Logo
শিরোনাম

তিন দিন নয়, টানা ১৫ দিন ইন্টারনেট না থাকলে বিল দিতে হবে না

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তিন দিন নয়, টানা ১৫ দিন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকলে গ্রাহককে বিল দিতে হবে না। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) আগের নিয়ম সংশোধন করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন নিয়মে কোনও গ্রাহক টানা ১৫ দিন ইন্টারনেট সেবা না পেলে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে (আইএসপি) বিল দেবেন না।

দেশে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, আমরা বৃহস্পতিবার বিটিআরসির চিঠি পেয়েছি। আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিটিআরসি এই সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এতে করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে এক দেশ এক রেট বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেদিন চিঠি ইস্যু হয়েছে সেদিন থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে।

এর আগে বিটিআরসি গত ৫ অক্টোবর গণমাধ্যমগুলোতে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এক দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ৫০ ভাগ নিতে পারবে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। দুই দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ২৫ ভাগ নেওয়া যাবে। আর টানা তিন দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে ওই মাসের কোনও মাসিক বিল গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া যাবে না।

পুরনো নিয়ম সংশোধন করে নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, টানা পাঁচ দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ৫০ ভাগ নিতে পারবে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। আর টানা ১০ দিন ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ২৫ ভাগ নেওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত, সরকার গত ৬ জুলাই সারাদেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার জন্য এক দেশ এক রেট ঘোষণা করে। 

তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, আমাদের দেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের যে অবকাঠামো তাতে করে একটানা নিরবছিন্ন ইন্টারনেট সেবাদান কঠিন কাজ। অনেক সময় এমন অনেক কাজের জন্য ক্যাবল কাটা যায় যে মেরামত শেষে পুনরায় সংযোগ দিতে অনেক সময় লাগে।  ফলে আমি মনে করি নতুন নির্ধারিত সময়টা সেবাদাতা ও সেবাগ্রহীতা দুই পক্ষের জন্যই ভালো হয়েছে।



আরও খবর



দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যাচেষ্টা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলার পর এবার তাদের পরিকল্পিতভাবে হত্যাচেষ্টা শুরু হয়েছে। কিলিং মিশন সফল করতে বিভিন্ন কৌশলে ভাড়াটে খুনিরা ব্যবসায়ীদের আশপাশে থাকার চেষ্টা করছে। এতে দেশের ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা বলেছেন, বেসরকারি খাত ধ্বংস করতে রাষ্ট্রবিরোধী একটি চক্র তাদের নীলনকশা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে।

তারই অংশ হিসেবে হয়রানিমূলক মামলার পাশাপাশি হত্যাচেষ্টা শুরু হয়েছে। সর্বশেষ দেশের শীর্ষ শিল্পোদ্যোক্তা পরিবার বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে একাধিকবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

জানা গেছে, দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী গ্রুপ বসুন্ধরা দেশের অর্থনীতির বিকাশ এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে অসামান্য অবদান রাখছে। বসুন্ধরা গ্রুপ এক এক করে ৪০টির বেশি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছে।

এসব শিল্পকারখানা ও প্রতিষ্ঠানে ৭০ হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

এর কয়েক মাস আগে ঢাকার বোট ক্লাবের সাবেক সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদকে নানাভাবে হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে জেলে ঢোকানো হয়। পরে তিনি জামিন পেলেও নায়িকা পরীমণির দায়ের করা হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা থেকে এখনো অব্যাহতি পাননি। সে সময় নাসির ইউ মাহমুদকে সামাজিকভাবেও হেয় প্রতিপন্ন করা হয়।

এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়। এর পেছনেও কোনো এক কুচক্রী মহল রয়েছে যাদের ক্ষমতার হাত অনেক লম্বা। রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধার অপব্যবহার  করে এ চক্রটি পরিকল্পিতভাবে ব্যবসায়ীদের ফাঁদে ফেলে ফায়দা লোটার ধান্দা করছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবসায়ীদের নানাভাবে হয়রানি নতুন বিষয় নয়। স্বাধীনতার পর থেকে এমনকি ২০০৭ সালে ১/১১-এর সময়ও ব্যবসায়ীদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছিল।

