Logo
শিরোনাম

টিসিবিতে ৩০ টাকায় পেঁয়াজ

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে সাশ্রয়ে নিত্যপণ্য বিক্রি করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। খোলা বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৯০-১০০ টাকা হলেও টিসিবি ৩০ টাকায় এই পণ্য বিক্রি করবে। টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে তুরস্ক থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ আজ সোমবার থেকে বিক্রি হবে।

রোববার টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানান, টিসিবির আমদানি করা তুরস্কের পেঁয়াজের চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে।  সোমবার থেকে ট্রাকসেলে পেঁয়াজের বরাদ্দ বাড়ানো হবে।  গাড়ি প্রতি ৭০০ কেজি করে পেঁয়াজ বরাদ্দ দেওয়া হবে। তবে চাহিদা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে।  এতে ভোক্তা সাধারণের নাভিশ্বাস। বিশেষ করে পেঁয়াজের দাম কয়েকগুন বেড়ে গেচে।  নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কথা চিন্তা করে টিসিবি ৩০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

টিসিবি জানিয়েছে, তুরস্কের পেঁয়াজের সঙ্গে সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও চিনি বিক্রি চলমান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। করোনাকাল ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সয়াবিন তেল, পেঁয়াজ, মসুর ডাল ও চিনি বিক্রি কার্যক্রম গত বুধবার থেকে চলমান রেখেছে টিসিবি।  এ কার্যক্রম আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।  এর মধ্যে শুধু শুক্রবার ট্রাকসেলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি বন্ধ থাকবে।

জানা গেছে, টিসিবি বর্তমানে প্রতি কেজি চিনি ও মসুর ডাল বিক্রি করছে ৫৫ টাকায়।  সয়াবিন তেল ১০০ টাকা লিটার।  এক্ষেত্রে প্রতি ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি চিনি, মসুর ডাল ও তেল এবং পেঁয়াজ কিনতে পারছেন চার কেজি করে।


আরও খবর



রংপুর সিটি মেয়রের কক্ষে অনুষ্ঠান চলাকালে ‌‌‌‌‌‌‘গুলি’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১ | ২২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার কক্ষে একটি অনুষ্ঠান চলাকালীন গুলির শব্দ শোনা গেছে। ওই সময় কক্ষে মেয়রসহ অন্তত ২০ জন উপস্থিত ছিলেন। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় একটি বেসরকারি সংস্থার আয়োজনে শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতীকী মেয়রের দায়িত্ব পালনের অনুষ্ঠান চলছিল।

সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, তার কক্ষে একটি বেসরকারি সংস্থা আয়োজিত ছায়া সংসদের কার্যক্রম হিসেবে প্রতীকী মেয়রের দায়িত্ব পালনের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি একেএম মোজাম্মেল হক তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সেখানে আসেন।

কথা বলার একপর্যায়ে মোজাম্মেল হক পকেট থেকে মোবাইল বের করতে গেলে তার লাইসেন্স করা পিস্তল হাত থেকে মেঝেতে পড়ে যায়। এতে বিকট শব্দ হয়। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

মেয়র আরও বলেন, শব্দ হলেও রুমে গুলির কোনো চিহ্ন বা খোসা খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, পকেট থেকে মোবাইল বের করতে গিয়ে পিস্তল মাটিতে পড়ে যায়। অসাবধানতাবশত সেখানে একটা গুলি আটকে থাকায় তা বের হয়ে বিকট শব্দ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলেও জানান মোজাম্মেল হক।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


আরও খবর



রাজশাহীতে রাজু হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজশাহী নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় চাঞ্চল্যকর রাজু হত্যা মামলা পাঁচজনের ফাঁসির রায় দিয়েছে রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালত।

আজ মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার রায় এ আদেশ দেন।

এ সময় ৯ জন আসামীকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মাহবুব রশিদ রেন্টু, আজিজুর রহমান রাজন, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, রিঙ্কু বোয়া, দূর্গাপুরের ইসমাইল হোসেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতের এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাকি ৯ জন আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়। এ মামলায় মোট ১৫ জন আসামি ছিলেন। মামলা চলমান অবস্থায় একজন মারা গেলে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু জানান, ২০১০ সালের ১৫ মার্চ রাতে রাজশাহী মহানগরীর নিউ মার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র রাজু আহম্মেদ খুন হন। রাজু রাজশাহী জেলার দুর্গাপুরের দাওকান্দি ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। তার বাড়ি বাগমারা উপজেলার হাসনিপুর গ্রামে। রাজু মহানগরীর মন্নাফের মোড় এলাকায় এক বন্ধুর সঙ্গে মেসে থাকতেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর তিনি তার কম্পিউটার সারাতে নিউমার্কেটে আসেন। এক সময় রাজু নিউ মার্কেটের পশ্চিম প্রান্তে 'ভাই ভাই হোটেল'-এর পেছনে এলে অজ্ঞাত পরিচয়ের দুর্বৃত্তরা তাকে ঘিরে ধরে পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত রাজুকে স্থানীয় লোকজন দ্রুত রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সোয়া ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরে বোয়ালিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।


