Logo
শিরোনাম

যৌতুকের জন্য জবি ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে আটক জবি ছাত্র

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জবি প্রতিনিধি :

চাহিদা অনুযায়ী যৌতুকের টাকা না দিতে পারায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে স্বামী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সূত্রাপুর থানার ওসি (তদন্ত) স্নেহাশীষ রায়।

স্নেনাশীষ রায় বলেন, 'যৌতুক ও নির্যাতনের দায়ে এক শিক্ষার্থীকে আটক করেছি। মেয়ে থানায় অভিযোগ করেছিল। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে আটক করে থানায় রাখা হয়েছে।'

ভুক্তভোগী ঐ নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগ, তার একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। বিয়ের পর চাহিদা অনুযায়ী যৌতুকের টাকা না পাওয়ায় তাকে নির্মমভাবে অত্যাচার করে। বাসায় মারধর করে। পরে তিনি সূত্রাপুর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড.মোস্তফা কামাল বলেন, ওরা দুজনেই আমাদের শিক্ষার্থী। ছেলের বাড়ি চট্রগ্রাম মেয়ের ঝিনাইদহ। এর আগেও ওদের ঝামেলার কথা শুনছিলাম।


আরও খবর



আইপিএল খেলতে ভারত গেলেন সাকিব

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আইপিএল খেলতে কলকাতা চলে গেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। অথচ তার এই আইপিএল যাত্রা নিয়ে বহু কাণ্ড হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে।

কিছুদিন আগে সাকিব মুখ খুলে বোর্ড পরিচালকদের ধুয়ে দিয়েছেন। দেশের ক্রিকেটাঙ্গন যখন অগ্নিগর্ভ, সেই সময়েই শনিবার (২৭ মার্চ) সকাল ৯.৪৫ মিনিটে ইউএস বাংলার ঢাকা-কলকাতা ফ্লাইটে ভারতে গেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

এর আগে আইপিএল খেলতে সাকিব শ্রীলঙ্কা সফর থেকে ছুটি নিয়েছিলেন। তখন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনসহ একাধিক কর্মকর্তা মিডিয়ার কাছে বারবার বলেছিলেন, সাকিব টেস্ট খেলতে চায় না। এরপর কয়েকদিন আগে এক অনলাইন সংবাদমাধ্যমের লাইভে এসে সাকিব বলেন, তিনি তার চিঠিতে কোথাও এমন কথা লিখেননি। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য তার আইপিএল খেলাটা জরুরি। এরপর বোর্ডের অনিয়ম নিয়ে মাশরাফিও মুখ খোলেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে আসেন সাকিব। গতকাল তিনি বাংলাদেশ সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও সাক্ষাত করেন। তবে দেশে থাকা অবস্থায় তার অভিযোগ বিষয়ে একটি টু শব্দও করেননি। মিরপুরে অনুশীলন করলেও মিডিয়ার কারো সঙ্গে কথা বলেননি।

আজ তার কলকাতা যাওয়ার খবরও কেউ জানত না। শনিবার সকালে বিসিবির লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়া ওয়াসিম খানকে তিনি হঠাৎ ফোন করে বলেন, 'এয়ারপোর্টে আসেন, আমি চলে যাচ্ছি। '

আগামী ১১ এপ্রিল আইপিএলে সাকিবের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রথম ম্যাচ। প্রতিপক্ষ সাকিবের সাবেক দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এবারের আইপিএল নিলামে সাকিবকে ৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এই দলে তিনি টানা ৭ বছর খেলেছিলেন। দুই মৌসুম আগে তাকে ছেড়ে দেয় শাহরুখ খানের দল। এরপর সাকিব এক মৌসুম সানরাইজার্স হায়দরাবাদে খেলেছিলেন।


আরও খবর



নতুন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানের নাম ঘোষণা করল ব্রাজিল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো অসঙ্গতভাবে সামরিক বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন, তাদের কাছে এমনটি মনে হওয়ার পর এর প্রতিবাদে হঠাৎই তিন বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব

সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর নতুন প্রধানের নাম ঘোষণা করেছে ব্রাজিল। তাঁদের পূর্বসুরিরা হঠাৎ সরে দাঁড়ানোর কথা জানানোর একদিন পর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারো নতুন নিয়োগ দিলেন।

ব্রাজিলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ওয়াল্টার ব্রাগা নাতো এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল পাওলো সার্জিও নগুইরা ডি অলিভিরা, নৌপ্রধান হিসেবে অ্যাডমিরাল আলমির গার্নির ও বিমান বাহিনীর প্রধান হিসেবে কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার কার্লোস অলমিদা বাপতিস্তা জুনিয়রকে পরিচয় করে দেন। খবর আল জাজিরার।