সে সময় তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক বিপুল পরিমাণ টাকাও আদায় করা হয়েছিল। অন্যায়ভাবে জেলে নেওয়া হয়েছিল স্বনামখ্যাত অনেক ব্যবসায়ীকে। ফলে সে সময় স্থবির হয়ে পড়ে ছিল দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতি। তবে এখন তারা আর শুধু হয়রানিতেই থেমে নেই।

কুচক্রীরা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে রাষ্ট্রেরই বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার আড়ালে ভাড়াটে খুনি নিয়োগ করে ব্যবসায়ীদের হত্যার পরিকল্পনা করে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য আবারও হুমকির সম্মুখীন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। করোনা মহামারীর আঘাতে এমনিতেই সারা বিশ্বের অর্র্থনীতি বিপর্যস্ত। করোনা অচলাবস্থার পর বাংলাদেশের অর্থনীতি যখন ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে ঠিক সেই মুহূর্তে শুরু হয়েছে দেশবিরোধী কুচক্রী মহলের গভীর ষড়যন্ত্র। তারা ব্যবসায়ীদের হত্যার নীলনকশা এঁকেছে। যার মাধ্যমে মূলত দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকেই বাধাগ্রস্ত করতে চায় এ কুচক্রী মহল।

কুচক্রীদের পরিকল্পনা ছিল গত শুক্রবার জুমার নামাজের সময় আনভীরকে গুলি করে হত্যার। ওই দিনই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সাউতুল কোরআন মাদরাসা ও এতিমখানা থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে সাইফুল ইসলাম সাদ (২৩) নামে চট্টগ্রামের পটিয়ার এক যুবককে আটক করে রাজধানীর ভাটারা থানা পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদ জানান, শুক্রবার (৫ নভেম্বর) পবিত্র জুমার নামাজ চলাকালে সায়েম সোবহান আনভীরকে গুলি করে হত্যার প্রস্তুতি ছিল তার। পটিয়ার সংসদ সদস্য হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এবং তার ছেলে নাজমুল করিম ওরফে শারুন চৌধুরীর নির্দেশে হত্যার এ পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেন তিনি। তার আগে দুধের মধ্যে বিষ মিশিয়ে এবং ছুরিকাঘাতে হত্যার ষড়যন্ত্র করে ব্যর্থ হয়েছে চক্রটি।

এ ঘটনার পর সারা দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় শিল্পপতিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। একের পর এক মামলার পর হত্যাচেষ্টার মতো ঘটনা রুখতে না পারলে দেশের অর্থনীতি আবার গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাধাগ্রস্ত হবে রপ্তানি ও শিল্পায়ন। ছন্দপতন ঘটবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। ব্যাহত হবে সরকারের প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন।

কৃষির পর ব্যবসা-বাণিজ্যই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। অথচ ব্যবসায়ীদেরই নানাভাবে হয়রানি ও হত্যার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আবার এ হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারীরা নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এমনকি রাষ্ট্রের নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে তারা দেশের উন্নয়নে যাঁরা ভূমিকা রাখছেন তাঁদেরই নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এতে শুধু ব্যবসায়ীদেরই ক্ষতি হচ্ছে না, বরং দেশ ও দেশের অর্থনীতি আজ হুমকির মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। কেননা শীর্ষ ব্যবসায়ীরাই বেসরকারি খাতের অর্থনীতি সচল রেখেছেন।

এমনকি যে কোনো ধরনের মহামারী, খরা, বন্যা বা সংকট উত্তরণে সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে বেসরকারি খাতই। আবার এ বেসরকারি খাতেই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান। পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বেসরকারি খাতের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এভাবে ব্যবসায়ীদের খুনের পরিকল্পনা করা হলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

