Logo
শিরোনাম

৪৩৭ রানের হিমালয়সম লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে হবে বাংলাদেশকে

প্রকাশিত:রবিবার ০২ মে 2০২1 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অবশেষে ইনিংস ঘোষণার সিদ্ধান্ত জানাল শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। নিজেদের লিডটাকে তারা বাড়িয়ে নিয়েছে ৪৩৬ রান পর্যন্ত। যার ফলে দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকদের ৯ উইকেট তুলে নিলেও এখন ৪৩৭ রানের হিমালয়সম লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে হবে বাংলাদেশকে।

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৪৯৩ রান করে ইনিংস ছেড়ে দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। জবাবে বাংলাদেশ দল অলআউট হয় ২৫১ রানে। নিয়ম মোতাবেক বাংলাদেশ ফলোঅনে পড়লেও, তা করাননি লঙ্কান অধিনায়ক। ২৪২ রানের বিশাল লিড নিয়ে নিজেরাই ব্যাটিংয়ে নামেন দ্বিতীয় ইনিংসে।

আজ (রবিবার) ম্যাচের চতুর্থ দিন দ্বিতীয় সেশনে ইনিংস ঘোষণার আগে শ্রীলঙ্কা করেছে ৯ উইকেটে ১৯৪ রান। প্রথম ইনিংসের ২৪২ রানসহ তাদের লিড দাঁড়িয়েছে ৪৩৬ রানের। এ রান তাড়া করে ম্যাচ জিততে হবে বাংলাদেশকে। যা রীতিমতো অসাধ্য সাধনের এক মিশন।

নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২১৫ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড রয়েছে বাংলাদেশের। আর সাদা পোশাকের অভিজতা ক্রিকেটে রান তাড়া করে জেতার বিশ্বরেকর্ড ৪১৮ রানের। অর্থাৎ ম্যাচ জিততে এখন ইতিহাসই গড়তে হবে মুমিনুল হক, তামিম ইকবালদের।

শ্রীলঙ্কার ৯ উইকেট নেয়ার পথে ক্যারিয়ারে অষ্টমবারের মতো ফাইফার তথা ৫ উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এ নিয়ে দেশের মাটিতে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইফার পেলেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে তার চেয়ে বেশি ফাইফার রয়েছে শুধুমাত্র সাকিব আল হাসানের (১৮)।


আরও খবর



বিএনপির টপ টু বটম পদত্যাগ করা উচিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সরকারের বিরোধিতার নামে অন্ধ সমালোচনা করা বিএনপির রাজনীতি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের ৫৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁর সমাধিস্থলে আওয়ামী লীগের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, বিএনপির কাছে এখন কোনো ইস্যু নেই। তারা আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ। তাই একটি দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে ব্যর্থতার দায়ে তাদের টপ টু বটম পদত্যাগ করা উচিত।

বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতির প্রতি জনগণের কোনো আস্থা নেই উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নিজের দলকে চাঙা রাখতে যখন যা খুশি তাই বলে যাচ্ছে। তাদের রাজনীতি হচ্ছে সরকার বিরোধিতার নামে অন্ধ সমালোচনা করা।

এ সময় শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের রাজনীতির মূলমন্ত্র ছিল সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন করা। ক্ষমতায় গেলে অনেকেই জনগণের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য কাজ করেন না। তবে শেরেবাংলা ও বঙ্গবন্ধু ছিলেন ব্যতিক্রম। তাঁদের পথ অনুসরণ করেই বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একই কাজ করে যাচ্ছেন। এ কে ফজলুল হক অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এখন সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে দিবারাত্রি পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে যাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

করোনার এই পরিস্থিতিতে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের

আরও খবর



অভিনেত্রী কবরীর জানাজা বাদ জোহর, দাফন বনানীতে

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ মে ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া কিংবদন্তী অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সাবেক সাংসদ সারাহ বেগম কবরীকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।

কবরীর ছেলে শাকের চিশতী এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সকালে কবরীকে তাদের গুলশান ২-এর বাসায় নেয়া হবে। এরপর বাদ জোহর জানাজা ও গার্ড অব অনার শেষে বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হবে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পর ঢাকার শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এই নায়িকা।

গত ৫ এপ্রিল কবরীর নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাসের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপর ওইদিন রাতেই তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাকে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। অবস্থা আরও খারাপ হলে ১৫ এপ্রিল কবরীকে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল মারা যান কিংবদন্তি এই অভিনেত্রী।

৭১ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর তার ফুসফুসেরও মারাত্মক ক্ষতি হয়।

