Logo
শিরোনাম

ভিনদেশি অপ্রয়োজনীয়, অপসংস্কৃতি বর্জন করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ সেপ্টেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আকাশ সংস্কৃতির বদৌলতে অনুপ্রবেশ করা ভিনদেশি অপ্রয়োজনীয়, বিজাতীয় ও অপসংস্কৃতির সবকিছু বর্জন করার আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর এক অনুষ্ঠানে এ আহবান জানান। তিান বলেন, আকাশ সংস্কৃতির বদৌলতে প্রতিনিয়ত আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ভিনদেশি সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটছে। আমাদের অপ্রয়োজনীয় ও অপসংস্কৃতি বর্জন করতে হবে।

শিল্পকলা পদক ২০১৯ ও ২০২০ প্রদান অনুষ্ঠানে বঙ্গভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ সংস্কৃতির বিকাশে তৃণমূল পর্যায়েই উদ্যোগ নিতে হবে। তাই তাদেরকে সুস্থ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে ব্যক্তি, পারিবারিক, সামাজিক ও জাতীয় পর্যায়ে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে

রাষ্ট্রপতি হামিদ সংস্কৃতির চর্চা তৃণমূল, বিশেষ করে পরিবার থেকেই, শুরু করারও তাগিদ দেন। রাষ্ট্রপতি দেশীয় সংস্কৃতি বিকাশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর কার্যক্রম এখন ৬৪ জেলার ৪৯২টি উপজেলায় সম্প্রসারিত হয়েছে।

আবদুল হামিদ বলেন, মুজিব শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত বিভিন্ন কার্যক্রম দেশে-বিদেশে বিশেষ করে তৃণমূল র্পযায়ে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও র্কম এবং তাঁর শিল্প ও সাংস্কৃতিক ভাবনা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের তৃণমূল পর্যায়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে আবহমান কালের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সর্ম্পকে সচেতন করতে হবে

সংস্কৃতিকে জীবনের দর্পণ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সংস্কৃতির বিকাশ ও ঐতিহ্য জানিয়ে দেয় যে, জাতি হিসেবে আমরা কতটা উন্নত ও আধুনিক। তিনি দেশের যুবসমাজকে আধুনিক, দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে হলে তাদের সাংস্কৃতিক  কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে। রাষ্ট্রপতি মনে করেন জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় প্রধান অস্ত্রের ভূমিকা রাখতে পারে আমাদের সংস্কৃতি।

রাষ্ট্রপতি হামিদ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ছোটো ছোটো ছেলেমেয়ে আর যুব সম্প্রদায় ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, গেমসসহ বিভিন্ন অ্যাপস-এর পেছনে ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত। তাদের কাছে মোবাইল আর ল্যাপটপই বিনোদন আর খেলাধুলার প্রধান সামগ্রী। এভাবে চলতে থাকলে, তারা নিজেদের ইতিহাস-ঐতিহ্যকেই একদিন ভুলে যাবে।

তিনি বলেন, সামাজিক অবক্ষয়রোধে সংস্কৃতি হচ্ছে রক্ষাকবচ। সমাজ থেকে জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, হিংসা-বিদ্বেষ দূর করতে সংস্কৃতির বিকাশ খুবই জরুরি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গ্রাম থেকে শহর, নিম্নবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত প্রতিটি স্তরে সংস্কৃতির র্চচা যত বেশি হবে, সমাজও ততবেশি আলোকিত হবে। আর আলোকিত সমাজই পারে মানবিক সমাজ গড়তে এবং একটি দেশ ও জাতির কাংক্ষিত সমৃদ্ধি ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে।

অনুষ্ঠানে ২০ জন গুণী শিল্পীকে পদক প্রদান করা হয়।

পদক প্রদান অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, এমপি, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, এমপি, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আবুল মনসুর এবং বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বঙ্গভবনের গ্যালারি হলে এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা অগ্রগতির জন্য হুমকি: জাতিসংঘ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উন্নয়নশীল দেশগুলিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি কোভিড-১৯ মহামারী চলাকালীন উদ্ভাবনের জন্য তহবিল বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ বলেছে, যদিও বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা অগ্রগতির জন্য হুমকি হয়ে উঠছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থার (ডব্লিউআইপিও) এক নতুন গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয় এবং অন্যান্য বিনিয়োগ যা অব্যাহত উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনা করে বিক্ষিপ্ত মহামারী সত্ত্বেও গত বছর প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে।

