Logo
শিরোনাম

নির্বাচন এলেই বিএনপি-জামায়াত সক্রিয় হয়ে ওঠে : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, নির্বাচন এলেই বিএনপি-জামায়াত এবং উচ্ছিষ্টভোগী অতি বামপন্থি-অতি ডানপন্থিরা ষড়যন্ত্র করার জন্য সক্রিয় হয়। নির্বাচন এলেই তারা ষড়যন্ত্র করার জন্য সক্রিয় হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগের অর্জন এরা চোখে দেখে না।

আজ সোমবার (২৩ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকারি দলের এম আব্দুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত কিছু উচ্ছিষ্টভোগী অতি বামপন্থি, অতি ডানপন্থি, যাদের কোনো জনসমর্থন নেই, নির্বাচন এলেই তারা ষড়যন্ত্র করার জন্য সক্রিয় হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগের অর্জন এরা চোখে দেখে না। জনগণ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে দেখেই এরা ষড়যন্ত্র করতে একাট্টা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশ যখন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে তখন এক শ্রেণির মানুষ সমাজে শান্তি বিনষ্ট করে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। গত প্রায় দেড় যুগ ধরে দেশে যে স্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে এবং দেশ যে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এটা অনেকের সহ্য হচ্ছে না।

ক্ষমতায় থাকতে মাদক বিএনপির একটি অস্ত্র ছিল অভিযোগ করে আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, এদেশের কোমলমতি কিশোরদের ধ্বংস করতে এই বিএনপি এদেশে মাদক আমদানি করে। তারা চায় না এদেশে একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে উঠুক। পাকিস্তান ভেঙে জাতির পিতা বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ গড়ে তোলেন বলেই তাদের এদেশের মানুষের ওপর রাগ আর ক্ষোভ। এ জাতিকে ধ্বংস করার জন্য জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেই কিছু ছাত্রের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়। তাদের নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ করে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। বিএনপি সবসময়ই চেয়েছে দেশ ধ্বংস হয়ে যাক। আর আওয়ামী লীগ সবসময় চেয়েছে আমাদের দেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে এগিয়ে যাক, এদেশের মানুষ আত্মমর্যাদাশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক; বিশ্বের বুকে বাঙালির পরিচয় হোক উন্নত সমৃদ্ধ আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেশের সব ইউনিয়ন/উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সামাজিক সম্প্রীতি কমিটি গঠন করা হয়েছে উল্লেখ করে আ ক ম মোজাম্মেল বলেন, বাল্যবিবাহ, মাদক, জঙ্গিবাদ বিভিন্ন পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য বিএনপি-জামায়াতসহ দেশি-বিদেশি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে, তখন সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে ইউনিয়নে-ইউনিয়নে, উপজেলায়-উপজেলায়, জেলায়-জেলায়; সব পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী এই কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এটি জারি করা হয়। তিনি বলেন, কমিটির কার্যক্রমে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের আশাতীত ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। এর ফলে গত ‍দুর্গাপূজার উৎসব দেশব্যাপী অত্যন্ত শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়। কোথাও বিচ্যুতি লক্ষ্য করা যায়নি। এই কমিটির মাধ্যমে সমাজের সব মানুষকে একত্রিত করে সমাজের বিভিন্ন সমস্যার মূলোৎপাটন করা হবে বলেও তিনি জানান।


আরও খবর

যশোরের বিজয় ৭১

বৃহস্পতিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০২২




বায়ু দূষণে শ্বাসতন্ত্রের রোগী দেড়গুণ বেড়েছে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত দুই বছরে রাজধানীতে বায়ু দূষণের কারণে দেড়গুণ বেড়েছে শ্বাসতন্ত্রের রোগী। বিষাক্ত বাতাস ও জনসাধারণের অসচেতনতায় প্রতিদিন অসুস্থ হচ্ছেন হাজারো মানুষ। শুধু বক্ষব্যাধি হাসপাতালেই প্রতিদিন ১২-১৪ হাজার রোগী ভর্তি হচ্ছেন।

তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর থেকে বক্ষব্যাধি হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। সেপ্টেম্বরে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ৮৮৩ জন। এছাড়া, অক্টোবরে ১২ হাজার ২৬১, নভেম্বরে ১৪ হাজার ৬৭৪ ও ডিসেম্বরে ১২ হাজার ৯৪৩ জন। আর চলতি মাসের প্রথম ১৮ দিনেই ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছয় হাজার ৮৬৮ জন। মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। শুধু তাই নয়, হাসপাতালটিতে দুই বছরে রোগী বেড়েছে দেড়গুণের বেশি। ২০২০ সালে মোট রোগী ছিল ৯১ হাজার ৪৩৪ জন, ২০২১ সালে এক লাখ ৪ হজার ১২০ জন এবং ২০২২ সালে এক লাখ ৩৫ হাজার ১৬৫ জন।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর ৮০ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছেন। মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছেন বয়োজ্যেষ্ঠ ও শিশুরাও। ২০১৩ থেকে ২০২১ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বব্যাংক বলছে, দিনে দুটি সিগারেট খেলে মানবদেহের যে ক্ষতি হয়, বায়ুদূষণের কারণে প্রতিদিন রাজধানীবাসীর সেই পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে।


আরও খবর

জাজিরায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬

মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩




ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরিষার বাম্পার ফলনের আশা

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মাঠ জুড়ে যেন হলুদের সমাহার। তাকালেই দুই চোখে দেখা যায় হলুদ আর হলুদ। যেন অলংকারে সেজেছে প্রকৃতি। বাতাসে হেলে দুলে সরিষা ফুল গুলো সুভাস ছড়িয়ে দিচ্ছে চারদিকে। আর মৌমাছি দল বেঁধে সরিষা ফুল থেকে মধু আহরণ করছে। এ জেলায় এবার সরিষার আবাদ বেড়েছে। বৃষ্টিপাত না হওয়াই এখন পর্যন্ত মাঠের অবস্থা ভালো। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। 

চলতি মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর, নবীনগর, বিজয়নগর, আশুগঞ্জ, সরাইল, নাসিরনগর, বাঞ্ছারামপুরসহ ৯ উপজেলায় সরিষার ব্যাপক আবাদ হয়েছে। আবাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে নতুন জাতের সম্প্রসারণ। এ বছর সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে ধরা হলেও আবাদ হয়েছে ১৫ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে। 

নতুন জাতের বিনা-৯ ও বারি-১৪, ১৭ এবং ১৮ জাতের সরিষা। তৈল জাতীয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমন মৌসুমের শুরু থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরিষার আবাদ কার্যক্রম শুরু করে কৃষি বিভাগ। 

একাধিক কৃষক জানান, তবে গত কয়েক বছর ধরে বৃষ্টিপাত হওয়ায় সরিষার অনেক ক্ষতি হয়েছিল। সার এবং প্রয়োজনীয় উপকরণের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়লেও ফলন এবার ভালো হয়েছে। প্রতি কানি (৩৯ শতাংশ) জমিতে ৩/৪ মণ সরিষা পাওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি। সরিষা জমিতে মধু সংগ্রহের জন্য ভন ভন করছে মৌমাছি।

সদর উপজেলার উত্তর সুহিলপুর গ্রামের কৃষক ফারুক মিয়া বলেন, সরিষা চাষে দ্বিগুন লাভ। সরিষার ফুল ও পাতা ঝরে জমিতে জৈব সার তৈরি হয়। সে কারণে জমিতে পরবর্তী ধানের ফলনও ভালো হয়।

অষ্টগ্রাম গ্রামের কৃষক রিপন হোসেন বলেন এ বছর সরিষার ভালো ফলন হবে। সাদেকপুরে কৃষক আবদুল্লাহ মিয়া জানান গত বছর আমি এক কানি (৩০ শতক) জমিতে সরিষা চাষ করেছিলাম, এবার দেড় কানি জমিতে সরিষা চাষ করেছি।

