Logo
শিরোনাম

ভারতে নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশি তরুণীর সন্ধান

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতে ভাইরাল ভিডিওতে বিবস্ত্র করে পৈশাচিক নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশি তরুণীর সন্ধান পেয়েছে ব্যাঙ্গালুরু পুলিশ। তাকে ব্যাঙ্গালুরু ফিরিয়ে আনার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই তরুণীকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত টিকটক ‍হৃদয় বাবুসহ তার সহযোগীদের সবাইকে এর আগেই গ্রেপ্তার করে ওই দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।

শনিবার (২০ মে) বিকেলে ভারতের আসামভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল টাইম এইট এ খবর প্রকাশ করেছে। নির্যাতনের শিকার এই তরুণীর গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে। ঢাকায় মা-বাবার সঙ্গে হাতিরঝিলে থাকতেন তিনি। ৪ বছর আগে চাঁদপুরে বিয়ে হয় তার। বিয়ের পর থেকে স্বামী বিদেশ থাকেন এবং তাদের সংসারে ৩ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। এরমধ্যে স্বামীর বন্ধু টিকটক হৃদয় বাবুর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে ভারতে গিয়ে নির্যাতনের পৈশাচিক শিকার হন তিনি।

ব্যাঙ্গালুরু পুলিশের বরাত দিয়ে টাইম এইটের খবরে বলা হয়, ব্যাঙ্গালুরুতে পৈশাচিক নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী পালিয়ে কেরালায় চলে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাকে নিরাপদে ব্যাঙ্গালুরুর বাইয়াপ্পানাহাল্লি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয় বাউরিং হাসপাতালে।


আরও খবর

আমার দেখা তসলিমা নাসরিন

শনিবার ০৫ জুন ২০২১




চাঁপাইনবাবগঞ্জের লকডাউন আরও বাড়ল

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সীমান্তবর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলমান লকডাউন আরও সাতদিন বাড়ানো হয়েছে। সোমবার (৩১ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মঞ্জুরুল হাফিজ তার কার্যালয়ে প্রেস বিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন।

এর আগে গত ২৪ মে সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে এক সপ্তাহের জন্য বিশেষ লকডাউন ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ।

জেলা প্রশাসক বলেন, জনগণকে সুরক্ষিত ও নিরাপদ রাখতে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সাত দিনের জন্য জেলাজুড়ে লকডাউন কার্যকর করা হবে। লকডাউনের সময় সব দোকানপাট ও যানচলাচল বন্ধ থাকবে। রাজশাহী ও নওগাঁ থেকে কোনো যানবাহন চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রবেশ করতে পারবে না, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকেও কোনো যানবাহন জেলার বাইরে যাবে না। রোগী ও অন্য জরুরি সেবাদানকারীর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না।

জেলা সিভিল সার্জন জাহিদ নজরুল চৌধুরী বলেন, জেলায় এ পর্যন্ত এক হাজার ৭২৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬০০এর মতো শনাক্ত হয়েছে গত ঈদের পর থেকে। ঈদের আগে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিল ১৪ শতাংশ, সেখানে কয়েক দিনের মধ্যে বাড়তে বাড়তে ২৬ মে ৫৫ শতাংশ এবং তারপর ৬২ শতাংশে উঠেছিল। তবে পরে একটু কমেছে। গত শনিবার ৬২১টি নমুনা পরীক্ষায় ১৬১ জনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে।


আরও খবর



সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, শয্যা-সংকটে হাসপাতালগুলো

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রতিদিন সাতক্ষীরার দুটি সরকারি হাসপাতাল এবং চারটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে রোগীরা ভর্তি হচ্ছে। পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় এবং শয্যা-সংকটের কারণে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা পাচ্ছে না। এর মধ্যে সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় চিকিৎসকেরা হিমশিম খাচ্ছেন।