এটি আমরা যা আশা করেছিলাম তার বিপরীত, এ কথা উল্লেখ করে ডব্লিউআইপিও প্রধান ড্যারেন ট্যাং সাংবাদিকদের বলেছেন, পূর্ববর্তী মন্দার সময় উদ্ভাবন ব্যয় হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু বিশ্বব্যাপী মহামারির স্বাস্থ্য সঙ্কট সম্পূর্ণ নতুন এলাকায় উদ্ভাবন ব্যয়ের উত্থান ঘটায় এবং এমন অঞ্চলে যেগুলি সাধারণত এই ধরনের বিনিয়োগের একটি বড় অংশ সাধারণত পায় না।

শীর্ষ কর্পোরেট ব্যয়কারীদের গবেষণা এবং উন্নয়ন বিনিয়োগ ২০২১ সালে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৯শ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়, যা মহামারীর আগের চেয়ে বেশি। এসব বিনিয়োগ বেশিরভাগ ফার্মাসিউটিক্যালস, জৈব প্রযুক্তি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে হয়েছে।

ডব্লিউআপিও বলেছে, গত বছর ভেঞ্চার ক্যাপিটাল (ভিসি) লেনদেন প্রায় ৫০ শতাংশ ফেঁপে উঠেছে, ১৯৯০ এর দশকের শেষের দিকে ইন্টারনেট বুম বছরের তুলনায় রেকর্ডিং মাত্রায় বেশি। লাতিন আমেরিকা, ক্যারিবিয়ান এবং আফ্রিকান অঞ্চলে সর্বাধিক বৃদ্ধি দেখা গেছে।

ডব্লিউআপিও এও সতর্ক করেছে যে, উদ্ভাবনী কার্যক্রমের তহবিল বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সাধারণত যে উৎপাদনশীলতা অনুসরণ করা হয় তা স্থবির হয়ে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে। ট্যাং বলেন, বৈশ্বিক উদ্ভাবন অর্থনীতি এই বছর একটি মোড়ের মধ্যে আছে।

যদিও ২০২০ এবং ২০২১ সালে উদ্ভাবন বিনিয়োগ বেড়েছে, ২০২২-এর দৃষ্টিভঙ্গি কেবল বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার কারণে নয় বরং উদ্ভাবন-চালিত উৎপাদনশীলতার ক্রমাবনতিতে ঘটছে।

জাতিসংঘের সংস্থা বলেছে, বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী দেশগুলির বার্ষিক র‌্যাংকিংয়ে সুইজারল্যান্ড ১২ তম বছরের জন্য তালিকার শীর্ষে রয়েছে।

কিন্তু গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২২ ইঙ্গিত দিয়েছে যে, উদ্ভাবন অর্থনীতি -যা দীর্ঘকাল ধরে উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপে ব্যাপকভাবে কেন্দ্রীভূত হয়েছে- ধীরে ধীরে তা বৈচিত্র্যময় হচ্ছে।

সপ্তম অবস্থানে সিঙ্গাপুর বাদে শীর্ষ ১০টি দেশ হিসেবে এখনও পশ্চিমা দেশগুলিকে গণনা করা হয়, কিন্তু চীন দ্রুতগতিতে এগিয়ে গত বছর ১২ তম থেকে ১১ তম স্থানে পৌঁছেছে এবং এক দশক আগে ৩৪ তম অবস্থানে ছিল। ভারত এবং তুরস্ক উভয়ই র‌্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে অগ্রগতি অর্জন করেছে। উভয় দেশ প্রথমবারের মতো শীর্ষ ৪০-এ উঠেছে।

জাতিসংঘের সংস্থাটি ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, কেনিয়া, ব্রাজিল এবং জ্যামাইকাসহ বেশ কয়েকটি উন্নয়নশীল দেশ কীভাবে তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তরের সাথে সম্পর্কিত উদ্ভাবন সূচকে প্রত্যাশিত অবস্থানে ঊর্ধ্বে কাজ করেছে তাও তুলে ধরেছে।

নিউজ ট্যাগ: জাতিসংঘ

আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




জাতীয় পার্টি আর আওয়ামী লীগ জোটে নেই : জি এম কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতীয় পার্টি আর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটে নেই বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলে তিনি।

