Logo
শিরোনাম

ভাঙছে রাজ-পরীমনির সংসার!

প্রকাশিত:শনিবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না। মাত্র কিছুদিন আগেই বিনোদন জগৎ উত্তপ্ত ছিল শাকিব-বুবলীর বিয়ে, সন্তান এবং বিচ্ছেদের সংবাদে। এই সংবাদের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের ইঙ্গিত দিলেন ঢালিউড তারকা পরীমনি।

শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এমন ইঙ্গিত দেন তিনি।

পরীমনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লেখেন, হ্যাপি থার্টিফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নেই।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পরীমনিকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। ক্ষুদেবার্তা পাঠালেও তার জবাব দেননি।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত এই নায়িকা ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর চুপিসারে অভিনেতা শরিফুল রাজকে বিয়ে করেন। চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি এ খবর প্রকাশ্যে আনেন তারা৷ সেসময় পরী জানান, তাদের ঘরে সন্তান আসছে। গত ১০ আগস্ট রাজধানীর একটি হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দেন পরী। রাজ-পরীর সন্তানের নাম রেখেছেন শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

গিয়াস উদ্দিন সেলিমের গুণিন সিনেমার সেটে দুজনের পরিচয় ও প্রেম; তারপর হুট করেই বিয়ে। বিয়ে ও সন্তান জন্মের পর বেশ ভালোই যাচ্ছিল তাদের নতুন জীবন। রাজ-পরীর দুষ্টু, মিষ্টি কিংবা আবেগমাখা কর্মকাণ্ড বরাবরই ভক্তদের নজর কেড়েছে। অন্তর্জালে তাদের নানান মুহূর্তের ছবি বেশ প্রশংসা কুড়ায়। তবে বছর না ঘুরতেই বছরের শেষ দিন সম্পর্ক ছিন্নের ইঙ্গিত তিলে পরীমনি।


আরও খবর

আপাতত দেশে আসছে না 'পাঠান'

বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩




বিএনপি নেতা খন্দকার মাহবুব হোসেন আর নেই

প্রকাশিত:শনিবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ জানুয়ারী ২০23 | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন আর নেই।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় শনিবার রাতে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার।

১৯৩৮ সালের ২০ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনের। তার পৈত্রিক বাড়ি বরগুনা জেলার বামনা উপজেলায়। তিনি ১৯৬৭ সালের ৩১ জানুয়ারি আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।

১৯৭৩ সালে দালাল আইনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আদালতের প্রধান কৌঁসুলি ছিলেন তিনি। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশের ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত।


আরও খবর



প্রশিক্ষিত নার্স বাড়ানোর কার্যক্রম চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে বর্তমানে সরকারের তুলনায় নার্স কম জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, প্রশিক্ষিত নার্স বাড়ানোর কার্যক্রম চলছে।

সোমবার স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্তে সংসদে বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল সংশোধন বিল ২০২৩ পাস হয়।

এর আগে এ বিলেন আলোচনায় দেশের স্বাস্থ্য সেবায় নার্সদের উন্নত প্রশিক্ষন এবং মেডিকেল টেকনোলজিস্ট বাড়ানোর তাগিদ দেন সংসদ সদস্যরা।

বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে ৪৫ হাজার নার্স সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সেইসাথে ৩৫০ ইনস্টিটিউট কাজ করছে দক্ষ নার্স গড়ে তুলতে। আগামীতে স্বাস্থ্য সেবার মান বাড়াতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।


আরও খবর

৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




তৃতীয় বৃহৎ গাড়িবাজার হলেও ইভিতে পিছিয়ে ভারত

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত বছর ৪০ লাখের বেশি চার চাকার গাড়ি বিক্রি হয়েছে ভারতে। এর মাধ্যমে জাপানকে পেছনে ফেলেছে দেশটি। সামনে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অবস্থান। তবে আট মাস আগেও এ চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সে সময় উৎপাদন এবং বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছিল। বিরূপ অবস্থা কাটিয়ে পুনরায় চাঙ্গা হয়ে উঠেছে ভারতীয় অর্থনীতি। গাড়ি কেনায় ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে।

ভারতীয় গাড়ির বাজারের অধিকাংশ মোটর বাইকের দখলে। বড় যানবাহনের তুলনায় এগুলোর দাম কম। তবে উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারতীয়রা চার চাকার গাড়ির দিকে ঝুঁকছেন উল্লেখযোগ্য হারে। পাশাপাশি বৃদ্ধি পেয়েছে অধিকতর বড় স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকলের (এসইউভি) চাহিদা।

