Logo
শিরোনাম

৬৫৪ নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ১৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্বাধীনতার ৫০ বছর পর প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রী সম্মাননা পেলেন নারী বীর মুক্তিযোদ্ধারা। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারা দেশের মোট ৬৫৪ জন নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।

মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৬৫ জন এবং বাকি নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দেশের বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সম্মাননা দেয়া হয়। সম্মাননা প্রাপ্ত সকল নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মারক, উত্তরীয়, শাড়ি ও স্যুভেনিয়র প্রদান করা হয়।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সব বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধাকে বীর নিবাস নির্মাণ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিনামূল্যে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। জেলা, উপজেলাসহ দেশের বিশেষায়িত হাসপাতালসমূহে চিকিৎসা, ওষুধ, টেস্ট যা প্রয়োজন সবই প্রদান করা হচ্ছে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা এবং আত্মসম্ভ্রম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে চির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছেন নারী বীর মুক্তিযোদ্ধারা। মহান মুক্তিযুদ্ধে নারীদের আত্মত্যাগ অপরিসীম। বিধবা হতে পারেন জেনেও তারা স্বামীদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়েছেন। পুত্রহারা হতে পারেন জেনেও মায়েরা পুত্রদের রণক্ষেত্রে পাঠিয়েছেন। নির্যাতিত হতে পারেন জেনেও কন্যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে ও জাতীয় পর্যায়ে একসঙ্গে দেশব্যাপী নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আনুষ্ঠানিক সম্মাননা প্রদান করা হয়নি। এবারই আলাদাভাবে বাংলাদেশের সকল মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একই দিনে, একই সময়ে, একই সাথে সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মুজিব বর্ষের থিম সং এবং নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরবময় ও সংগ্রামী জীবনের উপর নির্মিত গীতি আলেখ্য পরিবেশিত হয়। এ অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাকদুমা নার্গিস ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদা খানম সাকী এবং গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি বীর মুক্তিযোদ্ধা রোকেয়া শিরিন অনুভূতি প্রকাশ করেন।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার অনুষ্ঠানস্থলে এবং জেলা প্রশাসকরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।


আরও খবর



ফের বড় পর্দায় ফিরছেন টুইঙ্কল খন্না

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তাঁর অভিনয় নাকি খুব খারাপ। এ কথা বলেছিলেন অক্ষয় কুমার। সে কথায় সিলমোহর দিয়েছিলেন টুইঙ্কল খন্না নিজেই। ফলাফল? ২০০১-এ লাভ কে লিয়ে কুছভি করেগা মুক্তির পরে বলিউড তাঁকে আর পর্দায় পায়নি। বদলে তিনি অক্ষয়-ঘরনি। ছেলে আরভ মেয়ে নিতারার মা। বরং তিনি এই মুহূর্তে জনপ্রিয় লেখিকা। মঙ্গলবারের বড় খবর, ১১ বছর পরে ৪৮ বছর বয়সে সেই টুইঙ্কল খন্না ফের ফিরছেন বড় পর্দায়। বিপরীতে কি স্বামী অক্ষয়?

জানা যায়নি। লেখিকা আবার নায়িকা তাঁর নিজের লেখা গল্পেই। জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন দ্য লেজেন্ড অফ লক্ষ্মীপ্রসাদ-এর একটি গল্প সালাম নানি আপা। এই কাহিনিকেই পর্দায় রূপ দিতে চলেছেন বিজ্ঞাপন দুনিয়ার চেনা পরিচালক সোনাল ডাবরাল। এই ছবি দিয়েই বড় পর্দায় পরিচালনার হাতেখড়ি হচ্ছে তাঁর। প্রযোজনায় অ্যাপ্লজ এন্টারটেনমেন্ট, এলিপসেস এন্টারটেনমেন্ট এবং মিসেস ফানিবোনস মুভিজ। এই নিয়ে টুইঙ্কলের দুটি ছোটগল্প ছবি হল। ২০১৮-য় তৈরি প্যাডম্যান ছবিটি দ্য লেজেন্ড অফ লক্ষ্মীপ্রসাদ থেকেই নেওয়া। সেই ছবিতে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন আক্কি।

