Logo
শিরোনাম

উইন্ডোজ ১০-এর লাইসেন্স বিক্রি বন্ধ হচ্ছে

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০২৩ | ১৬২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলতি মাস শেষে উইন্ডোজ ১০-এর লাইসেন্স কি বিক্রি বন্ধের কথা ভাবছে মাইক্রোসফট। এর পরিপ্রেক্ষিতে গ্রাহকরা মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট থেকে পুরনো ভার্সনের উইন্ডোজ ডাউনলোড করতে পারবে না। লাইসেন্স বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যবহারকারীদের উইন্ডোজ ভার্সন পছন্দে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে ব্যবহারকারীদের উইন্ডাজ ১১ ইনস্টল করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

পিসি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, সফটওয়্যার জায়ান্টটি জানুয়ারির শেষ থেকে উইন্ডোজ ১০-এর লাইসেন্স আর বিক্রি করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। ফলে ফেব্রুয়ারি থেকে ব্যবহারকারী বা গ্রাহকরা মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট থেকে উইন্ডোজ ১০-এর কোনো ভার্সনই আর ডাউনলোড করতে পারবে না। উইন্ডোজ ১০ হোম, ১০ প্রো ও ১০ ওয়ার্কস্টেশন ব্যবহারকারীদের ৩১ জানুয়ারি থেকে উইন্ডোজ ডাউনলোড না করতে পারার বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে। তবে কেউ এ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে চাইলে থার্ড পার্টি সাইট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ডাউনলোডের সুযোগ বন্ধ হয়ে গেলেও মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে উইন্ডোজ ১০-এ সিকিউরিটি আপডেট দেয়া হবে বলে প্রাতিষ্ঠানিক নোট সূত্রে জানা গেছে। ফলে ব্যবহারকারীরা স্পাইওয়্যার, ভাইরাসসহ অন্যান্য ম্যালওয়্যারের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা পাবে। এক্সপ্রেস ইউকে জানায়, প্রযুক্তি জায়ান্টটি উইন্ডোজ ১০-এর ব্যবহারকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে ১১ তে আপডেটের কথা জানিয়েছে। দুই বছরের মধ্যে পুরনো সব উইন্ডোজের সাপোর্ট বন্ধ করে দেয়ার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করছেন প্রযুক্তিবিদরা।

নিউজ ট্যাগ: উইন্ডোজ ১১

আরও খবর

কমেছে রোলেক্স ও প্যাটেক ফিলিপ ঘড়ির দাম

বুধবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩




নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