
যুক্তরাষ্ট্রের
ওকলাহোমায় তুলসার একটি মেডিকেল সেন্টারে গুলিতে চারজন নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার
(১ জুন) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন বন্দুকধারীও মারা গেছে।
তবে কী কারণে
মারাত্মক এ হামলা হয়েছে তা স্পষ্ট জানা যায়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, সেন্ট ফ্রান্সিস
মেডিকেল ক্যাম্পাসে সশস্ত্র এক ব্যক্তি রাইফেল নিয়ে গোলাগুলি শুরু করেন।
বুধবার (১ জুন)
একটি সংবাদ সম্মেলনের সময় তুলসা পুলিশ বিভাগের উপ-প্রধান এরিক ডালগলিশ মৃতের সংখ্যা
নিশ্চিত করেছেন এবং বলেছেন, সন্দেহভাজন বন্দুকধারীও মারা গেছে। তার কাছে একটি রাইফেল
ও একটি হ্যান্ডগান ছিল। তবে সন্দেহভাজন ওই বন্দুকধারীর নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।
যুক্তরাষ্ট্রে
কোনোভাবেই লাগাম টানা যাচ্ছে না বন্দুক হামলার। মঙ্গলবার (৩১ মে) নিউ অরলিন্সের জেভিয়ার
ইউনিভার্সিটি অফ লুইজিয়ানা কনভোকেশন সেন্টারে মরিস জেফ কমিউনিটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের
গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে দুই নারীর মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা গোলাগুলিতে
রূপ নেয়।
স্থানীয় পুলিশ
জানায়, খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায়
দেখতে পান তারা। এদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া
হয়। তবে গুরুতর আহত এক নারী মারা যান বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে ঘটনা তদন্তে
ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে
বন্দুক সহিংসতার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন মার্কিনিরা। মঙ্গলবারও ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসের
শিক্ষার্থীরা বন্দুক হামলা বন্ধে ব্যক্তিগত অস্ত্র আইন সংস্কারের দাবি জানান। অস্ত্রবিরোধী
বিভিন্ন ব্যানার ও স্লোগানে স্লোগানে প্রতিবাদ জানান আন্দোলনকারীরা।

