Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে উন্নয়নের পথে অগ্রসরমান: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং তথ্য কমিশন সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারসহ চাঞ্চল্যকর অন্যান্য মামলার রায় দ্রুত নিষ্পত্তি করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) জাতীয় সংসদে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেওয়া স্মারক বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে বিকেল ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্নীতি, মাদক, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ এবং সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কারণে দেশে স্বস্তি বিরাজ করছে, যা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে। সুশাসনের উদ্দেশ্যে প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির আওতায় আনার লক্ষ্যে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা, সিটিজেনস চার্টার এবং শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক নেতা, সুশীলসমাজ এবং অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করে যেতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনকালীন একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের বিষয়। এজন্য আমি পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নিকট শুকরিয়া আদায় করছি। করোনার অব্যাহত ঢেউ অগ্রাহ্য করে জাতি সাড়ম্বরে উদযাপন করছে মুজিবশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। আমরা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত ভাগ্যবান। দেশে-বিদেশে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের পাশাপাশি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উদযাপনের এ শুভক্ষণে আমি আপনাকে এবং আপনার (স্পিকার) মাধ্যমে সংসদ-সদস্যবৃন্দসহ প্রিয় দেশবাসী ও বিদেশে বসবাসরত সকল প্রবাসীকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা শুরু করে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং ওই দিনই তাকে হানাদার বাহিনী গ্রেফতার করে। তার নির্দেশনায় কৃষক-শ্রমিক, ছাত্র-জনতা যার যা কিছু ছিল তা নিয়েই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ১০ এপ্রিল শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে, ৩০ লাখ শহীদের জীবন ও দুই লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় বাঙালির চূড়ান্ত বিজয়, সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত, দুর্নীতি ও শোষণহীন এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলার মানুষের মুক্তি অর্থাৎ সোনার বাংলা বিনির্মাণ। স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে যুদ্ধবিধ্বস্ত নবীন দেশটির প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধু যখন মানুষের খাদ্যাভাব দূরীকরণ, সামাজিক অস্থিরতা নিরসন ও আইন-শৃঙ্খলার উন্নতিতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং দেশকে পুনর্গঠন করার জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমুখী নীতি ও আইন প্রণয়ন করে জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে ঘাতকেরা তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন স্তব্ধ করে দেয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতা লাভ করে তখন অনেকেই সদ্য স্বাধীন দেশটির ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অস্টিন রবিনসন ইকোনমিক প্রসপেক্টাস অব বাংলাদেশ গ্রন্থে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে ম্যালথাসিয়ান স্ট্যাগনেশন এর সঙ্গে তুলনা করেন, যার পরিণতি দুর্ভিক্ষ ও মৃত্যু। তৎকালীন মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির সঙ্গে তুলনা করেন। কারণ সেসময় বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে অনেক বাধা ছিল যা অতিক্রম করে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো ছিল খুবই কঠিন। কিন্তু, আজ সকল আশঙ্কা ও নেতিবাচক ভবিষ্যৎবাণী ভুল প্রমাণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে চলেছেন তার সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে উন্নয়নের পথে অগ্রসরমান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতিসংঘ কর্তৃক ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। ১৯৭৫ সালের পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং উপযুক্ত নীতি ও কার্যক্রমের অভাবে অর্থনীতিতে তেমন গতি সঞ্চার হয়নি। তবে গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জাতির পিতার আদর্শের সরকার দায়িত্বে থাকায় তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ফলে দেশ আজ উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশ্বে রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্টর নির্ধারিত তিনটি সূচক মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের প্রতিটিতে নির্ধারিত স্কোরের বেশি অর্জন করায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করে, যা স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ক্ষণে দেশের এ সাফল্য জাতির জন্য বয়ে এনেছে এক অভাবনীয় গৌরব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ, দূরদর্শী ও অদম্য নেতৃত্বের জন্য আমাদের এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। এজন্য আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাই।

