Logo
শিরোনাম

টিভিতে আজকের খেলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

পাকিস্তান বনাম নিউজিল্যান্ড। ম্যাচ নং-১৯, ভেন্যু: শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ, চ্যানেল: স্টার স্পোর্টস ২, সময়: রাত ৮ টা

আজ মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, আজ আইসিসি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২১ এর দশম দিন, অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় পর্ব সুপার টুয়েলভের ম্যাচগুলো। আজও দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে। এক নজরে দেখে নিন কোন কোন টিভি চ্যানেলে আজ কোন কোন খেলা কখন সম্প্রচার করবে। ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস লাইভ সম্প্রচার, খেলার সময়সূচী সহ কোন কোন টিভিতে কখন সম্প্রচারিত হবে।

 

ক্রিকেট

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২১,

ম্যাচ নং-১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, দুবাই, চ্যানেল: স্টার স্পোর্টস ২, সময়: বিকেল ৪ টা (বাংলাদেশ সময়)।


পাকিস্তান বনাম নিউজিল্যান্ড। ম্যাচ নং-১৯, ভেন্যু: শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ, চ্যানেল: স্টার স্পোর্টস ২, সময়: রাত ৮ টা (বাংলাদেশ সময়)।

 

ফুটবল

লা লিগা

আথলেতিক বিলবাও-এস্পানিওল, রাত ১টা সরাসরি: টি স্পোর্টস টিভি।


আরও খবর

হার দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২

১৬৮ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




সংকটে সীমাবদ্ধ বাগেরহাটের পর্যটন শিল্প

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যের দুটিই বাগেরহাটে। একটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, অন্যটি মুসলিম স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ। দর্শনার্থীরা ইচ্ছে করলেই একদিনে ইনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য ঘুরে দেখতে পারেন। এর সঙ্গে এ জেলায় অন্তত ৫০টি প্রাচীন স্থাপনা রয়েছে। যা সব সময় দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে  থাকে। এতসব সম্ভাবনা থাকার পরও পর্যটকবান্ধব পরিবেশ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, খাবার ও আবাসিক হোটেল, ট্যুরিস্ট বাস না থাকায় জেলায় পর্যটন শিল্পের তেমন বিকাশ ঘটেনি। এক কথায় নানা সংকটে এ জেলার পর্যটন শিল্প সম্মৃদ্ধ হয়নি। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগও ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে জেলা প্রশাসন বলছে, সুন্দরবন, ষাটগম্বুজ মসজিদসহ বিভিন্ন প্রাচীন স্থাপনা কেন্দ্র করে জেলাকে পর্যটনবান্ধব করে গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সুন্দরবন ও ষাটগম্বুজ কেন্দ্রিক ট্যুরিস্ট গাইড হাফিজুর রহমান বলেন, বাগেরহাট এমন একটি জেলা, যেখানে ঘুরলে প্রকৃতি-প্রাচীন স্থাপনা, নদী-খাল-বিল, সমুদ্রবন্দর সব কিছু পাওয়া যায়। এরপরও আমাদের জেলায় ট্যুরিস্ট বাস, আবাসিক হোটেল, খাবার হোটেলের ব্যাপক সংকট রয়েছে। অনেক সময় বিদেশি এবং উচ্চবিত্ত মানুষ বাগেরহাট ভ্রমণে আসে, কিন্তু তাদের চাহিদা অনুযায়ী আবাসিক ব্যবস্থা না থাকায় তারা খুলনা চলে যায়। এটা আমাদের সীমাবদ্ধতা বোঝায়। 

