শিরোনাম

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের বিষয়ে জাতিসংঘে প্রস্তাব গ্রহণ মহান অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৯৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করার প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়া দেশের জন্য একটি একটা অনন্য উত্তরণ’ এবং বিরল সম্মান অর্জন’।

রবিবার (২৮ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে একথা বলেন।

তার সরকারের অগ্রগতির জন্য পরিকল্পিত নীতি এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার বাস্তবায়নকে কৃতিত্ব দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, তারা রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করাই এখন মূল লক্ষ্য। শেখ হাসিনা বলেন, ২০২০ থেকে ২০২১ সাল জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী, অর্থাৎ মুজিববর্ষ এবং ২০২১ সাল আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এই সময়ে এই অর্জন আমাদের জন্য অনেক গৌরবের। কারণ, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী যখন আমারা উদযাপন করছি, সেই সময়ে এই যুগান্তকারী অর্জন বাংলাদেশ পায়। বাঙালি জাতির জন্য এটা একটা বিরল সম্মান অর্জন। বিশ্বসভায় বাংলাদেশ এবং বাঙালি জাতির জন্য একটা অনন্য উত্তরণ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘২০০৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে আওয়ামী লীগ ঘোষিত রূপকল্প-২০২১’ এবং এরই আলোকে আমরা যে পরিকল্পনাগুলো পর পর নিয়েছি, সে সময় অনেকে ধারণাই করতে পারেননি বাংলাদেশের এ ধরনের উত্তরণ ঘটতে পারে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা এবং পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এগিয়েছি বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।’’  সে সময় অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হলেও তার বিশ্বাস ছিল তার সরকারের এই পরিকল্পিত প্রচেষ্টার একটা সুফল বাংলাদেশ পাবে, বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই দেশটাকে তিনি চেনেন এবং জানেন, যে কারণে সমালোচনায় কান না দিয়ে অভিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেই তার সরকার আশু, মধ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে সরকার এগিয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) ক্যাটাগরি থেকে চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশের উত্তরণের ঐতিহাসিক রেজুলেশন গৃহীত হয়। রেজুলেশনটি গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে পরবর্তী ধাপে (উন্নয়নশীল দেশে) উত্তরণের সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলো। যুক্তরাষ্ট্র সময় ২৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রেজুলেশনটি গৃহীত হয়।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন। সে সময় সৌদি পরিবহনমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার সালেহ নাসের আল জাসেরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সংসদ অধিবেশন পরিদর্শনে আসেন এবং অধিবেশন প্রত্যক্ষ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল উন্নয়নশীল দেশ হয়েছে বলে নয়, সর্বক্ষেত্রেই বিশ্বে আজ বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্য একটা বিরাট অর্জন।’

‘মুজিব চিরন্তন’ থিম নিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে অনুষ্ঠানমালায় ৫টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের অংশগ্রহণ এবং রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ, সৌদি বাদশাহ এবং ব্রুনাইয়ের সুলতান থেকে শুরু করে ১৯৪টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের সে অনুষ্ঠানে অভিনন্দন জানিয়ে বিভিন্ন বার্তা এবং ভিডিও বার্তা প্রদানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্যই এ সম্মান আমরা পেয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাজেই যে যেটাই বলুক আমি মনে করি, যত সমালোচনাই করুক বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই আমরা কাজ করে যাচ্ছি এবং আমরা কাজ করে যাবো। তবে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে, বাংলাদেশের এই গতি যেন আর কেউ রোধ করতে না পারে। নানারকম চক্রান্ত ষড়যন্ত্র থাকবে এবং সেগুলো মাথায় নিয়েই আমাদের চলতে হবে। আজকে আমরা উন্নয়নশীল দেশের যে মর্যাদা পেয়েছি, সেটা বাংলাদেশের জনগণেরই অবদান।’

তিনি বার বার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার মাধ্যমে তাদের সেবা করার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তার কৃতজ্ঞতা জানান।

এবারের অধিবেশনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ এবং ২৫ নভেম্বর বিশেষ আলোচনার সুযোগ প্রদানে স্পিকারকে এবং এই বিশেষ আলোচনার শুরুটা রাষ্ট্রপতির ভাষণের মাধ্যমে হওয়ায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকেও ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