আবদুল হামিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছে। এখন পৃথিবীর যে ১১টি দেশকে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য উদীয়মান এগারো বলে অভিহিত করা হয় তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। গত এক দশকে গড়ে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ এবং পরপর তিন বছর ৭ শতাংশের ওপর প্রবৃদ্ধি অর্জনের পর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশে উন্নীত হয়। করোনার প্রভাব সত্ত্বেও যে কয়েকটি দেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে তাদের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। দেশের অর্থনীতির উল্লেখযোগ্য কাঠামোগত পরিবর্তনের মাধ্যমে কৃষিপ্রধান দেশ এখন আধুনিক অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য ধারণ করেছে। অর্থনৈতিক উন্নতির এ ধারাবাহিকতায় বর্তমানে জিডিপিতে কৃষির অবদান মাত্র ১৩ শতাংশ, অন্যদিকে শিল্প ও সেবা খাতের অবদান জিডিপিতে যথাক্রমে ৩৫ ও ৫২ শতাংশ যা অত্যন্ত আশাপ্রদ। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। ২০৩৫ সাল নাগাদ বাংলাদেশ বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করেছে বৃটেনের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনমিক অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ।

তিনি বলেন, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ৫৪৩ মার্কিন ডলার হতে বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ৫৫৪ মার্কিন ডলারে এবং জিডিপির আকার ৬ গুন বৃদ্ধি পেয়ে ৪ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা হতে ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। রপ্তানি প্রায় ৪ গুন বৃদ্ধি পেয়ে ১০ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে প্রায় ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৭৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে আজ ৪৮ হাজার মিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। বাজেটের আকার ১০ গুন বৃদ্ধি পেয়ে ৬১ হাজার ৫৭ কোটি টাকা থেকে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা হয়েছে। দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ ২ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা থেকে ১ লাখ ৭ হাজার ৬১৪ কোটি টাকায় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এডিপির আকার প্রায় ৯ গুন বৃদ্ধি পেয়ে ২৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা হতে ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা হয়েছে।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে এবং কিছু কিছু সূচকে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশসমূহের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এমডিজি অর্জনে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন বিশেষভাবে শিশুমৃত্যু হ্রাসের কারণে বাংলাদেশ জাতিসংঘ কর্তৃক এমডিজি পুরস্কারে ভূষিত হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার সময় আমাদের গড় আয়ু ছিল ৪৭, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ বছরের ওপরে। প্রাথমিক স্কুলে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় শতভাগ। স্বাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। শিশু ও মাতৃ মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে। আমাদের উৎপাদিত পোশাক, সিমেন্ট, ওষুধ, ফুল, সবজি, মাছসহ অসংখ্য পণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। পোশাক রপ্তানিতে এবং ইন্টারনেটভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। কৃষিজমির পরিমাণ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাওয়ায় খাদ্য উৎপাদনে আজ আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ফলে ২০০৫ সালে যেখানে দারিদ্র্যের হার ছিল ৪০ শতাংশ সেখানে ২০১৯ সালে দারিদ্র্যের হার ২০ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলার আধুনিক রূপ ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ কোনো স্বপ্ন নয় বরং বাস্তবতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনায় ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তবায়ন শুধু দেশে নয়, বিশ্বে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে যখন গোটা বিশ্ব বিপর্যস্ত তখন সরকারের বিভিন্ন ডিজিটাল উদ্যোগ মানুষকে দেখিয়েছে নতুন পথ, যুগিয়েছে প্রেরণা। ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নে নেতৃত্বদান ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী উইটসা এমিনেন্ট পারসনস অ্যাওয়ার্ড এ ভূষিত হয়েছেন। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও অবদানের জন্য অ্যাসোসিও লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ। প্রধানমন্ত্রী এবং তার সুযোগ্য পুত্রের এ অর্জন বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করেছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে বলেছিলেন, ৭ কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে সাময়িকভাবে বাঁধাগ্রস্ত করলেও থামিয়ে দিতে পারেনি। সরকারের সময়োচিত ও দূরদর্শী পদক্ষেপের কারণে অনেক উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ এবং সংক্রমণজনিত মৃত্যুহার অপেক্ষাকৃত কম। এরই মধ্যে ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৯১ হাজার ৫৭৮ জনকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। করোনার সংকট মোকাবিলায় অর্থনীতিকে দ্রুত পুনর্গঠন এবং এর গতি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার ২৮টি প্যাকেজের আওতায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করছে। এ সকল প্রণোদনা প্যাকেজসমূহের বাস্তবায়ন কর্মসৃজন ও কর্মসুরক্ষা, অভ্যন্তরীণ চাহিদা সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন-ভাতা প্রদান সহায়তাসহ স্বল্প সুদে বিভিন্ন প্রকার সুবিধা প্রদান করায় বৃহৎ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানসমূহ দ্রুত উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হয়েছে। ফলে দেশের রপ্তানি পূর্বের গতি ফিরে পেয়েছে। করোনাকালীন বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, ওএমএস কার্যক্রম এবং নগদ অর্থ বিতরণ ইত্যাদি নানামুখী জনকল্যাণকর কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের একটি মানুষও না খেয়ে থাকেনি। জীবন-জীবিকার অসাধারণ সমন্বয়ের মাধ্যমে করোনা সংকট মোকাবিলায় অনন্যসাধারণ নেতৃত্ব প্রদানের কারণে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অকুণ্ঠ প্রশংসা করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ স্বীকৃতি আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের, যা বিশ্ব দরবারে আমাদের সম্মান আরও বৃদ্ধি করেছে। এজন্য আমি প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, জাতি হিসেবে আমরা এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত অতিক্রম করছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর সোপান বেয়ে আমরা পৌঁছে গিয়েছি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর স্বর্ণতোরণে। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নির্মাণ এখন সমাপ্তির পথে। প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় মনোবল, বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন হয়েছে। এ সেতুর বাস্তবায়ন জাতি হিসেবে আমাদের স্বকীয়তা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা, সক্ষমতা, জবাবদিহি, দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীকস্বরূপ মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস দিয়েছে। পদ্মা সেতুর নেগোসিয়েশনের পর অন্যান্য মেগা প্রকল্পে নেগোসিয়েশন দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহুলেন টানেলের দ্বিতীয় টানেলের নির্মাণকাজ সমাপ্ত হয়েছে। সমগ্র দেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বিজয় দিবসের উপহার হিসেবে দেশের জনগণ প্রথম মেট্রো রেলে চলাচল করতে পারবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ৫৭তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এমডিজির সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০১৫ হতে ২০২০ সাল পর্যন্ত এসডিজির বিভিন্ন সূচকে অনন্য অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরূপ সম্প্রতি বাংলাদেশ এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড এ ভূষিত হয়। সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশন নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন কৌশলবিদ অধ্যাপক জেফরি ডেভিড স্যাকস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভার্চুয়ালি এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন। এ প্রাপ্তি আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের এক বিশাল অর্জন। এ সম্মান বাংলাদেশের, এ সম্মান সমগ্র বাঙালি জাতির।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো কর্তৃক প্রবর্তিত ‌'UNESCO-Bangladesh Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman International Prize for the Creative Economy' এর আওতায় প্রথমবারের মতো উগান্ডার মোটিভ ক্রিয়েশন নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর নামে এ আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন জাতি হিসেবে আমাদের আরেকটি অসাধারণ প্রাপ্তি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলের মধ্যে ঐক্য। ঐক্য গড়ে তুলতে হবে সাম্প্রদায়িকতা, অগণতান্ত্রিকতা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক দলসমূহকে পরমতসহিষ্ণুতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। আসুন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আমরা দল-মত-পথের পার্থক্য ভুলে, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে জাতির গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার মধ্য দিয়ে লাখো শহীদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করি।