গজারিয়া গ্রামের কৃষক সোহেল মিয়া জানান, আশা করি আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার সরিষার ভালো ফলন হবে। তিনি বলেন, কৃষি অফিস থেকে চাষিদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। তিনি জানান এক কানি (৩০ শতক) জমিতে সরিষা চাষ করে সব খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৪-৫ হাজার টাকা লাভ হবে।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত সাহা বলেন, ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে এ বছর নতুন জাতের সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রায় আড়াই হাজার হেক্টর অতিরিক্ত জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এতে এ বছর জেলায় প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদিত হবে। সরিষার আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে জন প্রতিনিধিদের নিয়ে কৃষক সমাবেশের পাশাপাশি ২২ হাজার কৃষককে প্রতি ১ বিঘা জমির জন্য প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়ার কথা জানালেন কৃষি বিভাগের এ শীর্ষ কর্মকর্তা।

নিউজ ট্যাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আরও খবর

লোগো পদ্ধতি ধান চাষে ফলন বাড়ে

মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩

লালশাক চাষ করার সহজ উপায়

মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩




অতীতের ভুল শোধরাতে মরিয়া জার্মানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বেশিরভাগ সময় মানুষ সংকটে পড়লে তা থেকে উত্তরণে অতীতের ভুল সংশোধনের পথ খোঁজে। একই অবস্থা জার্মানিরও। ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় সংকটাপন্ন দেশটির শিল্প-বাণিজ্য। তাই মরিয়া হয়ে এখন জ্বালানির জন্য রাশিয়ার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কাটানোর উপায় খুঁজছে তারা। জার্মানির প্রধান রাসায়নিক কোম্পানিগুলো অনেকটা ছোটখাটো শহরের মতো। সেখানে কোটি কোটি কিলোওয়াট/ঘণ্টা গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়। জার্মানির জ্বালানি চাহিদা বিশাল হলেও এর আগে কখনো জোগান এতটা কমে যায়নি। অর্থাৎ, ইউক্রেন যুদ্ধের আগে জার্মানরা কখনোই জ্বালানি সংকটের তীব্রতা এভাবে অনুভব করেনি।

রাশিয়া থেকে গ্যাস সরবরাহ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জার্মানির ইস্পাত কারখানা, ভারী শিল্প, যন্ত্র উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। কারণ তাদের বিশাল জ্বালানির চাহিদা মেটানো এমনিতেই কঠিন। তার ওপর গ্যাস ও বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে শিল্পক্ষেত্র বড় সংকটের মুখে পড়েছে, বিশেষ করে রাসায়নিক খাত।

জার্মানির কেন্দ্রীয় রাসায়নিক শিল্প সংগঠনের জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইয়োর্গ রোটারমেল বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের জন্য কখনো বিশাল দাম চাওয়া হচ্ছে। ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে ওষুধ, আঠা ও অন্যান্য পণ্য উৎপাদনের এই বাড়তি ব্যয় ক্রেতাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া আর সম্ভব হচ্ছে না। আগামী বছর থেকে সব রাসায়নিক পণ্যের ক্ষেত্রেই এমন সমস্যা দেখা যেতে পারে।

এতদিন বিএএসএফ নামে একটি জার্মান রাসায়নিক কোম্পানি তার গ্যাসের চাহিদার প্রায় অর্ধেকটাই মেটাতো রাশিয়া থেকে। ১৯৯০র দশকের শুরুতে কোম্পানিটি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংস্থা গ্যাজপ্রমের সঙ্গে লুডভিগ্সহাফেনে একটি গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ করেছিল। পোল্যান্ডের ওপর দিয়ে জার্মানি পর্যন্ত বিস্তৃত ইয়ামাল পাইপলাইনে বিনিয়োগ করেছিল বিএএসএফ। ২০০৮ সাল থেকে তারা নর্ড স্ট্রিম ১ পাইপলাইন নির্মাণকাজেও অংশ নেয়। এর ফলে বেশ কম দামে রাশিয়া থেকে গ্যাস আনা সম্ভব হয়েছিল।

