Logo
শিরোনাম

ভারতের পর এবার শ্রীলঙ্কার পাশে চীন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চরম অর্থনৈতিক সংকট ও বৈদেশিক ঋণে জর্জরিত শ্রীলঙ্কা এখনও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে চাওয়া ২৯০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা পায়নি। দেশটির অর্থনৈতি দুরবস্থা উত্তরণে ওই ঋণ (বেলআউট) পাওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের পর এবার এগিয়ে এসেছে চীনও। দেশটি আইএমএফের প্রয়োজনীয় অর্থায়নের আশ্বাস দিয়েছে। গত সপ্তাহে ভারতের পক্ষ থেকেও এ ধরনের পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। আর্থিক সংস্থাটিকে একটি চিঠিও দিয়েছে দিল্লি।

চীনের এক্সিম ব্যাংক জানায়, শ্রীলঙ্কাকে তার ঋণ পরিশোধের জন্য দুই বছরের স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে। আইএমএফের বর্ধিত তহবিল সুবিধার (ইএফএফ) সঙ্গে সম্মতি জানিয়ে চীন একটি চিঠি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তারা। ঋণ দেওয়ার আগে আইএমএফ জানিয়েছে, চীন ও ভারত যদি শ্রীলঙ্কার দেনা কমায় তবেই ঋণ দেবে। কারণ, ঋণ দেওয়ার আগে আইএমএফ নিশ্চিত হতে চায়, দেওয়া ঋণ ফেরত পাবে।

শ্রীলঙ্কার প্রকাশিত সরকারি হিসাব বলছে, ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত দেশটির প্রায় ৪ হাজার কোটি ডলারের দেনা রয়েছে। এরই মধ্যে খেলাপিও হয়েছে দেশটি।

নিউজ ট্যাগ: শ্রীলঙ্কা

আরও খবর



নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় রাশিয়া ও ইরানের নতুন বাণিজ্যপথ

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় আন্তঃমহাদেশীয় বাণিজ্যের নতুন পথ গড়ে তুলেছে রাশিয়া ও ইরান। নতুন পথে কাস্পিয়ান সাগর হয়ে উভয় দেশের কার্গো চলাচল ও পণ্যের সরবরাহ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেড়েছে। জাহাজ চলাচলের তথ্য নিরীক্ষার পর এমনটাই উঠে এসেছে।  নতুন বাণিজ্যপথটি শুরু হয়েছে আজভ সাগর ও রাশিয়ার ডন নদীর অভিমুখ থেকে। ইরানসংলগ্ন কাস্পিয়ান সাগর হয়ে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত পথটির দৈর্ঘ্য তিন হাজার কিলোমিটার, যা কোনো ধরনের বিদেশী নিষেধাজ্ঞার নাগালের বাইরে। ফলে সাম্প্রতিক মাসগুলোয় পথটি তুলনামূলক ব্যস্ত হয়ে উঠেছে।

জাহাজ চলাচলের তথ্য পর্যালোচনা করে জানানো হয়েছে, ইরান ও রাশিয়ার পণ্যবাহী কয়েকশ জাহাজ কাস্পিয়ান সাগরমুখী নদীগুলোয় চলাচল করেছে। তাছাড়া ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইরান রাশিয়ার জন্য নিরাপদ। শুধু ইরানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নের স্বার্থে নয়, নতুন করিডোর ইরানীয় অঞ্চল হয়ে এশিয়া ও ভারতে পণ্য সরবরাহ করতেও গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে। বিপরীতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিও থাকবে না।

এ বিষয়ে কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপসাগর বিশেষজ্ঞ নিকোলাই কোজানভ জানান, তিনি ২০০৬ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত ক্রেমলিনের কূটনীতিক হিসেবে তেহরানে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইরান ও রাশিয়া বিকল্প বাণিজ্য পথের দিকে মনোযোগী হয়েছে। নতুন সৃষ্ট এ রাস্তার জন্যই রাশিয়ার পক্ষে প্রাচ্যের দিকে ঝুঁকে পড়া সহজ হয়েছে। সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক চলাচলের ওপর অবরোধ আরোপ করা যায়। কিন্তু স্থলপথে নজরদারিতে রাখা কঠিন। সবকিছুকে নজরদারির মধ্যে রাখা তো রীতিমতো অসম্ভব।

রাশিয়ার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রধান সের্গেই কাতিরিনের দাবি, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকে মৌলিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়। রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে সম্পর্কের সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে এটি। নিয়ামক হিসেবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গেও বাণিজ্যিক যোগাযোগ বজায় রাখছে। এ কারণেই গত সেপ্টেম্বরে ইকোনমিক ফোরামের বৈঠকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জাহাজ, রেল ও রাস্তার নির্মাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। রাশিয়ার কোম্পানিগুলোর জন্য এ করিডোর দ্রুত ইরান, ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি সেসব দেশ থেকেও পণ্য আমদানি সুবিধাজনক হয়ে উঠবে।