আরও খবর



হিন্দিতে মানি হাইস্টের রিমেক

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্প্যানিশ ক্রাইম ড্রামা মানি হাইস্টের জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। বলিউডে যে তার রিমেক হতে চলেছে এ খবর আগেই পৌঁছেছিল দর্শকের কাছে। শোনা গিয়েছিল, কেন্দ্রীয় চরিত্র অর্থাৎ প্রফেসর আলভারো মর্তের চরিত্রে নাকি দেখা যাবে শাহরুখ খানকে। তবে সম্প্রতি সূত্র বলছে, শাহরুখ নয়, প্রফেসর হতে চলেছেন ফিটনেস ফ্রিক অভিনেতা অর্জুন রামপাল।

জানা গেছে, সিরিজ নয়। পরিচালকের ইচ্ছানুসারে ছবির আকারেই মুক্তি পাবে মানি হাইস্টের রিমেক।

আব্বাস-মাস্তানের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রিমেক হলেও পরিচালকদ্বয়ের নিজস্ব স্টাইলের ছাপ থাকবে তাতে। মানি হাইস্ট-এর গল্প অবলম্বনে নির্মিতব্য বলিউড ছবিটির নাম দেওয়া হয়েছে থ্রি মানকিস। চলতি মাসেই এর শুটিং শুরু হবে। ছবিতে একটি চরিত্রে মুস্তফাকেও দেখা যেতে পারে। আগামী বছরের দ্বিতীয়ার্ধে মুক্তি পেতে পারে ছবিটি।

বলিউডকে বহু সুপারহিট ছবি উপহার দিয়েছেন আব্বাস-মাস্তান। এর মধ্যে আজনবি, সোলজারবাজিগর অন্যতম। তাদের পরবর্তী ছবি পেন্টহাউজেও দেখা যাবে অর্জুনকে।

 


আরও খবর



বাসভাড়া ৪০ শতাংশের বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে পরিবহন মালিকদের দাবির মুখে গণপরিবহনে নতুন করে ভাড়া সমন্বয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। যেখানে বাসভাড়া গড়ে ৪০ শতাংশের বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে।

রবিবার  (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ কার্যালয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রেক্ষাপটে গণপরিবহনে ভাড়া পুনর্নির্ধারণে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে পরিবহন মালিক সমিতির নেতাদের বৈঠক থেকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়।

নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দূরপাল্লার বর্তমান বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৪২ পয়সা, তা বাড়িয়ে ২ টাকা করার প্রস্তাব হয়েছে। অর্থাৎ এতে কিলোমিটারপ্রতি যাত্রীকে বাড়তি ৫৮ পয়সা গুনতে হবে। ভাড়া বৃদ্ধির এ হার ৪০.৮৫ শতাংশ।

এছাড়া মহানগরে বাসের বর্তমান ভাড়া কিলোমিটারে ১.৭০ পয়সা, প্রস্তাব হয়েছে ২.৪০ পয়সা করার। এতে ৭০ পয়সা ভাড়া বাড়বে। বাড়তি ভাড়ার এ শতকরা হার ৪১.১৮ শতাংশ। মহানগরে মিনিবাসের বর্তমান ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১.৬০ পয়সা। এটি বাড়িয়ে ২.৪০ পয়সা করার প্রস্তাব হয়েছে। এতে ভাড়া বাড়ে কিলোমিটারপ্রতি ৮০ পয়সা। ভাড়া বৃদ্ধির এ হার ৫০ শতাংশ।

জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা করে বাড়ানোর প্রতিবাদে সারা দেশে গত তিন দিন ধরে পরিবহন ধর্মঘট চলছে। পরিবহন মালিকরা শুরু থেকেই হয় ভাড়া সমন্বয়, অথবা ডিজেলের দাম কমানোর দাবি জানাচ্ছিলেন। এরইমধ্যে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানোর কারণে গণপরিবহনের ভাড়া পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) বিআরটিএকে চিঠি দেয় বাংলদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।


আরও খবর



১৬ ডিসেম্বর ঢাকা আসছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় আসবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ভারতের রাষ্ট্রপতি এবং ভুটানের সাবেক রাজাকে ১৬ ডিসেম্বরের জন্য দাওয়াত দিয়েছি। ইতোমধ্যে ভারত দেশটির রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ সফর নিশ্চিত করলেও ভুটান থেকে এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

