
কিছুটা আশা দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয়
উইকেট জুটিতে লিটন দাস ও আফিফ হোসেন দলকে আশাবাদী করে তুলেছিলেন। কিন্তু সেই পুরনো
চিত্র। ধারাবাহিকতার ঘাটতি। লিটন দাস সাজঘরে ফিরলেই উইকেট পড়ার মিছিল শুরু হয়, তা আর
থামেনি। ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের কাছে ২১ রানে হেরে যায়
লাল-সবুজের দল।
অবশ্য লক্ষ্যটা বড়ই। জয়ের জন্য বাংলাদেশের
চাই ১৬৮ রান। এই রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেন দুই ওপেনার। কিন্তু শুরুর সে
ধারাবাহিকতা বেশিক্ষণ থাকেনি। দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় লাল-সবুজের দল। পাকিস্তানের
দুর্দান্ত বোলিং আক্রমণের সামনে ১৪৬ রানে ইনিংস গুটিয়ে নেয় বাংলাদেশ।
ক্রাইস্টচার্চে এই ম্যাচে বাংলাদেশের পক্ষে
সর্বোচ্চ সংগ্রহ ইয়াসির আলী রাব্বির। তিনি শেষ দিকে এসে ২০ বলে অপরাজিত ৩৮ রান করেন।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লিটন দাসের। তিনি ২৬ বলে ৩৫ রান করেন। আর আফিফ করেন ২৩ বলে ২৫ রান।
ওপেনার মেহেদী হাসান মিরাজ ১১ বলে ১০ রান
করেন। সতর্কভাবে খেলা সাব্বিরও বেশিক্ষণ টিকতে
পারেননি। তিনি ১৮ বলে ১৪ রান করে আউট হন। এর আগে পাকিস্তান ২০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে
১৬৭ রান করে।
ম্যাচের প্রথম ওভারে তাসকিন আহমেদ দারুণ
বল করেন। এই পেসার কেবল এক রান দেন। পরের দুই ওভারে বাবর আজমের ব্যাটে দুটি করে বাউন্ডারি
হজম করেতে মুস্তাফিজুর রহমান ও হাসান মাহমুদকে।
সে ধারাবাহিকতায় বাবর আজম ও শান মাসুদ
মাঝারি দুটি ইনিংস খেলে বিদায় নিলেও ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান একাই বাংলাদেশের বোলারদের
মোকাবিলা করেন। নিজে দারুণ একটি ইনিংস খেলে দলকে বড় সংগ্রহের পথ দেখান।
বাবর ২৫ বলে ২২ রান করে মিরাজের শিকার হন। আর মাসুদ ২২ বলে ৩১ রান করেন। তিনি নাসুম আহমেদের বলে হাসান মাহমুদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন। হাসান আলী (৪) ও ইফতেখার আহমেদ (১৩) খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। তবে রিজওয়ান শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৫০ বলে ৭৮ রান করেন। তিনি ৭টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কা হাঁকান।
বাংলাদেশের বোলারদের পক্ষে সবচেয়ে বেশি
সফল তাসকিন। তিনি চার ওভারে ২৫ রান দিয়ে দুই উইকেট পান। আর হাসান মাহমুদ, নাসুম আহমেদ
ও মেহেদী হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট পান।