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের বিশেষজ্ঞ মারিয়া শাগিনা মনে করেন, নতুন এ পথ মূলত এমন একটি সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠা করার প্রয়াস যেখানে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা অকার্যকর। তিনি দাবি করেন, রাশিয়া ও ইরান আড়াই হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে কেবল বাণিজ্যপথের উন্নয়ন ও বিস্তৃতির জন্য।

নিউজ ট্যাগ: রাশিয়া-ইরান

আরও খবর



ঢাকায় অনুমোদনহীন ক্লিনিক নেই: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানী ঢাকায় বর্তমানে কোনও অনুমোদনহীন ক্লিনিক চালু নেই বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, অনুমোদনহীন বেসরকারি ক্লিনিকের সন্ধান পাওয়া গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ করাসহ বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

রবিবার (৮ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে টেবিলে প্রশ্নোত্তর উপস্থাপন করা হয়।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসানের তার প্রশ্নে রাজধানীতে বেসরকারি ক্লিনিক ও অনুমোদনহীন ক্লিনিকের সংখ্যা জানতে চান। জবাবে স্থাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরীতে বর্তমানে অনুমোদিত বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা ৪৮৪।

তিনি বলেন, সরকার অনুমোদিত বেসরকারি ক্লিনিকের নাম ও ঠিকানা স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে।

হাবিব হাসানের আরেক প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক জানান, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ স্বাস্থ্য অধিদফতরের ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত পরিদর্শন টিম কর্তৃক নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। এ সময় অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে। এছাড়াও কোনও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তসাপেক্ষে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ নিবন্ধন বাতিল করা হয়।

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আব্দুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে বিভাগীয় শহরের মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে  বৃদ্ধদের চিকিৎসায় জেরিয়াটিক বিভাগ (বয়স্ক রোগীদের চিকিৎসা সেবা বিভাগ) চালুর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ওই বিভাগে শিগগিরই ৬৫ বছর ও তার বেশি বয়সের রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা সেবা। কার্যক্রম শুরু করা হবে।

ময়মনসিংহ-৯ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খানের প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক জানান, দেশের সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা সরকারের আছে।

উপজেলা হাসপাতালকে ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ কার্যক্রম চলমান আছে জানান তিনি। বলেন, ইতোমধ্যে পাঁচটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয়তার আলোকে দেশের সকল ৫০ শয্যায় উপজেলা হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।


আরও খবর



মেলবোর্নে ভারত-পাকিস্তান টেস্ট!

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারত-পাকিস্তান একে অপরের বিপক্ষে সর্বশেষ কবে টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল পরিসংখ্যান ঘেঁটে বের করতে হবে এ তথ্য। অন্তত ১৫ বছর পার হয়ে গেছে দুদল সর্বশেষ একে অপরের বিপক্ষে টেস্টে খেলতে নেমেছিল; সেই ২০০৭ সালে। এর পর আর সাদা পোশাকে দুই দল মুখোমুখি হয়নি। অনেকবার উদ্যোগ নেওয়ার পরও সেই উদ্যোগ আলোর মুখ দেখেনি।

এবার আরও একটি উদ্যোগ সামনে এসেছে এবং তা আলোর মুখ দেখবে কিনা সে ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। তবু উদ্যোগ তো উদ্যোগই। অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত মেলবোর্ন ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারত-পাকিস্তান টেস্ট আয়োজন করতে চায় দেশটির ভিক্টোরিয়া রাজ্য সরকার। এ ব্যাপারে তারা নিজেদের আগ্রহের কথা প্রকাশ করেছে।

গত অক্টোবরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে উপচে পড়া দর্শক হয়েছিল মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। সাফল্যের সঙ্গে ম্যাচ পরিচালনা করার পর ফের এমন একটি ম্যাচ আয়োজন করতে চায় এমসিসি। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে টেস্ট ম্যাচ খেলানোর বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কথা চালাচ্ছে মেলবোর্ন ক্রিকেট ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিনে রেডিওতে কথা বলার সময়, এমসিসির প্রধান কার্যনির্বাহী স্টুয়ার্ট ফক্স ভারত-পাকিস্তান টেস্ট আয়োজনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মেলবোর্ন ক্রিকেট ক্লাব একটি নিরপেক্ষ টেস্ট আয়োজনের বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কথা বলছে।