জার্মান অর্থনীতি গবেষণা কেন্দ্রের প্রেসিডেন্ট মার্সেল ফ্রাচারের মতে, ক্রিমিয়া দখলের পরেও রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা বাড়ানো প্রথম ভুল ছিল। দ্বিতীয় ভুল হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে ঢিলেমি। দক্ষতাসম্পন্ন ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও ১০ বছর ধরে জার্মানি সেই পথে এগোয়নি। এখন তার কুফল দেখতে হচ্ছে। অর্থাৎ, আমাদের ভুলই জার্মানিতে এমন গভীর সংকট ও অর্থনৈতিক কাঠামো বিপন্ন করে তোলার কারণ।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় জার্মানিতে বিদ্যুতের দাম বেশ চড়া। ফলে সেখানকার মাঝারি মাপের রপ্তানি-নির্ভর কোম্পানিগুলোর জন্য জ্বালানির উচ্চমূল্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর সাহায্য নিয়েই জার্মানি অতীতের সংকটগুলো কাটিয়ে উঠেছিল। দেশ হিসেবেও জার্মানি বিশ্বায়নের ব্যাপক ফায়দা তুলেছে। কিন্তু সস্তা জ্বালানি না পাওয়ায় বিশ্ববাজারে জার্মান পণ্য অতিরিক্ত দামি হয়ে উঠছে। এর সমাধান কী?

আইএনজি ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ কার্স্টেন ব্রজেস্কি বলেন, জীবাশ্মভিত্তিক জ্বালানি ত্যাগ করে বিকল্প জ্বালানি গ্রহণের প্রক্রিয়া অবশ্যই বর্তমান সংকট থেকে মুক্তি পাওয়ার ও ইতিবাচক কিছু করে দেখানোর বিশাল সুযোগ। শিল্পভিত্তিক দেশ, ইঞ্জিনিয়ারদের দেশ হিসেবে আবার নেতৃস্থানীয় ভূমিকা ফিরে পেতে সেই প্রক্রিয়া আমাদের সাহায্য করতে পারবে এবং অবশ্যই করবে। টেকসই পদ্ধতি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খুবই জরুরি।

নিউজ ট্যাগ: জার্মানি

আরও খবর



নতুন বছর বিশ্ব অর্থনীতি আরো সংকটে পড়ার আশঙ্কা

প্রকাশিত:সোমবার ০২ জানুয়ারী 2০২3 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোভিড-১৯ মহামারীর পরে ফিরে আসার মতো বছর ছিল ২০২২। পরিবর্তে নতুন যুদ্ধের মুখোমুখি হয়েছে বিশ্ব। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এসেছে রেকর্ড পরিমাণ মূল্যস্ফীতি। জলবায়ুসংক্রান্ত দুর্যোগও এ সময়ে বেশ ভুগিয়েছে। সব মিলিয়ে ইতিহাসবিদ অ্যাডাম টুজের বলা জনপ্রিয় টার্মটিই ব্যবহার করা যায় যে বছরটি ছিল পলিক্রাইসিস বা বহুমুখী সংকটের। তবে পূর্বাভাস বলছে, ২০২৩ সাল হবে আরো বেশি হতাশার।

ইউনিভার্সিটি অব আমস্টারডামের ম্যাক্রোইকোনমিকসের অধ্যাপক রোয়েল বিটসমা বলেন, শতাব্দীর শুরু থেকেই বিভিন্ন ধরনের সংকট বেড়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমরা আর এত জটিল পরিস্থিতি দেখিনি।

কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে ২০২০ সালে অর্থনৈতিক সংকট ঘনীভূত হয়, বিভিন্ন দেশ লকডাউন ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় ২০২১ সালে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বারবার আশ্বস্ত করতে থাকে যে এ উচ্চমূল্য অস্থায়ী হতে পারে। কারণ বিভিন্ন অর্থনীতি আবার স্বাভাবিক হওয়ার পথে ফিরছে। কিন্তু ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ ইউক্রেনে চালানো রাশিয়ার আগ্রাসনের কারণে জ্বালানি ও খাবারের দাম তীব্রভাবে বাড়তে দেখা যায়।

