Logo
শিরোনাম

৬৫৪ নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৩৮৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্বাধীনতার ৫০ বছর পর প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রী সম্মাননা পেলেন নারী বীর মুক্তিযোদ্ধারা। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারা দেশের মোট ৬৫৪ জন নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।

মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৬৫ জন এবং বাকি নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দেশের বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সম্মাননা দেয়া হয়। সম্মাননা প্রাপ্ত সকল নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মারক, উত্তরীয়, শাড়ি ও স্যুভেনিয়র প্রদান করা হয়।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সব বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধাকে বীর নিবাস নির্মাণ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিনামূল্যে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। জেলা, উপজেলাসহ দেশের বিশেষায়িত হাসপাতালসমূহে চিকিৎসা, ওষুধ, টেস্ট যা প্রয়োজন সবই প্রদান করা হচ্ছে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা এবং আত্মসম্ভ্রম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে চির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছেন নারী বীর মুক্তিযোদ্ধারা। মহান মুক্তিযুদ্ধে নারীদের আত্মত্যাগ অপরিসীম। বিধবা হতে পারেন জেনেও তারা স্বামীদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়েছেন। পুত্রহারা হতে পারেন জেনেও মায়েরা পুত্রদের রণক্ষেত্রে পাঠিয়েছেন। নির্যাতিত হতে পারেন জেনেও কন্যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে ও জাতীয় পর্যায়ে একসঙ্গে দেশব্যাপী নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আনুষ্ঠানিক সম্মাননা প্রদান করা হয়নি। এবারই আলাদাভাবে বাংলাদেশের সকল মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একই দিনে, একই সময়ে, একই সাথে সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মুজিব বর্ষের থিম সং এবং নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরবময় ও সংগ্রামী জীবনের উপর নির্মিত গীতি আলেখ্য পরিবেশিত হয়। এ অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাকদুমা নার্গিস ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদা খানম সাকী এবং গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি বীর মুক্তিযোদ্ধা রোকেয়া শিরিন অনুভূতি প্রকাশ করেন।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার অনুষ্ঠানস্থলে এবং জেলা প্রশাসকরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।


আরও খবর



ফ্লোরিডায় হারিকেন ইয়ানের তাণ্ডব, নিহত ১২

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হারিকেন ইয়ান। এ পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে ঘূর্ণিঝড়কবলিত এলাকা থেকে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ইয়ান ফ্লোরিডার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রেসিডেন্ট বাইডেন ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির কর্মকর্তাদের একটি ব্রিফিংয়ের পর বলেন, মৃত্যুর সংখ্যা এখনো অস্পষ্ট, কিন্তু আমরা প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের প্রাণহানি হতে পারে বলে শুনছি’।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। তাদের মধ্যে সাতজন চার্লট কাউন্টিতে। বাকীরা সারাসোটা এবং ভলুসিয়ার। বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত ফ্লোরিডায় ২৩ লাখের মতো বাসিন্দা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ছিলেন বলেও জানান বিদ্যুৎ বিভাগ।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে, ঝড়টি চার্লসটনের দক্ষিণে ছিল এবং ১০ মাইল বেগে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।

জাতীয় হারিকেন কেন্দ্র জানিয়েছে, শুক্রবার নাগাদ দক্ষিণ ক্যারোলাইনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে হারিকেন ইয়ান। এরপর শুক্রবার রাত ও শনিবার নাগাদ ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র মূল ভূখণ্ডের দিকে অগ্রসর হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় ইয়ানের কারণে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যেও জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

চার্লট কাউন্টি কমিশনার ক্রিস্টোফার কনস্ট্যান্স ৭ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সারাসোটা কাউন্টিতে দুইজন মারা গেছেন। সানিবেল দ্বীপে আরও দুজন মারা গেছেন। যেখানে হারিকেন ক্যাটাগরি-৪ আঘাত হানে।

 

 


