Logo
শিরোনাম

আইপিএলের ইতিহাসে সর্বকালের রেকর্ড দামে বিক্রি হলেন মরিস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৬২জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত বছর ১৫ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে বিক্রি হয়েছিলেন প্যাট কামিন্স। তিনিই ছিলেন আইপিএলের সবচেয়ে দামি বিদেশি ক্রিকেটার। এবার ক্রিস মরিস ছাপিয়ে গেলেন সেই রেকর্ডও।

ক্রিকবাজের খবরে জানা গেছে, এবারের নিলামে শুরুতেই ম্যাক্সওয়েলকে নিয়ে টানাটানি শুরু হয় চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুর মধ্যে। ম্যাক্সওয়েল ১৪ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হওয়ার পর ধরে নেওয়া হচ্ছিল তিনিই এবার সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার হতে পারেন। তবে মরিস ছাপিয়ে যান ম্যাক্সওয়েলকেও।

শেষ পর্যন্ত আইপিএলের ইতিহাসে নিলামে বিক্রি হওয়া সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার হলেন মরিস। তাঁকে ১৬ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে দলে নেয় রাজস্থান রয়্যালস। তিনি যুবরাজ সিংয়ের ১৬ কোটি রুপির রেকর্ড ভেঙে দেন। এতদিন যুবরাজ ছিলেন আইপিএল নিলামে বিক্রি হওয়া সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার।

গতবার মরিসের দাম ছিল ১০ কোটি। এবার তার চেয়েও ৬ কোটি ২৫ লাখ রুপি বেশি পেলেন তিনি। এবার মরিসের বেস প্রাইস ছিল ৭৫ লাখ রুপি।

এদিকে বাংলাদেশি তারকা সাকিব আল হাসানকে ৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।

আজ বৃহস্পতিবার চেন্নাইতে আইপিএলের নিলামে প্রীতি জিনতার কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের সঙ্গে লড়াই বেশ জমেছিল শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্সের। বাংলাদেশি তারকার জন্য প্রথম বিড করে কলকাতা। এরপর পাঞ্জাব তাঁকে দলে পাওয়ার আগ্রহ দেখায়। একপর্যায়ে জমে ওঠে লড়াই। তাই দাম বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত ৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে তাঁকে দলে নেয় কলকাতা।

Share

আরও খবর



আপন জুয়েলার্সের ১৫ মণ স্বর্ণ ও হীরা জব্দে অভিযোগপত্র দাখিল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অবৈধভাবে স্বর্ণালঙ্কার মজুদের অভিযোগ করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার হোসেন সেলিমের বিরুদ্ধে অভিযাগ করা মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে লেখা শুল্ক ও কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে দীর্ঘদিন যাবৎ আপন জুয়েলার্সের মালিক স্বর্ণালঙ্কার মজুদ করে রাখেন।

আজ মঙ্গলবার (০২ মার্চ) আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন রমনা থানায় মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখায় এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

প্রসঙ্গত, অবৈধভাবে আপন জুয়েলার্সে প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। রাজধানীতে আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শাখায় ২০১৭ সালের ১২ আগস্ট একযোগে স্বর্ণ ও হীরা জব্দ। বৈধ কাগজপত্র আপন জুয়েলার্সের মালিক দেখাতে না পারায় তা জব্দের সিদ্ধান্ত নেয় শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। মূল্যবান ধাতু কর নথিতে অপ্রদর্শিত ও গোপন রাখার দায়ে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে পাঁচটি মামলা করে শুল্ক গোয়েন্দা। তার মধ্যে গুলশান থানায় দুটি, ধানমন্ডি থানায় একটি, উত্তরা থানায় একটি ও রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