এ সময় জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট ভাঙবে নাকি একসঙ্গে থাকবে? সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে

জিএম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টি এখন জোটে নেই। কাজেই ভাঙার কোনো প্রশ্নও নাই। আমরা যেদিন থেকে বিরোধী দল হিসেবে কাজ করছি, সেদিন থেকেই আমরা আর আওয়ামী লীগে নেই, জোটে নেই। তবে আমরা একসঙ্গে নির্বাচন করেছি। আমাদের জন্য আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা কাজ করেছে, আমরাও তাদের জন্য কাজ করেছি। বন্ধুত্বপূর্ণভাবে আমরা কাজ করেছি তাই আমাদের ভালো একটা সম্পর্ক ছিল এবং এখনো কিছুটা আছে।

আওয়ামী লীগ যদি জাতীয় পার্টি এবং জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে তবেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

তিনি বলেন, তবে আমরা সবসময় দেশ ও জনগণের পক্ষে। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ যদি সত্যিকার অর্থে ভালো কাজ করে, তাহলেই আমরা তাদের সঙ্গে থাকবো, যেমনটি ছিলাম। আর যদি আমরা তাদের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলি, জনগণ যদি তাদের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলে, তবে আমরা ভবিষ্যতে তাদের সঙ্গে নাও থাকতে পারি।

ইভিএমে নির্বাচন সম্পর্কে জিএম কাদের বলেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। ইভিএমের মাধ্যমে সেটা সম্ভব নয়। ইভিএম হলে এটা কারচুপির নির্বাচন হবে, সরকার যাকে চাইবে তাকেই পাস করিয়ে দিতে পারবে। ইভিএম হলো শান্তিপূর্ণ কারচুপির মেশিন। আমরা মনে করি ইভিএমের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য কোনো নির্বাচন হবে না।

নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত আছে কিনা, জানতে চাইলে জিএম কাদের বলেন, নির্বাচন বর্জনের কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেইনি। নির্বাচন বর্জন করার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত কঠিন সিদ্ধান্ত। বিভিন্ন রাজনৈতিক দিক পর্যালোচনা করে তবেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর জনগণের কথা ভাবতে হলে আমাদের সামনের দিকে এগোতেই হবে।

হিন্দু মহাজোটের প্রতিনিধি সম্মেলনে জিএম কাদের বলেন, নিজের, আত্মীয় স্বজন, মানসম্মানের নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো সমস্যা নেই, এই কথাটা আংশিক সত্য। যারা বড় পর্যায়ে পৌঁছেছেন তাদের হয়তো সমস্যা কম, তবে গ্রামে যেসব হিন্দুরা বসবাস করেন, তারা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা তাদের জমা-জমি দখল করতে চেষ্টা করেন। করোনার পর দেশে দারিদ্রতার হার প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এমন অবস্থায় আমাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হলে একটি নতুন সরকার গঠন করা প্রয়োজন।

সকালে জাতীয় হিন্দু প্রতিনিধি সম্মেলন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সভাপতি বিধান বিহারী গোস্বামী। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব অ্যাড. গোবান্দ চন্দ্র প্রামানিক, নির্বাহী সভাপতি অ্যাড. দীনবন্ধু রায় ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী।

সমাবেশ থেকে হিন্দুদের জন্য জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন এবং সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠনের জন্য দাবি জানানো হয়। এছাড়া রথযাত্রা উৎসবে সরকারি ছুটির ঘোষণার দাবি জানান বক্তারা।

নিউজ ট্যাগ: জাতীয় পার্টি

আরও খবর



পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে মানিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জন্ম থেকেই শারিরীক প্রতিবন্ধী মানুষ রহমান (১৬) এর দুই হাতেই নেই। তবুও থেমে যায়নি তার লেখাপড়া। তার দুটি হাত না থাকায় পা দিয়ে লেখেই কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ফুলবাড়ী জছি মিঞা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে। মানিক রহমান উপজেলার চন্দ্রখানা গ্রামের মিজানুর রহমান ও মরিয়ম দম্পতি ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,  অদম্য মেধাবী এই শারিরিক প্রতিবন্ধী মানিক রহমানের দুই হাত না থাকায় পা দিয়ে লিখে ফুলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (পাইলট) কেন্দ্রে ৮ নং কক্ষে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। সে জেএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পেয়েছে।

