক বাড়ি আরশোলা-মুক্ত করার ৩ টি উপায়।

১) চিনি ও বেকিং সোডার ব্যবহার: আরশোলা বেকিং সোডার গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না। সমপরিমাণ চিনি আর বেকিং সোডা একসঙ্গে মিশিয়ে বাড়ির সব কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। চিনির গন্ধে আরশোলা আকৃষ্ট হয়ে বেকিং সোডা মিশ্রিত চিনি খেয়ে মারা পড়বে। সপ্তাহে দু দিন করে অন্তত তিন সপ্তাহ এই পদ্ধতিটি কাজে লাগাতে পারলে আরশোলার উপদ্রব থেকে একেবারে মুক্তি পাওয়া যাবে।

২) বোরিক পাউডারের ব্যবহার: বোরিক পাউডার মূলত একধরণের অ্যাসিডিক উপাদান যা পোকামাকড়ের যন্ত্রণা কমাতে সহায়ক। তবে আরশোলার উপদ্রব বন্ধ করার ক্ষেত্রেও বোরিক পাউডারের ব্যবহার করা চলে। ১ চামচ বোরিক পাউডার, ২ চামচ ময়দা বা আটা আর ১ চামচ কোকো পাউডার এক সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে এই মিশ্রণটি বাড়ির সব কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। আরশোলা এই মিশ্রণে আকৃষ্ট হয়ে বোরিক পাউডার খেয়ে মারা পড়বে। সপ্তাহে তিন দিন করে অন্তত দু সপ্তাহ এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে পারলে আরশোলার উপদ্রব থেকে একেবারে মুক্তি পাওয়া যাবে।

৩) তেজপাতার ব্যবহার: আরশোলা তাড়ানোর সবচেয়ে সহজ ও সস্তা উপাদান হল তেজপাতা। তেজপাতার তীব্র গন্ধ আরশোলা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। তেজপাতা গুঁড়ো করে বাড়ির সব কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। সপ্তাহে অন্তত দুদিন এই ভাবে তেজপাতা গুঁড়ো ছড়িয়ে দিতে পারলে আরশোলার উপদ্রব থেকে একেবারে মুক্তি পাওয়া যাবে।

নিউজ ট্যাগ: আরশোলা

আরও খবর



১১ অঞ্চলে ৮০ কি.মি বেগে ঝড়ের আভাস

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানী ঢাকাসহ ১১ অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ে আভাস রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দর গুলোকে দুই নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

(৩০ এপ্রিল)  শনিবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমান।

তিনি জানান, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়ায় ঢাকা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্ৰবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত (পুনঃ) ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

এই অবস্থায় রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বিজলী চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কি. মি, যা অস্থায়ীভাবে পশ্চিম/দক্ষিণপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫০-৬০ কি.মি. পর্যন্ত ওঠে যেতে পারে।

সোমবার নাগাদ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়া সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: ঝড়ের আভাস

আরও খবর



চলতি হিসাব বছরে মুনাফা বেড়েছে ১৮৯ কোম্পানির

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশীয় উৎপাদন ও সেবা খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো চলতি ২০২১-২২ হিসাব বছরে আগের চেয়ে ভালো মুনাফা করছে। এমন ১৮৯ কোম্পানির গত জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে সাকল্যে নিট মুনাফায় বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। আর গত বছরের জুলাই থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসের হিসাবে মুনাফা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

বর্তমানে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ৩৪৯টি। এর মধ্যে দেশীয় উৎপাদন ও সেবা খাতের (আর্থিক খাত বাদে) মোট কোম্পানি ২২৭টি। বৃহস্পতিবার (৫ মে) পর্যন্ত ১৮৯টি কোম্পানি গত মার্চ প্রান্তিক শেষে অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তার ভিত্তিতেই এ হিসাব করা হয়েছে। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও ৩৮টি কোম্পানি এখনও আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা ১৮৯ কোম্পানির মধ্যে ৯ মাসের হিসাবে (জুলাই-মার্চ) ১৫০টি মুনাফায় আছে। এদের নিট মুনাফা ১০ হাজার ৩০২ কোটি টাকা, যা আগের হিসাব বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি। তবে সর্বশেষ জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে নিট মুনাফা বেশি হয়েছে ৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ। আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৯টি লোকসানে আছে। ৯ মাসে তাদের মোট লোকসানের পরিমাণ ৩২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সর্বশেষ জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে লোকসান ছিল ১১২ কোটি টাকা।

