
হট্টগোল আর পাল্টাপাল্টি
অভিযোগের মধ্যেই শেষ হলো ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ভোক্তা অধিদফতরের সভা। সভাশেষে
মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেন, কোনো কারসাজি হচ্ছে কি না, তা দেখতে বৃহস্পতিবার
(১০ মার্চ) থেকেই মিলগেটে বসবে অধিদফতর। যদিও তেলের সরবরাহ সংকটের জন্য ডিলাররা মিলগুলোর
দিকে আঙুল তুললেও অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মালিকরা।
অস্থির ভোজ্যতেলের
বাজার। সরকারের নানামুখী তৎপরতাতেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না বাজার। কখনও দাম নিয়ে চলছে অরাজকতা,
কখনও আবার তেলই মিলছে না দোকানপাটে।
এ অবস্থায় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর আয়োজিত সভায় মুখোমুখি মিলার এবং ডিলাররা। কেন সংকট তৈরি হলো,
আর তা দূর করার উপায় খুঁজতেই এ ত্রিপক্ষীয় আলোচনা। যেখানে তেলের বাজারে কারসাজি নিয়ে
শুরুতেই একে অন্যের ওপর দায় চাপালেন ডিলার এবং মিল মালিকরা।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে
মিল পর্যায়ে কোনো অনিয়ম হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) থেকেই
মিল গেটে বসবে ভোক্তা অধিদফতর। পাশাপাশি তেল আমদানিতে ভ্যাট প্রত্যাহারের চিন্তা চলছে
বলেও জানান মহাপরিচালক।
অধিদফতরের মহাপরিচালক
এইচ এম শফিকুজ্জামান বলেন, টিসিবির কাছে চার কোটি লিটার সয়াবিন তেল আছে। কিছুদিনের
মধ্যেই বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে। কারসাজি হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদফতর মিলগেটে বসবে।
এদিকে বাজারে
এমন অচলাবস্থা দূর করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদাসীনতাকে দায়ী করছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন
অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংকটের মধ্যে মন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়েও তারা প্রশ্ন তুলছেন।
যদিও আসছে রমজান
মাসে ভোজ্যতেলের সংকট হবে না উল্লেখ করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর বলছে, টিসিবির
কাছে পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে।

