
বিশ্ব তামাকমুক্ত
দিবস আজ। শ্বাসতন্ত্র এবং হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ তামাক। তামাক ব্যবহারে করোনারি হার্ট ডিজিজ এবং স্ট্রোক
হওয়ার ঝুঁকি ২ থেকে ৪ গুণ বেড়ে যায়। আজ বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস।
বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সদস্য রাষ্ট্রসমূহ ১৯৮৭ সালে দিবসটি চালু করে। প্রতি বছর ৩১ মে
বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হয়।
এবার সরকারি ও
বেসরকারি উদ্যোগে দিবসটি পালন করবে বাংলাদেশ। সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ তামাক বিরোধী
জোট ২৩ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করার পরিকল্পনা নিয়েছে।
গবেষণায় দেখা যায়, ধূমপানজনিত কারণে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে লাখো মানুষ মারা
যাচ্ছে। সরকার ২০০৫ সালে প্রকাশ্যে ধূমপান বন্ধে একটি আইন প্রণয়ন করে এবং ৫০ টাকা জরিমানার
বিধান করে। ২০১৩ সালে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হয়।
আর জরিমানার বিধান ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করা হয় কিন্তু এরপরও প্রকাশ্যে ধূমপান বন্ধ
হয়নি।