২০০৭ সাল থেকে ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচ খেলেনি?। ২০১৩ সালে শেষবার ভারত-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর পর বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপ ছাড়া কোনো দ্বিপক্ষীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও খেলেনি। তবে ফক্স বলেছেন, নভেম্বরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখার জন্য ৯০ হাজার ২৯৩ সমর্থক এমসিজি মাঠ ভরিয়েছিলেন। সে জন্য এমসিসি দুই দলের মধ্যে টেস্ট ক্রিকেট আয়োজন করতে ইচ্ছুক।

ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে টেস্ট ম্যাচ আয়োজন করা একটা চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। আমরা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ও সরকারের কাছে আবেদন রেখেছি; দেখা যাক কী হয়। আশা করি, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া প্রস্তাবটি আইসিসির কাছে নিয়ে যাবে এবং এটির জন্য চাপ দেবে। আগামীতে ২০২৩ এবং ২০২৭ সালের মধ্যে ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম-এ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনো দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেট সূচি নির্ধারিত নেই। এমনকি ২০২৩ সালে এশিয়া কাপ এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য একে অপরের দেশে দল পাঠাবে কিনা তা নিয়ে জল্পনা চলছে।


আরও খবর



১৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করছে অ্যামাজন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অনিশ্চিত অর্থনীতির দোহাই দিয়ে বুধবার ১৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করার ঘোষণা দিয়েছে অ্যামাজন। অ্যামাজনের সিইও অ্যান্ডি জেসি বলেন, আমরা জানি ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের জীবন কতটা কঠিন হয়ে যায়। আমরাও বিষয়টি হালকাভাবে নিচ্ছি না।

করোনাকালে চাহিদা সামলাতে দ্রুত প্রচুর কর্মী নিয়োগ করেছিল অ্যামাজন। এর আগে নভেম্বরে তারা ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করে। এবার করছে ১৮ হাজার।

অ্যামাজনের সিইও বলেন, নভেম্বরের পর এবার আমরা আরও ১৮ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করছি। প্রতিটি কর্মীকে আমরা প্যাকেজ দিচ্ছি। সেপারেশন পেমেন্ট যেমন করা হবে, তেমনই তারা যাতে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ পান, সেটাও দেখা হবে। অন্য চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের সাহায্য করা হবে। জেসি জানান, ১৮ জানুয়ারি থেকে ছাঁটাই শুরু হবে। এরমধ্যে ইউরোপে কিছু ছাঁটাই হবে।

তিনি জানিয়েছেন, তাদের এক সহযোগী খবরটা ফাঁস করে দেওয়ায় তারা হঠাৎ এই ঘোষণা করতে বাধ্য হচ্ছেন।

জেসি বলেন, অতীতেও অ্যামাজন অনিশ্চিত অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করেছে। এবারও করবে।

অ্যামাজন ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রচুর কর্মী নিয়োগ করেছিল। বিশ্বজুড়ে তাদের কর্মীর সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়। গত সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, অ্যামাজনের কর্মী সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৪০ হাজার। এরমধ্যে উৎসবের সময় কয়েকমাসের জন্য যে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করা হয়, তা ধরা হয়নি।

নিউজ ট্যাগ: অ্যামাজন

আরও খবর



গাড়িতে সিট বেল্ট না বাঁধায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে জরিমানা

প্রকাশিত:শনিবার ২১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলন্ত গাড়িতে সিটবেল্ট না বেঁধে ভ্রমণ এবং সেই ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাককে জরিমানা করা হয়েছে।

ল্যাঙ্কাশায়ার পুলিশ জানিয়েছে, তারা লন্ডনে ৪২ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট শাস্তির শর্তসাপেক্ষ আদেশ জারি করেছেন। খবর বিবিসির। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার উত্তর ইংল্যান্ডে সফরকালে সিট বেল্ট না পরে চলন্ত গাড়িতে ভিডিও ধারণ করেন ঋষি সুনাক।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত ভিডিও ধারণ করার জন্য তিনি নিজেই সিট বেল্ট সরিয়েছিলেন। সেই ভিডিও তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করার পর এ নিয়ে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়। এক পর্যায়ে বিষয়টির জন্য তিনি ক্ষমাও চান।

ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী, চলন্ত গাড়িতে ভ্রমণের সময় সিট বেল্ট না পরাকে অপরাধ হিসেবে ধরা হয়। এক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ১০০ পাউন্ড জরিমানা হতে পারে। আর বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে শাস্তিস্বরূপ জরিমানার পরিমাণ হতে পারে ৫০০ ইউরো পর্যন্ত। সরকারে থাকাকালীন ঋষি সুনাক এই নিয়ে দ্বিতীয়বার নির্দিষ্ট শাস্তির নোটিশ পেলেন।


আরও খবর