Logo
শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে সব যাত্রী নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যে একটি সামরিক প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলট নিহত হয়েছেন। ওই বিমানে দুইজনই ছিলেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিমানটি আলাবামা বিমানবন্দরের কাছাকাছি বিধ্বস্ত হয়।

দেশটির বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টি-৩৮ মডেলের প্রশিক্ষণ বিমানটিতে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছিল। কিছুক্ষণ উড়ার পরই নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

যিনি প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, সে ২৪ বছর বয়সী জাপানের নাগরিক। বিমান থাকা তার প্রশিক্ষক মার্কিন বিমানবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ।

দুর্ঘটনায় দুই পাইলটের মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি উল্লেখ করে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিমানবাহিনী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ এখনো বের করতে পারেনি।

Share

আরও খবর



ভালোবাসা সম্পর্কে ইসলাম যা বলে

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৪০জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভালোবাসা না থাকলে পৃথিবী টিকে থাকত না। সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার অফুরন্ত ভালোবাসা আছে বলেই এত কষ্ট করে তারা সন্তানকে লালন-পালন করে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে গভীর ভালোবাসার কারণেই পারিবারিক বন্ধন আমরণ হয়। সম্পর্ক, বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি কী তার কিছু উদাহরণ দেয়া হলো-

আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা : প্রতিটি মানুষের প্রথমেই দরকার আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা। ঈমানের ভিত্তিতে মহান আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্ক ও ভালোবাসা তৈরি হয়। যার প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়, তার চাওয়া-পাওয়া অগ্রাধিকার পায়। আল্লাহকে ভালোবাসার উপায় ও পরিণাম সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, মনে রেখো, যারা আল্লাহর বন্ধু, তাদের কোনো ভয়-ভীতি নেই, তারা চিন্তিতও হবে না। যারা ঈমান এনেছে এবং তাকওয়া অবলম্বন করেছে, তাদের জন্য সুসংবাদ পার্থিব জীবনে ও পরকালীন জীবনে। আল্লাহর কথার কখনো হেরফের হয় না। এটাই হলো মহা সফলতা। (সুরা : ইউনুস, আয়াত : ৬২-৬৪)

রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা: রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ছাড়া ঈমানের পূর্ণতা আসে না।পার্থিব সব কিছুর ওপর রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং তার আনুগত্যের মাধ্যমে ভালোবাসার প্রকাশ ঘটাতে হবে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার মাতা-পিতা সন্তান-সন্ততি ও সব মানুষ থেকে প্রিয় হব। (বুখারি, হাদিস : ১৫)

মুমিনদের প্রতি ভালোবাসা: সব ঈমানদার একে অন্যের ভাই। ভ্রাতৃত্বের এই বন্ধনের ক্ষেত্রে সময়-কাল বা ভৌগোলিক অবস্থাকে অন্তরায় করা যাবে না।

নোমান ইবনে বাশির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, সব মুসলমান একটি দেহের মতো। যদি তার চোখ অসুস্থ হয় তাহলে পুরো শরীর অসুস্থ হয়ে যায়, যদি তার মাথা অসুস্থ হয় তাহলে পুরো শরীর অসুস্থ হয়ে যায়। (মুসলিম, হাদিস : ৬৭৫৪)

সব মানুষের প্রতি ভালোবাসা: মানুষ হিসেবে সবাই এক আদমের সন্তান। সব মানুষের প্রতি ভালোবাসা, উদার মনোভাব পোষণ এবং মানবীয় আচরণ প্রদর্শন ইসলামের অন্যতম শিক্ষা। জারির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করে না, আল্লাহ তার প্রতি অনুগ্রহ করেন না। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬০১৩)

জীবের প্রতি ভালোবাসা: মানুষই শুধু মানুষের ভালোবাসা লাভের যোগ্য নয়, বরং বন্য ও গৃহপালিত পশু-পাখির প্রতিও ভালোবাসা প্রদর্শন ও দয়াশীল আচরণ করতে হবে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করেন, হে আল্লাহর রাসুল! জীবজন্তুর প্রতি দয়া প্রদর্শনের জন্যও কি আমাদের পুরস্কার আছে? রাসুল (সা.) বলেন, হ্যাঁ, প্রত্যেক দয়ার্দ্র হৃদয়ের অধিকারীদের জন্য পুরস্কার আছে। (বুখারি, হাদিস : ৫৬৬৩)