জানা গেছে, ৯ মাসের মধ্যে প্রথম ৬ মাসের মুনাফার প্রবৃদ্ধি বেশি হওয়ার কারণ হলো আগের একই সময়ে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বেশিরভাগ কোম্পানির ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত ছিল। কিন্তু ২০২১ সাল থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য অনেকটাই স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে। ফলে চলতি হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসে যত প্রবৃদ্ধি হয়েছে, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে তত হয়নি।

পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, ৯ মাসের হিসাবে যেসব কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) সবচেয়ে বেশি বেড়েছে, সেগুলোর বেশ কিছু দুর্বল মৌল ভিত্তির কোম্পানি হিসেবে পরিচিত। যেমন তথ্য-প্রযুক্তি খাতের ইনফরমেশন সার্ভিসেসের ইপিএস হয়েছে ৪৩ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের তুলনায় ১৪ গুণের বেশি। গত হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল মাত্র ১৩ পয়সা। এভাবে বস্ত্র খাতের মোজাফফর হোসেইন স্পিনিং মিলসের ১২ পয়সা থেকে ১ টাকা ৭২ পয়সা হয়েছে। এ তালিকায় আছে- বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপার, সোনালী পেপার, পেপার প্রসেসিং, দেশ গার্মেন্টস, তমিজুদ্দিন টেক্সটাইল, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, দেশবন্ধু পলিমার, গোল্ডেন সন, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস ইত্যাদি। এসব কোম্পানির ইপিএস ২ থেকে ৯ গুণ হয়েছে।

স্বাভাবিক ব্যবসায় ফেরার কারণে আরও অনেক কোম্পানির নিট মুনাফা ও ইপিএসে বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে। যেমন- প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিবিএসের ইপিএস ১০ পয়সা থেকে ১৪ গুণ বেড়ে ১ টাকা ৪২ পয়সা হয়েছে। আবার পর্যটন ও ভ্রমণ খাতের কোম্পানি ইউনিক হোটেল আগের বছর যেখানে শেয়ারপ্রতি ২৬ পয়সা লোকসান করেছিল, চলতি হিসাব বছরের প্রথম ৯ মাসে ৩ টাকা ৬ পয়সা হারে মুনাফা করার তথ্য দিয়েছে।

এদিকে মুনাফায় আছে, কিন্তু আগের হিসাব বছরের তুলনায় কমে যাওয়ার শীর্ষে আছে আর্গন ডেনিমস। আগের হিসাব বছরের ৯ মাসে যেখানে এর ইপিএস ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের একই সময়ে যা ৪ পয়সায় নেমেছে। সরকারি মালিকানাধীন ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টসও একই অবস্থায়। কোম্পানিটির ইপিএস ৩১ টাকা ৮১ পয়সা থেকে কমে ২ টাকা ৮১ পয়সায় নেমেছে। ইপিএস কমার তালিকায় আরও আছে সিমেন্ট খাতের প্রিমিয়ার ও ক্রাউন সিমেন্ট, প্রকৌশল খাতের বিডি থাই, কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ, ডমিনেজ স্টিল, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল মিলস, মীর আকতার লিমিটেড ইত্যাদি। এ ছাড়া তালিকাভুক্ত ল্যুবরেফ, এমএল ডাইং, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, এস কে ট্রিমস, সামিট পাওয়ার এবং নাভানা সিএনজি রিফুয়েলিং কোম্পানির ইপিএসও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

নিউজ ট্যাগ: নিট মুনাফা

আরও খবর



লকডাউনে আরো দুর্বল হয়েছে চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য আরো দুর্বল হয়েছে। কয়েক মাস ধরেই দেশটির আমদানি-রফতানি বাণিজ্য ধীর ছিল। এপ্রিলে এটি আরো শ্লথ হয়েছে। বিশেষ করে চীনা পণ্যের রফতানি প্রবৃদ্ধিতে ব্যাপক পতন হয়েছে। গত মাসে দেশটির রফতানি আয় বেড়েছে মাত্র ৩ দশমিক ৯ শতাংশ। যেখানে মার্চেও রফতানি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ। অন্যদিকে এ সময়ে অপরিবর্তিত রয়েছে আমদানি ব্যয়। খবর রয়টার্স।

