
বাংলার বাঘিনীদের
জয়যাত্রার মধ্যেই হঠাৎ করে দুঃসংবাদ। ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়ন যাত্রা করে বিমানবন্দর
থেকে বাফুফে ভবনে যাওয়ার পথে চোট পেয়েছেন বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড ঋতুপর্ণা চাকমা। চোটের
ফলে কপালে তিনটি সেলাই লেগেছে তার। তবে এছাড়া বড় কোনো বিপদ হয়নি। আপাতত সুস্থই আছেন
ঋতুপর্ণা।
দেশের মানুষের
স্বপ্ন পূরণ করে সাফের শিরোপা নিয়ে দেশে ফিরেছে বাংলার অদম্য মেয়েরা। দেশে ফিরেই নিজেদের
স্বপ্নের ছাদ খোলা বাসেই চ্যাম্পিয়ন যাত্রা শুরু করেছিলো সাবিনা-সানজিদারা। সেই আনন্দযাত্রার
মধ্যেই হঠাৎ করেই ঘটে দুর্ঘটনাটি।
জাতীয় দলের আমিনুল
ইসলাম বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, র্যাডিসন ব্লু হোটেলের কাছে রাস্তায় থাকা বিলবোর্ডের
কোণা মাথায় লেগে আহত হয়েছেন ঋতুপর্ণা। তাৎক্ষণিক টিম বাস থেকে নামিয়ে বহরে থাকা ফায়ার
সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
বাফুফে নির্বাহী
ইমরান জানান, তাতক্ষণিকভাবে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঋতুপর্ণাকে সিএমএইচে নেওয়া হয়। কপালে
তিনটি সেলাই লেগেছে তার। তবে আর তেমন কোনো সমস্যা না থাকায় চিকিৎসার পরই ছেড়ে দেওয়া
হয় ঋতুপর্ণাকে । অ্যাম্বুলেন্সে করেই তিনি বাফুফে ভবনের দিকে রওনা দেন।
এর আগে দেশে ফিরেই
পেয়েছেন উষ্ণ অভ্যর্থনা পান বাংলার বাঘিনীরা। দুপুর ১ টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরে অবতরণ করে সাফজয়ী দলকে বহন করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি।
দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে কাঠমুন্ডু থেকে দেশের
উদ্দেশ্যে উড়াল দেয় সানজিদাদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিজি ৩৭২ ফ্লাইটটি।
বিমানবন্দরে নেমেই
অধিনায়ক সাবিনা খাতুনকে দিয়ে কেক কেটে সোনার মেয়েদের বরণ করে নেন বাংলাদেশ সরকারের
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। মিষ্টি আর ফুলের শুভেচ্ছার সঙ্গে বরণ
করা হয় সানজিদাদের।
দলের কোচ গোলাম
রব্বানী ছোটন আর বাফুফের নারী উইংইয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণকেও শুভেচ্ছা
জানানো হয় এসময়।
বিমানবন্দর থেকে
কাকলী-জাহাঙ্গীর গেট- পিএম অফিস-বিজয় সরণি- ফকিরাপুল হয়ে বাফুফে ভবন পৌঁছাবে সানজিদাদের
চ্যাম্পিয়ন বাস।
চ্যাম্পিয়ন যাত্রা
শেষে মতিঝিলে বাফুফে কার্যালয়ে পৌঁছালে সেখানে এই সোনার মেয়েদের অভ্যর্থনা জানাবেন
বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