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




আগামী ৫ দিনে বৃষ্টিপাত কমবে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি স্থলভাগে উঠে এসেছে। বৃষ্টি ঝড়িয়ে ধীরে ধীরে শক্তি হারাবে। ফলে আগামী পাঁচদিনে বৃষ্টিপাত কমবে। রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, সিনপটিক অবস্থা পশ্চিম মধ্য-বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে উড়িষ্যা উপকূল ও তৎসংলগ্ন উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়। এরপর এটি একই দিকে অগ্রসর হয়ে আজ সন্ধ্যা ৬টায় ভারতের দক্ষিণ মধ্য প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থল নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। 

নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চারনশীল মেঘমালার সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, স্থল নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল, অন্ধ্র প্রদেশ, উড়িষ্যা ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। তাই সব সমুদ্রবন্দরগুলোতে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল রাখা হয়েছে। তাই সব মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারগুলোকে গভীর সাগরে বিচরণ করতে বারণ করা হয়েছে। উপকূলে জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কাও রয়েছে। 

বর্তমান আবহাওয়ায় সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী দু’দিন বৃষ্টিপাতের বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। আর বর্ধিত পাঁচদিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমবে। 

রোববার দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে নেত্রকোনায়, ৯৮ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে শ্রীমঙ্গলে, ৩৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ২ মিলিমিটার, আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  


আরও খবর



বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কোনো শঙ্কা নেই মেট্রোরেলে

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক গণপরিবহন মেট্রোরেল। বড় কোনো দুর্যোগে জাতীয় গ্রিডের বিপর্যয়ের মতো ঘটনা ছাড়া এতে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্নতার কোনো শঙ্কা নেই। সে সময়ও নিজস্ব বৈদ্যুতিক যোগান থাকছে স্টেশন ও ট্রেনগুলোতে। বিদ্যুৎ যখন মেট্রোর প্রাণ, সরবরাহ থাকতে হবে সার্বক্ষণিক। ভোল্টেজের উঠা-নামাও অগ্রহণযোগ্য ক্ষণকালের জন্য।

দেশের সর্বাধিক প্রযুক্তিনির্ভর যদি কোনো গণপরিবহন থাকে তাহলো এই মেট্রোরেল। যেহেতু এটি বিদ্যুৎচালিত, ন্যাশনাল গ্রিড থেকে দুটি লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেটা যদি কোনোভাবে কাজ না করে তাহলে মেট্রোরেলের নিজস্ব বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা যেমন রয়েছে ঠিক তেমনিভাবে প্রত্যেকটি ট্রেনের মধ্যেও বিদ্যুতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মাঝপথে যদি ট্রেনের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা বিকল হলে ট্রেনটিকে যেন স্টেশন পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।

ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, মেট্রোরেল চরার জন্য তিনটা গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নেওয়া হয়েছে। তারপরেও নরমাল একটা লাইন নিয়েছি। এই চারটা লাইনের প্রত্যেকটা জায়গা থেকে ডবল করে নেওয়া হয়েছে। একটা যদি চলে যায় দ্বিতীয়টি দিয়ে চলবে। এরকম ছয়টা সিস্টেমের ভেতরে সার্কিট করা আছে। যে কোনোটা না চললে অন্যটা দিয়ে লাইন সচল থাকবে।

 সর্বাধুনিক ওভারহেড ক্যাটিনারি সিস্টেমের বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন যুক্ত মেট্রোরেলে, যা শতভাগ নিরাপদ।

এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, বিদ্যুৎ যদি ফেল করে তাহলে সংক্রিয়ভাবে এই জেনারেটরগুলো চলবে প্রত্যেকটা স্টেশনে। তার সাথে সাথে এই জেনারেটরের একটা ব্যাকআপ তৈরি করা আছে। অর্থাৎ যেটা মূল জেনারেটর এটাও যদি কোনো কারণে কাজ না করে তাহলে ব্যাকআপ থেকে কাজ করবে। কিন্তু ব্যাকআপটা বসে থাকবে না, কখনও মূলটা চলবে কখনও ব্যাকআপটা চলবে। দুটা সবসময় চালুর ভেতরে থাকবে, যাতে বিদ্যুতের কোনো সমস্যা না হয়।

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে হাতিরঝিল ও পূর্বাচলে থাকবে দুটি রিসিভিং সাব-স্টেশন। সেগুলোকে সহায়তা করবে একেকটি করে অতিরিক্ত ট্রান্সফরমার।

