
রূপপুর পারমানবিক
বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ঠিকাদার রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি রোসাটমের মহাপরিচালক
(ডিজি) আলেক্সি লিখাচেভ বলেছেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি স্বাধীনতা নিশ্চিতের মাধ্যমে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বকে আরও জোরদার করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস
প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন জ্বালানি স্বাধীনতার মাধ্যমে নিজ দেশের রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বকে
জোরদার করার জন্য। রোসাটম করপোরেশনের জন্য বড় গর্ব এই প্রচেষ্টার অংশ হতে পারা।’
আজ বুধবার সকাল
সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল
(চুল্লিপাত্র) স্থাপনের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রোসাটমের
ডিজি আলেক্সি লিখাচেভ।
রোসাটমের ডিজি
আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, ‘রোসাটম বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সব বাধ্যবাধকতা
অনুসরণ করেছে। রোসাটম করপোরেশন নিরলস প্রচেষ্টে চালাচ্ছে যাতে আগামী বছর পারমাণবিক
জ্বালানি রি-অ্যাক্টরে সরবরাহ করা যায়। গত এক বছরে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনেক কাজ এগিয়েছে।
প্রথম ইউনিটে কুলিং যন্ত্র স্থাপনের জন্য আমরা এখন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’
বিদ্যুৎকেন্দ্র
পরিচালনার জন্য বাংলাদেশিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে রোসাটমের ডিজি বলেন, ‘বিদ্যুৎকেন্দ্রে যাঁরা ভবিষ্যতে
কাজ করবেন, আমরা তাদের প্রস্তুত করেছি। ইতোমধ্যে ৬২৪ জন বিশেষজ্ঞ কাজ শুরু করেছেন।
রোসাটম ইতোমধ্যে ৩০০ বাংলাদেশিকে রাশিয়ায় প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ভবিষ্যতে আমরা আরও ১৭ জন
বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি, যারা এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে কাজ করবেন।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব
করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ড. ইয়াফেস ওসমান। এতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক ড. সৌকত আকবর, প্রকল্পের ঠিকাদার রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি
রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব
জিয়াউল হাসান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মো. আজিজুল, স্থানীয় সংসদ
সদস্য নুরুজ্জামান বিশ্বাস, সাইট ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য
নাদিরা ইয়াসমিন জলিসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের
রাশিয়ান বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