শুল্ক গোয়েন্দারা আপন জুয়েলার্সের গুলশান ডিসিসি মার্কেট, গুলশান এভিনিউ, উত্তরা, সীমান্ত স্কয়ার ও মৌচাকের ৫টি শোরুমে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ ও ৪২৭ গ্রাম হীরা জব্দ করে। এসব স্বর্ণ ও হীরার ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষ। পরে আইনানুগভাবে প্রতিষ্ঠানের জিম্মায় দেওয়া হয়। এরপর আত্মপক্ষ সমর্থনে আপন জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষকে ৩ বার শুনানির সুযোগ দিলেও তারা এসব সোনা-হীরার কোনও প্রকার বৈধ কাগজ দেখাতে পারেনি। তবে আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষের দেওয়া ১৮২ জনের তালিকার মধ্যে ৮৫ জন প্রকৃত গ্রাহককে মেরামতের জন্য জমা রাখা প্রায় ২.৩ কেজি স্বর্ণালঙ্কার অক্ষত অবস্থায় ফেরত দেওয়া হয়।

নিউজ ট্যাগ: আপন জুয়েলার্স
Share

আরও খবর



বরিশালে বদলি করা হয়েছে কুষ্টিয়ার সেই পুলিশ সুপারকে

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভেড়ামারা পৌরসভা নির্বাচনে দায়িত্বরত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা সেই কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম তানভীর আরাফাতকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) তানভীর আরাফাতকে বরিশাল মহানগরী পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ার নতুন পুলিশ সুপার নিয়োগ পেয়েছেন বরিশাল মহানগরীর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. খাইরুল আলম।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌরসভা নির্বাচনে ১৪ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ পান মো. মহসিন হাসান। এরপর ১৬ জানুয়ারি দায়িত্বপালন অবস্থায় সকাল ১০টায় ভেড়ামারা পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অবস্থানকালে কুষ্টিয়ার এসপি তানভীর আরাফাত ম্যাজিস্ট্রেট মহসিন হাসানের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।

এসপি তানভীর আরাফাতের দুর্ব্যবহারের জন্য তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেন মহসিন হাসান। দাখিল করা একটি আবেদনের কপি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এর অনুলিপি আইন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের আইজির দফতরেও পাঠানো হয়।

মহসিন হাসান অভিযোগে বলেছেন, আমি আমার পরিচয় দিলে এসপি ক্ষিপ্তস্বরে বলেন, আপনি এখানে কী করেন? বেয়াদব, বের হয়ে যান এখান থেকে। আমি পুলিশ সুপার ও তার ফোর্সের আক্রমণাত্মক চরম অসৌজন্যমূলক ও মারমুখী আচরণে হতচকিত ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকি। এরপর এসপিসহ তার সঙ্গীয় ফোর্স আমার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আমাকে উদ্দেশ্য করে একাধিকবার বলেন, এসব লোককে পাঠায় কে? বেয়াদব ছেলে। এখানে কাজ কী আপনার? বের হয়ে যান এখান থেকে

নিউজ ট্যাগ: পুলিশ সুপার
Share

আরও খবর



ফেসবুকে শুক্রাণুদাতা খুঁজে মা হচ্ছেন ব্রিটিশ নারীরা!

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১ | ৬১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
পরিকল্পনা মতো শুক্রাণুদাতার সঙ্গে ক্লো এবং তার স্বামীও মোট ৬ বার দেখা করেছিলেন। ক্লো এতে একবার গর্ভবতী হয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু তার মিসক্যারেজ বা গর্ভপাত হয়ে যায়

ব্রিটেনে যেসব দম্পতির সন্তান হচ্ছে না, তাদের অনেকেই নানা কারণে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় উপযুক্ত চিকিৎসা পান না। ফলে তাদের অনেকেই গর্ভধারণের জন্য ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ থেকে স্পার্ম ডোনার বা শুক্রাণুদাতা খুঁজে নিচ্ছেন।

