Logo
শিরোনাম

যুদ্ধাপরাধীদের নামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকবে না

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ হয়ে থাকলে তা পরিবর্তন করতে হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন নীতিমালা-২০২৩-এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সোমবার নীতিমালাটি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তনে চারটি কারণ বা যৌক্তিকতাকে বিবেচনাযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

নীতিমালায় বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনে বিবেচনাযোগ্য কারণগুলোর মধ্যে বলা হয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম শ্রুতিকটু, নেতিবাচক এবং শিশুমনে ও জনমনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে; প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম দেশের যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নামে নামকরণ হয়ে থাকলে; প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে উপযুক্ত আদালতের বিশেষ কোনো নির্দেশনা থাকলে এবং ভূমিকম্প, নদীভাঙনসহ নানাবিধ কারণে বিদ্যালয়ের নামের দ্বৈততা বা জটিলতা দেখা দিলে তা পরিহারের জন্য নাম পরিবর্তন বিবেচ্য হবে।

বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে চার ধরনের নামকরণ করা যাবে জানিয়ে বলা হয়, শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন এমন ব্যক্তি বা বীর মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করা যাবে। এমন ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানা ও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় একই উপজেলা, থানা বা সিটি করপোরেশনের হতে হবে। তাদের নামে একটির বেশি বিদ্যালয়ের নামকরণ করা যাবে না। তবে এ ধরনের ব্যক্তির মধ্যে কেউ রাষ্ট্রবিরোধী, ফৌজদারি, দেওয়ানি ও দুর্নীতির অপরাধে অভিযুক্ত বা সাজাপ্রাপ্ত হলে তাদের নামে বিদ্যালয়ের নামকরণ করতে হলে আদালত থেকে খালাসপ্রাপ্ত হতে হবে।

এ ছাড়া ক্ষেত্রবিশেষে এলাকার নাম অনুসারেও বিদ্যালয়ের নামকরণ করা যাবে। স্থানীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও কৃষ্টির সঙ্গে সামঞ্জস্যতা সাপেক্ষে নাম পরিবর্তন বা নতুন নামকরণ করা যাবে বলে জানানো হয়।


আরও খবর



রূপপুরের সরঞ্জামবাহী সেই রুশ জাহাজ চীনের পথে

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য সরঞ্জাম বয়ে আনা রাশিয়ার জাহাজ উরসা মেজর বাংলাদেশ ও ভারতে ভিড়তে না পেরে এখন চীনের পথে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, এটি চীনের একটি বন্দরে প্রবেশের চেষ্টা করছে। বেইজিংয়ের অনুমতি এবং লজিস্টিক সাপোর্ট পেলে রুশ জাহাজে থাকা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণসামগ্রী চীনা বন্দরে খালাস এবং সেখান থেকে অন্য জাহাজে করে বাংলাদেশে পাঠানো হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে পণ্য খালাস না করেই ভারতের জলসীমা ত্যাগ করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞাভুক্ত উরসা মেজর নামের এই রুশ জাহাজ। মোংলা পোর্টে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল খালাস করতে না পেরে ১৪ দিন জাহাজটি পশ্চিমবঙ্গের একটি বন্দরে নোঙরের অপেক্ষায় ছিল। কিন্ত ভারতও শেষ পর্যন্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞাভুক্ত জাহাজটি গ্রহণ করেনি। বাংলাদেশ তো নয়ই।

এ নিয়ে রোববার দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, রাশিয়া যে নিষেধাজ্ঞার জাহাজ পাঠাবে তা বাংলাদেশ আশা করেনি। জাহাজের পণ্য খালাস নিয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমরা রাশিয়াকে স্পষ্ট করে বলেছি, যে ৬৯ জাহাজের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তাতে পণ্য পাঠালে আমরা গ্রহণ করবো না।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাজ্জব লেগেছে যখন শুনলাম নাম পরিবর্তন নিষেধাজ্ঞাভুক্ত জাহাজে করে পণ্য পাঠিয়েছে রাশিয়া। তিনি বলেন, মস্কোর কাছে আমরা তা কখনোই আশা করিনি।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞাভুক্ত রাশিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটি গত ২৪ ডিসেম্বর মোংলা বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল। তার আগে ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানতে পারে যে উরসা মেজর নামধারী জাহাজটি আসলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞাভুক্ত জাহাজ স্পার্টা ৩

