Logo
শিরোনাম

যেসব তারকাকে ছেড়ে দিয়েছে আইপিএলের দলগুলো

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | ১৫২৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দরজায় কড়া নাড়ছে আরও একটি আইপিএল (ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ)। তার আগে আগামী মাসের ১৯ তারিখ দুবাইতে বসবে মিনি নিলাম। ২০২৪ সালে অনুষ্ঠেয় এই টুর্নামেন্টে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর তাদের পুরোনো খেলোয়াড়দের রেখে দেওয়ার সর্বশেষ তারিখ ছিল ২৬ নভেম্বর। গতকাল রবিবারই দলগুলো জানিয়ে দিয়েছে কাদের তারা দলে রাখছে বা ছেড়ে দিয়েছে।

ছেড়ে দেওয়াদের তালিকায় আছেন তিন বাংলাদেশি সাকিব আল হাসান, লিটন দাস ও মোস্তাফিজুর রহমান। এর মধ্যে সাকিব ও লিটনকে গত মৌসুমে কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) আর মোস্তাফিজ ছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের দলে। আইপিএলে গত মৌসুমে বাজে পারফরম্যান্স ও ভারতে অনুষ্ঠিত সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে বাজে পারফরম্যান্সের কারণেই দলগুলো রাখেনি তাদের।

এই তিন বাংলাদেশি ছাড়াও অনেক বড় বড় তারকাকেই ছেড়ে দিয়েছে আইপিএলের দলগুলো। দল অনুসারে তাদের তালিকা দেওয়া হলো:

কলকাতা নাইট রাইডার্স

সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, ডেভিড ভিসা, আর্য দেশাই, এন জাগদিসান, মনদীপ সিং, কুলবন্ত খেজরোলিয়া, শার্দুল ঠাকুর, লকি ফার্গুসন, উমেশ যাদব, টিম সাউদি, জনসন চার্লস।

চেন্নাই সুপার কিংস

আম্বাতি রায়ডু, বেন স্টোকস, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, ভাগথ ভার্মা, শুভ্রাংশু সেনাপতি, আকাশ সিং, কাইল জেমিসন, সিসান্দা মাগালা।

গুজরাট টাইটানস

যশ দয়াল, কেএস ভরত, শিবম মাভি, উরভিল প্যাটেল, প্রদীপ সাংওয়ান, ওডেন স্মিথ, আলজারি জোসেফ, দাসুন শানাকা।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর

ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, হার্ষাল প্যাটেল, জশ হ্যাজলউড, ফিন অ্যালেন, মাইকেল ব্রেসওয়েল, ডেভিড উইলি, ওয়েন পার্নেল, সোনু যাদব, অবিনাশ সিং, সিদ্ধার্থ কৌল, কেদার জাদব।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

আরশাদ খান, রমনদীপ সিং, হৃতিক শোকিন, রাঘব গোয়াল, জোফরা আর্চার, ট্রিস্টান স্টাবস, ডুয়ান জানসেন, ঝাই রিচার্ডসন, রাইলি মেরেডিথ, ক্রিস জর্ডান, সন্দীপ ওয়ারিয়ার।

দিল্লি ক্যাপিটালস

রাইলি রুশো, চেতন সাকারিয়া, রোভম্যান পাওয়েল, মনীশ পান্ডে, ফিল সল্ট, মোস্তাফিজুর রহমান, কমলেশ নগরকোটি, রিপাল প্যাটেল, সরফরাজ খান, আমান খান, প্রিয়ম গর্গ।

পাঞ্জাব কিংস

শাহরুখ খান, রাজ বাওয়া, বালতেজ ধান্দা, মোহিত রাঠে, ভানুকা রাজাপাকসে।

লক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টস

জয়দেব উনাদকাট, ড্যানিয়েল সামস, মনন ভোহরা, স্বপ্নিল সিং, করণ শর্মা, অর্পিত গুলেরিয়া, সূর্য্যশ শেডগে, করুণ নায়ার।

সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ

হ্যারি ব্রুক, আদিল রশিদ, আকিল হোসেইন, কার্তিক ত্যাগী, বিভ্রান্ত শর্মা, সমর্থ ব্যাস।

রাজস্থান রয়্যালস

জো রুট, আবদুল বাশিথ, জেসন হোল্ডার, আকাশ বশিষ্ঠ, কুলদীপ যাদব, ওবেদ ম্যাককয়, মুরুগান অশ্বিন, কেসি কারিয়াপ্পা, কেএম আসিফ।

নিউজ ট্যাগ: আইপিএল

আরও খবর

রোনালদোর 'অভিষেক' গোলে আল নাসরের বড় জয়

মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩




নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