বছর খানেক ধরে সন্তান নেবার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন ক্লো এবং তার সঙ্গী। কিন্তু কিছুতেই তার গর্ভসঞ্চার হচ্ছিল না। পারিবারিক ডাক্তার তাদের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বা এনএইচএসের স্থানীয় ফার্টিলিটি ক্লিনিকে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষার পর দেখা যায়, ক্লোর সঙ্গীর শুক্রাণুর কিছু সমস্যা রয়েছে এবং তাই গর্ভধারণ করতে হলে তাকে একজন দাতার শুক্রাণু নিতে হবে। ক্লিনিক থেকে তাদের শুক্রাণুদাতার তালিকা দেয়া হয়। সেই তালিকায় মাত্র একজন উপযুক্ত দাতার সন্ধান পেলেন তারা।

তার শুক্রাণু ব্যবহার করে ২০১৭ সালের অক্টোবরে ক্লোর প্রথম আইভিএফ বা কৃত্রিম গর্ভসঞ্চারের চেষ্টা করা হলো। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হলো না। তখন ক্লিনিক থেকে ক্লোকে বলা হলো, তারা আইসিএসআই নামে আরেকটি পদ্ধতি চেষ্টা করে দেখতে পারেন- যাতে সরাসরি ডিম্বাণুর ভেতরে শুক্রাণু প্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়।

কিন্তু এ পদ্ধতিটি আরও ব্যয়বহুল এবং এর খরচ তাদেরকেই বহন করতে হবে। ক্লো বলছিলেন, আমাদের পক্ষে তখন হাজার হাজার পাউণ্ড খরচ করা সম্ভব ছিল না। ততদিনে ক্লো আর তার সঙ্গী বিয়ে করেছেন। তার স্বামীই একদিন বললেন, অনলাইনে একজন শুক্রাণু দাতার খোঁজ করলে কেমন হয়? ক্লো তাই করলেন। তবে তার বন্ধুরা ও পরিবার যাতে ব্যাপারটা জানতে না পারে- সে জন্য তিনি একটা ভুয়া নাম নিয়ে ফেসবুকে কিছু গ্রুপে যোগদান করলেন এবং কয়েকদিনের মধ্যে একজন সম্ভাব্য শুক্রাণু দাতা পেয়েও গেলেন।

সেই শুক্রাণু দাতা লোকটি তার মেডিকেল ও পারিবারিক ইতিহাস জানালেন। তার কোনও যৌনরোগের সংক্রমণ হয়েছিল কিনা- তা চেক করার দলিলপত্রও দিলেন। এসব কিছুর পর ক্লো যেখানে থাকতেন, তার কয়েক মাইল দূরে একটি কারপার্কে লোকটির সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করা হলো। পরিকল্পনা মতো শুক্রাণুদাতার সঙ্গে ক্লো এবং তার স্বামীও মোট ৬ বার দেখা করেছিলেন। ক্লো এতে একবার গর্ভবতী হয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু তার মিসক্যারেজ বা গর্ভপাত হয়ে যায়। প্রতিবার তারা সেই দাতা লোকটিকে তার শুক্রাণুর জন্য ৫০ পাউণ্ড এবং যাতায়াতের জন্য ১০ পাউণ্ড দিয়েছিলেন।

এর মধ্যে শুরু হলো করোনাভাইরাস মহামারি। লকডাউনের কারণে কোথাও যাতায়াত করার ওপর বিধিনিষেধ থাকায় ক্লো এবং তার স্বামী ভিন্ন উপায় বের করলেন। তারা ফেসবুক থেকেই অন্য একজন শুক্রাণুদাতা খুঁজে বের করলেন। এই লোকটি এলেন ক্লোর বাড়িতে। এবার ক্লো সাফল্য পান। তিনি এখন সন্তানসম্ভবা। তিনি বলেন, আমরা ভীষণ আনন্দিত। অনেক দিন চেষ্টার পর এখন আমাদের একটি সন্তান হতে যাচ্ছে, পরিবার হতে যাচ্ছে- যা আমরা দুজনে অনেকদিন ধরে চেয়ে আসছি।

