Logo
শিরোনাম

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ জানুয়ারী ২০23 | হালনাগাদ:রবিবার ১২ নভেম্বর ২০২৩ | ৭০৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব (সাদ কান্ধলভীর অনুসারী) শুরু হয়েছে শুক্রবার (২০ জানুয়ারি)। ইজতেমা ময়দানে বৃহত্তর জুমার নামাজ আদায় করা হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) বাদ আসরের পর থেকেই অনানুষ্ঠানিকভাবে মাওলানা আব্দুস সাত্তারের জিম্মাদারিতে আমবয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হয়। এ পর্বে দেশের ৬৪ জেলা ছাড়াও বিদেশি মুসল্লিরাও অংশ নিয়েছেন। শুক্রবার ফজরের নামাজের পর বয়ানের মধ্য শুরু হয় মূল ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা।

এবারের ইজতেমায় প্রায় দশ হাজারের মতো বিভিন্ন দেশ থেকে বিদেশি মুসল্লিরা ইজতেমায় যোগ দেবেন বলে প্রত্যাশা করছেন ইজতেমা আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে সার্বিক নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক প্রহরায় ব্যস্ত আছেন। ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে ময়দানে এসে পৌঁছান আদি তাবলীগের শীর্ষ মুরুব্বী মাওলানা সাদ কান্ধলবীর ছেলে মাওলানা ইউসুফ কান্ধলবী, মাওলানা সাঈদ কান্ধলবী, মাওলানা ইলিয়াস কান্ধলবী, এবং তার মেয়ের জামাতা মাওলানা হাসান। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় ময়দানে প্রবেশ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীর পর্বের মিডিয়া সমম্বয়কারী মো. সায়েম, তিনি জানান, ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই বৃহস্পতিবার বাদ জোহর বয়ান মুরু করেন নিজাম উদ্দিন মারকাজের মাওলানা ফারুক এবং তা বাংলায় তরজমা করেন মাওলানা আশরাফ আলী।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়াবেন দিল্লির মাওলানা সাদ কান্ধলবীর ছেলে মাওলানা ইউসুফ কান্ধলবী। পরে বয়ান করবেন ওয়াসিফুল ইসলাম। আসর বাদ নিজামউদ্দিন মারকাজের মাওলানা সাঈদ বিন সাদ বয়ান করবেন এবং তার তরজমায় থাকবেন মুফতি আজিমুদ্দিন। মাগরিব বাদ মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ এবং তা বাংলায় তরজমা করবেন মাওলানা ইউসুফ।


আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