ব্রাগা নাতো বলেন, নতুন নিয়োগ পাওয়া এ তিনজনই দেশরক্ষা, সাংবিধানিক শক্তি ও গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদানের ক্ষেত্রে তাঁদের সাংবিধানিক মিশনের প্রতি বিশ্বস্ত থাকবেন।

কোভিড-১৯ রোগে মৃতের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাওয়ায় কঠোর সমালোচনার মুখে বোলসোনারো তাঁর প্রধান স্টাফ, অ্যাটর্নি জেনারেল ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও আইনমন্ত্রীকে সরিয়ে দিয়ে সরকারে ব্যাপক রদবদল করেন। এ মহামারি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহে তিনি তাঁর চতুর্থ স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়োগ দেন।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি গতকাল বুধবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো অসঙ্গতভাবে সামরিক বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন, তাদের কাছে এমনটি মনে হওয়ার পর এর প্রতিবাদে হঠাৎই তিন বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।

ব্রাজিলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গত মঙ্গলবার সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এডসোন পুঁজোল, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল ইলকোয়েস বারবোসা ও বিমান বাহিনী প্রধান লেফটেন্যান্ট ব্রিগেডিয়ার আন্তোনিও কার্লোস বেরমুজিসের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে, তবে তিন বাহিনীর প্রধানের পদত্যাগের কারণ জানায়নি মন্ত্রণালয়।

নিউজ ট্যাগ: ব্রাজিল

আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১




সংগঠনের প্রধান নিরীক্ষকের তথ্য

হেফাজতের কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বাবুনগরী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ১০১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২০১৬ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তবে জুনায়েদ বাবুনগরীর কাছ থেকে অর্থের হিসাব চাওয়া এবং এ বিষয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত করায় তাকে শেষ পর্যন্ত প্রধান নিরীক্ষকের পদ

রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচি 'সফল' করতে নানা উৎস থেকে টাকা নিয়েছিল সংগঠনটি। বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকার সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকাও সে সময় অন্তত ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই অর্থের অন্তত এক কোটি টাকার হিসাব দিতে পারেননি হেফাজতের বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। পুরো টাকাই তিনি আত্মসাৎ করেছেন বলে জনপ্রিয় একটি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন সংগঠনটির প্রধান নিরীক্ষক (অডিটর) মাওলানা সলিমউল্লাহ।

সংগঠনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে দফায় দফায় চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার সঙ্গে থাকা খাদেম (একান্ত সচিব) মাওলানা ইন'আমুল হাসান ফারুকীর মাধ্যমে চেষ্টা করা হলে তিনি জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে কথা বলিয়ে দেবেন বলে জানান। পরে তাকেও পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার রাত ও শনিবার বিকেলে মাওলানা সলিমউল্লাহর সঙ্গে দুই দফায় কথা হয় ওই সংসাদপত্রটির। এ সময় তিনি বলেন, ঢাকা ঘেরাও এবং এর অংশ হিসেবে শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি যখন তুমুল সাড়া জাগায়, তখন আন্দোলন সফল করতে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সহায়তা আসছিল। সে সময় ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাও নগদ ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন সংগঠনের তখনকার মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে। কিন্তু সেই টাকা নিজের কাছে রেখে দেন তিনি।

মাওলানা সলিমউল্লাহ বলেন, শাপলা চত্বরে আন্দোলন চলাকালে হুজুরকেও (হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ্‌ আহমদ শফী) অনেকে টাকা-পয়সা দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো টাকা তিনি নিজের কাছে তেমন একটা রাখতেন না। একদিন হুজুর নিজ হাতে তখনকার মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে ২৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকাও তিনি হজম করে ফেলেছেন।

শাপলা চত্বরে আন্দোলন চলাকালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন জুনায়েদ বাবুনগরী। তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছিল। কারাভোগের পর তিনি জামিনে বেরিয়ে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন। মাওলানা সলিমউল্লাহ এ প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জুনায়েদ বাবুনগরী হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালে একদিন তার মেয়ের এক ভাসুরকে পাঠান এবং তার মাধ্যমে চিকিৎসার কথা বলে সংগঠন থেকে ২০ লাখ টাকা নেন। সেই টাকা ফেরত দেওয়া দূরে থাক, কোনো হিসাবই দেননি তিনি। চিকিৎসার জন্য কত টাকা খরচ হয়েছে; সেটাও কারও জানা নেই। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় সংগঠন থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়েছেন জুনায়েদ বাবুনগরী। সংগঠনের তৎকালীন মহাসচিব হিসেবেও অনেকে তার কাছে টাকা দিয়েছেন। কিন্তু এসব টাকার কোনো হিসাব নেই।