বৃক্ষলতার প্রতি ভালোবাসা: শুধু মানুষ আর প্রাণী নয়, বৃক্ষ-তরুলতাকেও ভালোবাসতে হবে। এরাই প্রকৃতির প্রাণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী। কাজেই বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা করতে হবে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, যদি নিশ্চিতভাবে জানো যে কিয়ামত এসে গেছে, তখন হাতে যদি একটি গাছের চারা থাকে, যা রোপণ করা যায়, তাহলে সেই চারাটি রোপণ করবে। (বুখারি, আদাবুল মুফরাদ : ৪৭৯; মুসনাদ আহমদ, হাদিস : ১৮৩)

সব সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা: আল্লাহর সব সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করতে হবে। আনাস ও আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, গোটা সৃষ্টিজগৎ আল্লাহর পরিবার। সুতরাং সৃষ্টির মধ্যে আল্লাহর কাছে অতি প্রিয় ওই ব্যক্তি, যে তাঁর (আল্লাহর) পরিবারভুক্তদের প্রতি সদাচার করে। (মিশকাত, হাদিস : ৪৯৯৯)

ইসলামের দৃষ্টিতে ভালোবাসা সব সময়ের জন্য এবং সবার জন্য। ভালোবাসায় আছে আল্লাহর নির্দেশনার বাস্তবায়ন এবং দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ। কোনো অশ্লীলতা ও নির্লজ্জতার ভালোবাসা কোনোভাবেই ইসলামের ভালোবাসা নয়।

নিউজ ট্যাগ: ভালোবাসা
Share

আরও খবর

সরস্বতী পূজা আজ

মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১




শিক্ষার্থীদের ঢাকার ৭ পয়েন্টে অবস্থান

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলমান পরীক্ষাসমূহ নেওয়ার দাবিতে রাজধানী ঢাকার সাতটি মূল পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার সকালে নীলক্ষেতে অবস্থান নিয়ে সেখানে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, ঢাকা শহরের সাতটি মূল পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা সদরঘাটে অবস্থান নেবেন। বেগম বদরুন্নেসা কলেজের শিক্ষার্থীরা বকশিবাজার ঢাকা মেডিকেল কলেজ মোড়ে অবস্থান নেবেন, ইডেন ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত ও আজিমপুরে অবস্থান করবেন। বাংলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা যথাক্রমে মিরপুর টেকনিক্যাল ও গুলশানে অবস্থান নেবেন।

অবস্থান ও অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সবাইকে দায়িত্ববান ও সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

সাত কলেজের ২০১৯ সালের স্নাতক চতুর্থ বর্ষ, ২০১৯ সালের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের লিখিত পরীক্ষা এবং ২০১৭ সালের মাস্টার্স শেষ পর্বের মৌখিক পরীক্ষা চলমান রয়েছে বলে জানান তারা। এ ছাড়া পূর্বঘোষিত পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষ ও ১০ মার্চ থেকে স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের (বিশেষ) পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল।

নীলক্ষেতে অবস্থান নেওয়া ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী হাফিজ উল্লাহ বলেন, আমাদের এই আন্দোলন সরকারবিরোধী কোনো আন্দোলন নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধেও নয়। আমাদের আন্দোলন আমাদের পরীক্ষা আদায়ের অধিকারের। আমাদের একদফা দাবি হলো- আমাদের পরীক্ষা নিতে হবে। কেননা আমাদের হল বন্ধের মধ্যেও আমরা গ্রাম থেকে এসে ঢাকায় এসেছি। কিন্তু আমাদের পরীক্ষা স্থগিত করা এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের চরম ভুল সিদ্ধান্ত।

হাফিজ উল্লাহ আরো বলেন, আমাদের একটাই দাবি। সেটি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি আমরা চালিয়ে যাবো।

সাত কলেজ সমন্বয়ক কমিটির অন্যতম নেতা একেএম আবু বকর বলেন, করোনা মহামারির মধ্যে হঠাৎ করে কেন পরীক্ষা শুরু করল? কেনই বা এত শিক্ষার্থীদের ঢাকায় আনল? এখন কেনই বা মাঝপথে পরীক্ষা বন্ধ করে দিল? শিক্ষার্থীদের এই আর্থিক ক্ষতি কে পূরণ করবে? যেখানে করোনার প্রভাবে শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ধরনের হঠকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