’৭৫ এর বিয়োগান্তক অধ্যায় স্মরণ করে জাতির পিতা এবং বঙ্গমাতাসহ সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হবার পর একরকম জোর করেই দেশে ফিরে আসার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমি জানি এদেশে খুনিরা মুক্ত, যুদ্ধাপরাধীরা মুক্ত এবং তারাই রাজত্ব চালাচ্ছে। আমার ছোট ১০ বছরের ভাইটিকে পর্যন্ত ছাড়েনি সেখানে আমিও রেহাই পাবো না। যেকোনও সময় মৃত্যু আমার হতে পারে।’

কিন্তু সেটা জেনেও দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে, তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের নিয়ত নিয়ে তার ছোট ছোট ছেলে-মেয়েকে বেঁচে যাওয়া অপর ছোট বোন শেখ রেহানার কাছে রেখে তিনি দেশে ফিরে আসেন। কারণ, তার পিতার অপূর্ণ স্বপ্ন দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কাজটি তাকে সম্পন্ন করতে হবে, বলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

তিনি বলেন, সববিছু হারিয়ে সেই বেদনাকে বুকে ধারণ করে কেবল একটা লক্ষ্যকে সামনে রেখেছি— বাংলাদেশ মানুষ লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত, এই বাংলাদেশের মানুষের জন্যই আমার বাবা সারাজীবন কষ্ট করেছেন, জেল-জুলুম-অত্যাচার সহ্য করেছেন, নিজের জীবনে তিনি কিছু চাননি। তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে হবে।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, পাশে ছিলেন আমার মা, যাঁর নিজেরও জীবনে চাওয়া-পাওয়ার কিছু ছিল না। পাশে থেকেই তিনি প্রেরণা যুগিয়েছেন, শক্তি জুগিয়ে গেছেন। সাংসারিক কোনও কাজে জাতির পিতাকে বিরক্ত করেননি। পর্দার আড়ালে থেকেই তিনি এ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছেন।’

তার ওপর বার বার মৃত্যু আঘাত আসা এবং দলের নেতা-কর্মীদের মানব ঢাল রচনা করে তাকে আগলে রেখে সেসব হত্যা প্রচেষ্টা থেকে রক্ষার প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, আল্লাহ আমাদের এই সুযোগ দিয়েছিলেন বলেই আজকে বাংলাদেশকে একটা মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছি। সেটারই আমি শোকরিয়া আদায় করি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে স্বাধীনতার ১০ বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হতো। আমাদের দুর্ভাগ্য জাতির পিতাকে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল— সেই জিয়া, এরশাদ বা খালেদা জিয়া কেউই দেশকে আসলে উন্নত করতে চায়নি। ক্ষমতা ছিল তাদের কাছে ভোগের বস্তু। ক্ষমতা মানে নিজের জীবনকে বিলাস- ব্যসনে ব্যস্ত রাখা এবং ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে একটি এলিট শ্রেণি তৈরি করা এবং কিছু লোককে দলে টানা। কাজেই দেশের সাধারণ মানুষ যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে যায়।’

আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা, হরতাল, অবরোধ এসব কর্মকাণ্ড উন্নয়নের গতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে— এমন অভিমত ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বিএনপি আহূত অবরোধ আজ  পর্যন্ত প্রত্যাহার করা হয়নি।’

তিনি বলেন, উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টির জন্য নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে করেছে। এরপরে এই কোভিড-১৯ মহামারিও আমাদের মোকাবিলা করতে হয়েছে। বিশ্বের অর্থনীতির চাকা যখন স্থবির, তখন আমরা তা সচল রেখেছি। এর ফলে দেশের অর্থনীতি গতিশীল রেখে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি। দেশের মানুষকে সুন্দর জীবন দেওয়ায় আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা।’

২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উত্তরণ সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে বাংলাদেশ জাতিসংঘের কাছে আরও দুই বছর সময় চেয়ে নিয়েছে বলেও সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী।

২০২৬ সাল থেকে বাংলাদেশ পরিপূর্ণভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে তার সব ধরনের কাজ করতে পারবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এলডিসি থেকে আমরা যেই উত্তরণ পেয়েছি, এটা বাংলাদেশের জন্য অনেক সুযোগ সৃষ্টি করেছে। অর্থাৎ আমরা মনে করি, বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে আরেকটি মাইল ফলক। বাংলাদেশকে সারাবিশ্বের কাছে ব্রান্ডিং করার একটা সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি উদীয়মান, বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের বাজার সৃষ্টির সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, এমন একটা বার্তা এখন বিশ্বব্যাপী পাবে। বিশ্ববাসীর কাছে আমরা সেটা পৌঁছাতে পারবো।’