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এক কূটনৈতিক পত্রে বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানায়। তাতে বলা হয়, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ওই জাহাজে পণ্য ওঠানো-নামানো, জ্বালানি সরবরাহ, জাহাজের নাবিকদের যেকোনো ধরনের সহযোগিতায় যুক্ত হলে ওই দেশের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া বা বড় আর্থিক দণ্ডের মুখে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। এরপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তথ্যটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে জানায় এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিক জাহাজটির মোংলা বন্দরে প্রবেশের পূর্বানুমতি বাতিল করে। যদিও এ নিয়ে রাশিয়া কূটনৈতিক চিঠির মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে।

নিউজ ট্যাগ: রুশ জাহাজ

আরও খবর



ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট প্যালেসসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় হামলা

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভবনে হামলা চালিয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানের সমর্থকেরা। এ সময় ঘিরে ফেলা হয় ব্রাজিলের কংগ্রেস ও সুপ্রিম কোর্টও। গতকাল রোববার দেশটির সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ও কট্টরপন্থী নেতা জাইর বলসোনারোর সমর্থকরা এই হামলা করেন।

দুই বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকেরা যেভাবে ক্যাপিটলে হামলা ও তাণ্ডব চালিয়েছিল, ব্রাজিলে বলসোনারো সমর্থকদের এই তাণ্ডব অনেকটা তেমনই। আজ সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় পুলিশি বাধা অমান্য করে দেশটির কংগ্রেস, প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ ও সুপ্রিম কোর্ট ভবনে ঢুকে পড়ে এবং ব্যাপক ভাঙচুর ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায় বলসোনারোর সমর্থকেরা।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ ইতোমধ্যে কংগ্রেস ভবন, প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ ও সুপ্রিম কোর্ট ভবন থেকে থেকে হামলাকারীদের সরিয়ে দিয়ে ভবনগুলো নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। তবে ভবনগুলো ছেড়ে যাওয়ার আগে সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় হামলাকারীরা।

রোববার ব্রাসিলিয়ায় যখন এই হামলা হয় তখন লুলা সেখানে ছিলেন না। তিনি রোববার বন্যা বিধ্বস্ত আরারাকোয়ারা শহরে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে থাকা অবস্থায় রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় হামলার খবর পান। এরপর সেখান থেকেই তিনি ডিক্রি জারি করেন।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে সরকারকে বিশেষ ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হামলাকারীদের ধর্মান্ধ ফ্যাসিস্ট বলে আখ্যায়িত করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।

সাও পাওলো রাজ্যে একটি সরকারি সফরের সময় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ধ্বংসজ্ঞ চালানো এই বর্বরদের, যাদের আমরা বলতে পারি... ধর্মান্ধ ফ্যাসিস্ট, তারা এমন কাজ করেছে যা এই দেশের ইতিহাসে আগে কখনো হয়নি।

সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা হবে জানিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সমস্ত লোকজন, যারা এটি করেছে, তাদের খুঁজে বের করা হবে এবং শাস্তি দেওয়া হবে।

এদিকে ব্রাজিলে গুরুত্বপূর্ণ সব স্থাপনায় বলসোনারো সমর্থকদের হামলা নানা ভিডিও ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এসব ভিডিওতে চরম ডানপন্থী সমর্থকদের কংগ্রেস ভবনের ছাদে উঠে চিৎকার করে স্লোগান দিতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি সামরিক অভ্যুত্থানের দাবিতে সেখানে ব্যানারও লাগানো হয়।