Share

আরও খবর



আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়ার বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৪৩জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশের পেছনে গত ১২ বছরের নিরলস পরিশ্রমের ফসল। এই অর্জনে দেশের মানুষ কাজ করেছে। সরকার শুধু নীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা করেছে। এক যুগ আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এক নয়। আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়ার বাংলাদেশ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করা উপলক্ষে এ প্রেস কনফারেন্স (ভার্চ্যুয়ালি) আয়োজন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতাম কখন যদি দেশ চালানোর সুযোগ পাই তাহলে গ্রামের মানুষের উন্নয়নে কাজ করবো। কারণ দেশের ৮০ ভাগ মানুষ বসবাস করেন গ্রামে। ১৯৯৬ সালে জনগণের রায় আওয়ামী লীগ যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা আসে। তখন থেকেই দেশের উন্নয়নে বিভিন্ন কাজ করেছি। ওই সময় কৃষি উৎপাদনের উপর বেশি জোর দিয়েছি, দেশকে খাদ্য স্বয়ংসম্পর্ন করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের পরবর্তী সময়ে যারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছিলেন তারা দেশের মানুষের জন্য পুরনো কাপড় বিদেশ থেকে নিয়ে আসতেন। গ্রাম উন্নয়নে শাসকরা এগিয়ে আসেনি। মানুষের হাতে কাজ ছিল না। না খেয়ে মানুষ দিন পার করতেন। সারা দিন কাজ করে দুমুঠো চাল কিনে ঠিকমত ভাত খেতে পারতেন না। জনগণ এসব বঞ্ছনার কথা কাউকে বলতে পারতেন না।

Share

আরও খবর



কার্টুনিস্ট কিশোর কবিরের জামিনের আবেদন

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | ৪৬জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
সম্প্রতি কার্টুনিস্ট কিশোর কবির, রাষ্ট্রচিন্তার ঢাকার সমন্বয়ক দিদারুল ভুইয়া ও লেখক মুশতাক আহমেদ এর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। চার্জশিটে ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায়

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরের জামিনের আবেদন করেছেন তার আইনজীবী। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালতে রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে জামিনের আবেদন করেন কিশোরের পক্ষের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

সম্প্রতি কার্টুনিস্ট কিশোর কবির, রাষ্ট্রচিন্তার ঢাকার সমন্বয়ক দিদারুল ভুইয়া ও লেখক মুশতাক আহমেদ এর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। চার্জশিটে ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষ তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর আপত্তি করে পুনরায় তদন্তের আবেদন করেন। এরপর ঢাকার সাইবার ট্রাইবু্নালে আসসামছ জগলুল হোসেন আবেদন মঞ্জুর করে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটকে (সিটিটিসি) তদন্তের নির্দেশ দেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আগামী ১০ মার্চ ধার্য করেন।

Share

আরও খবর



বিক্ষোভ অব্যাহত, আবারো উত্তাল মিয়ানমার

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৩৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রক্তক্ষয়ী রোববারের পর সোমবারও (০১ মার্চ) বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ। এদিন জান্তা সরকারের পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় নামেন হাজার হাজার আন্দোলনকারী। এসময় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে নিরাপত্তা বাহিনী। এদিকে, রোববারের বিক্ষোভে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর নির্বিচারের গুলি চালানোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিশ্ব নেতারা।

অভ্যুত্থানের ২৯তম দিনেও জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে জড়ো হন হাজার হাজার মানুষ। আগের দিনের ধারাবাহিকতায় এদিনও সময় গড়ানোর সাথে সাথে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ রূপ নেয় সহিংসতায়। সকাল থেকে বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে গেলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ইয়াঙ্গুন ও দাওয়েই শহর। একই পরিস্থিতি মিয়ানমারের অন্যান্য শহরেও। একইদিন রোববারের ভয়াবহতমদিনে সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে ভুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ করেছে অবুঝ শিশুরা। দেশ শাসন কিংবা রাজনীতির মারপ্যাচ না বুঝলেও ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে সেনা সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান তারা

এদিকে, মিয়ানমারে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশি সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিশ্ব নেতারা। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন জানায় শান্তিপূর্ণ সমাবেশে নিরাপত্তাবাহিনীর নজিরবিহীন দমনপীড়ন ও গণগ্রেফতার গ্রহণযোগ্য নয়। পুলিশি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও।

রোববারের ঘটনায় সামরিক বাহিনীর প্রতি উষ্মা প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও। একইসঙ্গে হতাহতের ঘটনার জেরে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছে জোটটি। এরই মধ্যে অভ্যুত্থানের জেরে মিয়ানমারে সব ধরনের সহায়তা বন্ধের পাশাপাশি দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে একমত হয়েছেন ইউরোপের দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

এদিকে ভিডিও কনফান্সের মাধ্যমে অবৈধভাবে ওয়াকি-টকি রাখা করোনাবিধি লঙ্ঘনের দুইটি মামলায় আদালতের শুনানিতে অংশ নেন মিয়ানমারের গৃহবন্দী নেত্রী অং সান সু চি। এসময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন সু চি।

নিউজ ট্যাগ: মিয়ানমার
Share

আরও খবর