Logo
শিরোনাম

ভারত থেকে অস্কারের দৌড়ে গুজরাটি ছবি ‘ছেল্লো শো’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ সেপ্টেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আশা ছিল অনেক। হয়তো বক্স অফিসে রেকর্ড ব্যবসা করার পর অস্কারেও পৌঁছে যাবে RRR বা দ্য কাশ্মীর ফাইলস। আপাতত অস্কারের দৌড় থেকে ছিটকে গেছে ছবি দুটি। ছিটকে গেছে সঞ্জয়লীলা বনশালির গাঙ্গুবাঈও।  নতুন খবর, আগামী বছর অস্কারের জন্য সেরা বিদেশি ছবির বিভাগে ভারত থেকে পাঠানো হচ্ছে গুজরাটি ছবি ছেল্লো শো বা দ্য লাস্ট শো। ছবির পরিচালক পান নলিন।

গুজরাটের একটি ছোট্ট গ্রামের গল্প উঠে আসবে এই ছবিতে। ছবির মূল চরিত্রে এক কিশোর। তবে এই ছবির মূল বিষয়বস্তু হলো, কীভাবে ডিজিটাল মাধ্যম আসার পরে সেলুলয়েড আস্তে আস্তে হারিয়ে গেছে। তার মধ্যেও কীভাবে একজন সেলুলয়েডের প্রেমে পড়েছে, তা নিয়েই এই ছবির গল্প। এই ছবির মধ্যে দিয়ে পরিচালক দেখাতে চেয়েছেন এক যুগের অবসান ও আরেক যুগের শুরু।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে পরিচালক জানিয়েছেন, আমি ভাবতেই পারছি না! দারুণ লাগছে আমার। আসলে আমার এই ছবি সিনেমার কথা বলে। সিনেমার ভাষা, টেকনোলজি বদলে যাওয়ার কথা বলে। দেশ, বিদেশে প্রচুর প্রশংসা পেয়েছে এই ছবি। এবার দেখা যাক অস্কার জয় করতে পারে কি না। ফেডারেশনকে ধন্যবাদ এই ছবিকে বেছে নেওয়ার জন্য।

নিউজ ট্যাগ: দ্য লাস্ট শো

আরও খবর

দুরন্তপনার ৫ বছর

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




উত্তরাখণ্ডে বাস খাদে পড়ে নিহত ২৫

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের উত্তরাখন্ডে বরযাত্রী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ২৫ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন অনেকে। মঙ্গলবার (চৌঠা অক্টোবর) উত্তরাখণ্ড রাজ্যের পাউরি গাড়ওয়ালের সিমদি গ্রামের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটিতে ৪০ জনেরও বেশি আরোহী ছিলেন এবং তারা বিয়ে বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বাসটি খাদে পড়ে গেলে প্রাণহানির এ ঘটনা ঘটে।

বুধবার (০৫ই অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

উত্তরাখণ্ডের পুলিশ প্রধান অশোক কুমার বার্তাসংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন, ধুমকোটের বিরখাল এলাকায় গতকাল রাতে ঘটে যাওয়া বাস দুর্ঘটনায় ২৫ জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পুলিশ ও এসডিআরএফ রাতেই ২১ জনকে উদ্ধার করেছে; আহতদের পার্শ্ববর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার পরপরই হরিদ্বারের এসপি সিটি স্বতন্ত্র কুমার সিং বলেন, এখান থেকে একটি বাসে করে বিয়েবাড়ির উদ্দেশে বহু মানুষ রওনা হয়েছিল। পথিমধ্যে লালধাংয়ে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পাউরি পুলিশ এবং এসডিআরএফ এখনও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বাসে নারী ও শিশুসহ প্রায় ৪০ থেকে ৪২ জন আরোহী ছিল। আমরা পাউরি পুলিশ এবং গ্রামবাসীদের সাথে ক্রমাগত যোগাযোগ করছি। এখনও পর্যন্ত ১৫-১৬ জনকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে বলছে, হরিদ্বার জেলার লালধাং থেকে পাউরি জেলার বিরখালে একটি বিয়েবাড়িতে যাচ্ছিল বাসটি। পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ধুমকোট থানার পুলিশ। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরকেও খবর দেওয়া হয়।

উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি রাতেই জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর। উদ্ধারকাজে স্থানীয় গ্রামবাসীরাও সাহায্য করছেন।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




ফেসবুক লাইভে ৪ মাঝিকে খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন রোহিঙ্গা যুবক

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কক্সবাজারের কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সম্প্রতি হত্যার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশ উত্তেজনা চলছে। ঠিক এই সময়ে উখিয়ার ক্যাম্পে এক মাসে চার মাঝিকে হত্যার বিষয়ে ফেসবুক লাইভে এসে হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিলো মোহাম্মদ হাশিম (২০) নামের এক যুবক। সে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামী মাহাজ’ নামে একটি সংগঠনের সদস্য বলে দাবি করেছে। সে উখিয়ার ১৮নং ক্যাম্পে ৯৩ ব্লকের আব্দুল জাব্বারের পুত্র।