ব্রিটেনের গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনমিক অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর) এর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক বিকাশ অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৩তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ।’

তিনি বলেন, বৈশ্বিক শান্তি সূচক ২০২০ অনুযায়ী, শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান ৭ ধাপ উন্নীত হয়েছে। দারিদ্রের হার যা ৪০ ভাগ ছিল, আজকে তা ২০ দশমিক ৫ ভাগে নামিয়ে এনেছি। আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৫৫৪ মার্কিন ডলার উন্নীত হয়েছে। জিডিপি আমরা ৮ ভাগে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু করোনার কারণে সেটা আর ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। বিশ্বব্যাপী করোনার কারণে সবকিছু বন্ধ থাকার পরও বাংলাদেশ ৫ দশমিক ৪৩ ভাগ জিডিপি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্ব্বোচ্চ।


আরও খবর



আপেলের চালানে এসেছে ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকার সিগারেট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আপেলের চালানে এসেছে  ২২ লাখ ১৯ হাজার শলাকা সিগারেট। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ চালানটি জব্দ করেছে। এসব সিগারেটের আমদানি মূল্য প্রায় ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এই চালানে ৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন কাস্টম কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন রিজভী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার সিগারেটের জাল ব্যান্ড রোল আমদানির মাধ্যমে শত কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির একটি অপচেষ্টা রুখে দেন কাস্টম কর্মকর্তারা। এর একদিন পর সিগারেটের চালানটি জব্দ করা হলো।

কাস্টম সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানাধীন স্টেশন রোডের মারহাবা ফ্রেস ফ্রুটস প্রতিষ্ঠানের নামে আরব আমিরাত থেকে আপেল ঘোষণা দিয়ে  এক কনটেইনার পণ্য আমদানি করা হয়।   চালানটি খালাসের লক্ষ্যে গত ২০ ডিসেম্বর কাস্টম হাউসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে চট্টগ্রামের পূর্ব মাদারবাড়ীর ১৪৩ ডিটি রোডের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট জিমি এন্টারপ্রাইজ।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্মকর্তারা চালানটিতে অসত্য ঘোষণায় পণ্য আমদানির বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা পায়। গত ২২ ডিসেম্বর কাস্টম হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে এ চালানের খালাস কার্যক্রম স্থগিত করে। এরপর কায়িক পরীক্ষায় কনটেইনারটিতে ১ হাজার ১২০টি ফ্রেস আপেলের কার্টনের মধ্যে ৭৫৪টি কার্টনে আপেলের নিচে ইনার কার্টনে লুকানো বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়।

এর মধ্যে ৬ লাখ ৯১ হাজার ৪৮০ শলাকা মন্ড ব্রান্ডের, ১৪ লাখ ৮ হাজার ৭২০ শলাকা ইজি ব্রান্ডের এবং ১ লাখ ১৮ হাজার ৮০০ শলাকা ওরিস ব্রান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়।

ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন রিজভী জানান, এসব সিগারেটের আনুমানিক আমদানি মূল্য ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এ চালানে শর্তসাপেক্ষে আমদানিযোগ্য ও উচ্চ শুল্কের পণ্য সিগারেট আমদানি করে আনুমানিক ৫ কোটি ৩০ লাখ টাকার সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অপচেষ্টা হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর



এক কোটি ৮৪ লাখ টাকার সোনাসহ ইতালি প্রবাসী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা মূল্যের তিন কেজি ৭০ গ্রাম স্বর্ণসহ ইতালি থেকে আসা এক প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজ। তার নাম আমরানুল হক।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আড়াইটার দিকে এসব সোনাসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আমরানুল হক ইতালিয়ান পাসপোর্টধারী। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাসিন্দা তিনি।

ঢাকা কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মো. সানোয়ারুল কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ইতালি থেকে আসা একটি ফ্লাইটে শাহজালালে নামেন আরমানুল। ইমিগ্রেশন শেষে গ্রিণ চ্যানেল পার হওয়ার সময় তার সঙ্গে থাকা লাগেজ স্ক্যানিং করা হয়। এ সময় তার ব্যাগের ভেতর স্বর্ণের অস্তিত্বের ইমেজ পাওয়া যায়। পরে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে আমরানুল হকের ব্যাগে থাকা পাত আকতি ৭ পিস এবং পিণ্ড আকতি ১০ পিস স্বর্ণ জব্দ করা হয়। পরে ওই যাত্রীকে আটক করা হয়।

