Logo
শিরোনাম

যেমন পুরুষসঙ্গী চেয়েছিলেন সোনম

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ ৯ জুন ৩৬-এ পা দিলেন সোনম কাপুর। অভিনয় ও ফ্যাশনেবল পোশাকে দর্শকদের চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়া ছাড়াও নিজের ফিল্মি ক্যারিয়ারে মাঝেমধ্যেই 'মিষ্টি মধুর' মন্তব্যের জন্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন তিনি।

ঐশ্বরিয়া থেকে শুরু করে ঋষি কাপুরকেও ক্ষেপিয়েছেন। আবার সোনমের বেশ কিছু মজাদার সাক্ষাৎকারও ট্রেন্ডিং হয়েছিল সেই সময়ে। আসলে, বরাবরই নিজের খেয়ালখুশি মতন চলেছেন সোনম। নিজের যা ভালো মনে হয় করেছেন, নিজের বিবেচনায় যেটা ঠিক মনে হয় বলেছেন। তার ফলে অপর পক্ষ কী ভাবলো না ভাবলো তার পরোয়া কোনওদিনই তিনি করেননি।

ছোটপর্দার এক চ্যাট শো 'ওয়ে ইটস ফ্রাইডে'-তে একবার হাজির হয়েছিলেন সোনম। সঞ্চালক ফারহান আখতারের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার ফাঁকে সরাসরি জানিয়েছিলেন কেমন ধরণের পুরুষ তাঁর পছন্দ। আসলে প্রশ্নটা ভেসে এসেছিল ফারহানের কাছ থেকে।

জবাবে মুখে হাসি এনে, সামান্য ভেবে নায়িকার বক্তব্য ছিল,' যদি সেই ব্যক্তি আমার বাবা (অনিল কাপুর)-র থেকেও বেশি সুপুরুষ হয়, বেশি অর্থবান ও বিখ্যাত হন তাহলে ভেবে দেখতে পারি। ও হ্যাঁ, তাঁকে আমার বাবার থেকেও বেশি জনপ্রিয় ও পরিচিত হতে হবে। সঙ্গে বাবার মতো ওরকম জম্পেশ একখানা গোঁফ থাকলেও মন্দ হয় না!'

বছর তিনেক আগে ২০১৮ সালে সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী আনন্দ আহুজার সঙ্গে গাঁটছাড়া বেঁধেছেন 'নীরজা'-খ্যাত এই নায়িকা। সম্প্রতি, নিজেদের তিন বছরের বিবাহবার্ষিকীও পালন করলেন এই দম্পতি। ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই 'বার্থডে গার্ল' একবার জানিয়েছিলেন কীভাবে আনন্দের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল।

সোনমের কথায়,' সেটা ২০১৫ সাল। প্রেম রতন ধন পাও আর কদিনে রমধ্যেই মুক্তি পাবে। ছবির প্রচারে জোর ব্যস্ত। এর মাঝেই আমার বন্ধুরা তাজ হোটেলের বাড়ে একটি ছোট্ট পার্টির আয়োজন করেছিল। গেছিলাম। সেখানেই আনন্দকে দেখি। আনন্দ আর তাঁর দুই বন্ধুকে আমার বন্ধুরাই আমন্ত্রণ জানিয়েছিল আমার সঙ্গে দেখা করাবে বলে।'

এখানেই না থেমে এই বলি-অভিনেত্রী আরও জানিয়েছিলেন,' আনন্দ ও তাঁর বন্ধুরা আমার মতোই লম্বা ছিল। ওর বন্ধুদের সঙ্গে বরং আমার জমেছিল। কারণ ওরা আমার মতোই গল্পের বই ও সিনেমার পোকা ছিলেন। সেই তুলনায় আনন্দকে আমার বেশ চুপচাপ মনে হয়েছিল। সত্যি বলতে কী, ওঁকে দেখে আমার ভাই হর্ষের কথাই বারবার মনের পড়ছিল। তখনই ভেবে নিয়েছিলাম এই ছেলের সঙ্গে জীবনে প্রেম করবো না!'