মানিক রহমান বলেন, আমার জন্য দোয়া করবেন আল্লাহ পাক যেন আমাকে সুস্থ রাখেন। আমি লেখাপড়া শেষ করে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই। এর আগে জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ -৫ পেয়েছি আমি।

মানিক রহমানের মা মরিয়ম বেগম বলেন, আমার ছেলে জন্ম থেকেই শারিরীক প্রতিবন্ধী। লেখাপড়ায় তার খুব আগ্রহ। আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করছি তাকে। সে লেখাপড়া শেষ করে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হবে তার স্বপ্ন।

বাবা ওষুধ ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, আমার দুই ছেলে তার মধ্যে মানিক বড়। জন্মের পর থেকেই সে শারীরিক প্রতিবন্ধী। ছোট থেকেই তাকে পা দিয়ে লেখার অভ্যাস তৈরি করি। সমাজে তো সুস্থ সফর অনেক মানুষ আছে তাদের চেয়ে যখন রেজাল্ট ভালো করে নিজেকে গর্ভবোধ মনে করি আমরা।

ফুলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের (পাইলট) কেন্দ্রের সুপার মোঃ মশিউর রহমান বলেন, মানিক রহমান ছাত্র হিসেবে খুবই ভালো। সে গত জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ -৫ পেয়েছে। তাছাড়াও ট্যালেন্ট ফুলে বৃত্তিও পেয়েছে। সে ভালো ভাবেই পরিক্ষা দিচ্ছে। তার পায়ের লেখা দেখে কারও বুঝার উপায় নেই সে প্রতিবন্ধী। তার পায়ের লেখা দারুন সুন্দর। তার জন্য দোয়া থাকবে সে অনেক বড় অফিসার হবে।

জেলা শিক্ষা অফিস জানায়, জেলার ৯ উপজেলায় ৫৭টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ২৭ হাজার ১শ ৫১ জন। এর মধ্যে মাধ্যমিক এ ৩৪টি কেন্দ্রে ১৮ হাজার ৮শ ৩৯ জন, ভোকেশনালে ১১টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৭শ ৫৭ জন ও মাদ্রাসায় ১২টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৫ হাজার ৫শ ৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: এসএসসি

আরও খবর

৯ দিন বন্ধ থাকবে সোনাহাট স্থল বন্দর

বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২




৬ জানুয়ারি আসছে ‘ব্ল্যাক ওয়ার’

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দর্শকের অপেক্ষার পালা শেষ হতে যাচ্ছে। বহুল প্রতীক্ষিত মিশন এক্সট্রিম সিনেমার সাফল্যের পর প্রেক্ষাগৃহে আসছে এর দ্বিতীয় কিস্তি ব্ল্যাক ওয়ার। ২০২৩ সালের ৬ জানুয়ারি সিনেমাটি মুক্তি পাবে। ব্ল্যাক ওয়ারর মোশন পোস্টার প্রকাশ করে এর মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

চলতি বছর রোজার ঈদে ব্ল্যাক ওয়ার মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতি চিন্তা করে এর মুক্তি পেছানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কপ ক্রিয়েশন।

মিশন এক্সট্রিমর দুই পর্বেই কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন আরিফিন শুভ। মুক্তির ঘোষণায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, অবশেষে দর্শকদের ব্ল্যাক ওয়ারর মুক্তির তারিখ জানাতে পেরে খুব হালকাবোধ করছি। সিনেমাটি যে, দর্শকদের পুরোপুরি তৃপ্তি মেটাবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। এর দ্বিতীয় কিস্তিতে আমাদের আয়োজন এবং গল্পই বলে দিবে সিনেমার নাম কেন - 'ব্ল্যাক ওয়ার' এবং 'মিশন এক্সট্রিম' রাখা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সিনেমাটির অন্যতম প্রযোজক ও পরিচালক সানী সানোয়ার বলেন, চলতি বছর ব্ল্যাক ওয়ার মুক্তি দেওয়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু টেকনিক্যাল কাজগুলো সম্পন্ন করতে না পারায় একটু সময় নিতে হলো। কারণ আমরা চাই দর্শককে পরিপূর্ণ সিনেমাটি দেখাতে। নতুন বছরের প্রথম শুক্রবারেই সিনেমাটি মহাসমারোহে মুক্তি দিতে যাচ্ছি।