ষাটগম্বুজ-সুন্দরবন ট্যুরিজম ট্যুর অপারেটরের পরিচালক মীর ফজলে সাঈদ ডাবলু বলেন, জেলায় ষাটগম্বুজ, সুন্দরবনসহ অনেক পর্যটন স্পট থাকলেও সুযোগ-সুবিধা খুবই কম। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাবে পর্যটকদের সঙ্গে স্থানীয়দের আচার-ব্যবহারের ঘাটতি রয়েছে। এজন্য ষাটগম্বুজ, মোংলাসহ বিভিন্ন স্থানের হোটেল-রেস্টুরেন্টের কর্মচারী ও ট্যুরিস্ট গাইডদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ায়  বাগেরহাটের সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে। ফলে এখন দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে বাগেরহাটে অনেক সহজে আসা যায়। এরপরও জেলায় দেশি দর্শনার্থী এলেও, বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা অনেক কম। কারণ পর্যটন সম্ভাবনাময় আমাদের এ জেলায় একটি বিমানবন্দর নেই। ষাটগম্বুজ ও সুন্দরবনের জন্য আলাদা কোনো ওয়েবসাইটও নেই। যার কারণে বিদেশিরা ইচ্ছে করলেও সুন্দরবন ও ষাটগম্বুজ সংশ্লিষ্ট তথ্য জানতে পারে না। এর জন্য সরকারি উদ্যোগে সুন্দরবন ও ষাটগম্বুজের জন্য ওয়েবসাইট তৈরির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন করতে হবে। সেই সঙ্গে এক নজরে বাগেরহাটের দর্শনীয় স্থাপনার বর্ণনা, যাতায়াত ব্যবস্থা, খাবার ও থাকার হোটেলের নম্বর লিখে প্রচার করা প্রয়োজন।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাগেরহাটের কাস্টোডিয়ান মো. যায়েদ বলেন, ষাটগম্বুজ সংলগ্ন মসজিদ সংলগ্ন ঘোড়াদিঘিকে নান্দনিক করতে ওয়াক ওয়ে তৈরি করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে ষাটগম্বুজের সামনের বিশ্রামাগার নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে এ বিশ্রামাগার চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। তবে বেসরকারিভাবে স্থানীয় উদ্যোক্তারা যদি বাগেরহাটে হোটেল-মোটেল নির্মাণ করে, তাহলে উদ্যোক্তারা যেমন লাভবান হবে, তেমনি স্থানীয়রাও লাভবান হবে।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, সুন্দরবনে দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সুন্দরবনে বিদ্যমান পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করা হচ্ছে। এছাড়া খুলনা রেঞ্জের শেখেরটেক ও কালাবগী এবং শরণখোলা রেঞ্জের আলীবান্ধা ও চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক এলাকায় নতুন করে চারটি ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র করা হচ্ছে।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, জেলার প্রত্যেকটি পর্যটন কেন্দ্রের শোভা বর্ধন, আবাসন ব্যবস্থা, মানসম্মত খাবার, বিপণন কেন্দ্র, সহজ যাতায়াত, সার্বিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এসব বাস্তবায়ন হলে অচিরেই বাগেরহাটের পর্যটন শিল্প আরও বিকশিত হবে।

৬৫০ বছর আগে বিখ্যাত মুসলিম শাসক খানজাহান (রহ.) এর আমলে বাগেরহাটে ষাটগম্বুজসহ নানা প্রাচীন স্থাপনা নির্মিত হয়। এসব স্থাপনার স্থাপত্যরীতি ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে ১৯৮৫ সালে বাগেরহাটকে ঐতিহাসিক মসজিদের শহর হিসেবে ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করে ইউনেস্কো। এ তালিকায় বাগেরহাটের ১৭টি স্থাপনা স্থান পায়। চলতি বছরের প্রথম দিকে বিশ্বের ২৫টি হারিয়ে যাওয়া শহর ও বিপন্ন ঐতিহ্যবাহী শহর হিসেবে বাগেরহাটকে তালিকাভুক্ত করে বিশ্বখ্যাত  ফোর্বস সাময়িকী। এছাড়া বাগেরহাটের মঠ, মোরেলগঞ্জে রয়েছে ব্রিটিশ শাসকদের স্মৃতি বিজড়িত কুঠিবাড়ি, কচুয়ায় রয়েছে ৬০০ বছরের পুরোনো কালিবাড়ি। এর বাইরে সম্প্রতি বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় আরও ১৬৩টি প্রত্নস্থান (সাইট) শনাক্ত করেছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। তবে ষাটগম্বুজ মসজিদ ছাড়া জেলা শহরের মধ্যে থাকা অন্যান্য স্থাপনা অযত্ন আর অবহেলায় রয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হলেও বিচরণ করছে গরু-ছাগল। দেয়ালে-দেয়ালে শুকানো হয় স্থানীয়দের কাপড়, কয়েকটি স্থাপনার দেয়ালও ধসে গেছে। সবকিছু মিলিয়ে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রাচীন এসব স্থাপনা।

