Logo
শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রেনে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ১

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রে একটি ট্রেনে গোলাগুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। স্থানীয় সময় বুধবার (২২ জুন) সকালে দেশটির সান ফ্রান্সিসকো শহরের একটি ট্রেনে গোলাগুলি ও হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

মার্কিন পুলিশের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সান ফ্রান্সিসকো শহরের মুনি ফরেস্ট হিল স্টেশনে একটি ট্রেনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও ট্রেনটি সেখান থেকে কাস্ত্রো স্টেশনের দিকে আগেই ছেড়ে গেছে বলে দেখতে পায় তারা।

পুলিশের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা কাস্ত্রো স্টেশনে গোলাগুলির শিকার দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। একজনকে ঘটনাস্থলে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং অন্যজনকে উদ্ধার করে সান ফ্রান্সিসকো জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আহত ওই ব্যক্তি ঝুঁকিমুক্ত বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সান ফ্রান্সিসকো পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, গোলাগুলির পর অভিযুক্ত বন্দুকধারী কাস্ত্রো স্টেশনে ট্রেন থেকে পালিয়ে যায় এবং এখনও পলাতক রয়েছে।

এদিকে সংবাদমাধ্যম সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকলের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুলিবর্ষণের এই ঘটনাটি এলোমেলো বা এলোপাথাড়ি গুলির কোনো ঘটনা ছিল না। গোলাগুলি হওয়ার আগে থেকেই সন্দেহভাজন বন্দুকধারী এবং ভুক্তভোগীদের একজনের মধ্যে বিবাদ ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক সহিংসতা মহামারিতে রূপ নিয়েছে এবং উত্তর আমেরিকার এই দেশটি বিশেষ এই মহামারির ভয়ঙ্কর অধ্যায়ের মধ্যে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে বন্দুক সহিংসতার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটে গত মে মাসে। গত ২৪ মে টেক্সাসের উভালদের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলায় ১৯ শিশু শিক্ষার্থীসহ ২১ জন নিহত হয়।


আরও খবর



ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ১ জুলাই

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী ১০ জুলাই (রোববার) পবিত্র ঈদুল আজহার দিন ধরে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ১ জুলাই থেকে একযোগে কাউন্টার ও অনলাইনে বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে। বুধবার (২২ জুন) দুপুরে রেল ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

তিনি বলেন, যথাক্রমে ৫ জুলাইয়ের টিকিট ১ জুলাই, ৬ জুলাইয়ের টিকিট ২ জুলাই, ৭ জুলাইয়ের টিকিট ৩ জুলাই, ৮ জুলাইয়ের টিকিট ৪ জুলাই এবং ৯ জুলাইয়ের টিকিট ৫ জুলাই বিক্রি হবে।

রেলমন্ত্রী বলেন, টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে যাত্রীরা এনআইডি বা জন্ম সনদের ফটোকপি কাউন্টারে প্রদর্শন করে টিকিট ক্রয় করতে পারবেন।

অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টায়। কাউন্টারে বিক্রি হবে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। প্রতিটি টিকিট বিক্রি কেন্দ্রে নারী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি করে কাউন্টার থাকবে। প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেনে শুধু নারী ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য আলাদা কোচ সংযোজন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট কিনতে পারবেন। অগ্রিম টিকিট ফেরত নেওয়া হবে না। ঈদ স্পেশাল ট্রেনের কোনো টিকিট অনলাইনে পাওয়া যাবে না। এটি কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর, রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার প্রমুখ।


আরও খবর



দেশের অধিকাংশ জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীসহ দেশের অধিকাংশ জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (১০ জুন) রাতে ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

এ অবস্থায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এ ছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে।

আগামী ৪৮ ঘণ্টা (২ দিন) বজ্র অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবনতা বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্ধিত ৫ দিনে বজ্র অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা হ্রাস পেতে পারে।


আরও খবর



বিলাসী পণ্য আমদানিতে আরও নিয়ন্ত্রণ আসছে

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী অর্থবছরের প্রথম দিন (১ জুলাই) থেকেই অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী পণ্য আমদানিতে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কাজ করছে। এর মধ্যে অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী পণ্য আমদানিতে এলসি মার্জিন আরও বাড়ানো হবে।