জব্দ করা এসব সোনার ওজন ৩ কেজি ৭০ গ্রাম। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা বলে জানান সানোয়ারুল। আমরানুল হকের বিরুদ্ধে ডিএমপির বিমানবন্দর থানায় কাস্টমস আইনে মামলা করা হয়েছে।


আরও খবর



হংকং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরানো হলো ‘পিলার অব শেম’ ভাস্কর্য

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তিয়েনআনমেন স্কয়ার গণহত্যার স্মরণে হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা ভাস্কর্য পিলার অব শেম সরিয়ে ফেলেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ১৯৮৯ সালে চীনা কর্তৃপক্ষের হাতে নিহত গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকর্মীদের মরদেহ স্তূপাকারভাবে দেখানো হয়েছিল এই ভাস্কর্যে। ভাস্কর্যটি গত ২৪ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছিল। এখন থেকে এটি নিজেদের স্টোরেজে রাখা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

হংকংয়ের ওই স্মরণীয় ঘটনায় এখনো অবশিষ্ট আছে এমন গুটি কয়েক স্মৃতিস্তম্ভের মধ্যে এটিও একটি ছিল, যা চীনে খুবই স্পর্শকাতর। হংকংয়ে রাজনৈতিক ভিন্ন মতাবলম্বীদের বেইজিংয়ের প্রতিনিয়ত দমন-পীড়নের মধ্যেই এটি সরিয়ে নেওয়া হলো। খবর বিবিসি অনলাইনের। 

বিশ্ববিদ্যালয় গত অক্টোবরে পিলার অব শেম নামের এই ভাস্কর্যটি সরানোর প্রাথমিক নির্দেশ দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহৎ স্বার্থে ঝুঁকি মূল্যায়ন করে এবং বাহ্যিক আইনি পরামর্শের ভিত্তিতে বহু বছরের পুরনো এই ভাস্কর্য সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় এই ভাস্কর্য সম্পর্কিত নিরাপত্তা ইস্যু নিয়েও উদ্বিগ্ন। 

বুধবার রাতে ভাস্কর্যটি সরানোর প্রথম লক্ষণ ধরা পড়ে যখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্লাস্টিক শিট দিয়ে ওই এলাকা ঘিরে ফেলে। নির্মাণ শ্রমিকরা সারারাত প্লাস্টিকের বেড়ার ওপাশে কাজ করে তামার তৈরি ২৬ ফুট উঁচু ভাস্কর্যটি উপড়াতে সক্ষম হয়। এসময় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলের ছবি তোলার চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা বাধা দেয়।

বিবিসির সাংবাদিক গ্র্যাস টোসই ঘটনাস্থল থেকে বলেন, ভেতরে ভাঙচুর ও ড্রিল মেশিনের শব্দ হচ্ছিল কিন্তু কেউ দেখতে পায়নি আসলে কি ঘটতেছিল।


আরও খবর

আবুধাবিতে ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




সাইকোলজিক্যাল হ্যাক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ ডিসেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রথমেই আমরা জেনে নেব সাইলোজিক্যাল হ্যাক কী? সাইকোলজিক্যাল হ্যাক আসলে বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে কাউকে হারানোকেই বোঝায়।

আরও সহজ করে বলা যায়, মস্তিষ্ককে ধোঁকা খাওয়ানো, কথার চতুরতা ইত্যাদি। অনেকটা ব্রেইন গেমের মতো। কাউকে মানসিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে সাইকোলজিক্যাল হ্যাক কাজে লাগে।

আজ আমরা এমন কিছু সাইকোলজিক্যাল হ্যাক সম্পর্কে জানব, যা আপনার জীবন চলার পথে আরও সুগম করবে। আপনার ব্যক্তিগত ও কর্মজীবনে যা মেনে চললে বা প্রয়োগ করলে অনেক লাভবান হবেন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক

১. কথা বলার সময় শ্রোতার মনোযোগ ধরে রাখতে চান? কিংবা কাউকে প্রশ্ন করে সত্য উদ্ঘাটন করতে চান?

