
র্যাব ও তার ছয় কর্মকর্তার ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ বিষয়ে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক খান মোহাম্মদ (কেএম) আজাদ বলেন, আমরা কখনো মানবাধিকার লঙ্ঘন করি না। সব সময় মানবাধিকার রক্ষা করি।
তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, খুন করে ধর্ষণ করে মাদক ব্যবসা চালায়, দেশ এবং জনগণের স্বার্থেই আমরা তাদের আইনের আওতায় আনি। অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়ে থাকে, তাহলে দেশের স্বার্থে এই মানবাধিকার লঙ্ঘন করতে আমাদের আপত্তি নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, কোনো অস্ত্রধারী যদি আমাদের ওপর গুলি চালায় তাহলে কী আমরা প্রতিরোধ করব না। আমরা কি গুলি খাওয়ার জন্য বুক পেতে দেব?
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি আমরা গণমাধ্যমের মাধ্যমে অবগত হয়েছি। এ বিষয়ে অফিশিয়ালি এখনো কোনো কিছু জানি না। অফিশিয়াল কোনো চিঠি না পাওয়ার আগ পর্যন্ত এ বিষয়ে তেমন কিছু বলতে পারছি না। অফিশিয়াল চিঠি পাওয়ার পর, আমরা এই বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।
উল্লেখ্য, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশের র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সাবেক ও বর্তমান ছয় কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব বিভাগ।

