Logo
শিরোনাম

ঈদের জামাত ঈদগাহে নয়, হতে পারে মসজিদে

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এবারও ঈদের জামাত উন্মুক্ত স্থান বা ঈদগাহে পড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে সরকার। গত বছরের মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদুল ফিতরের জামাত মসজিদে আদায়ের সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

তবে ঈদ জামাতের বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সভা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৩ বা ১৪ মে দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ঈদের দিন মুসলমানরা মসজিদ কিংবা ঈদগাহে ২ রাকাত ঈদের ওয়াজিব নামাজ আদায় করে থাকেন।

রবিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খানের কাছে ঈদ জামাতের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, আমি মনে করি ঈদের জামাতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গত বছরের মতোই থাকবে। আরো কঠিন হয়তো হবে না। আমরাও চাই গত বছরের সিদ্ধান্তটাই থাক। তবে সবকিছুই আলোচনা করে আমরা ফাইনাল করবো।

তিনি বলেন, আগামী পরশু দিন আমরা একটা সিদ্ধান্তে যাব। আমাদের একটি অফিসিয়াল মিটিং হবে, সেখানে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত বছর যে পরিস্থিতি ছিল, এবার এর চেয়ে পরিস্থিতি আরো খারাপ। আমাদের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সবাইকে বলেছি বসে একটা সিদ্ধান্ত নিন। গত বছর যে সিদ্ধান্ত ছিল সেটা ঠিক রাখবেন নাকি, আরও কঠিন করবেন নাকি কিছুটা রিল্যাক্স করবেন, বসেই সেই সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আট দিনের কঠোর লকডাউন (বিধিনিষেধ) শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। সেই মেয়াদ শেষ হয় গত বুধবার (২১ এপ্রিল) মধ্যরাতে। পরে লকডাউনের মেয়াদ আগামী ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

যদিও ২৯ এপ্রিল থেকে লকডাউনের মেয়াদ আর বাড়ছে না, বিধিনিষেধ শিথিল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।



আরও খবর



ইফতারের পর ঠান্ডা পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ১০১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গ্রীষ্মের মধ্যেই রমজান চলছে। সারাদিন রোজা থাকার পর সন্ধ্যায় ইফতারের পর অনেকে ফ্রিজ থেকে সরাসরি ঠান্ডা পানি বা ঠান্ডাজাতীয় খাবার খাওয়া শুরু করেন। গরমে এভাবে পানি পান করা মোটেও ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পানের ফলে দাঁতের ভেগাস নার্ভের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়ে। এবার এ বিষয়ে জেনে নেয়া যাক-

ভেগাস স্নায়ু হলো মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পানের ফলে ভেগাস স্নায়ু উদ্দীপত হয়। এতে হৃদগতি হঠাৎ করেই অনেকটা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

রোজা রেখে ইফতারের পর, শরীরচর্চা বা ওয়ার্কআউটের পর কখনোই ঠান্ডা পানি খাওয়া উচিত নয়। ওয়ার্কআউটের পর শরীরে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই তাৎক্ষণিক বেড়ে যায়। এই সময় সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি পানের ফলে শরীরের তাপমাত্রার সঙ্গে বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রার সামঞ্জস্য বজায় রাখা সম্ভব হয় না।

তাপমাত্রার সামঞ্জস্য বজায় রাখা সম্ভব না হলে হজমে সমস্যা বা হজমজনিত সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওয়ার্কআউটের পর সামান্য গরম পানি পান করা গেলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া খাওয়ার পরও ঠান্ডা পানি পান ভালো নয়। এতে শ্বাসনালীতে ম্লেষ্মার অতিরিক্ত আস্তরণ সৃষ্টি হয়। ফলে এ থেকে সংক্রমণের সম্ভাবনা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।


আরও খবর



পিরোজপুর পৌর কবরস্থানে চির নিদ্রায় তারেক শামসুর রেহমান

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অব. অধ্যাপক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট ড. তারেক শামসুর রেহমানকে তার মা বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে।

সোমবার সকাল ১০টায় পিরোজপুর শহরের পুরাতন ঈদগাহ মাঠে মরহুমের দ্বিতীয় জানাজার নামায শেষে পিরোজপুর পৌর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