তার ফেসবুক লাইভের ভিডিওতে দেখা যায়, সে একটি অস্ত্র নিয়ে ভিডিওতে এসে চার মাঝির মধ্যে কাকে কীভাবে হত্যা করেছিল তার রোমহর্ষক বর্ণনা দিচ্ছেন।

মোহাম্মদ হাশিম লাইভে বলেন, তার মত ২৫ জন যুবককে অস্ত্র দিয়েছে ইসলামি সংগঠন মাহাজ। যাদের কাজ ছিল হত্যার মিশন বাস্তবায়ন। যার জন্য আমাদের দেওয়া হতো মোটা অংকের টাকা।

আমাদের মূল কাজ ছিল যারা প্রত্যাবাসন নিয়ে কাজ করে তাদের হত্যা করা। সম্প্রতি সময় ৫-৬ দিনের মধ্যে আমরা ৩ মাঝিসহ এই সেচ্ছাসেবককে হত্যা করেছি।

লাইভে খুনের শিকার মাঝিদের নামও বলেছেন এই যুবক। তিনি বলেছেন, ১৮নং ক্যাম্পের হেড মাঝি জাফর, ৭নং ক্যাম্পের ইসমাইল, কুতুপালং এক্সটেনশন ক্যাম্প-৪ এইচ ব্লকের এরশাদ ও হেড মাঝি আজিমুল্লাহকে তারা হত্যা করেছেন।

একইভাবে লাইভে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ ইসলামী মাহাজ সংগঠনের চার মুখপাত্রের নামও বলেন মোহাম্মদ হাশিম। তারা হলেন, জিম্মাদার সাহাব উদ্দিন, রহমত উল্লাহ, হেড মাঝি ভুইয়া, মৌলভী রফিক। এই চারজন এই সংগঠনের নেতৃত্ব দিতেন বলে জানান এই রোহিঙ্গা যুবক।

লাইভে মোহাম্মদ হাশিম আরও বলেন, তাদের সামনে আরও বড় মিশন ছিল। কিন্তু সে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাই এই খারাপ জগত ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চান।

এদিকে মোহাম্মদ হাশিমের সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। এই ভিডিও প্রচারের পর থেকে ক্যাম্পে মাঝিসহ নেতৃস্থানীয় রোহিঙ্গাদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে ।

গোয়েন্দা সংস্থার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এই রোহিঙ্গা সংগঠন ইসলামি মাহাজ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সব রকমের অপরাধ করে থাকে। এবং ক্যাম্পে বড় ধরনের নাশকতা করে এই সংগঠনের সদস্যরা। তাদের আটকের তৎপরতার কথা জানান এই কর্মকর্তা ।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, ভিডিওটা আমরা দেখেছি। এই যুবক যাদের নাম উল্লেখ করেছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা ক্যাম্পে নিরাপত্তায় সবসময় প্রস্তুত।

 


আরও খবর



জি কে শামীমের মামলার রায় আজ, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুবলীগের নেতা এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণা আজ (২৫ সেপ্টেম্বর)। জিকে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দাবি করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। অপরদিকে, আসামি পক্ষের আইনজীবী তাদের খালাস প্রত্যাশা করছেন। রবিবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুলের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার বলেন, আসামির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ রয়েছে তা রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা ও সাক্ষীরা আদালতে এসে সাক্ষী দিয়েছে। তারা আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণে বলেছেন আসামিরা ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই সাক্ষ্য, প্রমাণ, বিচার-বিশ্লেষণে আমরা আশা করছি আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে।

অপরদিকে, আসামি পক্ষের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম বলেন, আমরা আশা করছি আসামিরা মামলা থেকে খালাস পাবেন। কারণ আসামিদের কাছ থেকে যে অস্ত্র পাওয়া গেছে সেটার লাইসেন্স আছে। তাছাড়া অস্ত্রটি উদ্ধার হয়েছে তার বাসা থেকে। আসামি এই অস্ত্র দিয়ে কাউকে হুমকি দেননি।  অপব্যবহার করেননি। যদি আসামি এ অস্ত্রের অপব্যবহার করতো তাহলে অপরাধী হিসাবে বিবেচনা করা যেতো। এ ছাড়াও তদন্ত কর্মকর্তা ও সাক্ষীরা কেউ বলেনি আসামিরা ক্যাসিনোতে জড়িত ছিল বা চাঁদাবাজি করতো। তাই আমরা আশা করছি রায়ে আসামিরা খালাস পাবেন।

এর আগে, গত ২৮ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন জি কে শামীমের ৭ দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলাম,  শহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন ও মুরাদ হোসেন। ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর অস্ত্র মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে র‌্যাব। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠন করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে  রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাসা ও অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় এককোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে ৩টি মামলা করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: জি কে শামীম

আরও খবর



৩৪টি সিনেমা হলে চলছে ‘বীরত্ব’

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৯৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাইদুল ইসলাম রানা পরিচালিত প্রথম সিনেমা বীরত্ব। এ ছবি দিয়ে চিত্রনায়িকা হিসেবে অভিষেক হচ্ছে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশর রানারআপ নিশাত নাওয়ার সালওয়ারের। তার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেতা মামনুন হাসান ইমন। শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ৩৪টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে বীরত্ব। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান পিং পং এন্টারটেইনমেন্ট।