এসব পণ্যের এলসি খোলা ও আমদানির দেনা শোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে কোনো বৈদেশিক মুদ্রা দেওয়া হবে না। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে বিলাসী পণ্য আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুর রউফ তালুকদার বলেছেন, বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় করতে আগামী ১ জুলাই থেকে আমদানির ক্ষেত্রে আরও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হচ্ছে।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী পণ্য আমদানিতে দুই দফায় এলসি মার্জিন আরোপ করেছে। প্রথমে এসব পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ মার্জিন আরোপ করে। পরে এলসি খোলার হার না কমায় মার্জিন বাড়িয়ে ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশ করা হয়। এছাড়া এনবিআর ১৩৬টি বিলাসী পণ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করেছে। এসব কারণে পণ্যগুলোর এলসি খোলার হার কমছে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেভাবে প্রত্যাশা করেছিল যেভাবে কমেনি। এ কারণে এগুলোতে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে যাচ্ছে।

আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ডলার সাশ্রয় ও বিলাসী পণ্য আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাটের হার বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি, বিড়ি-সিগারেট, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, বিদেশি পাখি, গ্যাস লাইটার ইত্যাদি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, বিলাসী পণ্য যেমন-শ্যাম্পো, সাবান, প্রসাধনী সামগ্রী, বিদেশি সোফা, কোমল পানীয়, ফার্নিচার এসব পণ্য যারা ব্যবহার করে তাদের কাছে দাম কোনো বিষয় নয়। দাম যত বেশিই হোক তার চেয়ে প্রয়োজন মেটানোই জরুরি। ফলে ক্রেতার নিশ্চয়তা পেয়ে আমদানিকারকরাও নগদ অর্থে হলেও এসব পণ্য আমদানি করতে এলসি খুলছে। এ কারণে ওইসব পণ্যের আমদানি খুব একটা কমেনি। এ কারণে এ খাতে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হচ্ছে।


আরও খবর



চীনের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ধীরগতির আশঙ্কা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাম্প্রতিক লকডাউন শেষে চীনের অর্থনীতিতে পুনরুদ্ধারের লক্ষণ দেখা দিয়েছে। গত মাসে দেশটির কারখানা কার্যক্রম অপ্রত্যাশিতভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। যদিও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে ভোক্তা ব্যয় নিম্নমুখী রয়ে গিয়েছে। এটি কঠোর কোভিডজনিত নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কাটিয়ে অর্থনীতি টেনে তোলার ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। সব মিলিয়ে এ বিপর্যস্ত অবস্থা কাটিয়ে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ধীর হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মার্চ ও এপ্রিলে চীনের কয়েক ডজন শহরে পূর্ণ বা আংশিক লকডাউন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের কঠোর আঘাত করেছিল। বাণিজ্যিক কেন্দ্র সাংহাইয়ে দীর্ঘায়িত লকডাউনসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিধিনিষেধ দেশটির অর্থনীতিকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়। এর পরে গত মাসে দেশটির কারখানা কার্যক্রম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

ন্যাশনাল ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকসের (এনবিএস) তথ্য অনুসারে, মে মাসে কারখানা কার্যক্রম দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে এপ্রিলে ২ দশমিক ৯ শতাংশ পতন হয়েছিল। যেখানে রয়টার্সের জরিপে অর্থনীতিবিদরা গত মাসে কারখানা কার্যক্রম দশমিক ৭ শতাংশ সংকোচনের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। কোভিডজনিত বিধিনিষেধ শিথিল এবং শক্তিশালী বৈশ্বিক চাহিদা শিল্প খাতের উন্নতিতে সহায়তা করেছে।

গত মাসে চীনের রফতানি প্রত্যাশা ছাড়িয়ে দুই অংকের প্রবৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ কারখানাগুলো পুনরায় চালু হয়েছে এবং সরবরাহ চেইনে জটিলতা কিছুটা শিথিল হয়েছে। মে মাসে খনি খাতের বার্ষিক উৎপাদন ৭ শতাংশ বেড়েছে। যেখানে উৎপাদন শিল্প বেড়েছে দশমিক ১ শতাংশ। এর মধ্যে নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ি উৎপাদন বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০৮ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। চীনের ভোক্তা ব্যয় এখনো বড় ধরনের সংকোচনের মধ্যে রয়েছে। কারণ ভোক্তারা সাংহাই ও অন্য শহরগুলো বাড়িতে সীমাবদ্ধ ছিলেন। গত মাসে দেশটির খুচরা বিক্রি বার্ষিক ৬ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। আগের মাসের তুলনায় এ হ্রাসের হার ১১ দশমিক ১। যদিও শস্য, ভোজ্যতেল এবং খাদ্য ও পানীয়ের মতো মৌলিক পণ্যে বর্ধিত ব্যয়ের কারণে আরো বড় সংকোচনের আশঙ্কা করা হয়েছিল।