অন্যদিকে পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে রয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রল ও মায়াবী হরিণ, কিং-কোবরা, বানর, গুঁইসাপসহ প্রায় ১০০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী ও সরীসৃপ, আট প্রজাতির উভচরসহ ৩২০ প্রজাতির বন্যপ্রাণী। সুন্দরী, পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতাসহ ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে এ বনে। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে নদী ও খালে রয়েছে বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় ইরাবতীসহ ছয় প্রজাতির ডলফিন, লবণ পানির প্রজাতির কুমির, রুপালি ইলিশ, চিংড়ি, রূপচাঁদা, কোরালসহ ৪০০  প্রজাতির মাছ এবং শিলা কাঁকড়া। আধুনিক ব্যবস্থাপনার অভাবে কাঙ্ক্ষিত দর্শনার্থী টানতে ব্যর্থ বন বিভাগ। 

নিউজ ট্যাগ: ষাটগম্বুজ মসজিদ

আরও খবর

চলুন পদ্মা সেতু দেখে আসি

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২

মায়াবী চুম্বক লাউয়াছড়ায়

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




মোংলাসহ উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি, সুন্দরবনে কমেছে পর্যটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি অগ্রসর হয়ে উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে মোংলায় সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুর থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বেড়েছে।

শনিবার লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার পর রোববার ভোর থেকে মোংলা বন্দরসহ আশপাশের উপকূলীয় এলাকায় মেঘলা আকাশ, হালকা-মাঝারি ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। দুইদিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সুন্দরবনে পর্যটকদের আগমনও কমেছে।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের করমজল পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, পূজার কারণে দর্শনার্থীদের আগমন বৃদ্ধির আশা থাকলেও মুলত বৈরী আবহাওয়ায় পর্যটক খুবই কম আসছে। তবে এসবের মধ্যেও বন্দরের সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব কালাচাঁদ সিংহ।

এদিকে মোংলা সমুদ্র বন্দরসহ সাগর ও সুন্দরবন উপকূলজুড়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এমন বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করবে বলে জানিয়েছেন মোংলা আবহাওয়া অফিস ইনচার্জ অমরেশ চন্দ্র ঢালী।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবারের পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া কেটে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।


আরও খবর



২০৩২ সালে ভ্রমণ ও পর্যটনে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাবে চীন

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বের বৃহত্তম ভ্রমণ ও পর্যটন বাজারে পরিণত হবে চীন। এক্ষেত্রে দেশটি ২০৩২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত বছর পূর্ব এশিয়ার দেশটির অবস্থান ছিল দ্বিতীয়তে। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (ডব্লিউটিসি) এ প্রাক্কলন দিয়েছে। ২০২১ সালে বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে শক্তিশালী ভ্রমণ ও পর্যটন বাজার হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র। মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অবদান নিয়ে এ হিসাব করা হয়। ডব্লিউটিসি ইকোনমিক ইমপ্যাক্ট শীর্ষক প্রতিবেদনে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী এক দশকের মধ্যে শীর্ষস্থান হারাতে পারে।

২০৩২ সালের মধ্যে চীনের জিডিপিতে বার্ষিক এ খাতের অবদান ৩ লাখ ৯০ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হতে পারে। এটি ২০২১ সালে ৮১ হাজার ৪৩০ কোটি ডলার থেকে কয়েক গুণ বেশি। কোভিডজনিত বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশটি। করোনা সংক্রমণ বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সময় লকডাউন আরোপ করলেও চীনের অভ্যন্তরীণ পর্যটন খাতে চাঙ্গা ভাব দেখা দিয়েছে। এদিকে ২০২১ সালে মার্কিন জিডিপিতে ভ্রমণ ও পর্যটন খাতের অবদান ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। যেখানে ২০১৯ সালে এ খাতের অবদান ছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার কোটি ডলার। কভিডজনিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সত্ত্বেও অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির মাধ্যমে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি। আগামী বছরগুলোয় খাতটির আকার বাড়তে থাকবে। ২০৩২ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে এ খাতের অবদান ২ লাখ ৬৬ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছনোর পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। তবে এ সময়ে দেশটি ভ্রমণ ও পর্যটন বাজারে দ্বিতীয় অবস্থান অর্থাৎ চীনের পেছনে পড়ে যাবে।