বিভিন্ন দেশ এখন জীবনযাত্রার ব্যয়ের সংকটের সঙ্গে যুদ্ধ করছে। কেননা যে হারে মূল্যস্ফীতি ঘটছে সেই হারে বেতন বাড়ছে না। ফলে পরিবারগুলো তাদের খরচের ক্ষেত্র বাছাই করার সংকটে পড়ছে। বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক্ষেত্রে কিছু ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছে। ২০২২ সালে গতিশীল মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করার প্রচেষ্টা হিসেবে তারা সুদহারও বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ সে সময়ে তীব্র মন্দার ঝুঁকিতে একেবারে খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে ছিল বিভিন্ন অর্থনীতি। এমন পরিস্থিতিতে যদি দেশগুলো বেশি বেশি ঋণ নিয়ে বসে তাহলে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ কম হয়ে পড়বে।

শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরো অঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ধীর হতে শুরু করেছে। অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) জানিয়েছে, উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর ২০টি দেশের গ্রুপে ভোক্তামূল্য পরের বছরে কমে আসবে ৫ দশমিক ৫ শতাংশে। তাছাড়া ব্রুজেল থিংক ট্যাংক জানিয়েছে, উচ্চজ্বালানি মূল্য থেকে ভোক্তাদের রক্ষা করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৬৭ হাজার ৪০০ কোটি ইউরোর নির্ধারিত তহবিল করা হয়েছে। ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি জার্মানিও জ্বালানি সরবরাহের জন্য সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল রাশিয়ার ওপর। এ তহবিলের ২৬ হাজার ৪০০ কোটি ইউরো জার্মানির। বর্তমানে দেশটির প্রতি দুজনের একজন বলছে, তারা এখন শুধু জরুরি পণ্যে খরচ করছে।

অর্থনীতিবিদদের ধারণা, জার্মানি ও অন্যান্য বড় ইউরো জোনের অর্থনীতি সামনে মন্দার মধ্যে পড়তে যাচ্ছে। ব্রিটেনের অর্থনীতি এরই মধ্যে সংকুচিত হয়ে আসছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এখনো প্রত্যাশা করে যে বিশ্বের অর্থনীতি ২০২৩ সালে বিস্তৃত হবে, সেখানে প্রবৃদ্ধি থাকবে ২ দশমিক ৭ শতাংশ। আর ওইসিডির প্রত্যাশা প্রবৃদ্ধি হবে ২ দশমিক ২ শতাংশ। তাছাড়া চীনের ওপর থেকে নানা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ অর্থনীতির আবার পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে এবং বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে তা বড় প্রভাবক হবে।

তবে বিটসমা বলেন, নতুন বছরের সবচেয়ে বড় সংকট হবে জলবায়ু পরিবর্তন, যা খুবই ধীরগতিতে ঘটছে। পুরো প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগে ২০২২ সালে ২৬ হাজার ৮০০ ডলার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রিইন্স্যুরেন্স জায়ান্ট সুইস রি জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে ঘূর্ণিঝড় ইয়ানেই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৫০০-৬৫০ কোটি ডলারে। পাকিস্তানে বন্যার কারণেও এ বছর ৩০০ কোটি ডলার ক্ষতি হয়। বিটসমা বলেন, এটি কোনো তীব্র নয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি সংকট। যদি এখনই যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া না হয় তাহলে আঘাতটা হবে অনেক তীব্র।


আরও খবর



আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পুরনো জ্যোতিষশাস্ত্রের এমন একটি ধরন, যার মাধ্যমে বিভিন্ন সময়কাল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। যেমন দৈনিক রাশিফল প্রতিদিনের ঘটনার ভবিষ্যকথন করে, তেমন সাপ্তাহিক, মাসিক তথা বার্ষিক রাশিফল যথাক্রমে সপ্তাহ, মাস এবং বছরের ভবিষ্যদ্বাণী করে। বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি- মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন-এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একই রকমভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে।