এম এ এন ছিদ্দিক আরও বলেন, অর্থাৎ জাতীয়ভাবে যদি সারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ চলে না যায়, তাহলে মেট্রোরেলে বিদ্যুতের কোনো সমস্যা হবে না।” সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মেট্রোরেল থাকবে লোডশেডিংমুক্ত।


আরও খবর



বনানী কবরস্থানে চিরশায়িত সাজেদা চৌধুরী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতীয় সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে চিরশায়িত করা হয়েছে। সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ‌্যা ৬টা ২০ মিনিটে তার দাফন সম্পন্ন হয়। সাজেদা চৌধুরীর মরদেহ বনানী কবরস্থানে পৌঁছালে স্যালুট জানায় পুলিশ৷

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

এদিন বিকেল ৫টায় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জাতীয় সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর জানাজা সম্পন্ন হয়।

মাওলানা মো. রুহুল আমিনের ইমামতিতে সাজেদা চৌধুরীর দ্বিতীয় জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। এ সময় সাজেদা চৌধুরীর ছেলে সাহদাব আকবর চৌধুরী লাবু মায়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চান।

এর আগে, সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা সোয়া ১১টায় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর প্রথম জানাজা তার নিজ নির্বাচনি এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দার এম এন একাডেমি মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে সাজেদা চৌধুরীর মরদেহ রাখা হয়।

বিকেল পৌনে ৩টার দিকে সাজেদা চৌধুরীর মরদেহে প্রথমে রাষ্ট্রপতির পক্ষে সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সালাহউদ্দিন ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবীর আহমদ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পরে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, আওয়ামী লীগের পক্ষে দলটির সাধারণ ওবায়দুল কাদের শ্রদ্ধা জানান।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সাজেদা চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও শহীদ মিনারে আসেন।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।

তার জন্ম ১৯৩৫ সালের ৮ মে। তিনি ১৯৫৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত৷ ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধকালে কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৬ সালে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।


আরও খবর



আমিরাত জয় করে দেশে ফিরল টাইগাররা

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মূলত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। খর্বশক্তির আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে বিশ্বকাপের জন্য কতোটা প্রস্তুত হলো টাইগাররা সেই প্রশ্ন রয়েই যায়। এদিকে প্রথম ম্যাচেই পচা শামুকে পা কাটতে চলেছিল নুরুল হাসান সোহান বাহিনীর, তবে দ্বিতীয় ম্যাচ তারা জিতেছে দাপটের সঙ্গেই। গতকাল রাতে সিরিজ শেষ করে আজই দেশে ফেরত এসেছে বাংলাদেশ দল।

আজ (বুধবার) সকাল ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে টাইগাররা। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এই সিরিজ জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে বলে মনে করেন অধিনায়ক সোহান। মূলত যেই ভাবনায় টাইগারদের আমিরাত পাঠিয়েছিল বিসিবি তা ছিল সেখানকার আন্তর্জাতিক মানের অনুশীলন সুব্যবস্থা। সোহানও বললেন সেকথা।

এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার বলেন, কোন আসরের আগে এ রকম ক্যাম্প এবং এরকম সুযোগ সুবিধা অবশ্যই আমাদের সকলের কনফিডেন্স অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ ওখানে আমরা পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুবিধা পেয়েছি। আমার কাছে মনে হয় প্রিপারেশনটা ভালো হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।

সেই সঙ্গে সোহান আরও বলেন, টি-টোয়েন্টিতে আমার কাছে মনে হয় অনেক সময় বড় রান করা থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী রানটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ থাকে। আসলে আমাদের সবার লক্ষ্য ওটায় ছিল। প্রতিদিন একরকম হবে বিষয়টা এমন না। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের আগে এমন অনুশীলনের সুযোগ সুবিধা পেয়েছি যা দলের সবাইকে বুস্ট আপ করবে এবং কনফিডেন্স দেবে।

উল্লেখ্য, আগামী ২ অক্টোবর আবারও নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে টাইগাররা। সেখানে পৌঁছে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল।


আরও খবর

হার দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২