প্রথমবারে মতো বাংলা সিনেমায় নতুন খলনায়ক হিসেবে অভিষেক হচ্ছে ছোট পর্দার অভিনেতা ইন্তেখাব দিনারের। এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন আহসান হাবিব নাসিম ও মনিরা মিঠু। এছাড়া একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার।

এ বিষয়ে ইন্তেখাব দিনার বলেন, ময়মনসিংহ শহরে আমার দাদার পূরবী সিনেমা হল ছিল। ছোটবেলায় দেখেছি স্বপ্নের নায়ক-নায়িকাদের পোস্টার আসত আমাদের বাসায়। তাদের ছবি দেখে খুব ভালো লাগতো। অভিনয়ে নিজের ইমেজ ভেঙে এই ছবিতে প্রথম ভিন্ন ইমেজে কাজ করেছি। কতটুকু পেরেছি জানি না, তবে সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে এই সিনেমায় খলনায়ক হিসেবে নিজেকে আবিষ্কার করেছি। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে, ছবিটি দেখতে হলে যাবেন।

ইমন বলেন, কোনো সিনেমায় যখন শুটিং করি তখন বুঝতে পারি এ সিনেমা কতটা ভালো হবে। আমি বলতে চাই, আমার অভিনয় জীবনে সেরা সিনেমা হয়ে থাকবে বীরত্ব। সিনেমা নিয়ে আর কিছুই বলতে চাই না। শুটিংয়ের সময়ের কিছু মজার মজার ঘটনা বলতে চাই। এই সিনেমায় একজন যৌনকর্মীর চরিত্রে দেখা যাবে নিপুণকে। এর শুটিং হয় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার যৌনপল্লিতে। শুটিং শুরুর আগ মুহূর্তে নিপুণ যৌনকর্মীর সাজ নেন। এরপর সেখানে কয়েকজন যৌনকর্মীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে গল্প করছিলেন। সঙ্গে ছিলেন আরেক অভিনেত্রী জেসমিন। নিপুণকে দেখে কয়েকজন খদ্দের সত্যিই এগিয়ে আসেন। তারা যৌনকর্মী ভেবে নিপুণকে চান। এ রকম আরও অনেক মজার ঘটনা ঘটেছে আমাদের সঙ্গে। আমি সবাইকে বলবো বীরত্ব সিনেমা দেখতে হলে আসেন। ভালো গল্প ভালো একটা সিনেমা বীরত্ব

নিশাত নাওয়ার সালওয়া বলেন, এটা আমার প্রথম সিনেমা; সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার সবটা দিয়ে চেষ্টা করেছি অভিনয় করতে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আমি অনেক কিছু জানতে পেরেছি।

নিপুণ আক্তার বলেন, বীরত্ব নিয়ে আমি আগেও বলেছি। নতুন করে বলার কিছু নেই। আপনারা হলে আসবেন। এই প্রথম চলচ্চিত্র এবং টিভি মিলনমেলা হবে। এ সিনেমায় চলচ্চিত্র ও টিভির অনেক শিল্পী অভিনয় করেছেন। সামনের দিনগুলোতে আমরা এভাবে কাজগুলো করব। সবাই তো সবকিছু বলেছে আমি বলব একটি শিশু অভিনয় করেছে তাকে দেখার জন্য হলে আসবেন। আশা করছি নতুন কিছু পাবেন।


আরও খবর

দুরন্তপনার ৫ বছর

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খলিলুর রহমানের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আরও একজনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই আসামি হলেন নেত্রকোণার খলিলুর রহমান। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, খলিলুর রহমান ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য ছিলেন। যুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। পরে চণ্ডিগড় ইউনিয়নে আল বদর বাহিনীর কমান্ডার হন। এর আগে গত ১৮ জুলাই শুনানি শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রেখে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

এ আসামির বিরুদ্ধে শুনানিতে প্রসিকিউটর ছিলেন রানা দাশগুপ্ত ও রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী গাজী এমইএচ তামিম। ২০১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি রাজধানীর ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মামলার পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

পাঁচ আসামি হলেন- রমজান আলী, মো. খলিলুর রহমান, তার ভাই মো. আজিজুর রহমান, আশক আলী ও মো. শাহনেওয়াজ। এর মধ্যে চার আসামি রমজান আলী, আজিজুর রহমান, আশক আলী ও মো. শাহনেওয়াজ মৃত্যুবরণ করেন।

এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা থানা এলাকায় অবৈধ আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগে ধ্বংস করা, ধর্ষণের চেষ্টা, ধর্ষণ, হত্যা ও গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২২ জনকে হত্যা, একজনকে ধর্ষণ, একজনকে ধর্ষণের চেষ্টা, অপহৃত চারজনের মধ্যে দুজনকে ক্যাম্পে নির্যাতন, ১৪-১৫টি বাড়িতে লুটপাট ও সাতটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।


আরও খবর