উদ্যোক্তাদের জানমালের নিরাপত্তা দিতে হবে : আইবিএফবি সভাপতি হুমায়ুন রশীদ

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশের (আইবিএফবি) সভাপতি হুমায়ুন রশীদ এ প্রসঙ্গে বলেছেন, আমরা চাই ব্যবসায়ীরা যেন সুষ্ঠু পরিবেশে ব্যবসা করেন। তা হলেই দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হতে পারে। নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বসুন্ধরা দেশে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। সুতরাং সরকারের কর্তব্য তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাতে তারা বর্তমান এবং ভবিষ্যতের বিনিয়োগে আতঙ্কিত না হন। যে কোনো বিনিয়োগকারীর কোনো সমস্যা হলে তা যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা উচিত বলে জানান এই ব্যবসায়ী।

তিনি বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে হত্যার এ ধরনের জঘন্য প্রচেষ্টার নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ১/১১-এর জরুরি সময়ে কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ছিল না, কিন্তু এখন আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সে অনুযায়ী সঠিকভাবে কাজ করছে। তাই আমরা চাই প্রকৃত ঘটনায় অপরাধীর শাস্তি হোক।

এ কুচক্রী মহলকে আইনের আওতায় আনতে হবে : রিহ্যাব সহসভাপতি কামাল মাহমুদ

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশনের (বিহ্যাব) প্রথম সহসভাপতি কামাল মাহমুদ এ প্রসঙ্গে বলেন, এ কুচক্রী মহল যে-ই হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এটা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, উদ্বেগজনক ঘটনা। বসুন্ধরা গ্রুপের মতো একটি শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্রুপের এমডিকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা মানেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করা। যাঁরা দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন, দেশের মানুষের কর্মসংস্থান করছেন, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখছেন তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা খুবই দুঃসাহসিক কাজ।

এটা যারা করেছে তারা নিশ্চই কোনো না কোনো পক্ষের স্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এর ফলে হুমকির মুখে পড়বে দেশের আর্থিক খাত। বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে হত্যার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় আমরা ব্যবসায়ী সমাজ বিস্মিত, ক্ষুব্ধ, উদ্বিগ্ন। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে এর পেছনে যারা রয়েছে তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

স্বার্থান্বেষী মহল অর্থনীতি বাধাগ্রস্ত করতে চায় : বিএলডিএ মহাসচিব মোস্তফা কামাল মহীউদ্দিন

বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএলডিএ) মহাসচিব মোস্তফা কামাল মহীউদ্দিন বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে। দেশের বড় গ্রুপগুলো নিজেদের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে চেষ্টা করছে কর্মসংস্থান সৃষ্টির।

কিন্তুক্রমেই তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা কমে যাচ্ছে। সব পক্ষ ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। পদে পদে তাঁদের হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। সম্মান নিয়ে চলার জন্য সব জায়গায় আপস করে চলতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মর্যাদা বিবেচনা না করে কখন কে কোন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে একটা মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে দেবে এ নিয়েই উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। সামাজিকভাবে হেয় করা, গ্রেফতার করা, জেলে দেওয়ার ঘটনা অহরহ হচ্ছে।

এই উদ্যোক্তা বলেন, দেশের প্রতি ভালোবাসা ও দায়ববদ্ধতা থেকে ব্যবসায়ীরা সব সময় দেশে বিনিয়োগ করতে চান। অনেক ব্যবসায়ী এমন অপমানের ভয়ে দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন। দেশে বিনিয়োগও করছেন না, দেশে থাকতে চাচ্ছেন না। নিরাপত্তাহীন, সম্মানহীন ও মূল্যায়নহীন সমাজে বসবাস করতে চাইলেও মর্যাদা পাবেন না- এমন আশঙ্কা বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতির যদি অবসান না হয় তাহলে আমাদের কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি বলেন, বিদেশে ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়, যেহেতু তারা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন। সামাজিকভাবে ব্যবসায়ীদের সম্মানিত করা হয়। কিন্তু দেশে বিশেষভাবে যারা অনুগ্রহপ্রাপ্ত তারা ছাড়া প্রকৃত ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি নেই। বিএলডিএ মহাসচিব আরও বলেন, কেউ যদি আইন ভঙ্গ করে তার আইনের আওতায় বিচার হবে।