গত শতকের ষাটের দশকে সেলুলয়েডের পর্দায় আবির্ভূত হয়ে ঢাকাই চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়ে হিসেবে দর্শক হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নেওয়া কবরী পরের অর্ধশতকে দুই শতাধিক সিনেমায় আলো ছড়িয়েছেন। শীর্ষ পাঁচ ঢাকাই নায়কের অভিষেক ঘটেছে তার হাত ধরেই।


আরও খবর



কলার থেকেও শতগুণ বেশি উপকারী খোসা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সুস্থ থাকার জন্য অবশ্যই ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। ওজন কমানো থেকে শুরু করে শক্তিবৃদ্ধি সহ সকল ক্ষেত্রে ডায়েট চার্টে ফল থাকে সবার উপরে। তেমনই হচ্ছে কলা। তবে অবাক করার বিষয় হলো কলার থেকে বেশি উপকারী কলার খোসা! সম্প্রতি ডায়েটিশিয়ানরা এমনই দাবি করেছেন।

কলার মধ্যে থাকা ভিটামিন বি-৬, বি-১২, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম মানুষের হজমজনিত সমস্যা সমাধান করে থাকে। ঠিক তেমনই কলার খোসায় থাকা প্রচুর পরিমাণ ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

কর্নফ্লেক্সের সঙ্গে, কলার পুডিং, মাফিন, কেক বেশ উপকারী। যেভাবেই কলা খাওয়া হোক না কেন কলার খোসা কিন্তু ফেলে দেয়া হয়। অথচ কলার খোসাতেই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ রয়েছে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে সংক্রমণ প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখে। এছাড়া খোসায় থাকা লুটিন নামক পদার্থ দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। খোসায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। রক্তচাপের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

সবুজ না হলুদ, কোন খোসা উপকারী?

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে সবুজ খোসার থেকে হলুদ খোসা বেশি উপকারী। হলুদ খোসা শ্বেতকণিকার পরিমাণ ঠিক রেখে ক্যানসার মোকাবিলায় সহায়তা করে। সবুজ খোসার ক্ষেত্রে ১০ মিনিট সেদ্ধ করে নিয়ে খাওয়ার ফলে উপকার ভালো পাওয়া যায়। এছাড়া সবুজ খোসায় থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ট্রিপ্টোফ্যানের জন্য রাতে অনেক ভালো ঘুম হয়। এমনকি সবুজ খোসায় থাকা সেরোটোনিন অবসাদ নিরসনেও সক্ষম এবং ডোপামিনের সাহায্যে কিডনিতে রক্ত চলাচলেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

কলার শাঁস ও খোসা একইভাবে খাওয়া যায়। এছাড়াও ব্যানানা পিল স্মুদি উইথ আইসক্রিমও আজকাল স্বাস্থ্য সচেতন নাগরিকদের কাছে অনেক জনপ্রিয়। কেউ কাঁচা খোসা খেয়ে থাকেন আবার কেউ সেদ্ধ খোসা খেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।


আরও খবর



আজ বেকায়দায় পুলিশ, কাউকে ধরলেই বলছেন ‘শপিংমলে যাচ্ছি’

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ মে ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আজ রবিবার থেকে মার্কেট ও শপিংমল খুলে দেয়ায় চলমান লকডাউনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহল মনে করছেন, এর ফলে অকার্যকর হয়ে পড়েছে লকডাউনের কার্যকরিতা। পরিস্থিতি মোকাবেলায় বেকায়দায় পড়েছেন সড়কে দায়িত্বপালনকারী পুলিশ সদস্যরা।

এই লকডাউনে পুলিশের মুভমেন্ট পাস ছাড়া রাস্তায় বের হওয়া নিষেধ থাকলেও মার্কেট ও শপিংমল খুলে দেয়ায় রাজধানী ঢাকার অসংখ্য মার্কেট ও শপিংমলের হাজারো দোকানের মালিক ও কর্মচারীরা রাস্তায় চলাচল করছেন। পাশাপাশি মহানগরীর অসচেতন নাগরিকদের একটি বৃহৎ অকারণে সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। লকডাউনের বৈধ-অবৈধতার দোলচলে এক রকম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বিরাজ করছে শহরের সড়কগুলোতে। মুভমেন্ট পাশবিহীন কেউ সড়কে নামলে পুলিশ ধরলে তারা উত্তর দিচ্ছেন- শপিংমলে যাচ্ছি। এমন পরিস্থিতিতে সড়কে গণপরিবহন না থাকলেও অন্য সকল ধরনের যানবাহনের চাপ বেড়েছে।