পর্যটন সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পরে বিশ্বের শীর্ষ ১০ ভ্রমণ ও পর্যটন বাজার ছিল জার্মানি, জাপান, ইতালি, ভারত, ফ্রান্স, মেক্সিকো, যুক্তরাজ্য ও স্পেন। পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০৩২ সালের মধ্যে তালিকার শীর্ষ ১০টি দেশ অপরিবর্তিত থাকলেও অবস্থান পাল্টাবে। সে সময় শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা হবে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জার্মানি, জাপান, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, মেক্সিকো, ইতালি ও স্পেন। সামগ্রিকভাবে ২০২২-৩২ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জিডিপিতে ভ্রমণ ও পর্যটন খাতের অবদান বার্ষিক গড়ে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ হারে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ২ দশমিক ৭ শতাংশের দ্বিগুণেরও বেশি। এ সময়ে খাতটি ১২ কোটি ৬০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

ডব্লিউটিসির প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী জুলিয়া সিম্পসন বলেন, কোভিডজনিত নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সত্ত্বেও ভ্রমণ ও পর্যটন খাত স্থিতিশীল রয়েছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও এ খাতে পুনরুদ্ধার অব্যাহত থাকবে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বিশ্বজুড়ে মানুষ আবারো ভ্রমণ করছে। পাশাপাশি আমরা ব্যবসায়িক ভ্রমণেও পুনরুদ্ধার দেখতে পাচ্ছি। আগামী ১০ বছরে ভ্রমণ ও পর্যটন খাতে প্রবৃদ্ধির হার বিশ্ব অর্থনীতিকে ছাড়িয়ে যাবে। ডব্লিউটিসি প্রাক্কলন দিয়েছে, চলতি বছর বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়িক ভ্রমণ ৪১ শতাংশেরও বেশি বাড়বে। বিশেষ করে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে দ্রুত পুনরুদ্ধারের আশা করা হচ্ছে। আগামী ১০ বছরে ব্যবসায়িক ভ্রমণ বার্ষিক ৫ দশমিক ৫ শতাংশ হারে বাড়তে পারে।

২০২০ সালে কোভিডজনিত বিধিনিষেধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খাতগুলোর অন্যতম ছিল ভ্রমণ ও পর্যটন। কোভিড সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশগুলো সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় স্থবির হয়ে পড়ে খাতটি। ওই বছর এ খাতের ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছিল এবং ৪ লাখ ৯০ হাজার কোটি ডলার লোকসান লোকসানের মুখোমুখি হয়েছিল। বৈশ্বিক জিডিপিতে এ খাতের অবদান আগের বছরের তুলনায় ৫০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে গিয়েছিল। যদিও ২০২১ সালেই খাতটিতে পুনরুদ্ধারের সূচনা হয়েছিল। তবে ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব এবং সরকারগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কারণে পুনরুদ্ধারের গতি প্রত্যাশার চেয়ে ধীর হয়েছিল। গত বছর জিডিপিতে খাতটির অবদান ২১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৫ লাখ ৮০ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। পাশাপাশি খাতটিতে ১ কোটি ৮২টি নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




ইউক্রেনে রুশ দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দেবে না যুক্তরাষ্ট্র : বাইডেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সামরিক অভিযান শুরুর সাত মাসেরও বেশি সময় পর ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে রাশিয়ায় যুক্ত করতে চলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ উপলক্ষে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্নও করেছে পুতিনের প্রশাসন।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ইউক্রেনের ভূখণ্ড দখলের রাশিয়ার প্রচেষ্টাকে যুক্তরাষ্ট্র কখনোই, কখনোই, কখনোই’ স্বীকৃতি দেবে না। চার ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার বলে ঘোষণা দিতে আজ শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পুতিনের নির্ধারিত বক্তব্যের আগে বাইডেন এই মন্তব্য করেন।

ক্রেমলিন বলছে, সাম্প্রতিক গণভোটে লুহানস্ক, দোনেৎস্ক, জাপোরিঝিয়া এবং খেরসন অঞ্চল রাশিয়ায় যোগ দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে। তবে ইউক্রেন এবং পশ্চিমারা এই ভোটকে জাল বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

অবশ্য নতুন করে ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড দখলে নেওয়ার ফলে রাশিয়ার ওপর এখন নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, আমি এই বিষয়ে খুব স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ইউক্রেনের সার্বভৌম ভূখণ্ডে রাশিয়ার দখলদারিত্বকে কখনোই স্বীকৃতি দেবে না যুক্তরাষ্ট্র।’

এদিকে বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া এবং খেরসনকে স্বাধীন’ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে দুটি ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এতে এই দুই অঞ্চলকে রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে সংযুক্ত করার পথ প্রশস্ত হয়ে গেছে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সামনে আনা নথিতে বলা হয়েছে, দুই অঞ্চলের স্বাধীনতা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্বীকৃত এবং জাতিসংঘের সনদে অন্তর্ভুক্ত’ হয়েছে। তবে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, শক্তি প্রয়োগের ভিত্তিতে কোনো দেশের ভূখণ্ড দখল করা জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

এতে বিপজ্জনক ভাবে উত্তেজনা বৃদ্ধি’ পায় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আধুনিক বিশ্বে এর কোনো স্থান নেই’।

আট বছর আগে একইভাবে ক্রিমিয়া দখল করেছিল রাশিয়া। এবারও সেটির পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে যদিও ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সেই দখলদারিত্বকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশাল অংশ কখনোই স্বীকৃতি দেয়নি এবং এবারও দেবে বলে মনে হয় না।

তবে পশ্চিমারা যাই বলুক না কেন, রাশিয়ার পার্লামেন্টের দুটি কক্ষ আগামী সপ্তাহে ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড দখলের এই পদক্ষেপকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করবে।

 


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




সিরিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, ৩৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সিরিয়ার উপকূলে অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে ৩৪ জন মারা গেছেন। এ ঘটনায় অনেককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অভিবাসী ও শরণার্থীদের বহনকারী নৌকাটি লেবানন থেকে যাওয়ার পথিমধ্যে সিরিয়ার উপকূলে ডুবে যায়।

শুক্রবার সিরিয়ার সরকারের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। জীবিত উদ্ধার হওয়া আরও ২০ জনকে তার্তুসের বাসেল হাসপাতালে চিকিৎসা করা হচ্ছে।

সিরিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে বলেছে, গত মঙ্গলবার লেবাননের উত্তর মিনিয়েহ অঞ্চল থেকে নৌকাটি যাত্রা শুরু করে এবং এটিতে ১২০ থেকে ১৫০ জনের মধ্যে আরোহী ছিল।

কিছু লেবানিজ, সিরিয়ান এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংকট-বিধ্বস্ত লেবানন থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ক্রমেই বাড়ছে এবং অবৈধ এই যাত্রা পথে এটিই সবচেয়ে মারাত্মক ঘটনা।

তার্তুসের গভর্নর আব্দুল হালিম খলিল হাসপাতালে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের দেখতে গেছেন বলে জানা গেছে। অবশ্য ডুবে যাওয়া নৌকায় ঠিক কতজন লোক ছিল এবং তারা ঠিক কোথায় যাচ্ছিল তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হওয়া যায়নি। তবে কোস্টগার্ড এখনও মৃতদেহের সন্ধান করছে।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে বিভিন্ন দেশের মানুষ ছিল।

আলজাজিরা বলছে, হাজার হাজার লেবানিজ, সিরিয়ান এবং ফিলিস্তিনি গত কয়েক মাস ধরে ইউরোপে আরও ভালো জীবনের আশায় নৌকায় করে লেবানন ছেড়েছে। লেবাননের জনসংখ্যা ৬০ লাখ, যার মধ্যে ১০ লাখ সিরীয় শরণার্থী রয়েছে।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে , দেশ ছেড়ে যাওয়া অভিবাসীরা উত্তর লেবাননের উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা। এটি মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ছোট এই দেশটির সবচেয়ে দরিদ্র অঞ্চল।

গত এপ্রিল মাসে লেবাননের নৌবাহিনীর সাথে সংঘর্ষের পর, সমুদ্রপথে ইতালিতে অভিবাসনের চেষ্টারত কয়েক ডজন লেবানিজ, সিরিয়ান এবং ফিলিস্তিনিদের বহনকারী একটি নৌকা ত্রিপোলি বন্দর থেকে ৫ কিমি (৩ মাইল) এরও বেশি দূরে ডুবে যায়। এ ঘটনায় সেসময় বহু মানুষ প্রাণ হারায়।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২