তবে বিদ্যুৎচালিত গাড়ির ব্যবসার দিক দিয়ে এখনো যথেষ্ট পিছিয়ে আছে ভারত। এক্ষেত্রে দেশটির সাফল্য কেবল দ্বিচক্রযানের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সাম্প্রতিক বিবেচনায় মনে হচ্ছে, চার চাকা কিংবা বড় যানবাহনের ক্ষেত্রে এ সাফল্য প্রতিস্থাপিত হতে সময় লাগবে। এর অন্যতম কারণ হল দ্বিচক্রযানের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত সুবিধা। এসব যানে পাওয়ারপ্যাক থাকে তুলনামূলক ছোট। সস্তায় ও সহজে তা রাস্তার পাশের অসংখ্য ব্যাটারি সোয়েপিং স্টেশন থেকে বদলে নেয়া যায়। চার্জ দেয়ার সুবিধাও পাওয়া যায় সর্বত্র। তাছাড়া বিদ্যুচ্চালিত মোটর বাইক সাশ্রয়ী। গ্যাসের কোনো ঝামেলা নেই। তাই গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে মাথাব্যথাও নেই। পাশাপাশি এ খাতে সরকার প্রদত্ত ভর্তুকিও কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।

সে তুলনায় বিদ্যুৎচালিত চার চাকার গাড়ি এবং বড় যানবাহনের খরচ বেশি এবং সুবিধা কম। চার্জ দেয়ার ব্যবস্থা অপ্রতুল। যদিও এ ধরনের যানবাহনে চার্জ দেয়ার জন্য উপযোগী চার্জিং স্টেশন নির্মাণের জন্য বিভিন্ন কোম্পানিকে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। যথেষ্ট চার্জিং স্টেশন এরই মধ্যে নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু সমস্যা আরো আছে। দেশটির অনেক অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন নয়। তাছাড়া বড় ব্যাটারিগুলো চার্জ করতে উচ্চক্ষমতা এবং ভোল্টেজ প্রয়োজন হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ার দুশ্চিন্তা। তেমন কিছু হলে ভারতের বিভিন্ন স্থানের দূরত্ব এবং ভয়াবহ ট্রাফিক ব্যবস্থায় বড় গাড়ি নিয়ে বিপাকেই পড়তে হবে চালককে। ভারতের সাধারণ নাগরিকরা যতদিন বিদ্যুচ্চালিত গাড়িকে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক মনে না করবে, ততদিন এ খাতের সম্প্রসারণ দুরূহ। এরই মধ্যে উৎপাদন খরচও বেড়েছে। ব্যাটারি সরবরাহ কম ও অনিশ্চিত। ভারতে আমদানি করা পাওয়ারপ্যাকগুলোও নিম্নমানের।

এ চিত্র মোদি সরকারের পরিবেশবান্ধব কর্মসূচির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। নরেন্দ্র মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে বিকল্প জ্বালানিচালিত যানবাহন নির্মাণে এগিয়ে এসেছে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। এদের মধ্যে অশোক লেল্যান্ড লিমিটেড এবং টাটা মোটরস লিমিটেডের নাম উল্লেখযোগ্য। জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন, ইথানল, ফ্লেক্স ফুয়েলস, বিদ্যুৎ, সিএনজি ইত্যাদির ওপর জোর দিচ্ছে তারা।

এ সমস্যার বাস্তবসম্মত একটি সমাধান হতে পারে হাইব্রিড গাড়ি। কম ধোঁয়া নির্গমনের ক্ষেত্রে এগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এতে ক্রেতাদের জন্য দুটি সুযোগই থাকে। চার্জ ফুরিয়ে গেলে তারা নির্দ্বিধায় জ্বালানি ব্যবহার করে গাড়ি চালিয়ে নিতে পারে। বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির তুলনায় হাইব্রিড গাড়ির ব্যাটারির আকার অনেক ছোট। তাই পাওয়ারপ্যাকের খরচও থাকে কম। ফলে এ গাড়িগুলো তুলনামূলক সস্তা ও কার্যকরী। পাশাপাশি যদি বড় ধরনের ভর্তুকি দেয়া হয়, তাহলে এ গাড়িগুলো ক্রেতাদের আকর্ষণে পরিণত হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে তা এরই মধ্যে শুরু হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ইভি

আরও খবর



ঢাকা ডমিনেটর্সকে ৮ উইকেটে হারালো চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১৪ বল হাতে রেখে ঢাকা ডমিনেটর্সকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। বিপিএলের দ্বাদশ ম্যাচে আজ শনিবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় ঢাকা।

আগে ব্যাট করতে নামা দলকে দুই ওপেনার উসমান ও মিজানুর জুটিতে আসে ৬০ রান। তবে মিজানুর মন্থর গতিতে রান তোলায় কাঙ্ক্ষিত গতি পায়নি তাদের ঢাকার ইনিংস।

৩৩ বলের মোকাবিলায় ৩ চারে ২৮ রান করে মিজানুর বিদায় নিলে ভাঙে ঢাকার উদ্বোধনী জুটি। অন্যদিকে উসমান দলকে ৭৯ রানে রেখে বিদায় নিলেও ৩৩ বলে খেলেন ২ চার ও চার ছয়ে সাজানো ৪৭ রানের দারুণ এক ইনিংস। দুজনকেই বিদায় করেছেন চট্টগ্রামের বোলার নাহিদুজ্জামান। এর মধ্যে আফগান ব্যাটার উসমান হয়েছেন কট অ্যান্ড বোল্ড।