২০১৬ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তবে জুনায়েদ বাবুনগরীর কাছ থেকে অর্থের হিসাব চাওয়া এবং এ বিষয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত করায় তাকে শেষ পর্যন্ত প্রধান নিরীক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে হেফাজতের যে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি রয়েছে, সে কমিটির অন্যতম সদস্য তিনি। অবশ্য কাগজ-কলমে নাম থাকলেও কয়েক মাস ধরে হেফাজতের সঙ্গে তেমন একটা সম্পৃক্ত নন ফটিকছড়ির নাজিরহাট আল জামিয়াতুল ফারুকীয়া মাদ্রাসার মুহতামিম (মহাপরিচালক) মাওলানা সলিমউল্লাহ।

আর্থিক অনিয়মের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে মাওলানা সলিমউল্লাহ বলেন, ২০১৬ সালে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ্‌ আহমদ শফী আমাকে হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক করে একটি অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি গঠন করেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর সংগঠনের আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করতে গিয়ে দফায় দফায় বাধার মুখে পড়তে হয়। মূলত শাপলা চত্বরে আন্দোলনের সময় বিভিন্নভাবে নেওয়া টাকার হিসাব চাইতে গিয়ে এ সমস্যা তৈরি হয়। আমি বিষয়টি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করি- সেটা মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী চাইতেন না। তাই যখনই আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরে নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করি, তখন পদাধিকারবলে আমার নেতৃত্বাধীন কমিটি ভেঙে দেন তিনি। যখন যাকে পছন্দ তাকে প্রধান নিরীক্ষকের দায়িত্ব দেন। অবশ্য কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে প্রধান নিরীক্ষকের পদ দেওয়া হতো। এভাবে তিনবার কমিটি পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে প্রধান নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন চট্টগ্রামের চাক্তাই মোজাহেরুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা লোকমান হাকিম।

আমি যখন প্রধান নিরীক্ষক ছিলাম, তখন সে কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। তবে বর্তমানে তথাকথিত হেফাজতের কমিটির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।

শাহ্‌ আহমদ শফীর ঘনিষ্ঠভাজন ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। কয়েক মাস আগেও ফটিকছড়ির আল জামেয়াতুল আরাবিয়া নছিরুল ইসলাম নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার মুহতামিম ছিলেন তিনি। তবে আহমদ শফী ইন্তেকাল করার পর তাকে সে পদ থেকে সরিয়ে দেন জুনায়েদ বাবুনগরী ও তার সমর্থকরা। তবে এর নেপথ্যে আরও গভীর রহস্য রয়েছে বলে মনে করেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তিনি বলেন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ মারা যাওয়ার পর ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার শরীফের পীর মুজিবুল হক মাইজভাণ্ডারী ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে চেষ্টা করেছিলেন। এ জন্য কওমিদের সমর্থন প্রয়োজন বলে মনে করেছিলেন তিনি। একাধিকবার আমার মাধ্যমে শফী হুজুরকে দিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে ফোন করাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি সেটা করিনি। এমন প্রেক্ষাপটে তার সঙ্গে বাবুনগরীর সুসম্পর্ক হয়। শফী হুজুর ইন্তেকাল করার পর তারা ষড়যন্ত্র করে আমাকে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে দেন।

ফটিকছড়িতে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি নামে একটি সংগঠন রয়েছে। প্রায় ২২ বছর ধরে জুনায়েদ বাবুনগরী সভাপতি ও সলিমউল্লাহ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও মাদ্রাসার পাশাপাশি সেই কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সলিমউল্লাহকে।

রাজধানীর শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন চলাকালে কথিত নাস্তিক-ব্লগারদের শাস্তিসহ ১৩ দফা দাবি আদায়ে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার ছয়টি প্রবেশমুখে অবরোধ কর্মসূচি শেষে মতিঝিল শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয় হেফাজতের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক। দিনভর বিভিন্ন স্থাপনা, যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে তারা। পরদিন ৬ মে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, নারায়ণগঞ্জ, বাগেরহাটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজত কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনায় রাজধানীসহ রদশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতের ২২ কর্মীসহ ৩৯ জন নিহত হয়। সূত্র : সমকাল