কিন্তু স্পষ্টত ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কাউকে ফাঁসালে সেখানে কেন প্রটেকশন পাওয়া যাবে না? সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী যাঁরা সমাজে অবদান রেখে চলেছেন তাঁদের যদি হয়রানি করা হয় তাহলে অন্য ব্যবসায়ীরাও নেতিবাচক বার্তা পান। এ পরিস্থিতি যদি সরকারের সংশ্লিষ্ট ও সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে গভীরভাবে না দেখা হয় তাহলে দেশের কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন কোনো কিছুর পরিণতি শুভ হবে না।

 


আরও খবর



‘সেট টপ বক্স’ না থাকলে ৩০ নভেম্বরের পর কেব্‌ল টিভি দেখা যাবে না

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ১২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের কেব্‌ল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল করা হবে। এই সময়ের মধ্যে গ্রাহকেরা সেট টপ বক্স না বসালে আর টেলিভিশন দেখতে পারবেন না। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব বিভাগীয় ও মেট্রোপলিটন শহরের সঙ্গে পুরোনো ১১টি জেলা শহরের কেব্‌ল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল করা হবে।

সচিবালয়ে আজ রোববার কেব্‌ল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন, অ্যাসোসিয়েশন অব টিভি চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো) এবং ড্রিস্ট্রিবিউটরদের নিয়ে সভার পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ এ তথ্য জানান।

৩০ নভেম্বরের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের সব কেব্‌ল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ডিজিটালাইজড করার সিদ্ধান্ত গত ২ সেপ্টেম্বর নেওয়া হয়। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে নির্ধারিত সময়েই ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের কেব্‌ল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল করা করা হবে। কেব্‌ল অপারটেররা জানিয়েছেন, তাঁরা ডিজিটাল ডিভাইস বসিয়েছেন। এখন গ্রাহকদের সেট টপ বক্স সরবরাহ করা হবে। গ্রাহকেরা এই সেট টপ বক্স না বসালে ৩০ নভেম্বরের পর টেলিভিশন দেখার ক্ষেত্রে ব্যত্যয় হবে।

আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বিভাগীয় ও মেট্রোপলিটন শহর ছাড়াও কুমিল্লা, বগুড়া, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, রাঙ্গামাটি ও কক্সবাজার জেলা শহরে কেব্‌ল নেটওয়ার্ক ডিজিটালাইজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এসব অঞ্চলের সঙ্গে যশোর, গাজীপুর, নারায়ণঞ্জ, টাঙ্গাইল, পাবনাসহ সব পুরোনো জেলা শহরের কেব্‌ল নেটওয়ার্কও ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ডিজিটাল করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৈঠকে সরকারের নির্দেশনা মেনে ক্লিন ফিড চালুতে সহায়তা করায় কেব্‌ল অপারেটরদের ধন্যবাদ জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশ ডিজিটাল হলেও এখনো কেব্‌ল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ডিজিটাল হয়নি। ভারতে হয়ে গেছে, নেপালে ব্যাপক আকারে হয়ে গেছে। আমাদের দেশে এটি করলে সবার জন্যই সুবিধা। গ্রাহকেরা ভালোভাবে টেলিভিশন দেখতে পাবেন। কেব্‌ল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল না হওয়ায় সরকার প্রতিমাসে ১২৫ থেকে ১৫০ কোটি টাকা ট্যাক্স পাচ্ছে না। কেব্‌ল অপারেটিংয়ের সঙ্গে যারা যুক্ত তাঁরাও কিন্তু গ্রাহকদের কাছ থেকে যেটুকু পাওয়ার কথা তা পায় না। কারণ কেব্‌ল অপারেটরেরা ফিড অপারেটরের মাধ্যমে পরিচালনা করে। দেখা যায় ফিড অপারেটরের গ্রাহক আছে ১০ বা ৫ হাজার কিন্তু তাঁরা হিসাব দেয় ১ হাজারের। এভাবে তাঁরাও বঞ্চিত হচ্ছেন। আমাদের টিভি কর্তৃপক্ষও নানাভাবে বঞ্চিত হচ্ছে। তাঁরাও জানছে না, কত দর্শক তাঁদের টেলিভিশন দেখছে। যখন নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ডিজিটালাইজড হয়ে যাবে তখন কোনো চ্যানেল যদি পে-চ্যানেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চায় তাঁদের পক্ষে সেটা সম্ভব হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, সেট টপ বক্সের দাম কেব্‌ল অপারেটরেরা একসঙ্গে নেবে না, সেটি ১২ থেকে ৩০ কিস্তিতে নেবেন বলে জানিয়েছেন। এটা গ্রাহকদের সঙ্গে তাঁদের বিষয়, এটা সরকার ঠিক করে দেবে না। সরকার থেকে মনিটরিংয়েরও প্রয়োজন নেই। চাহিদা বাড়লে দাম বাড়ার কোনো সুযোগ নেই। চাহিদা বাড়লে দাম কমার সম্ভবনা রয়েছে। গ্রাহক যদি চান, কেব্‌ল অপারেটরের কাছ থেকে না নিয়ে নিজেই বাজার থেকে কিনে নিতে পারবেন। সেপ টপ বক্স নিয়ে কাউকে মনোপলি করতে দেব না।