নতুন ছবির গল্প কেমন? লেখিকা এই কাহিনিতে তাঁর দিদা এবং দিদার বোনের সম্পর্ককে খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। সেই সঙ্গে রয়েছে জীবন সম্পর্কে, প্রেম, বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে টুইঙ্কলের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি। সে সবই ধরা হবে ছবিতে। সূক্ষ্ম রসবোধে জারিত এ ছবির প্রাণভোমরা রহস্য-রোমাঞ্চও। ছবিতে কোন চরিত্রে দেখা যাবে টুইঙ্কলকে? কোনও ভাবে তাঁর মা ডিম্পল কাপাডিয়া কি থাকবেন ছবিতে? আপাতত সব প্রশ্নের জবাবেই মুখে কুলুপ বরসাত-এর নায়িকার।

 


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজ সেই ৪ কিশোরী পুলিশের বাসা থেকে উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১০৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর থেকে নিখোঁজ হওয়ার ৩৪ ঘণ্টা পর ৪ কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভাব-অনটন ও কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন ওই চার কিশোরী। তারা বাসা বাড়িতে কাজ করে পরিবারকে সাহায্য করতে চেয়েছিল।

রোববার রাত ৯টার দিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান। এর আগে সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগার সংলগ্ন রহমান কন্টেকটারের বাড়ি থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।

এসময় পুলিশ সুপার জানান, শনিবার দুপুরে নিখোঁজ কিশোরিদের ঝুমুর এলাকায় কান্না করতে দেখেন ফারুক নামের এক সিএনজি চালক। এক পর্যায়ে ফারুক ওই কিশোরীদের তার পরিচিত পুলিশের নায়েক নুরুল ইসলামের জেলা কারাগার সংলগ্ন বাসায় নিয়ে যান। নুরুল ইসলামের স্ত্রী তার নিকটাত্মীয় রহমানের বাসায় ওই কিশোরীদেরকে রাখেন।

পরে ওই সিএনজি চালকের মাধ্যমে কমলনগর এলাকায় তার পরিবারের সদস্যদের খোঁজ নিতে থাকেন। সেই সাথে নায়েক নুরুল ইসলাম ৪ কিশোরী নিখোঁজের খবর কমলনগর থানা অফিসার ইনর্চাজকে অবহিত করলে সে অনুযায়ী তাদেরকে উদ্ধার করা হয় বলে জানান পুলিশ সুপার।

তিনি আরও জানান, কিশোরীরা তাদের পরিবারের ঠিকানা দিতে রাজি হয়নি। অভাব-অনটন ও কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয় চার কিশোরী। তারা কাজ করে পরিবারের আর্থিক অভাব অনটন দূর করতে বাবা-মার অগোচরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। তারা বাসা বাড়িতে কাজ করে পরিবারকে সাহায্য করতে চেয়েছিল। কারো প্ররোচনায় তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়নি। প্রেসব্রিফিং শেষে কিশোরীদের তাদের পরিবারের কাছে হস্থান্তর করা হয়।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) পলাশ কান্তি নাথ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান, ডিএসবির ওসি একেএম আজিজুর রহমান মিয়া ও কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোলায়মান হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল ৮টার দিকে কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু এলাকা থেকে কিশোরী সামিয়া আক্তার নিহার শান্তিরহাটে নানার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য বের হয়। কিন্তু শনিবার রাত পর্যন্ত সেখানে তারা পৌঁছায়নি। এর আগেই নিখোঁজ হন তারা।

পরে আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করে তাদের সন্ধান না পেয়ে রাতেই থানায় সাধারন ডায়েরী করেন নিখোঁজ কিশোরী নিহার নানী আকলিমা বেগম।

নিখোঁজ কিশোরীরা হচ্ছে উপজেলার চরকাদিরার বাদামদতলী এলাকার মো. ইব্রাহিম হোসেনের মেয়ে জোবায়েদা আক্তার, জয়নাল আবেদিনের মেয়ে মিতু আক্তার, সামছুল আলমের মেয়ে সামিয়া আক্তার নিহা ও আবুল খায়ের চন্নুর মেয়ে সিমু আক্তার। তাদের ৪ জনেরই বয়স ১২ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। তারা সম্পর্কে খালাতো, জেঠাতো ও চাচাতো বোন।

এর মধ্যে সামিয়া আক্তার নিহা স্থানীয় দক্ষিণ চরকাদিরা সিদ্দিকীয় দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এছাড়া জোবায়েদা আক্তার, মিতু আক্তার একই এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।