সাতক্ষীরায় গতকাল মঙ্গলবারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আট দিনের গড় হিসাবে করোনা সংক্রমণের হার ছিল ৪১ দশমিক ২ শতাংশ। এমন অবস্থায় সাতক্ষীরা সরকারি মেডিকেল কলেজে শয্যা-সংকট দেখা দেওয়ায় ২৩ জন রোগীকে ভর্তি করা হয় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে। এই ২৩ জনের মধ্যে ২১ জনেরই করোনা পজিটিভ বলে জানান সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়েত। তিনি জানান, সরকারি মেডিকেল কলেজে আরও একটি করোনা ইউনিট স্থাপনের কাজ চলছে। সদর হাসপাতালেও করেনা ইউনিট বানিয়ে তা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

এদিকে, লকডাউন ঘোষণা করা না হলেও সাতক্ষীরায় বেশ কিছু বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। শহরে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করা হচ্ছে। পাশাপাশি শহরে রয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।


আরও খবর



ভার্চ্যুয়াল শুনানিতে ১ হাজার ১৭ জন শিশু জামিন

প্রকাশিত:শনিবার ১২ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৩৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলমান লকডাউনের মধ্যে ৪০ কার্যদিবসে ভার্চ্যুয়াল শুনানিতে এক হাজার ১৭ জন শিশু জামিন পেয়ে মুক্ত হয়েছে। একই সময়ে নিম্ন আদালতে ৬৩ হাজার ৭৫ জন হাজতি জামিন পেয়ে কারামুক্ত হয়েছেন।

১২ এপ্রিল থেকে ১০ জুন পর্যন্ত মোট ৪০ কার্যদিবসের এমন তথ্য জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।   

সুপ্রিম কোর্টের তথ্য মতে, গত ১২ এপ্রিল থেকে করোনা সংক্রমণ রোধকল্পে পুনরায় দ্বিতীয় দফায় সারাদেশে অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে জামিন ও অতি জরুরি ফৌজদারি দরখাস্ত শুনানি হচ্ছে।

১২ এপ্রিল থেকে ১০ জুন পর্যন্ত মোট ৪০ কার্যদিবসে সারাদেশে অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে এক লাখ ২৩ হাজার ৬৫টি মামলায় জামিনের দরখাস্ত ভার্চ্যুয়াল শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়।

এ সময়ে মোট ৬৩ হাজার ৭৫ জন হাজতি অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিন পেয়ে কারাগার মুক্ত থেকে হয়েছেন। এর মধ্যে ভার্চ্যুয়াল আদালতে একই সময়ে মোট জামিন পেয়েছে ১০১৭ জন শিশু।

লকডাউনের মধ্যে আদালতের কার্যক্রম চালাতে প্রধান বিচারপতির আদেশে ১১ এপ্রিল রোববার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহামারি কোভিড-১৯ এর ব্যাপক বিস্তার রোধে আগামী ১২ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে জামিন ও অতি জরুরি ফৌজদারি দরখাস্ত নিষ্পত্তি করার উদ্দেশে আদালত ও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

প্রত্যেক জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর এলাকার মহানগর দায়রা জজ, নারীও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, শিশু আদালতের বিচারক এবং চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার নিয়ন্ত্রনাধীন এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা- আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০" এবং হাইকোর্ট কর্তৃক জারিকৃত এতদসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ পূর্বক শুধু জামিন ও অতীব জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তগুলো নিষ্পত্তি করতে ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগ থেকে দেওয়া জামিন আদেশের ক্ষেত্রে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জামিন নামা দাখিল করতে হবে। এছাড়া সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় প্রত্যেক চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্বপালন করবেন।


আরও খবর



করোনা: দেশে ১৪০টি ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১১০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দেশে নতুন নতুন করোনাভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ২৭টি ইউকে ভ্যারিয়েন্ট, ৮৫টি সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট, পাঁচটি নাইজেরিয়ান ভ্যারিয়েন্ট এবং ২৩টি ইন্ডিয়ার ভ্যারিয়েন্ট মিলেছে

করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। গত কয়েক মাস ধরে করোনার নমুনা পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ১০ দশমিক ১১ শতাংশের ওপরে থাকছে। প্রতিদিন কমবেশি ৩০ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। আর শনাক্তের সংখ্যা দৈনিক হাজারের ওপরে। এমতাবস্থায় করোনাভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

রবিবার (৩০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআর- এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে নতুন নতুন করোনাভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ২৭টি ইউকে ভ্যারিয়েন্ট, ৮৫টি সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট, পাঁচটি নাইজেরিয়ান ভ্যারিয়েন্ট এবং ২৩টি ইন্ডিয়ার ভ্যারিয়েন্ট মিলেছে।

অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন বলেন, দেশে এ যাবৎ ২৬৩টি সিকোয়েন্স করা হয়েছে। তার মধ্যে ২৭টি ইউকে ভ্যারিয়েন্ট, ৮৫টি সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট, পাঁচটি নাইজেরিয়ান ভ্যারিয়েন্ট এবং ২৩টি ইন্ডিয়ার ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। বি.১.৬.৭ এটি ভারতফেরত এবং তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে পেয়েছি আমরা।

তবে এই ভ্যারিয়েন্ট নতুন কোনও বিষয় না মন্তব্য করে তিনি বলেন, করোনাভাইরাস আক্রান্ত যত রোগী শনাক্ত হবে, সংক্রমণ হবে, নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাবে। সুতরাং ভ্যারিয়েন্ট যা-ই হোক না কেন, আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যার যখন সময় আসবে, তাকে টিকা নিতে হবে। এভাবে আমরা সংক্রমণ কমাতে পারবো। করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবো।


আরও খবর



শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা: ৭ জনের জামিন স্থগিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২০০২ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত সাতজনকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার জজ আদালত। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মে) রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত এই আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর।

এএম আমিন উদ্দিন বলেন, জামিন স্থগিত ও বাতিল চেয়ে করা আবেদনের বিষয়ে আজ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে শুনানি নিয়ে বিচারক এই আদেশ দেন।

এর আগে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করা হয়েছিল।

গত ২৫ মে এ ঘটনায় নিম্ন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তারসহ সাতজনকে জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ১৮ আসামির জামিন চেয়ে করা আবেদন শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চে এ আদেশ দেন।

হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়া অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার ছাড়া অন্যরা হলেন- গোলাম রসুল, আইনজীবী আব্দুস সামাদ ও জহিরুল ইসলাম, রাকিব, শাহাবুদ্দিন ও মনিরুল ইসলাম। বাকিদের (১১ জনের) জামিনের বিষয়ে আগামী রবিবার (৩০ মে) আদেশ দেয়া হবে বলে ঠিক করেন আদালত। এর আগে গত সোমবার (২৪ মে) এই জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদেশের জন্য মঙ্গলবার (২৫ মে) দিন ঠিক করেছিলেন আদালত।

বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। ওইদিন কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা করেন।

মামলা তদন্ত শেষে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলামসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা হয়েছে। এরপর মামলার আসামি রাকিবের আবেদনে ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। একইসঙ্গে রাকিবের ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। পরে রাকিবকে জামিন দেওয়া হয়।

রাকিবের আবেদন ছিল, যখন ঘটনার কথা বলা হয় তখন অর্থাৎ ২০০২ সালে তার বয়স ছিল ১০ বছর। সুতরাং তার বিচার হতে হলে শিশু আইনে হবে। বড়দের সঙ্গে দায়রা জজ আদালতে করা যাবে না। গত বছর ৮ অক্টোবর ওই রুল খারিজ করে রায় দেন আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন রাকিব। এ আবেদনে আপিল বিভাগ তিনমাসের মধ্যে নিম্ন আদালতে বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

এরপর বিচার শেষে সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গেল ৪ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় সব আসামিকে সাজা দিয়ে রায় দেন। রায়ে হাবিবুল ইসলামকে কয়েকটি ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তারসহ অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।


আরও খবর