নিউজ ট্যাগ: সেট টপ বক্স

আরও খবর



ইয়েমেনের বিমানবন্দরে বিস্ফোরণে নিহত ১২

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর শহর এডেনের বিমানবন্দরের প্রবেশ দ্বারের কাছে একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি হামলার ঘটনা সে বিষয়টি এখনও পরিষ্কার নয়। খবর আল জাজিরার।

বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা বলেন, শনিবার বিমানবন্দরের প্রবেশদ্বারের বাইরে ছোট একটি ট্রাকে বিস্ফোরণ হয়েছে।

নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওই ট্রাকের ভেতরে পেট্রোলিয়াম পণ্য আনা হয়েছিল। বিস্ফোরণটি বেশ শক্তিশালী ছিল এবং পুরো শহর থেকেই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আশেপাশের বেশ কিছু ভবনের জানালা ভেঙে পড়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, বিস্ফোরণে ১২ বেসামরিক নিহত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। তবে বিস্ফোরণের কারণ এখনও জানা যায়নি।

চলতি মাসের শুরুতে শহরের গভর্নরের গাড়ি বহর লক্ষ্য করে একটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ৬ জন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়। হামলা থেকে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান গভর্নর।


আরও খবর



পিরোজপুরে বঙ্গবন্ধুর নামে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে সংসদে বিল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
পরে বিলটি এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠান হয়

পিরোজপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে জাতীয় সংসদে বিল তোলা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিল-২০২১ সংসদে উত্থাপন করেন।

পরে বিলটি এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠান হয়।

বিলে বলা হয়েছে, পিরোজপুর সদরে এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণার জন্য এক বা একাধিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করা যাবে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন এ আইন করা হচ্ছে।

খসড়া আইনে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি চার বছর মেয়াদের জন্য দুজন উপ উপাচর্য নিয়োগ করবেন। যাদের একজন অ্যাকাডেমিক এবং আরেকজন প্রশাসনিক কার্যক্রম দেখবেন।

নিউজ ট্যাগ: পিরোজপুর

আরও খবর



ডিজেল, নিত্যপণের দাম বাড়াকে যৌক্তিক বলছেন অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ডিজেলের দাম বাড়ায় ট্রাক, বাস, লঞ্চসহ অন্যান্য গণপরিবহনে ভাড়া বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। তবে মূল্যবৃদ্ধির ফলে জনগণের ওপর এই চাপকে যৌক্তিক বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

করোনায় মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে চলে গেছে, চাকরি হারিয়েছে, পণ্যের দাম বেড়েছে। এর সঙ্গে ডিজেলের দাম বাড়ায় ট্রাক, বাস, লঞ্চসহ নানা জায়গায় ভাড়া বেড়েছে। জনগণের ওপর এই চাপ দেওয়াটা কতটা যৌক্তিক এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুরোটাই যৌক্তিক। সরকার কোত্থেকে টাকা পাবে? রেভিনিউ অর্জন করেই সরকারকে কাজ করতে হচ্ছে। তারপরও সরকার যতটুকু সম্ভব এটা সামঞ্জস্য করে দেয়।