কপ ক্রিয়েশন প্রযোজিত মিশ এক্সট্রিমর দুইটি পর্বই সানী সানোয়ারের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন ফয়সাল আহমেদ। তিনি জানান, ৬ জানুয়ারি দেশে মুক্তি দেওয়ার পর আমরা ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও ব্ল্যাক ওয়ার মুক্তি দেবো। এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫টি দেশে মুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে আছে।

ব্ল্যাক ওয়ার-এ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন- তাসকিন রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, সাদিয়া নাবিলা, সুমিত সেনগুপ্ত, মিশা সওদাগর, ফজলুর রহমান বাবু, মনোজ প্রামাণিক, শতাব্দী ওয়াদুদ, শহীদুজ্জামান সেলিম, হাসান ইমাম, লায়লা ইমাম, ইরেশ যাকের, মাজনুন মিজান, সুদীপ বিশ্বাস, সৈয়দ আরেফ, খালিদুর রহমান রুমী, ইমরান শওদাগর, খশরু পারভেজ প্রমুখ। কুল নিবেদিত, মাইম মাল্টিমিডিয়া সহ-প্রযোজিত এবং ঢাকা ডিটেকটিভ ক্লাবের সহযোগিতায় নির্মিত হয় সিনেমাটি। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের ১১টি দেশে একযোগে মুক্তি দেওয়া হয় মিশন এক্সট্রিমর প্রথম পর্ব।

নিউজ ট্যাগ: ব্ল্যাক ওয়ার

আরও খবর

দুরন্তপনার ৫ বছর

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




সম্মিলিতভাবে পর্যটনের উন্নয়ন ও বিকাশে কাজ করার আহ্বান

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আসুন, সম্মিলিতভাবে পর্যটনের উন্নয়ন ও বিকাশে কাজ করে বিশ্ব দরবারে দেশের পর্যটন শিল্পকে কার্যকরভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’ মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২২ উপলক্ষ্যে দেয়া আজ এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ বিপুল পর্যটন সম্ভাবনাময় একটি দেশ। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস, বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি আমাদের দেশকে পরিণত করেছে একটি বহুমাত্রিক আকর্ষণসমৃদ্ধ অনন্য পর্যটন গন্তব্যে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, পার্বত্য চট্টগ্রামের অকৃত্রিম সৌন্দর্য, সিলেটের সবুজ অরণ্যসহ আরো অনেক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি, বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানসমূহ এবং অতিথি পরায়ণ মানুষ শুধু দেশীয় নয়, বিদেশি পর্যটক ও দর্শনার্থীদের কাছেও সমান জনপ্রিয় এবং সমাদৃত।

তিনি বলেন,বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২২ যথাযথভাবে উদযাপিত হচ্ছে, জেনে আমি আনন্দিত। জাতিসংঘ বিশ্ব পর্যটন সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত এবারের প্রতিপাদ্য পর্যটনে নতুন ভাবনা কোভিড-১৯ পরবর্তী বিশ্বের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ক্ষেত্রে অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

শেখ হাসিনা বলেন, পর্যটন শিল্প বিশ্বে একটি অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ও শ্রমঘন খাত। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য পর্যটন একটি কার্যকর উন্নয়ন কৌশল হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বিশ্বব্যাপী করোনা অতিমারির কারণে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে পর্যটন শিল্প ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে করোনা অতিমারির সংকট কাটিয়ে পর্যটন শিল্পে নতুন উদ্যোগ ও ভাবনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার করতে শুরু করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের মহান স্বাধীনতার পর পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি অনুধাবন করেছিলেন যে, পর্যটন শিল্পের পরিকল্পিত বিকাশের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সারাবিশ্বে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা, সংস্কৃতি, পুরাকীর্তি ও প্রত্নতত্ত্ব, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনধারা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সফলভাবে তুলে ধরা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পর্যটনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনুধাবন করেই জাতির পিতা দেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করেন এবং ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি কক্সবাজার ও কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করার জন্য নানামুখী পরিকল্পনা নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন পর্যটন সুবিধাদি সৃষ্টিতে নানা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। স্থানীয় কৃষ্টি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে পর্যটনের উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যটন সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২২ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।


আরও খবর