প্রসঙ্গত, গত বছর নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া অনিল কাপুর অভিনীত ছবি 'একে ভার্সেস একে'-তে অতিথি শিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছিলেন সোনম। এইমুহূর্তে মুক্তি পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে তাঁর পরবর্তী ছবি 'ব্লাইন্ড'।


নিউজ ট্যাগ: সোনম কাপুর

আরও খবর



রাজশাহীতে করোনা শনাক্তের হার ৫০ শতাংশ ছাড়াল

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৯১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজশাহীতে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে করোনা শনাক্তের হার ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। শনিবার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের দুটি ল্যাব থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এদিন এই বিভাগে সর্বোচ্চ ৫০২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এর মধ্যে নমুনা পরীক্ষায় রাজশাহীতে ৫০.২৭ শতাংশ ও চাপাইনবাবগঞ্জে ৬১. ৩৬ শতাংশের করোনা শনাক্ত হয়।

রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, রাজশাহীতে ৩৬৬ টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮৪ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৭৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১০৮ জনের করোনা পজেটিভ আসে। তিনি আরো জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘন্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩ জন, রাজশাহীর ১ জন, নাটোরের ১জন ও চুয়াডাঙার ১ জন রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২ জন করোনা পজিটিভ ছিলেন। অন্য চারজন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

ডা. সাইফুল ফেরদৌস বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৩৫ জন। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন। এর মধ্যে ১৮ জন রাজশাহীর, ৮ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জের, নওগাঁর ৩ জন ও নাটোরের ১ জন রয়েছেন। আইসিইউতে আছেন ১৬ জন।

এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের অফিস থেকে জানানো হয়, গত ২৪ ঘন্টায় বিভাগে সর্বোচ্চ ৫০২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর মধ্যে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ২২২ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৪২ জন, জয়পুরহাটে ৫২জন, বগুড়ায় ২৬ জন, নাটোরে ২১ জন, নওগাঁয় ২০ জন, পাবনায় ১৫ জন এবং সিরাজগঞ্জে ৪ জন রয়েছে। এখন পর্যন্ত রাজশাহী বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ হাজার ৮২৪ জন, সুস্থ হয়েছেন ৩২ হাজার ২৭৯ জন, চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪ হাজার ২০ জন। এই বিভাগে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ৫৯৫ জন। এর মধ্যে বগুড়ায় ৩১৮ জন, রাজশাহীতে ৯৩ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৪ জন, নওগাঁয় ৪৫ জন, নাটোরে ২৭ জন, সিরাজগঞ্জে ২৪ জন, পাবনায় ২২ জন এবং জয়পুরহাটে ১২ জন রয়েছেন।


আরও খবর



ঢাকায় পৌঁছেছে চীনের টিকা

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চীনের উপহার হিসেবে দেয়া সিনোফার্মের ছয় লাখ ডোজ করোনার টিকা ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। রবিবার (১৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুটি বিমান টিকা নিয়ে ঢাকায় পৌঁছায়।

এর আগে রবিবার সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে তিনটি ছবি দিয়ে ঢাকায় চীনা দূতাবাসের উপপ্রধান হুয়ালং ইয়ান বলেন, উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশ আর্মির দুটি সি১৩০জে।

শনিবার (১২ জুন) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমান বাহিনীর দুটি সি১৩০জে পরিবহন বিমান চীন থেকে টিকা আনার জন্য রাতে ঢাকা ত্যাগ করবে।

গত ১২ মে চীনের উপহার হিসেবে দেয়া সিনোফার্মের পাঁচ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে আসে। ওই টিকাও দেশে আনে বিমান বাহিনীর এই পরিবহন বিমান।

এদিকে, গত ২১ মে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর ফোনালাপ হয়। এ সময় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে দ্বিতীয় দফায় ছয় লাখ টিকা উপহার দেয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

চীনা দূতাবাস থেকে জানানো হয়, করোনা মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে চীন। বাংলাদেশ করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে বন্ধু দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন। সে কারণে প্রথম দফায় ৫ লাখ ডোজ টিকা উপহার দেয়ার পর আরও ৬ লাখ টিকা উপহার দেয়া হচ্ছে।


আরও খবর



৬ দফা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৬ দফা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। সোমবার (৭ জুন) ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস।

জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে এটি এক অনন্য প্রতিবাদী ও আত্মত্যাগের সংগ্রামী একটি দিন। ৬ দফার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে ওঠে বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলন যার পরিণতি রূপ নেয় মহান মৃক্তিযুদ্ধে।

পূর্ব বাংলার মানুষের ওপর জেঁকে বসা পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ ও নির্যাতনের চাকায় পিষ্ট বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ৬ দফা ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধু ঘোষিত এই ৬ দফার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন-সংগ্রামই বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে রূপ নেয় এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের পথ রচিত হয়। ৬ দফা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র সমাজের ৫ দফা দাবি যুক্ত হয়ে ১১ দফা দাবিতে পরিণত হয় এবং এই ১১ দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ৬৯ এর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়। এই গণঅভ্যুন্থানের পথ ধরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির বিজয় সূচিত হয়।