দুই ওপেনার ভালো করলেও টপ অর্ডারের আরেক ব্যাটার সৌম্য সরকার ফিরেন মাত্র ৪ রান করেই। এরপর দলীয় সংগ্রহ ১০০ পার হতেই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার মিথুন আলীও বিদায় নেন ব্যক্তিগত ৯ রানে। চাপের মুখে হাল ধরেন নাসির।

১৮তম ওভারের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ঢাকার অধিনায়ক খেলেন ২২ বলে ৪ চারে সাজানো ৩০ রানের ইনিংস। শেষদিকে ঢাকার রানের চাকা সচল রাখেন আরিফুল হক। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়া এই ব্যাটার ১৮ বলে করেছেন ২৯ রান। 

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রানের লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে ঢাকা ডমিনেটরস। জবাবে মাঠে নেমে ১৭ ওভার ৪ বলে ২ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম।

১৫৯ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যে নেমে দ্বিতীয় বলেই প্রথম উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। তখন তিন নম্বরে নেমে একাই যেন ম্যাচটা জেতালেন আফিফ। বাঁহাতি এ ব্যাটার ৫২ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে বড়সড় অবদান রেখেছেন। আর ৩৩ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকেন দারবিশ রাসুলি।


আরও খবর



দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি সন্তোষজনক, সংসদে অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক চালকসমূহের অবস্থান সন্তোষজনক দাবি করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল চলমান অর্থ বছরে সরকারের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বৈরী পরিস্থিতি মোকাবিলা করে দেশ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সামনে এগিয়ে যেতে পারবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সংসদের বৈঠকে উপস্থাপন করা চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের বাজেট বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদনে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রাজস্ব আয়, প্রবাসী আয় এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, ডিপির ব্যয়, ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহ ইত্যাদি মৌলিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক চালকসমূহের অবস্থান সন্তোষজনক। আমদানি-রপ্তানি আয় উভয় ক্ষেত্রেই ধনাত্মক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে উন্নত বিশ্বের মত বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বিরূপ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তবে এসব বৈরী পরিস্থিতি মোকাবিলা করে দেশ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সামনে এগিয়ে যেতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী জানান, কভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক হয়ে আসা এবং মধ্যবর্তী পণ্য ও মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় বিগত অর্থ বছরে একই সময়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে বর্তমানে বিলাস দ্রব্যের আমদানি পরিহার করা এবং সরকারের কৃচ্ছ্রসাধনের কারণে আমদানি ব্যয় কমেছে।

তিনি জানান, বিগত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় চলতি অর্থ বছরের একই সময়ে আমদানি ঋণপত্র ৪.৫৭ শতাংশ কম খোলা হয়েছে। বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বর ২০২১ এর ৫ দশমিক ৫০ শতাংশের তুলনায় সেপ্টেম্বর ২০২২ সময়ে বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ। অন্যদিকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বর ২০২১ এর ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশের তুলনায় সেপ্টেম্বর ২০২২ সময়ে ৯ দশমিক ১০ হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজির দাম কমতে থাকায় মূল্যস্ফীতির বর্তমান চাপ চলতি অর্থবছরের শেষ নাগাদ সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসার আশা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসপণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিত করার পদক্ষেপ নেওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও খুব দ্রুত আগের মতো শক্ত অবস্থানে ফিরবে।

প্রতিবেদনে মন্ত্রী বলেন, কভিড পরিস্থিতি থেকে অর্থনীতি দ্রুত ঘুরে দাঁড়ালেও চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী তেল, গ্যাসসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য এবং গম, ভোজ্যতেলসহ প্রধান খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার ফলে উন্নত দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি সৃষ্টি হয়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নানাবিধ বিরূপ প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়।

চলতি অর্থবছর রাজস্ব আহরণ আশানুরূপ হারে বাড়বে উল্লেখ করে মুস্তফা কামাল বলেন, আর্থিকখাতে খেলাপি ঋণের মাত্রা কমিয়ে আনাসহ আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা করা এবং কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বেসরকারিখাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে বিনিয়োগের গতিধারা সমুন্নত রাখতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।

তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসপণ্য আমদানির ওপর বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং সরকারের কৃচ্ছ্রসাধন ব্যবস্থার কারণে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক হতে আমদানির পরিমাণ অনেকটাই হ্রাস পাবে। এতে চলতি হিসাবে ভারমাস্যের ঘাটতিও কমবে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এতে আশাবাদী হওয়ার পূর্ণ সুযোগ আছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার জুলাই-প্রান্তিকে রাজস্ব আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে এবং সরকারি ব্যয় বেড়েছে। রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি কমেছে। চলমান মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে।

নিজেকে অত্যন্ত আশাবাদী মানুষ হিসেবে তুলে ধরে মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের অর্থনীতির অন্তনির্হিত শক্তি, বিভিন্ন বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অভিঘাতের প্রেক্ষিতে সরকারের নেওয়া বাস্তবমুখী পদক্ষেপের ফলে অর্থনীতির প্রত্যাশিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।


আরও খবর