তার চোখের দিকে তাকিয়ে আপনার প্রতিবিম্ব লক্ষ্য করে কথা বলুন, সে সম্মোহিত হয়ে যাবে। নার্ভাস ফিল করবে। যথাযথ জবাব দেবে। তবে এটা কেবল স্থির দণ্ডায়মান এবং আলোর বিপরীতে থাকলেই সম্ভব হয়।

২. কাউকে কোনো কাজের জন্য জিজ্ঞেস না করে অনুরোধ করুন।

যেমন ধরুন আমরা সচরাচর এমনভাবে প্রশ্ন করে থাকি, আপনি কি আমার এই কাজটি করে দিতে পারবেন? না, এভাবে প্রশ্ন করবেন না। সরাসরি অনুরোধ করবেন যে, দয়া করে আপনি আমার এই কাজটি করে দিন। দেখবেন তখন আর সে আপনাকে না করতে পারবে না। তাই কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করিয়ে নেওয়ার এই সাইকোলজিক্যাল হ্যাকটা অনেক কার্যকারী।

৩. অবহেলাকারীর সঙ্গে আই কন্টাক্ট করুন।

যখন আপনি কারও সঙ্গে একটানা কথা বলেন এবং সে আপনার কথায় মনোযোগী না হয় অর্থাৎ আপনাকে ইগনোর করার চেষ্টা করে তখন কিছুক্ষণের জন্য কথা বলা থামিয়ে দিন। তার দুই চোখে চোখ রাখবেন। চোখ নামাবেন না। ফলে সে ইতস্তত বোধ করবে এবং আবার আপনার কথায় মনোযোগী হবে।

৪. আপনার হাসিতেই অন্যকে সম্মোহিত করার শক্তি আছে, তাই হাসিটা নির্মল ও সুন্দর রাখুন।

৫. বক্তৃতা দেওয়ার সময় সঙ্গে পানির বোতল সামনে রাখুন।

অনেকে এমন আছেন যারা কোনো সমাবেশে জনসম্মুখে কথা বলতে গেলে নার্ভাস ফিল করেন। বারবার গলা শুকিয়ে যায়, কথা আটকে যায়। তারা সঙ্গে করে একটি পানির বোতল রাখতে পারেন। এতে গলা শুকিয়ে গেলে যেমন পানি পান করতে পারবেন, তেমন পানি খাওয়ার বিরতিতে আপনি ঠিক কী বলতে চান তা মনে করতে পারবেন।

তা ছাড়া পানি খাওয়ার ফলে, মুড রিফ্রেশ হবে, নার্ভ শিথিল হবে, আর আপনার বক্তৃতাও ভালো হবে। জনসম্মুখে কথা বলতে যারা নার্ভাস ফিল করেন, তারা এই সাইকোলজিটা ফলো করলে সুফল পাবেন।

৬. ডি মোটিভেশনকে মোটিভেশন হিসেবে ব্যবহার করুন।

ধরুন আপনি কাউকে দিয়ে আপনার কোনো কাজ করাবেন বা অন্য কেউ তাকে দিয়ে কোনো কাজ করাবে, তখন তাকে এভাবে বলবেন যে, তুমি তো এই কাজ পারবেই নাতোমার দ্বারা হবে না, ছেড়ে দাও

তখন দেখবেন তার মনে কাজটা ভালো এবং সুন্দরভাবে করে দেওয়ার আগ্রহ জাগবে, সেটি জেদ করেই হোক, সে চাইবে কাজটা করে আপনাকে দেখিয়ে দিতে। আর বুঝিয়ে দিতে চাইবে না সে পেরেছে, আপনি ভুল ছিলেন।

৭. দেহভঙ্গি দিয়ে সামনের জনের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করুন।

যখন আপনি কারও সঙ্গে কথা বলবেন, তখন হালকা করে মাথা ও হাত নাড়িয়ে কথা বলবেন। এতে সামনের জন মনে করবে আপনি তার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহ পাচ্ছেন বা আপনার তার সাথে কথা বলতে ভাল লাগছে।

এতে দেখবেন যার সাথে কথা বলবেন সে অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে যাবে এবং আপনার সাথে সবকিছু শেয়ার করবে। এই সাইকোলজিক্যাল হ্যাক মানুষের সাথে ভালো সম্পর্ক স্থাপনে সাহায্য করে। আপনার প্রিয় ব্যক্তির সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে এই টিপস ফলো করুন।

৮. সকালে চোখের ঘুম ঘুম ভাব দূর করতে চান?