দুই দেশের কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ভারতের রাষ্ট্রপতির ১৫ ডিসেম্বর তিনদিনের সফরে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। এজন্য ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিবসে ভারতে এবং ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে-দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর ঘিরে প্রস্তুতি চলছে।

সূত্র জানায়, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল নিকট প্রতিবেশী ভারত। দিনটিকে স্মরণীয় করতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৬ ডিসেম্বরকে মৈত্রী দিবস হিসাবে ঘোষণা করেন।

৬ ডিসেম্বর দিনটিতে ভারত আয়োজিত মৈত্রী দিবসের অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট কন্যা শেখ রেহানাকে অতিথি হিসেবে নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।



আরও খবর



আজকের ভালো মন্দ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ আপনার জন্মদিন হলে পাশ্চাত্য জ্যোতিষে আপনি বৃশ্চিক রাশির জাতক/জাতিকা। আপনার জন্মসংখ্যা : ৩। আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহ : মঙ্গল ও বৃহস্পতি। আপনার শুভ সংখ্যা : ৩ ও ৯। শুভ বার : মঙ্গল ও বৃহস্পতি। শুভ রত্ন : রক্তপ্রবাল ও পোখরাজ।

মেষ (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল)

রাজনীতিবিদদের জন্য দিনটি শুভ। সাংগঠনিক কাজে সুফল পাবেন। ভবিষ্যতের জন্য কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারেন। আর্থিক দিক ভালো যাবে। বন্ধুদের কারো সহযোগিতা পেতে পারেন।

বৃষ (২১ এপ্রিল-২০ মে)

পিতৃস্বাস্থ্য ভালো যাবে। কোনো উচ্চাশা পূরণ হতে পারে। কর্ম পরিবেশ অনুকূল থাকবে। বেকারদের কারো কারো সহযোগিতা পেতে পারেন। বেকারদের কারো কারো চাকরি হতে পারে। পাবলিক ইমেজ বৃদ্ধি পাবে।

মিথুন (২১ মে-২০ জুন)

সামাজিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকতে পারে। উচ্চ শিক্ষার্থীদের জন্য সময় অনুকূল থাকতে পারে। পেশাগত দিক ভালো যাবে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে বিদেশযাত্রা হতে পারে। কাজকর্মে ভাগ্যের আনুকূল্য পেতে পারনে।

কর্কট (২১ জুন-২০ জুলাই)

অতীন্দ্রিয় শাস্ত্রাদির প্রতি আগ্রহবোধ করতে পারেন। বিমা কর্মীদের জন্য সমান অনুকূল থাকতে পারে। শারীরিক অসুস্থ তাকে অবহেলা করবেন না। সামাজিক সংকট এড়িয়ে চলুন। অন্যথায় বদনাম হতে পারে।

সিংহ (২১ জুলাই-২১ আগস্ট)

ব্যবসায়িক দিক ভালো যাবে। যৌথ ব্যবসায় নিজের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারবেন। নতুন বিনিয়োগ ফলপ্রসূ হতে পারে। কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সহযোগিতা পেতে পারেন। রোমান্স ও বিনোদন শুভ।

কন্যা (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর)

ব্যক্তিগত দায় দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে। কর্মস্থলে সহকর্মীদের সহযোগিতা পেতে পারেন। সীমালংঘন করা থেকে বিরত থাকুন। শত্রু সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। শরীর অসুস্থ বোধ করতে পারেন।

তুলা (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর)

বিদ্যার্থীদের জন্য দিনটি শুভ। পড়াশোনায় মন বসাতে পারবেন। কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারে। ধর্মীয় কাজে আনন্দ পাবেন। সন্তানের কোনো সাফল্য আনন্দদায়ক হতে পারে।

বৃশ্চিক (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর)

কোনো প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে। মন ভালো থাকবে। বিলাস দ্রব্য কেনাকাটা হতে পারে। মাতৃস্বাস্থ্য ভালো যাবে। জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে।

