
বেশি করে পানি খাওয়া আর চারাপোনা মাছের পাতলা ঝোল-ভাত খাওয়া। ইদানীং যার একটা
পোশাকী নামও হয়েছে ‘ডিটক্সিফিকেশন’। অতিরিক্ত টক্সিন বা বর্জ্য পদার্থ শরীর
থেকে বাইরে বার করে দেওয়ার প্রক্রিয়াই হল এই ‘ডিটক্সিফিকেশন’। হজমে সহায়ক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলিকে বিশ্রাম
দিয়ে শরীরের দূষিত পদার্থ বার করাই এই ডায়েটের মূল লক্ষ্য।
কেমন হয় এ ধরনের ডায়েট?
পানি, ফলের রস জাতীয় খাবারই বেশি থাকে এই ডায়েটে। বেশি পরিমাণে পানি খেলে এমনিতেই
শরীরের বর্জ্য সহজে বেরিয়ে যায়। তবে অনেকেই ডিটক্স ডায়েটে তিন-চার ঘণ্টা উপোস করে থাকেন।
পুষ্টিবিদদের একাংশ মনে করেন, একেবারে কিচ্ছু না খেয়ে থাকা ঠিক নয়। বরং অল্প
ফলের রস, আনাজপাতিতে ভরসা রাখা যেতে পারে। শর্করা ও ফ্যাটজাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করে
দেওয়াই ভাল। তবে টানা বেশি দিন এই ডায়েট শরীরের জন্য ঠিক নয়।
কী কী খাবেন?
১) ঘুম থেকে উঠেই খান ডাবের পানি। অনেকে আবার উষ্ণ গরম জলে লেবু, মধু দিয়ে খান।
তা-ও চলতে পারে।
২) কিছু ক্ষণ পর, এক চিমটে নুন এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে খেয়ে নিন লাউয়ের
রস। শীতকাল হলে, লাউয়ের বদলে রাখতে পারেন পালং শাক বা লেটুস।
৩) ডিটক্স ডায়েট করছেন বলে খাবার না খেয়ে থাকলে কিন্তু চলবে না। ভাত, রুটি না
খেয়ে স্মুদি খেতে পারেন। ডালের পানি বা সব্জির স্যুপও খেতে পারেন।
৪) আপেল, পেয়ারা, নাসপাতি, তরমুজ, শসা, বেদানা, আনারস এবং লেবুজাতীয় ফল তালিকায়
রাখতেই হবে।
৫) বিকেলে খেতে পারেন বিভিন্ন ধরনের বীজ।
৬) রাতের জন্য রাখুন তুলসী বা চিয়ার বীজ ভেজানো পানি।
কী ভাবে তৈরি করবেন ডিটক্স ওয়াটার?
একটি কাচের পাত্রে কয়েক টুকরো শসা রাখুন।লেবুর টুকরো যোগ করুন।এ বার পুদিনা
পাতা দিয়ে একটু লেবুর রস দিন।তার পর পানি যোগ করুন এবং ভাল ভাবে মেশান।জারটি ফ্রিজে
রাখুন। পানি একটু ঠান্ডা হলে সারা দিনে কয়েক গ্লাস পানি পান করুন।