ভারতীয় উপমহাদেশের জনগণ ব্রিটিশ শাসন ও শোষকদের এদেশ থেকে তাড়াতে যেভাবে ঐক্যবদ্ধ অসহযোগ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল, ঠিক তেমনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ৬ দফাকে তৎকালীন পূর্ববাংলার জনগণ পাকিস্তানিদের এদেশ থেকে তাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছিল। ৬ দফার প্রতিটি দফা বাংলার আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। আত্মঅধিকার প্রতিষ্ঠার ৬ দফা দ্রুত বাঙালির মুক্তির সনদে পরিণত হয়।

১৯৬৬ সালের ১৩ মে আওয়ামী লীগ আয়োজিত পল্টনের এক জনসভায় ৭ জুন হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। জুন মাসব্যাপী ৬ দফা প্রচারে ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হয়। ৭ জুন তেজগাঁওয়ে বেঙ্গল বেভারেজের শ্রমিক সিলেটের মনু মিয়া গুলিতে প্রাণ হারান। এতে বিক্ষোভ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তেজগাঁওয়ে ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। আজাদ এনামেল অ্যালুমিনিয়াম কারখানার শ্রমিক আবুল হোসেন ইপিআরের গুলিতে শহীদ হন। একই দিন নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশনের কাছে পুলিশের গুলিতে মারা যান ৬ জন শ্রমিক। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সন্ধ্যায় কারফিউ জারি করা হয়। হাজার হাজার আন্দোলনকারী নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ গ্রেফতার হন। বহু জায়গায় বিক্ষুব্ধ জনতা গ্রেফতারদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। ৬ দফা ভিত্তিক আন্দোলন সারাদেশে স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয় শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের আন্দোলন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গৌরবময় অধ্যায় হলো ৬ দফা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া। ৬ দফার পক্ষে জনমত সংগঠিত করার লক্ষ্যে সারা বাংলায় গণসংযোগ আন্দোলন শুরু করেন শেখ মুজিবুর রহমান। এ সময় তাকে সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকায় বার বার গ্রেফতার করা হয়। ১৯৬৬ সালের প্রথম তিন মাসে তিনি ৮ বার গ্রেফতার হন। ১৯৬৬ থেকে ১৯৭০-এর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিচালিত ৬ দফা আন্দোলই ছিল সেই সময়ে দেশের সমস্ত রাজনৈতিক কর্মতৎপরতার কেন্দ্রবিন্দু।

এই ৬ দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান অনুষ্ঠিত হয়। ৬ দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত হন। এর পর ৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তথা বাঙালি জাতি বিপুল বিজয় পায়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়। এরপর দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাঙালি বিশ্বের বুকে স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।



আরও খবর



আজ থেকে সাতক্ষীরায় ৭ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১০২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মুখে সাতক্ষীরা জেলায় শনিবার সকাল থেকে সপ্তাহব্যাপী লকডাউন শুরু হয়েছে। আগামী ১১ জুন  রাত ১২টা পর্যন্ত এই লকডাউনের মেয়াদ থাকবে বলে জেলা প্রশাসন ঘোষণা করেছে।

লকডাউন চলাকালে সব ধরনের বাধা নিষেধ মেনে চলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। একই সময় শহরে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং পুলিশ টহলে থাকবে।

এছাড়া যশোর ও খুলনা থেকে সাতক্ষীরা জেলায় প্রবেশের মুখে বেশ কয়েকটি চেকপোস্টও বসানো হয়েছে। লকডাউন চলাকালে ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য স্বাভাবিক থাকছে।

তবে বন্দরের সব বাজারঘাট ও দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। এই সময়কালে বাংলাদেশ ও ভারতে সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে বৈধ ও অবৈধ পন্থায় যাতায়াত পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, করোনা পজিটিভ নিয়ে সাতক্ষীরায় ২৪৫ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ও কোয়ারেন্টিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরায় ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮৯ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।


আরও খবর



চলমান লকডাউনের মেয়াদ বাড়ল আরও ৭ দিন

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | ১০৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মেয়াদ আরও ৭ দিন অর্থাৎ ২৪ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ল।

তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তঃজেলা বাস, লঞ্চ এবং ট্রেনসহ সব ধরনের গণপরিবহন চলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হোটেল-রেস্তারাঁয় আসন সংখ্যার অর্ধেক মানুষ বসে খেতেও পারবে।

এসব শর্তে বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়িয়ে রোববার (২৩ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। পরে চার দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সে সময়ে বিধিনিষেধের শর্তেও নানান পরিবর্তন আনা হয়। সেই মেয়াদ শেষ হবে আজ রবিবার মধ্যরাতে।


আরও খবর