ক্লো এবং তার স্বামী যে সন্তানের জন্য একজন শুক্রাণুদাতা ব্যবহার করেছেন, তা তারা তাদের পরিবার বা বন্ধুদের বলেননি। একটা কারণ হচ্ছে- ক্লোর স্বামী যে সন্তান উৎপাদনে অক্ষম তা তারা কাউকে জানতে দিতে চান না। আরেকটা কারণ হলো- কিছু লোক আছে যারা ভাববে যে এটা একটা গুরুতর অন্যায় কাজ করেছেন তারা। ক্লো বলছেন, সৌজন্যবোধ থেকেই তিনি তার গর্ভবতী হবার কথা শুক্রাণুদাতাকে জানিয়েছেন। তবে তিনি বলছেন, এ শিশুর ওপর দাতার কোন অধিকার থাকবে না এবং সন্তানের জন্ম সনদেও থাকবে ক্লোর স্বামীর নাম।

Share

আরও খবর

গাড়ির উপর রহস্যময় পায়ের ছাপ!

রবিবার ২৪ জানুয়ারী ২০২১




একুশের রাতেই শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

প্রকাশিত:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাতের আঁধারে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ভেঙে ফেললো শহীদ মিনার। একুশের রাতে মাগুরা সদর উপজেলার বুজরুক শ্রীকুন্ডি কলেজে এ ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সদর থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কলেজ অধ্যক্ষ পল্লব কুমার দে জানান, কলেজ প্রতিষ্ঠার পর ২০০২ শহীদ মিনারটি নির্মাণ করা হয়। শনিবার বিকালে তিনি শহীদ মিনারটি অক্ষত অবস্থায় দেখেছেন। রবিবার সকাল ৯টার দিকে ফুল দিতে এসে দেখেন শহীদ মিনারের তিনটি স্তম্ভ ভেঙে মাটিতে পড়ে আছে। ঘটনাটি তিনি পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে অস্থায়ীভাবে শহীদ মিনারটি পুনর্নির্মাণ করে। পরে পুনর্নির্মিত শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মাগুরা উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ মাগুরা শাখা, আবৃত্তি সংগঠন কণ্ঠবীথিসহ বিভিন্ন সামাজিক- সাংস্কৃতিক সংস্থা।

সাংস্কৃতিক সংগঠক অ্যাডভোকেট মোখলেছুর রহমান বলেন, এটি শুধু শহীদ মিনার নয়, গোটা জাতির ওপর হামলা। অবিলম্বে দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন।

সদর থানার ওসি জানান, তারা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে কেউ এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: শহীদ মিনার
Share

আরও খবর

মাগুরায় মাথা জোড়া লাগা যমজ শিশুর জন্ম

মঙ্গলবার ০৫ জানুয়ারী ২০২১




কঙ্গোতে নৌকা ডুবে নিহত ৬০, নিখোঁজ শতাধিক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | ৬১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই নৌকাটি দেশটির পশ্চিমে মাই এনডোম্বে প্রদেশে কঙ্গো নদীতে ডুবে যায় বলে জানান দেশটির মানবিক বিষয় সম্পর্কিত মন্ত্রী স্টিভ এমবিকায়ি

কঙ্গোর পশ্চিমাঞ্চলীয় কঙ্গো নদীতে প্রায় ৭০০ যাত্রী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় কমপক্ষে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন শতাধিক যাত্রী। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও অন্তত ৩০০ জনকে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই নৌকাটি দেশটির পশ্চিমে মাই এনডোম্বে প্রদেশে কঙ্গো নদীতে ডুবে যায় বলে জানান দেশটির মানবিক বিষয় সম্পর্কিত মন্ত্রী স্টিভ এমবিকায়ি।

মন্ত্রী আরও জানান, নৌকাটিতে প্রায় ৭০০ যাত্রী ছিল। তাদের মধ্য থেকে ৩০০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে নৌকাটি কিনশাসা থেকে এমবান্ডাকার দিকে রওনা হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ঝুঁকিপূর্ণ নৌকা ব্যবহার করা এবং অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল তোলার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। রাতের বেলা নৌকা চালনাও এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।

এছাড়া মানবিক বিষয় সম্পর্কিত মন্ত্রী স্টিভ এমবিকায়ি নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: কঙ্গো
Share

আরও খবর