 সকালে যখন ঘুম ভাঙে, তখন চোখের ঘুম ভাব দূর করতে উঠে বসে পড়ুন। অতঃপর দুই হাত এপরে তুলে জোরে বলুন ইয়ে। খেলা দেখার সময় অনেকে তাদের এক্সসাইটমেন্ট যেভাবে প্রকাশ করে সেভাবে আরকি।

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটি আপনাকে সকালে রিফ্রেশ করতে অনেক কাজে দিবে। দেখবেন তৎক্ষণাৎ ঘুম ঘুম ভাব দূর হয়ে যাবে।

৯. অন্য কাজে মনোযোগী থাকা লোক দিয়ে নিজের কাজ করিয়ে নিন।

ধরুন, কেউ অনেক মনোযোগ দিয়ে কোন কাজ করছে। যেমন ফোনে অনেক মনোযোগ দিয়ে কারো সাথে কথা বলছে। তখন আপনি আপনার যে কোনো জিনিস তার হাতে ধরিয়ে দিতে পারবেন, যা সে মনে রাখতে পারবে না আপনি কখন দিয়েছেন। এমন করে নিজের কাজ আপনি তাকে দিয়ে করিয়ে নিতে পারবেন। আবার উল্টোটাও হয় তার হাতে থাকা যে কোনো জিনিস আপনি নিয়ে নিতে পারবেন। এটিও সে মনে রাখতে পারবে না, সে কখন দিয়েছে।

১০. যখন কেউ আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে আপনি তখন তার জুতোর দিকে তাকাবেন।

রাস্তায় বা বাস গাড়িতে যখন কেউ এক দৃষ্টিতে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে, তখন আপনিও এক দৃষ্টিতে তার জুতার দিকে তাকিয়ে থাকবেন। চোখ সরাবেন না। দেখবেন তার মধ্যে ইতস্তত ভাব কাজ করবে, সে লজ্জাবোধ করবে। এবং তখন আপনার থেকে চোখ সরিয়ে নিতে একপ্রকার বাধ্য হবে। রাস্তাঘাটে বিশেষ করে মেয়েরা এই ট্রিকস টা ফলো করতে পারেন।

১১. চিন্তাশক্তির মাধ্যমে ক্লান্তি দূর করুন।     

 যদি আপনার আগের দিন রাতে ভালো ঘুম না হয় আর আপনি অনেক ক্লান্ত থাকেন,তা হলে মনে মনে ভাববেন আপনার ভালো ঘুম হয়েছে আপনি মোটেও ক্লান্ত না।

শুনতে আজব লাগলেও, এটি কিন্তু শতভাগ কার্যকারী। কলোরাডো কলেজ একটি পরীক্ষা করে জার্নাল অফ এক্সপেরিমেন্টাল সাইকোলজি বই এ প্রকাশ করেছেন যে, আপনি যদি মনে করেন আপনি খুব ভালোভাবে রেস্ট নিয়েছেন এবং আপনার মধ্যে কোনো ক্লান্তি নেই, তা হলে আপনার ব্রেন খুব ভালো ভাবে কাজ করে, যা ১০০ শতাংশ প্রমাণিত।

১২. প্রিয়জনের সঙ্গে দেখা করার সঠিক সময় কোনটি?

মানুষ সবসময় দিনের শুরুর ঘটনা এবং শেষের ঘটনা মনে রাখে। মাঝখানে সারাদিন যা হয় তা কিন্তু এত একটা মনে রাখে না। তাই সব সময় চেষ্টা করবেন কারো সাথে দেখা কিংবা জরুরি কোন মিটিং, চাকরির ইন্টারভিউ সকালে বা বিকালে করতে। এতে করে আপনার সাথে থাকা মানুষ আপনাকে সর্বদা মনে রাখবে।


আরও খবর

মুখে স্বাদ ফেরাতে বানান মুরগির পুলি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২

চাইনিজ সবজি রান্নার সহজ রেসিপি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




সারা দেশে চলমান শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ ডিসেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা এবং বরিশাল অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলমান শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ের শেষের দিকে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে হালকা বৃষ্টিপাতের শঙ্কা রয়েছে।

সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী তিন দিনে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর বাসসের।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।

এছাড়া দেশের দক্ষিণাঞ্চলের রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং অন্যত্র তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বাড়তি অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও এর কাছাকাছি বাংলাদেশ এলাকায় বিরাজমান। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং এর আশেপাশের বিষুবীয় ভারত মহাসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে উত্তর সুমাত্রা উপকূলের অদূরে দক্ষিণ আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে।

সোমবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস ও যশোরে ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ২, ময়মনসিংহে ১৩ দশমিক ৩, চট্টগ্রামে ১৬ দশমিক ৪, সিলেটে ১৪ দশমিক ৪, রাজশাহীতে ৯ দশমিক ৪, রংপুরে ১১ দশমিক ৪, খুলনায় ১১ দশমিক ৬ এবং বরিশালে ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: শৈত্যপ্রবাহ

আরও খবর