আরও খবর



পিটিয়ে ওসির মাথা ফাটালো পিকেটাররা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পিকেটারদের লাঠির আঘাতে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানার (ওসি) এসএম জালাল উদ্দিন (৫২) গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রবিবার (২৮ মার্চ) হেফাজতের ডাকা হরতাল চলাকালের দুপুর ১২টার দিকে শোলপুর আউলাদ মার্কেটের সামনের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত সিরাজদিখান থানার পরিদশর্ক (তদন্ত) কামরুজ্জামান বলেন, উপজেলার শোলপুরে ৭-৮শ জন হরতাল সমর্থক রাস্তায় ছিল। তাদের নিয়ন্ত্রণে ওসি জালালসহ ফোর্স নিয়ে সেখানে যাই। পরে হরতাল সমর্থকরা আমাদেরক লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করতে থাকে। এতে পুলিশের বেশ কয়েকজন আহত হন। এদের মধ্যে ওসি জালাল উদ্দিনের অবস্থা গুরুতর।

তিনি নিজে, ওসি ও কনস্টেবল মো. শাহীন চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে আসেন বলেও জানান।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদশর্ক মো. বাচ্চু মিয়া জানান, আহত ওসির মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। তার মাথায় সেলাই করা হয়েছে। বাকি দুজনের আঘাত গুরুতর নয়।


আরও খবর



মামুনুলসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৭ মে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিনে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এলাকায় নাশকতার অভিযোগে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের ১৭ নেতার বিরুদ্ধে আগামী ২৭ মের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ধীমান চন্দ্র মণ্ডল মামলার এজাহার গ্রহণ করে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দাখিলের এই দিন ধার্য করেন।

গত সোমবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর পল্টন থানায় মামলাটি দায়ের করেন ওয়ারী এলাকার ব্যবসায়ী খন্দকার আরিফ-উজ-জানান।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন-হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবিব, লোকমান হাকিম ও নাসির উদ্দিন মনির, নায়েবে আমির বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, অর্থ সম্পাদক মুফতি মনির হোসাইন কাশেমী, প্রচার সম্পাদক যাকারিয়া নোমান ফয়েজী, ছাত্র ও যুব সম্পদিক হাফেজ মো. জোবায়ের, দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মো. তৈয়ব ও সহকারী দাওয়াহ সম্পাদক মুশতাকুন্নবী; মাখজান, ঢাকার নুরুল ইসলাম জেহাদী; ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার নায়েবের আমির মাজেদুর রহমান; লালবাগ, ঢাকার হাবিবুর রহমান, খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়্যুবী ও জসিম উদ্দিন; টঙ্গী শাখার সহ সাংগঠনিক সম্পদক মাসুদুল করিম; এবং মোহাম্মদপুর ঢাকার ফয়সাল আহমেদ।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ বাদী বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজ পড়তে যান। ফরজ নামাজ শেষে তিনি মসজিদের ভেতরে কিছু উশৃঙ্খল ধর্মান্ধ ব্যক্তিদের জুতা প্রদর্শনসহ নানা ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিতে দেখেন। ওই অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হলে তিনি উত্তর গেটের সিঁড়িতে কয়েক হাজার জামায়াত-শিবির-বিএনপি-হেফাজতের উগ্র মৌলবাদী ব্যক্তিদের উশৃঙ্খল জমায়েত দেখতে পান।

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে শীর্ষস্থানীয় জামায়াত-শিবির-বিএনপি-হেফাজত নেতারা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে দেশি-বিদেশি সরকারপ্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধানদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিকে বানচাল করার ও ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করে।

ওই জমায়েত থেকে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী নানা জঙ্গি স্লোগান দিতে থাকে। হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের প্রত্যক্ষ নির্দেশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের নিমিত্তে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দা, ছোরা, কুড়াল, কিরিচ, হাতুড়ি, তলোয়ার, বাঁশ, গজারী লাঠি, শাবল ও পাইপগানসহ অন্যান্য আগ্নেয়ান্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিত আমিসহ অন্যান্য সাধারণ মুসল্লিদের ওপর হামলা করে।

এজাহারে বাদী আরও বলেন, মামুনুল হকের প্রত্যক্ষ হুকুমে হেফাজত নেতা মওলানা জুনায়েদ আল হাবিব তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে মাথা লক্ষ্য করে বাড়ি দেন। এ সময় প্রাণরক্ষায় বাদী সরে গেলে আল হাবিব তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে বড় রড দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এ সময় তিনি মাটিতে পড়ে গেলে অন্য হেফাজত নেতারা বাঁশের লাঠি দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। মামলার একজন সাক্ষীকেও ধারালো কিরিচ দিয়ে হত্যার উদ্দেশে মাথার পেছনে গুরুতর জখম করেন।


আরও খবর