
আর্মি স্টেডিয়াম থেকে আজ
রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শুরু হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২১। ম্যারাথনের
উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
এই ম্যারাথনে অংশ নিচ্ছেন
কেনিয়া, ফ্রান্স, স্পেন, মরক্কো, ভারত, নেপালসহ ১৩টি দেশের ৩৫ জন অ্যাথলেট। তাঁদের
সঙ্গে রয়েছেন বাংলাদেশি দৌড়বিদরাও।
ফুল ম্যারাথন হবে ৪২ দশমিক
১৯৫ কিলোমিটারের, যা আর্মি স্টেডিয়াম, কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) ও গুলশান
হয়ে হাতিরঝিলে পাঁচ চক্কর দিয়ে শেষ হবে। ফুল ম্যারাথনে দৌড়াচ্ছেন ১০০ জন অ্যাথলেট।
এতে বাংলাদেশের ৭১ জন, এলিট বিদেশি ১৭ এবং সার্ক বিদেশি রানার রয়েছেন ১২ জন।
একই স্টেডিয়াম থেকে সকাল
পৌনে ৭টার দিকে শুরু হয় হাফ ম্যারাথন। এটি একই রুটে ২১ দশমিক ৯৭ কিলোমিটারের হচ্ছে।
প্রায় একই হলেও হাতিরঝিলে হাফ ম্যারাথন শেষ হবে দুই চক্করে। ১০১ জনের অংশগ্রহণে এই
ইভেন্টে অংশ নেন ৯৫ জন বাংলাদেশি ও ছয়জন বিদেশি।
ম্যারাথনে অংশ নিতে আসা
বিদেশি অ্যাথলেটরা বাংলাদেশের এমন আয়োজনে মুগ্ধতার পাশাপাশি নিজেদের সর্বশেষ প্রস্তুতি
ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। অন্যদিকে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অ্যাথলেটদের সঙ্গে ম্যারাথনে
অংশ নিতে পারায় এটিকে দারুণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশের দৌড়বিদরাও।
এদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব
ঢাকা ম্যারাথন প্রতি বছরই ১০ জানুয়ারি আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেন আয়োজক কমিটির প্রধান
সমন্বয়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সালিম আহমাদ খান।
এই ম্যারাথনে সাফ দেশি পুরুষ
ও নারীদের মধ্যে চ্যাম্পিয়নরা পাবেন পাঁচ লাখ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার। আর হাফ ম্যারাথনে
পুরুষ ও নারী দুই বিভাগেই বিদেশি এলিট বিভাগের চ্যাম্পিয়ানরা পাবেন দুই হাজার ৭৫০
মার্কিন ডলার করে। অন্যদিকে, ফুল ম্যারাথনে পুরুষ ও নারী বিদেশি এলিট বিভাগের চ্যাম্পিয়ানদের
জন্য রয়েছে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার আর্থিক পুরস্কার।
বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের
কারণে ২০২০ সালে সেভাবে মাঠে গড়াতে পারেনি বিশ্বের বড় কোনো ম্যারাথন আসরই। এক্ষেত্রে
নতুন বছরে আন্তজার্তিক ম্যারাথন আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ইতিবাচক সাড়া ফেলছে বাংলাদেশ।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর
ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২১।