মেষ রাশি: কর্মক্ষেত্রে দিনটি কিছুটা নতুনভাবে কাটবে। কোনো খেলাধূলায় আজ আপনি অংশগ্রহণ করতে পারবেন। যাঁরা ব্যবসা পরিচালনা করছেন তাঁরা আজ কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তির কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন। প্রেমের জন্য দিনটি খুব একটা ভালো না। আজ আপনার স্ত্রী কোনো আত্মকেন্দ্রিক কাজ করতে পারেন। সবাই আজ আপনার ভালো ব্যবহারের প্রশংসা করবেন।

বৃষ রাশি: অপ্রয়োজনীয় ভাবে সময় নষ্ট না করে সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে শিখুন। আজ আপনার মনোমুগ্ধকর আচরণ সবাইকে আকৃষ্ট করবে। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীরা আপনাকে কোনো কাজে উন্নত ও গতিশীল পরিবর্তন আনতে সাহায্য করবে। কোনো নতুন অর্থনৈতিক পরিকল্পনা আজ চূড়ান্ত হবে এবং আপনি লাভবান হবেন। অবসর সময়ে আজ কোনো সৃজনশীল কাজ করতে পারেন।

মিথুন রাশি: ভালোবাসার মানুষটিকে আজ আপনি সময় দিতে চাইলেও অত্যধিক ব্যস্ততার কারণে তা পারবেন না। আজ আপনার স্বাস্থ্য ভালোই থাকবে। পাশাপাশি, আপনি সুস্বাস্থ্যের কারণে আজ আপনার বন্ধুদের সাথে কোনো খেলাধূলার পরিকল্পনা করতে পারেন। কর্মজীবনে দিনটি দুর্দান্ত কাটবে। মুদিখানার কোনো কেনাকাটা নিয়ে আজ আপনি আপনার স্ত্রীর প্রতি বিরক্ত হতে পারেন। সন্তানদের সাথে আজ অবশ্যই কিছুটা সময় কাটান।

কর্কট রাশি: পরিবারের সদস্যরা আপনার জীবনে আজ এক বিশেষ স্থান অধিকার করে থাকবেন। গাড়ি চালানোর সময়ে অবশ্যই যত্নশীল হন। আজ আপনি ভালোবাসার প্রকৃত উচ্ছ্বাসের অভিজ্ঞতা লাভ করবেন। পাশাপাশি, দিনটি আপনার বিবাহিত জীবনের অন্যতম সেরা দিন হবে। আপনার মন আজ ভালো থাকবে এবং আপনি কোনো সমস্যা ছাড়াই সবকিছু ভালোভাবে সামলাতে সক্ষম হবেন। আর্থিক দিক থেকে দিনটি ভালো।

সিংহ রাশি: আজ এমন ব্যক্তিদের সাথে সংযুক্ত হন যাঁরা ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আপনাকে সুপরামর্শ প্রদান করতে পারেন। আপনার শৈশবের কোনো স্মৃতি আজ আপনাকে ঘিরে থাকবে। প্রেমের জীবনে বেদনার সম্মুখীন হবেন। আজ আপনার অত্যধিক খরচও হতে পারে। জীবনসঙ্গীর সাথে ভালো সময় কাটবে। মন থেকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে আজ দূরে সরিয়ে রাখুন।

কন্যা রাশি: আজকে আপনি কোনো আধ্যাত্মিক ব্যক্তির সাথে দেখা করতে পারেন। যার ফলে আপনার মন শান্ত হয়ে যাবে। আপনার মধ্যে আজ ভরপুর আত্মবিশ্বাস বজায় থাকবে। তাই, এই দিনটিকে কাজে লাগান। অযথা অপ্রয়োজনীয় খরচ আজ করবেন না। অর্ধাঙ্গিনীর সাথে আজ দুর্দান্ত সময় কাটবে। পাশাপাশি, আপনি তাঁর কাছ থেকে একটি চমকও পেতে পারেন।

