
সারাদেশে ৪৯৪
কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব হাবিবুর রহমান।
এর মধ্যে স্থানীয় সরকারের কাছে বকেয়ার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বলে জানান তিনি। তিনি বলেন,
আগে ২.৪৪ সমমাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ছিল। এখন তা হ্রাস পেয়ে ১.৪৬ সমমাসের হয়েছে।
এছাড়া বিদ্যুৎ সংক্রান্ত ২১ হাজার ৮৩৮টি মামলা বর্তমানে চলমান বলেও জানান তিনি।
বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি)
সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির
২৪তম বৈঠকের কার্যবিবরণীতে তিনি এসব তথ্য জানান। এর আগে সংসদীয় কমিটি এ সংক্রান্ত তথ্য
জানতে চায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সচিব এসব তথ্য জানান।
বৈঠকে সচিব বলেন,
বকেয়া আদায় ও হালনাগাদকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। এছাড়া বকেয়া আদায়ে মামলা দাখিল
ও লাইন বিচ্ছিন্নকরণসহ যথাযথ কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৪টি
প্রিপেইড মিটার স্থাপন
বৈঠকে বিদ্যুৎ
বিভাগের সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থার মাধ্যমে বিদ্যুৎ
বিভাগ এ পর্যন্ত ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৪টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে, যা মোট সংযোগের
১৫ শতাংশ। আগামী তিন অর্থবছরে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের সর্বনিম্ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
করা হয়েছে ৭০ লাখ ২০ হাজার, যা স্থাপিত হলে মোট গ্রাহকের ৩৮ শতাংশ প্রিপেইড মিটারের
আওতায় আসবে। এটি সর্বনিম্ন লক্ষ্যমাত্রা, এর অধিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে
বলে তিনি জানান।
কমিটির সভাপতি
ওয়াসিকা আয়শা খান বলেন, এখানে স্মার্ট মিটারের কথাও বলা হচ্ছে। এখন প্রযুক্তি দ্রুত
পরিবর্তন হয়। ছয় মাস পরে নতুন প্রযুক্তিও চলে আসতে পারে। এ বিষয়টিও খেয়াল রাখতে
হবে।
পরে সচিব বলেন,
এখন যে মিটার স্থাপন করা হচ্ছে তা সর্বশেষ প্রযুক্তিসম্পন্ন মিটার। ভবিষ্যতে প্রযুক্তি
পরিবর্তিত হলে নতুন মডেল অনুযায়ী মিটার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বৈঠকে বৈদ্যুতিক
যান চার্জিং বিষয়ক নির্দেশিকা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত করার জন্য সুপারিশ করা হয়।
ওয়াসিকা আয়শা
খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটি সদস্য নসরুল হামিদ, মো. আবু জাহির, মো. নূরুল ইসলাম তালুকদার,
মো. আছলাম হোসেন সওদাগর, মোছা. খালেদা খানম, নার্গিস রহমানসহ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ
মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন
বোর্ডের চেয়ারম্যান ও স্রেডার চেয়ারম্যান প্রমুখ ছিলেন।