আরও খবর



পুরনো ফোন দিয়ে চলে কোটি টাকার ব্যবসা

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১ | ১১৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সব মোবাইল ফোনেই সোনা থাকে। শুধু সোনাই নয়, রুপো, তামাও লাগে মোবাইল ফোন তৈরির ক্ষেত্রে। সোনা বিদ্যুতের সুপরিবাহী। সেই সঙ্গে এর ক্ষয় হয় না, মরচে ধরে না। এই কারণেই মোবাইল ফোনের ইন্টিগ্রেটেড সারকিট (আইসি) বোর্ডের ছোট্ট কানেক্টারগুলিতে সোনা ব্যবহৃত হয়। এটা ঠিক যে খুবই সামান্য সোনা থাকে। কিন্তু অনেক বাতিল ফোন থেকে অনেক সামান্য মিলে বড় পরিমাণে সোনা সংগ্রহ হয়। আর তা দিতে চলে কোটি কোটি টাকার কারবার।

সাধারণ মোবাইল ফোন থেকে স্মার্টফোন বা আইফোন সব তৈরিতেই লাগে সোনা। তার পরিমাণ আলাদা আলাদা। হিসেব বলছে, এক একটি ফোনে ৩৪ থেকে ৫০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত সোনা থাকে। একটি ফোনের হিসেবে সোনার পরমাণ সামান্যই। কিন্তু এখন যে হারে বর্জ্য মোবাইলের সংখ্যা বাড়ছে তাতে সংগৃহীত সোনার পরিমাণ অনেক।

আবর্জনা থেকে সোনার মতো দামী ধাতু বের করার ব্যবসা চলছে রমরমিয়ে। সেখানে টন টন আবর্জনা থেকে এক গ্রাম সোনা পাওয়া যায়। সেখানে একটি হিসেব বলছে, ৪১টি মোবাইল ফোন থেকেই ১ গ্রাম সোনা পাওয়া যায়। ভারতীয় মুদ্রায় এখন যার গড় মুল্য সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। ওই হিসেবেই দেখা গিয়েছে, বিশ্বে প্রতি বছর বাতিল মোবাইল ফোন থেকে চার হাজার কোটি টাকার সোনা পাওয়া যায়।

মোবাইল ফোনে সোনা ব্যবহারের প্রধান কারণ এই ধাতু ভাল বিদ্যুৎ পরিবাহী। সোনা ছাড়া আর দুই ধাতু বিদ্যুতের সুপরিবাহী। রুপো এবং তামা। ফোনে সোনার কানেকটরগুলি ডিজিটাল ডাটা দ্রুত এবং যথাযথ স্থানান্তর করার জন্যও ব্যবহৃত হয়। মোবাইল ফোনের মত, সোনা কম্পিউটার ও ল্যাপটপের আইসিগুলিতেও ব্যবহৃত হয়। আর এই ভাবেই বাতিল মোবাইল, ল্যাপটপ ইত্যাদি দিয়ে চলে বড় আর্থিক অঙ্কের কারবার।

 

নিউজ ট্যাগ: পুরনো ফোন

আরও খবর



পেছালো খালেদার নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়েছে। পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৪ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) মামলাটির অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর আবেদন করেন। পরে ঢাকার ৯ নম্বর (অস্থায়ী) বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক নজরুল ইসলাম আবেদন মঞ্জুর করে শুনানির নতুন এ দিন ধার্য করেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান। এতে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ (মারা গেছেন), সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন (মারা গেছেন), তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

নিউজ ট্যাগ: খালেদা জিয়া

আরও খবর



সিনহা হত্যা মামলার ষষ্ঠ দফায় শেষ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ১৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলার চলমান বিচারকার্যের ষষ্ঠ দফার শেষ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহকে দিয়ে শেষ দিনের সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। তিনি আসামি রাজিব হোসেনের ১৬৪ ধারার জবানবন্দি রেকর্ড করেছিলেন।

তিনি ছাড়াও এসআই শাহজাহন আলী, ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীর জবানবন্দি রেকর্ডকারী অপর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. দেলোয়ার হোসেন শামীমসহ ছয় সাক্ষী সাক্ষ্য দেবেন। গত ২৫ অক্টোবর ৬ষ্ঠ দফার ৩ দিনের সাক্ষীর কার্যক্রম শুরু হয়। গত দু'দিনে ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়।

এদিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে ওসি প্রদীপ কুমারসহ ১৫ আসামিকে আদালতে আনা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মামলায় মোট ৮৩ সাক্ষীর মধ্যে পঞ্চম দফায় ৩৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ষষ্ঠ দফার ৩ দিনের প্রথম ২ দিনে ২২ জনসহ সাক্ষ্য শেষ হয় ৫৭ জনের। সবার সাক্ষ্য নেওয়া সম্ভব হলে ৬৩ সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া সম্পন্ন হবে।

তিনি আরও বলেন, চাঞ্চল্যকর এ মামলাটি দ্রুত সম্পন্ন করতে আমাদের প্রচেষ্টা থাকলেও আসামিপক্ষ সবসময় তাতে ব্যাঘাতের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সবার সহযোগিতা পেলে মামলার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা সম্ভব।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান।


আরও খবর

বেগমগঞ্জে আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১