জংইউয়ান ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ওয়াং জুন বলেন, আমাদের ভোক্তা ব্যয় নিয়ে অত্যধিক আশাবাদী হওয়া উচিত নয়। কারণ পুনরুদ্ধারটি অনেক বেশি ধীর হয়েছে। বারবার কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের কারণে ভোক্তাদের আয় বাড়ার গতিও ধীর হয়েছে। পাশাপাশি তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক বেশি সতর্ক রয়েছেন। এ কারণে ভোক্তা ব্যয় হঠাৎ করে শক্তিশালীভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নেই। কোভিডজনিত বিধিনিষেধে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি খাত ক্যাটারিং শিল্পের বিক্রি গত মাসে ২১ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। এপ্রিলে সংকোচনের হার ছিল ২২ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির চালক স্থায়ী সম্পদ বিনিয়োগ বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ৬ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। যদিও ৬ শতাংশ বাড়ার আশা করা হয়েছিল। যদিও এটি চার মাসে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় ধীর হয়েছে। দেশটিতে বেকারত্ব হার এপ্রিলের ৬ দশমিক ১ থেকে মে মাসে ৫ দশমিক ৯ শতাংশে নেমেছে। যদিও এটি সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ৫ দশমিক ৫ শতাংশের উপরে রয়ে গিয়েছে।

ডাচ আর্থিক পরিষেবা প্রতিষ্ঠান আইএনজির প্রধান চীনা অর্থনীতিবিদ আইরিশ প্যাং বলেন, কারখানা কার্যক্রমের পরিসংখ্যান মে মাসের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের একটি চিত্র তুলে ধরে। যদিও সব মিলিয়ে এ পরিসংখ্যান অনেক ধীর। সরকার সম্ভবত আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতিকে আরো গতিশীল করার চেষ্টা করবে।

এ তথ্য প্রকাশের পর চীনা পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। এনবিএসের একজন মুখপাত্র ফু লিংহুই একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নীতি সমর্থনের কারণে জুনে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে আরো উন্নতি হবে বলে আশা করছি। যদিও আন্তর্জাতিক পরিবেশ এখনো জটিল ও গুরুতর। আমাদের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে পুনরুদ্ধার এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। আমাদের মূল সূচকগুলোও নিম্ন স্তরে রয়ে গিয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: চীন

আরও খবর



জনশুমারির সময় বাড়ল বন্য কবলিত চার জেলায়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় বাধাগ্রস্ত হয়েছিল জনশুমারি কার্যক্রম। মাঝপথেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল শুমারির কাজ। এমতাবস্থায় বন্যা কবলিত চার জেলায় শুমারির সময় বাড়িয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোবিবিএস।

এবারের জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম ১৫ জুন একযোগে শুরু হয়ে শেষ হয় ২১ জুন। শুমারি চলাকালে সিলেট অঞ্চল ভয়াবহ বন্যায় আক্রান্ত হয়। আকস্মিক এ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এবং ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা জেলায় শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এসব এলাকার তথ্য সংগ্রহের বর্তমান হার ৯০ শতাংশের নিচে। এমতাবস্থায়, বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় উক্ত এলাকাসমূহে শুমারির তথ্য সংগ্রহের সময়কাল আগামী ২৮ জুন২০২২ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 এগারো বছর পর দেশে শুরু হয়েছে কাঙ্ক্ষিত জনশুমারি ও গৃহগণনা২০২২ । আগে কাগজ কলমে গণনা করা হলেও এবার হচ্ছে আধুনিক ট্যাবের মাধ্যমে। প্রতিটি গণনার পরপরই তথ্য বিবিএসের কেন্দ্রীয় তথ্য ভান্ডারে যোগ হচ্ছে। সারা দেশে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৯৭ জন গণনাকারী তথ্য সংগ্রহে কাজ করেছেন।

 


আরও খবর