আরও খবর



আলোচিত জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মানিকগঞ্জের ঘিওরে প্রাইভেটকারচালক জাহাঙ্গীর আলম হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৭ মে) বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য এ রায় ঘোষণা করেন।

নিহত জাহাঙ্গীর আলম ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার মুকলেসুর রহমানের ছেলে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-ওমর হোসেন সাইফুল (পলাতক) ও আরিফুজ্জামান সজীব (পলাতক)। ফাঁসির পাশাপাশি তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফরহাদ হোসেন, মোহাম্মদ আলী সীমান্ত (পলাতক) ও আজিম খান। তাদের প্রত্যেকের বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে।  সেই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দণ্ডিত করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি ঘিওর উপজেলার কুসন্ডা এলাকায় চালক জাহাঙ্গীর আলমকে শ্বাসরোধে হত্যা করে প্রাইভেটকার নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন রাতেই ঘিওর থানার সেই সময়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) লুৎফর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঘিওর থানার সেই সময়ের এসআই এনামুল হক চৌধুরী ২০১২ সালের ২৬ ফ্রেরুয়ারি ছয়জনের নামে আদালতে চার্জশিট দেন। এ ঘটনায় ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী এ রায় দেন আদালত। রায় ষোঘণার সময় তিনজন আসামি উপস্থিতি ছিলেন, বাকিরা পলাতক।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট এপিপি নিরঞ্জন বসাক। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম ও আহসান হাবীব।


আরও খবর



জাতীয় স্বেচ্ছাসেবা নীতিমালা-২০২২ এর খসড়ার অনুমোদন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতীয় স্বেচ্ছাসেবা নীতিমালা-২০২২ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ সভা শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সবিচ খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ হাসিনা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‌পৃথিবীর অনেক দেশেই এই নীতিমালা আছে। এর ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে স্বেচ্ছাসেবীরা বাংলাদেশে এসে কাজ করতে পারবে। আবার বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবীরাও বিদেশে গিয়ে কাজ করতে পারবে।

মন্ত্রিসভায় গৃহীত আরও সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে, শেখ হাসিনা পল্লি উন্নয়ন অ্যাকাডেমি, জামালপুর আইন- ২০২২ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন। পল্লি উন্নয়ন অ্যাকাডেমি, রংপুর আইন-২০২২ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন। গত ২ থেকে ৪ মার্চ-২০২২ মেয়াদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের মিশর সফর সম্পর্কে মন্ত্রীসভাকে অবহিতকরণ। গত ৩ থেকে ৯ মার্চ-২০২২ মেয়াদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের মরক্কো সফর সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিতকরণ।


আরও খবর



প্রতারণা মামলায় ১১ আফ্রিকান নাগরিক রিমান্ডে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উপহারের নামে প্রতারণার অভিযোগে অভিযোগে গ্রেফতার ১১ আফ্রিকান নাগরিককে তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রহমান ছিদ্দিকী রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

১১ বিদেশি হলেনহেনরি ওসিতা ওকেচুকু, চিসম ইমানুয়েল ওবাইজুলু, ওকাকে পিটার, ওবিনা সান্ডে, ওনেকা এমবা, চিছম এন্থনি ইকুয়েনজে, ওকেয়া আজুবিকে, অনুয়ারাহ ওজুয়েমেনা ডানিয়েল, অনুরুকা জিনিকা ফ্রান্সিস, লকি ও ডোমাডু চিনেডো।

সিএমএম আদালতে গুলশান থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেন রিমান্ডের এ তথ্য জানান।

গত ২০ এপ্রিল রাজধানীর পল্লবী ও ভাটারা থানা এলাকা থেকে তাদের আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) গুলশান বিভাগ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি ডলার ট্রিক মেশিন, সিলভার কাপড়ে মোড়ানো ১৮টি বান্ডেল, প্রতারণা কাজে ব্যবহৃত ১৭টি মোবাইল ফোন, দুটি ল্যাপটপ, কেমিক্যালের বোতল, বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টের কপি উদ্ধার করা হয়। পরদিন তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

এরপর গত ২৭ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের উপপরিদর্শক মোহাম্মদ শফিকুল আলম গুলশান থানার মামলায় তাদের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য ১০ মে দিন ধার্য করেন।

এ দিন শুনানিকালে তাদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ১১ আসামির তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।


আরও খবর