ধনু (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর)

ছোট ভাইবোনদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকতে পারে। প্রয়োজনে তাদের সহযোগিতা পেতে পারেন। কাজকর্মে উৎসাহ বোধ করতে পারেন। আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে। ব্যক্তিগত কোনো যোগাযোগে সুফল পাবেন।

মকর (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি)

অধীনদের কাজে লাগাতে পারবেন। মূল্যবোধ সমুন্নত থাকতে পারে। পড়াশোনা আনন্দ পাবেন। কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারবেন। আর্থিক দিক ভালো যাবে।

কুম্ভ (২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)

আত্মপ্রতিষ্ঠা চেষ্টা জোরদার করুন। সেক্ষেত্রে সাফল্য পেতে পারেন। শরীর ভালো থাকবে। ভালো ব্যবহার দিয়ে কাজ আদায় করা সহজ হতে পারে। ব্যক্তিত্ব দিয়ে অন্যকে প্রভাবিত করতে পারবেন।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ)

আইনগত ঝামেলা এড়িয়ে চলুন। ব্যয় কমানোর চেষ্টা করুন। ভ্রমণের সুযোগ পেতে পারেন। কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ করতে পারবেন। শারীরিক অসুস্থ তাকে অবহেলা করবেন না।

নিউজ ট্যাগ: আজকের রাশিফল

আরও খবর

আজকের ভালো মন্দ

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১




৮৩৫ ইউপিতে ভোটগ্রহণ শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের ৮৩৫টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোট বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। এ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। তিনি জানান, নির্বাচনী সহিংসতা দমন করতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশের দশম ইউপি নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮টি ইউপির তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু পরে তালিকা থেকে একটি ইউপি বাদ দেওয়া হয়। স্থগিত করা হয় ৭টি ইউপির ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৫টি ইউপির সকল পদে সবাই নির্বাচিত হয়।

দ্বিতীয় ধাপে চেয়ারম্যান পদে ৮১ জন ছাড়াও সংরক্ষিত আসনের সদস্য পদে নির্বাচিত ৭৩ জন সাধারণ আসনের সদস্য পদে নির্বাচিত ২০৩ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ইসির যুগ্মসচিব এসএম আসাদুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এসব ইউপিতে ভোট কেন্দ্র ৮ হাজার ৪৯২টি। মোট ভোটার ১ কোটি ৬৫ লাখ ৯৫ হাজার ২২৬ জন। পুরুষ ভোটার ৮৪ লাখ ৫ হাজার ৮৩১ জন। নারী ভোটার ৮১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৭৯ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৬ জন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩ হাজার ৩১০ জন, সংরক্ষিত সদস্য ৯ হাজার ১৬১ জন, সাধারণ সদস্য ২৮ হাজার ৭৪৭ জন। মোট প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছেন ৪১ হাজার ২১৮ জন।

বিনাভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ১৮টি জেলার ২৮টি উপজেলায় এসব প্রার্থী বিনাভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে সকল পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় এই উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে কোনো ভোটগ্রহণ হচ্ছে না।

এর আগে প্রথম ধাপে ৩৬৯ ইউপির মধ্যে ৬৯ জন চেয়ারম্যান ভোটের আগে নির্বাচিত হন। ফলে প্রথম দুই ধাপের নির্বাচনে ১৫০ জন চেয়ারম্যান বিনাভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। মূলত দেশের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি এই স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ সব নির্বাচন বর্জন করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকের এ নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনায় অস্বস্তি’ ও উদ্বেগ’ প্রকাশ করে এর আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয় ইসি। এরইমধ্যে দ্বিতীয় ধাপের ভোটের প্রস্তুতি গুছিয়ে আনার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

প্রথম ধাপে দেশের ৩৬৪ ইউপির ভোট হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ৮৩৫ ইউপির ভোট রয়েছে ১১ নভেম্বর, তৃতীয় ধাপে ১০০৩ ইউপির ভোট হবে ২৮ নভেম্বর। আর চতুর্থ ধাপে ৮৪০ ইউপিতে ২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর