Logo
শিরোনাম

তুরস্ক-সিরিয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ালেন সানি লিওন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | ৯৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৭ হাজারের বেশি মানুষ। আহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। বিপদগ্রস্তদের সাহায্যার্থে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ত্রাণ সরবরাহ করা হচ্ছে। এবার সেই কাজে এগিয়ে এলেন বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী সানি লিওন।

 

তিনি জানান, তার প্রসাধনী সংস্থার আয়ের একটা অংশ তিনি ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় ত্রাণের কাজে ব্যয় করবেন। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তুরস্কের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চল। কম্পন অনুভূত হয় সিরিয়ার উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলেও। প্রথম কম্পনের প্রায় ৯ ঘণ্টা পরে ফের কেঁপে ওঠে তুরস্কের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৭। এখানেই শেষ নয়, ভূমিকম্পের পরে প্রায় ২ হাজারের বেশি কম্পন (আফটারশক) অনুভূত হয় গোটা তুরস্ক ও সিরিয়াজুড়ে।

 

ভূমিকম্পে বিধ্বস্তদের সহযোগিতার ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সানি লেখেন, ভূমিকম্পের পরে আমরা আবার একসঙ্গে উঠে দাঁড়াতে পারব। এই সময় আর্তদের সাহায্যার্থে সবার এগিয়ে আসা উচিত।

 

শুধু সানিই নন, তার এই কাজে পাশে রয়েছেন স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অর্থ সাহায্য ঘোষণা করার পরে ড্যানিয়েল লেখেন, তুরস্ক ও সিরিয়ার মানুষ অত্যন্ত কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। মনুষত্বের খাতিরে আমাদের উচিত, তাদের পাশে দাঁড়ানো। সানি ও ড্যানিয়েলের এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন নেটিজিয়ানরা।

নিউজ ট্যাগ: সানি লিওন

আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