আজ রবিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে গুলিস্তান, বাইতুল মোকাররম এলাকা, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, রমনা, শাহবাগ, নিউমার্কেট, কলাবাগান ও উত্তরা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শনিবারের তুলনায় আজ (রবিবার) রাস্তায় মানুষ ও যানবাহনের সংখ্যা অনেক বেশি। কোথাও কোথাও হালকা যানজটেরও সৃষ্টি হতে দেখা গেছে। লকডাউনের কারণে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেলচালকরা যাত্রী না পেলেও আজ তাদের সকাল থেকেই যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে ছুটতে দেখা গেছে। বিভিন্ন সড়কে পুলিশের চেকপোস্ট থাকলেও তাদের অনেকটাই নিস্কিয় থাকতে দেখা যায়।

সড়কে দায়িত্ব পালনকারী নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মার্কেট খুলে দেয়ায় আজ নামমাত্র লকডাউন চলছে। শপিংমল ও খোলা রেখে লকডাউন বহাল রাখা কার্যকর কোনো ফল বয়ে আনবে না। অনেকেই এখন মার্কেট ও শপিংমলে যাওয়ার কথা বলে বের হচ্ছেন। লকডাউনের মেয়াদ ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত তাদের কী বলে আমরা সামাল দিবো? এমন পরিস্থিতিতে তুলনামূলক নিস্ক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া আমাদের আর কি করার রয়েছে।

তবে চলমান লকডাউনে যাত্রীবাহী বাস বন্ধ থাকায় শপিংমলের ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই বিপাকে পড়েছেন। যাতায়াতে তাদের অধিক ভাড়া গুণতে হচ্ছে। লকডাউনে এ মুহূর্তে রিকশা, সিএনজি ও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলই ভরসা।

রাজধানীর ধানমন্ডির এক শপিং মলের কর্মচারির নাম সাগর মিয়া। আজ সকালে রোজা রেখে রোদে পুড়েই পায়ে হেঁটে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন তিনি। সড়কেই আরটিভি নিউজের সঙ্গে কথা হয় তার। তিনি বলেন, আমাদের গরীবের পরিবহন হলো বাস। লকডাউনের কারনে সড়কে বাস নেই। অসংখ্য মানুষ একসঙ্গে আজ বের হওয়ায় কেবল বাস ছাড়া অন্যান্য পরিবহনের চাহিদা বেড়ে যাওয়া ভাড়াও বেশি আদায় করতে তারা। এই অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে শপিং মলে আমার মতো কম বেতনে চাকরি করা কর্মচারীরা বেকায়দায় পড়েছে। তারাও রোজা রেখেই পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছে।


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




নরেন্দ্র মোদির ব্যর্থতা নিয়ে আলোড়ন

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল ভারত। দেশটিতে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখের বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৩ হাজার ৭৩৮ জন। এ নিয়ে পরপর ৪ দিন আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখের বেশি হলো। দেশটিতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও ৪ হাজারের বেশি। তবে শনিবারের তুলনায় তা সামান্য কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৯২ জনের।

বর্তমানে ভারতের করোনা পরিস্থিতি যে জায়গায় পৌঁছেছে, তাতে স্তম্ভিত গোটা বিশ্ব। এমন ভয়ংকর অবস্থা তৈরি হওয়ার জন্যে বারবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যর্থতানিয়ে আলোড়ন উঠেছে। এবার মোদির চরম সমালোচনা করেছে প্রখ্যাত মেডিকেলবিষয়ক জার্নাল দ্য ল্যানসেট

নিজেদের সম্পাদকীয়'র প্রথম অনুচ্ছেদেই ল্যানসেট ভারতের করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে লিখেছে, ভারতে ভয়ঙ্কর করোনা-আবহেও সংক্রমণ ঠেকানোর থেকে সমালোচনার টুইট মুছতে বেশি আগ্রহ ছিল মোদি সরকারের। সেইসঙ্গে মোদি সরকারের ভূমিকা ও কেন্দ্রীয় সরকারের এই মনোভাব ক্ষমার অযোগ্যবলেও মন্তব্য করা হয়েছে জার্নালটির সম্পাদকীয়তে।

পৃথিবী বিখ্যাত ওই জার্নালে ভারত সম্পর্কে লেখা হয়েছে, ভারতের হাসপাতালগুলিতে বেড নেই। গোটা দেশের শ্মশানে গণচিতা জ্বলছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা টানা কাজ করে ও করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে করতে বিধ্বস্ত। ভারতের এই দুর্যোগ সত্যিই চোখে দেখা যায় না। তারা আরও লিখেছে, দেশের মধ্যে সংক্রমণ হাতের বাইরে চলে যেতে পারে জেনেও ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সমাগমের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঝড়ের পূর্বাভাস থাকা সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি নরেন্দ্র মোদির সরকার।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রোববার (৯ মে) পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ কোটি ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৪১৪ জন। প্রাণঘাতি এই ভাইরাসে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৪২ হাজার ৩৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 


আরও খবর