তিনি বলেন, ভালো দিক দেখবেন না, তেলের দাম কি আমরা বাড়িয়েছি? আমাদের সরকার বাড়িয়েছে? কোনো জাহাজে যদি করোনা আক্রান্ত কাউকে পাওয়া যায় তাহলে সেই জাহাজ কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে যাওয়া হয়। এই যে জাহাজ চলতে পারে না, মাসের পর মাস সাগরে আটকে আছে; সেই চার্জ শিপিং কোম্পানিকে করা হয়। চার্জগুলো সব একত্র হয়ে পুরো চার্জটা আমরা পাই।

ডিজিলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে মানুষের জীবনযাত্রার ওপর চাপ পড়বে, এর কোনো বিকল্প ছিল কিনা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা স্বীকার করি। যখন দাম কমে আমরা দাম কমাই, যখন বাড়ে বাড়াই। এখন কি পরিমাণ দাম বেড়েছে সেটা জানেন? আগামী মিটিংয়ে আমরা আপনাদের জানাবো গত দুই বছর কী পরিমাণ বেড়েছে? আমরা কতটা বাড়িয়েছি। আপনারা তাহলে বুঝতে পারবেন সরকার কতটা বহন করতে পারে। যারা ভোক্তা, কিছুটা তাদের বহন করতে হবে। আপনাদের বুঝতে হবে এখনকার দাম কত। বাকিটা সরকারকে বহন করতে হচ্ছে।

বিপিসি ৪৩ হাজার কোটি টাকা লাভ করেছে, কিন্তু জ্বালানির দাম কমেনি এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুস্তফা কামাল বলেন, সরকার টাকা নিয়ে কী করবে? এই যে সেফটিনেট প্রকল্পগুলো আছে, এগুলো তো সরকার টাকা প্রিন্ট করে চালাচ্ছে না। সরকারকে টাকা আয় করে চালাতে হয়। এগুলো তো শেয়ার করতে হয়। তারপরও সরকার যতটুকু পারে শেয়ারিং করে। সামান্য যেটা না হলে নয় সেটা ভোক্তার ওপর দেই।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির হিসাবে ১০ শতাংশ ভাড়া বাড়ার কথা থাকলেও ২৭ শতাংশ বাড়ানোর বিষয়ে সিপিডির বক্তব্য প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা আমাকে দেখতে হবে। আমি দেখে জবাব দেবো। আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করবো। তাদের খরচ কত, চার্জ কত করেছে সেটি আলোচনা করে জানাবো।

বাসভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি পুনর্বির্বেচনার দাবি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আগে আমাকে জানতে হবে মূল্যবৃদ্ধির কারণ। আমি যদি দেখি কোনো ভিত্তি ছাড়া দাম বাড়ানো হয়েছে, সেটা বিবেচনা করার অবশ্যই সুযোগ রয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম যখন আন্তর্জাতিক বাজারে কম ছিলে সেই সুবিধা কি আমরা সবাই পাইনি? সবাই সুবিধা পেয়েছে। এখন দাম বেড়েছে, কী পরিমাণ বেড়েছে নেটে গেলে পাবেন। আমরা তেল উৎপাদন করি না, আমরা ভোক্তা। আমরা রিসিভিং করি, আমাদের এখানে হাত দেওয়াও সম্ভব নয়। তারপরও আমরা চেষ্টা করবো যে পরিমাণ বাড়বে সে পরিমাণ যেনো আমাদের ভোক্তারা সহ্য করতে পারেন সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখা হবে। আমি একজন নাগরিক ও অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি বলছি।

তিনি আরও বলেন, অর্থমন্ত্রী হিসেবেও আমার দায়িত্ব আছে। আমাকে রেভিনিউ জোগান দিতে হয়। রেভিনিউ জোগান দিতে না পারলে প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে না। আমরা পিছিয়ে যাবো, আমরা পিছিয়ে যেতে চাই না। আমরা শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে কাজটি করবো। আমরা শেয়ার করবো, যতক্ষণ পারবে সরকার বহন করবে। সরকার বহন না করতে পারলে আপনারা জানতে পারবেন।


আরও খবর

বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১