অপর একটি ভিডিওতে কংগ্রেস ভবনের দরজা-জানালা ভাঙতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের। এ ছাড়া আইনসভার সদস্যদের নামে অশালীন মন্তব্য ও স্লোগান দিতেও দেখা যায় তাদের। অন্যদিকে ভবনের বাইরেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর ব্রাজিলের অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর থেকে দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে। ওই নির্বাচনে ডানপন্থী জাইর বলসোনারোকে হারিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন লুলা দা সিলভা। এরপরই থেকেই বলসোনারোর সমর্থকরা সামরিক অভ্যুত্থানের দাবিতে ব্রাজিলের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু করেন।


আরও খবর



এক দশকে দুটি অর্থনৈতিক মন্দার মুখে বিশ্ব

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোভিড ১৯ মহামারীর ধকল, বিশ্বের পরাশক্তির মধ্যকার শীতল যুদ্ধের জের ধরে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত ও রাজনৈতিক বাঁকবদল সব মিলিয়ে বিশ্ব একটি নাজুক পরিস্থিতির মধ্যে। মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো পরিস্থিতি সামাল দিতে একের পর এক কঠোর নীতি নিয়ে আসছে, তবু লাগাম টানা যাচ্ছে না প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে। ঝুঁকি তৈরি  হয়েছে বৈশ্বিক মন্দার। ঠিক এমন এক সন্ধিক্ষণে এসে বিশ্বব্যাংক সম্প্রতি সতর্ক করে বলছে, বিশ্ব অর্থনীতি এক দশকের মধ্যে দ্বিতীয় মন্দা থেকে মাত্র এক আঙুল দূরে। ৮০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এ ধরনের নজিরবিহীন পরিস্থিতি দেখা যায়নি।

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসকে কমিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি ধারণা করছে, বিশ্ব অর্থনীতি চলতি বছর মাত্র ১ দশমিক ৭ শতাংশ সম্প্রসারণ হবে। তবে ২০২৪ সাল নাগাদ প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আক্রমণাত্মক নীতি, অবনতিশীল আর্থিক অবস্থা এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রভাব পড়ছে প্রবৃদ্ধির ওপর। ফলে আরো নেতিবাচক ধাক্কা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, এমনকি কঠোর আর্থিক নীতি থেকে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনাগুলো বাড়ছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, এগুলো মন্দা পরিস্থিতির তীব্রতা বৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট।

২০২১ সালে খানিকটা পুনরুদ্ধারের পর ২০২০ সালের মহামারীজনিত মন্দার সময় বিশ্ব অর্থনীতি ৩ দশমিক ২ শতাংশ সংকুচিত হয়। তবে ইতিহাস অনুসারে, বিশ্ব সর্বশেষ ১৯৩০-এর দশকে ১০ বছরের ব্যবধানে এ ধরনের দুটি মন্দার সম্মুখীন হয়েছিল। ২০২৩ সালে মার্কিন অর্থনীতি মোটের ওপর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংস্থাটি আরো মনে করছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত যে ২০টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে, তারা মোটেও কোনো অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ দেখতে সক্ষম হবে না।

সংস্থাটি মনে করে, কোভিড-১৯ বিধিনিষেধ তুলে নেয়ায় ২০২৩ সালে চীনের প্রবৃদ্ধি বাড়বে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। যদিও পূর্বাভাসটি ছয় মাস আগের অনুমানের তুলনায় কম, যা দেশটির আবাসন বাজারের চলমান নড়বড়ে অবস্থা, চীনে তৈরি পণ্যের জন্য অন্যান্য দেশের দুর্বল চাহিদা এবং অব্যাহত মহামারীজনিত ব্যাঘাতগুলোকে প্রতিফলিত করে।