সম্প্রতি প্রকাশিত কাস্টমস ডাটা অনুসারে, এপ্রিলে ২৭ হাজার ৩৬২ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছে চীন। অর্থের হিসাবে রফতানির এ পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। রয়টার্সের জরিপে অর্থনীতিবিদরা ৩ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। এপ্রিলে রফতানি প্রবৃদ্ধির হার ২০২০ সালের জুনের পর সবচেয়ে কম। রফতানি প্রবৃদ্ধি কমার পেছনে বিশ্লেষকরা কঠোর ও বিস্তৃত কভিডজনিত নিষেধাজ্ঞায় কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়া, সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার পতনকে দায়ী করেছেন। এদিকে এপ্রিলে চীন ২২ হাজার ২৫০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। গত মাসের আমদানি ২০২১ সালের একই সময়ের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ মার্চে দশমিক ১ শতাংশ পতনের চেয়ে কিছু উন্নতি হয়েছে। যেখানে অর্থনীতিবিদরা ৩ শতাংশ সংকোচনেরও পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।

চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যের এ তথ্য বিশ্লেষকদের আশঙ্কা সত্য প্রমাণিত করেছে। দেশটির জিরো কভিড নীতির কারণে আশঙ্কা ছিল সাংহাই ও অন্য শিল্পাঞ্চলগুলোর বেশির ভাগ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে গাড়ি, ইলেকট্রনিকস এবং অন্যান্য শিল্পের বাণিজ্য ও কার্যক্রম ব্যাপকভাবে কমে যাবে। তবে বিশ্লেষকরা আশা করছেন, প্রাদুর্ভাব কমে যাওয়ায় চলতি মাসে শিল্প-কারখানার কার্যক্রম ঊর্ধ্বমুখী হবে। গত মাসে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত মার্চের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। এ সময়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি ৫ হাজার ১১২ কোটি ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত পেয়েছে। অর্থনীতিবিদরা ৫ হাজার ৬৫ কোটি ডলার বাণিজ্য উদ্বৃত্তের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। মার্চে এ উদ্বৃত্তের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৭৩৮ কোটি ডলার।

কয়েক মাস ধরেই চীনে কভিড সংক্রমণের গতি ঊর্ধ্বমুখী। দুই বছরের মধ্যে ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব মোকাবেলার চেষ্টায় সরকারের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা হাইওয়ে ও বন্দরগুলোর কার্যক্রম সীমিত করে দেয়। এতে সাংহাইয়ের বাণিজ্যিক কেন্দ্রসহ কয়েক ডজন শহরে কার্যক্রম সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। এ বিধিনিষেধের আওতায় অ্যাপলের আইফোন প্রস্তুতকারক ফক্সকন থেকে টয়োটা ও ফক্সওয়াগনের মতো গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এরই মধ্যে এপ্রিলে কারখানা কার্যক্রম সংকোচনের মুখোমুখি হয়েছে। শিল্প সমীক্ষাগুলো বলছে, এসব প্রতিবন্ধকতার কারণে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও কমিয়ে দিতে পারে। পণ্য ব্যবসার কেন্দ্রবিন্দু ইয়ুতে বিদেশী বাণিজ্য ব্যবস্থাপক শি জিনিউ বলেন, কোভিডের কারণে মাত্র ২০-৫০ শতাংশ দোকান খোলা। এরই মধ্যে পরিস্থিতি যথেষ্ট কঠিন হয়ে উঠেছে। ঘটনা এমন যে বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে আমরা একটি ফুটো ছাদ পেয়েছি।

অন্যদিকে ইউক্রেনে যুদ্ধও চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যে অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি করেছে। ক্রমাগত ভোক্তা ব্যয় দুর্বল এবং রিয়েল স্টেট খাতে দীর্ঘায়িত মন্দাও বাণিজ্য প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দেশটিতে বেকারত্ব হার প্রায় দুই বছরের সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে। যদিও কর্তৃপক্ষ আস্থা বাড়াতে এবং আরো কর্মসংস্থান হারানো ঠেকাতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিছু বিশ্লেষক ক্রমবর্ধমান মন্দার ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক করেছেন। তারা বলছেন, বেইজিং জিরো কভিড নীতি থেকে সরে না এলে মন্দাও দেখা দিতে পারে। অন্যথায় নীতিনির্ধারকদের ২০২২ সালের প্রায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আরো প্রণোদনা দিতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: লকডাউন

আরও খবর