ড. তারেক শামসুর রেহমানের ভাই শহিদুর রহমান মিঠু জানান, ভাইয়ের স্ত্রী ও সন্তানের ইচ্ছায় প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল ঢাকায় দাফন করা হবে, কিন্তু আমার ভাইয়ের ইচ্ছা ছিল মা বাবার পাশে তাকে যেন দাফন করা হয়।

পরে সেই ইচ্ছানুযায়ী আমার ভাইয়ের মরদেহ ঢাকা থেকে পিরোজপুরের বাড়িতে এনে শহরের পৌর কবরস্থানে বাবা-মার কবরের পাশেই দাফন করা হয়। 

শহরের উকিলপাড়ায় ১৯৫২ সালে জন্মগ্রহণ করা ড. তারেক শামসুর রেহমান প্রয়াত অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান খানের জ্যেষ্ঠ ছেলে। তিনি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ সালে এসএসসি এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে ১৯৭০ সালে এইচএসসি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

তারেক শামসুর রেহমান পিরোজপুর থেকে সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার বাবা মরহুম অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান খানও অত্র প্রেসক্লাবের সভাপতি ছিলেন।

এর আগে শনিবার দুপুরে উত্তরা-১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউকের আবাসিক প্রকল্পের দোলনচাপা এ্যপার্টমেন্টের ১৩০৪ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে শামসুর রেহমানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ড. তারেক শামসুর রেহমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার ও রাজনীতি বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেছিলেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যানও ছিলেন।


আরও খবর



আজ থেকে কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ-বিপনন নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাঙামাটি প্রতিনিধি

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম হ্রদ রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে আজ থেকে পরবর্তী তিন মাসের জন্য সকল প্রকার মৎস্য সম্পদ আহরণ ও বিপননে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। কার্প জাতীয় মাছের বংশবিস্তার ও প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতকরণে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও পহেলা মে থেকে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত জারিকৃত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান। তিনি জানান, বন্ধকালীন সময়ে বেকার হয়ে যাওয়া প্রায় ২০ হাজার জেলে পরিবারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে চাউল বিতরন করা হবে।


বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন বিএফডিসির উপ-ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, কাপ্তাই হ্রদ দেশের কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজননের একটি অন্যতম স্থান। হ্রদে মা মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করার জন্য ডিম ছাড়ার মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে প্রতিবছরের এবছরও হ্রদে মাছ ধরা বন্ধ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কার্প জাতীয় মাছের বংশবৃদ্ধি, হ্রদে অবমুক্ত করা মাছের পোনার সুষ্ঠু বৃদ্ধি, মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতকরণসহ হ্রদের প্রাকৃতিক পরিবেশ মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির সহায়ক হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।

বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএফডিসি রাঙামাটি কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এবছর ৯ হাজার মেট্রিক টন মাছ আহরণ করা হয়েছিল। বৃষ্টিপাত কম হওয়ার কারণে হ্রদের পানি দ্রুত শুকিয়ে যায়। যার ফলে ছোট মাছ আহরণ কম হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর এক হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কম মাছ আহরণ হয়েছে। এবছর বন্ধকালীন সময়ে ৫০ মেট্রিক টনের মতো কার্প জাতীয় পোনা ছাড়া হবে।


এদিকে, কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য ব্যবসায়িরা বলছেন, এশিয়ার একমাত্র বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ কাপ্তাই হ্রদ। এই হ্রদের সাথে জড়িত রয়েছে কয়েক লাখো পরিবার। এই হ্রদ থেকে মাছ আহরণ করে জীবন জীবিকা করে পরিবারগুলো। মিঠা পানির মাছ হিসাবে কাপ্তাই হ্রদের মাছের একটি দারুন চাহিদা রয়েছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এই কাপ্তাই হ্রদকে বাঁচাতে এবং হ্রদে মাছের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘদিন ধরে দাবী উঠে আসছে। সেই সাথে কাপ্তাই হ্রদে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে এবং কাপ্তাই হ্রদের কার্প জাতীয় মাছের আধিক্য বাড়াতে ৩ মাসের জন্য হ্রদ বন্ধ করে দেয়া হয়।