Logo
শিরোনাম

আফগানদের হোয়াইটওয়াশ করে র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে পাকিস্তান

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ নভেম্বর ২০২৩ | ৯৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তনি ম্যাচ সিরিজে দুর্দান্ত খেলেছে পাকিস্তান। টানা তিন জয়ে আফগানদের হোয়াইটওয়াশ করার পাশাপাশি ব্যাটে-বলে প্রতাপ দেখিয়েছে বাবর আজমের সেনারা। আর এতে করে আইসিসির ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানে উঠেছে পাকিস্তান।

শনিবার (২৬ আগস্ট) তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৫৯ রানে হারিয়েছে পাকিস্তান। এতে করে অস্ট্রেলিয়াকে হঠিয়ে শীর্ষে উঠলো পাকিস্তান। পাকিস্তানের রেটিং ১১৮, পয়েন্ট ২৭২৫। দুইয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়ার রেটিং সমান তবে পয়েন্ট ২৭১৪। তিনে থাকা ভারতের রেটিং ১১৩, চারে থাকা নিউজিল্যান্ডের ১০৪ এবং পাঁচে থাকা ইংল্যান্ডের রেটিং ১০১।

এদিন কলম্বোতে আগে ব্যাটিং করে বাবর-রিজওয়ানের শতরান পেরোনো জুটি এবং দুজনেইর ফিফটি পেরোনো ইনিংসে ভর করে ২৬৮ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। জবাবে মুজিবের রেকর্ড ফিফটিতে ২০৯ রানে গুটিয়ে যায় আফগানরা। ৫৯ রানে জয় পায় পাকিস্তান।

পাকিস্তানের ইনিংসে রিজওয়ান ৬৭, বাবর ৬০ আগা সালমান ৩৮* ও মোহাম্মদ নওয়াজ ৩০ রান করেন। আফগানদের হয়ে বল হাতে গুলবেদীন নাঈব ও ফরিদ আহমেদ ২টি করে এবং মুজিব, রশিদ ও ফজল একটি করে উইকেট নেন।

২৬৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৬০ রানের মাথায় ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে আফগানরা। বড় ব্যবধানে হারের শঙ্কা যখন উঁকি দিচ্ছিলো তখন মুজিব উর রহমানের ব্যাটে শক্তি আসে। ৩৭ বলে ৬৪ রানের রেকর্ড ইনিংস খেলেন। আফগানদের হয়ে দ্রুততম ফিফটির মালিক এখন মুজিব।

তবে মুজিবের ইনিংস ছাড়া বলার মতো রান পেয়েছে রিয়াজ হাসান (৩৪) ও শহীদুল্লাহ (৩৭)। কিন্তু মন্থর গতির এই রান শুধু হারের ব্যবধানই যা কমিয়েছে।

পাকিস্তানের হয়ে শাদাব খান ৩টি, শাহীন আফ্রিদি, মোহাম্মদ নওয়াজ ও ফাহিম আশরাফ দুটি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট নেন আগা সালমান।

দুটি ক্যাচ নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে ৬৭ রান করা রিজওয়ান ম্যাচসেরা হন এবং তিন ম্যাচে ১৬৫ রান করা ইমাম উল হক সিরিজের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন।


আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