তুলা রাশি: আপনি আজ এমন একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন যেটি আপনাকে প্রভাবশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে আপনার বোঝাপড়া বাড়িয়ে তোলার ভালো সুযোগ করে দেবে। আর্থিক দিক থেকে দিনটি নিঃসন্দেহে ভালো। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে গৃহীত কোনো সফর আপনাকে লাভবান করবে।চোখে ছানি রয়েছে এমন রোগীদের আজ দূষিত পরিবেশ এড়িয়ে চলা উচিত। কর্মক্ষেত্রে ভালো সময় কাটবে।

বৃশ্চিক রাশি: জীবনের হাজারও ব্যস্ততার মাঝখানেও আজকে আপনি আপনার সন্তানদের জন্য সময় বার করতে পারবেন। পাশাপাশি, তাদের সাথে সময় কাটিয়ে আপনার মনও ভালো হয়ে যাবে। ভবিষ্যতের কথা ভেবে আজ থেকেই অর্থ সঞ্চয়ের কথা ভাবুন। নাহলে আপনি আর্থিক সঙ্কটের মুখোমুখি হবেন। প্রেমের জন্য দিনটি ভালো। কোনো কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে অবশ্যই মাথা ঠান্ডা রাখুন।

ধনু রাশি: আজকে আপনি কোনো আধ্যাত্মিক ব্যক্তির সাথে দেখা করতে পারেন। যার ফলে আপনার মন শান্ত হয়ে যাবে। নিজের পরিবারকে সময় দিতে আজ ভুলবেন না। আর্থিক দিক থেকে দিনটি ভালো। বিবাহিত জীবন অবশ্যই সুখের হবে। আজ আপনি আপনার বেশিরভাগ সময়টা ঘুমিয়ে ব্যয় করতে পারেন। যদিও, সন্ধ্যে নাগাদ আপনি বুঝতে পারবেন অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে গেছে।

মকর রাশি: আজ আপনি আপনার বাড়িতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জিনিসপত্রগুলিকে গোছানোর পরিকল্পনা করলেও সময়ের অভাবে তা সম্পন্ন হবে না। আপনি যদি বিদেশে পড়াশোনা করতে চান সেক্ষেত্রে আর্থিক সঙ্কট আপনার মনকে খারাপ করে দিতে পারে। পরিবারের সদস্যদের সাথে কোনো সমস্যা হলেও তা মিটে যাবে। নিজের পছন্দের কোনো কাজ আপনি আজ করতে পারেন। কোনো মূল্যবান উদ্যোগে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার আগে অবশ্যই বারংবার ভেবে দেখুন।

কুম্ভ রাশি: কর্মক্ষেত্রে দিনটি সুন্দর কাটবে। আর্থিক দিক থেকেও আজকের দিনটি ভালো। যার ফলে আপনি নিশ্চিন্তে কোনো কেনাকাটা করতে পারেন। ব্যস্ত সময়সূচি থাকা সত্বেও আপনার স্বাস্থ্য আজ সুন্দর থাকবে। প্রেমের জন্য দিনটি ভালো। আজ আপনি আপনার বেশিরভাগ সময়টা ঘুমিয়ে ব্যয় করতে পারেন। যদিও, সন্ধ্যে নাগাদ আপনি বুঝতে পারবেন অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে গেছে।

মীন রাশি: আজ অবশ্যই সন্তানদের সাথে কিছুটা সময় কাটান। এর ফলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে গ্রহনির্ভর স্থান আজ আপনার পক্ষে অনুকূল নয়। তাই, অর্থ সামলে রাখার চেষ্টা করুন। কর্মক্ষেত্রে আজ চাপ বাড়তে পারে। তবে, সামগ্রিকভাবে দিনটি ভালো কাটবে। কোনো কাজে আজ আপনি সবার কাছ থেকে সমর্থন পাবেন। কোনো ভ্রমণ আজ দুর্দান্তভাবে সম্পন্ন হবে।

নিউজ ট্যাগ: আজকের রাশিফল

আরও খবর

আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন ?

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

অ্যাকনে যখন মাথার ত্বকে

বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