Logo
শিরোনাম

বেনজীর ও র‍্যাব ডিজিসহ ৬ কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:শনিবার ১১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ নভেম্বর ২০২৩ | ২২০০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব়্যাবের মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকার সময় মাদকবিরোধী যুদ্ধে মানবাধিকারের চূড়ান্ত লঙ্ঘন হয়েছে। এমন অভিযোগে শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বেনজীর আহমেদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, শুক্রবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের এ দিনে মার্কিন অর্থ দপ্তরের ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল অফিস (ওএফএসি) মোট ১০টি প্রতিষ্ঠান ও ১৫ জন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে- যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং নিপীড়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

এই তালিকাভুক্তদের অন্যতম হচ্ছে বাংলাদেশের র‍্যাব ও এর ছয় কর্মকর্তা।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ছয় কর্মকর্তা হচ্ছেন- চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন (র‍্যাবের বর্তমান মহাপরিচালক), বেনজির আহমেদ (সাবেক র‍্যাব মহাপরিচালক, জানুয়ারি ২০১৫-এপ্রিল ২০২০), খান মোহাম্মদ আজাদ (বর্তমান অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স), তোফায়েল মুস্তাফা সরওয়ার (সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স, জুন ২০১৯-মার্চ ২০২১), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স, সেপ্টেম্বর, ২০১৮-জুন, ২০১৯), এবং মোহাম্মদ আনোয়ার লতিফ খান (সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স, এপ্রিল, ২০১৬-সেপ্টেম্বর ২০১৮)।


এতে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ঘোষণা করেছে যে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত থাকার জন্য আজ বেনজির আহমেদের ওপর ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করার কথা ঘোষণা করেছে- যার ফলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অযোগ্য হবেন। এ ব্যাপারে র‍্যাবের দিক থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের বেসরকারি সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে যে র‍্যাব এবং অন্যান্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ২০০৯ সাল থেকে প্রায় ৬০০টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ছয় শতাধিক লোকের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এবং নির্যাতনের জন্য দায়ী।

কিছু রিপোর্টে আভাস পাওয়া যায় যে এসব ঘটনায় বিরোধীদলীয় সদস্য,সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের টার্গেট করা হয়েছে- বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

এতে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার’ অভিযোগে বাংলাদেশের বিশেষ পুলিশ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এবং এর ছয় কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার কথা বলা হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় র‍্যাবের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপক অভিযোগ- আইনের শাসন, মানবাধিকার, মৌলিক স্বাধীনতা ও বাংলাদেশের জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে হেয় করার মাধ্যমে- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থকে হুমকির মুখে ফেলছে।


আরও খবর