বিশ্বব্যাংক তাদের প্রতিবেদনে আরো বলে, বিশ্বের তিনটি প্রধান প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরো অঞ্চল ও চীনবর্তমানে পরিচ্ছন্ন দুর্বলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ অভিঘাত আক্রান্ত হবে দরিদ্র দেশগুলোও, যারা কিনা এরই মধ্যেই একটি অনিশ্চিত জলবায়ু অর্থনীতি, নিম্ন ব্যবসায়িক বিনিয়োগ এবং ক্রমবর্ধমান সুদহার ঘিরে টালমাটাল পরিস্থিতির মোকাবেলা করছে। তাছাড়া ঋণের ক্রমবর্ধমান খরচ বড় অংকের ঋণ গ্রহণের বিষয়গুলোকে আরো চ্যালেঞ্জিং করে তুলতে পারে।  ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উৎপাদন মহামারীর আগে নির্ণয় করা মাত্রার থেকে প্রায় ৬ শতাংশ নিচে থাকবে। আরো ধারণা করা হচ্ছে, আয় বৃদ্ধিও হবে ধীরগতির, যা ধনী দেশগুলোর সঙ্গে অন্যদের ব্যবধান হ্রাসের বড় ধরনের অন্তরায়।

নিউজ ট্যাগ: অর্থনৈতিক মন্দা

আরও খবর



অন্ধ্র প্রদেশে রোড শোতে পদদলিত হয়ে নিহত ৮

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের নেল্লোর জেলায় সাবেক মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর একটি রোড শো চলাকালে পদদলিত হয়ে এক নারীসহ আটজন নিহত হয়েছেন। নাইডু বর্তমানে রাজ্যটির বিধানসভার বিরোধী দলীয় নেতা। রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে কান্দুকুর শহরে একটি সভায় তার ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল।

সন্ধ্যায় নাইডুর বহর এলাকায় পৌঁছালে ভিড় শুরু হয়। বিশাল জনতা, যা জড়ো হয়েছিল, নেতার এক ঝলক দেখার জন্য এগিয়ে গেল। নেতাকে এক পলক দেখার জন্য সেখানে জড়ো হওয়া বিপুল সংখ্যক মানুষ সামনের দিকে এগিয়ে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভিড়ের কারণে মানুষ পাশের একটি রেলিং ভেঙে খোলা ড্রেনে পড়ে যায়। এতে আটজন মারা যায়। আহত কয়েকজন স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নাইডু তাৎক্ষণিকভাবে সভাটি বাতিল এবং নিহতদের পরিবারের জন্য ১০ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, নিহতদের পরিবারে শিশু থাকলে তাদের পড়াশোনার খরচ জোগাতে সহায়তা করবেন। এ ছাড়া আহতদের উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে দলের নেতাদের নির্দেশ দেন তিনি।

তেলেগু দেশম পার্টির প্রধান রাজ্যজুড়ে ধারাবাহিকভাবে সভা করছেন। ২০২৪ সালে সেখানে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। ২০১৯ সালে জগন মোহন রেড্ডির ওয়াইএসআর কংগ্রেসের কাছে পরাজিত হয়েছিল দলটি।


আরও খবর



গুলশানে গ্লোরিয়া জিন্স ক্যাফের সামনে গোলাগুলি

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গুলশান ১ নম্বরে গ্লোরিয়া জিন্স কফিস রেস্টুরেন্টের সামনে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দু'জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার মো. আ. আহাদ গণমাধ্যমকে বলেন, বিকেল ৪টার দিকে গ্লোরিয়া জিন্স নামক রেস্টুরেন্টের সামনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। একজন আরেকজনকে গুলি করেছেন। এ ঘটনায় আমরা জড়িত দুজনকেই হেফাজতে নিয়েছি। তাদের আগ্নেয়াস্ত্রের বৈধতা, নাম-পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সারোয়ার জামান জানান, এক ব্যক্তি পিস্তল হাতে দৌড়ে যাচ্ছিলেন। পেছন থেকে ধাওয়া দেন কয়েকজন। এ সময় তিনি গুলি ছোড়েন। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক করে। তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যাপারে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আরও খবর

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

রাজধানীতে ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