Logo
শিরোনাম

ফুলকপি খেলে যাদের ক্ষতি হতে পারে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১০০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ফুলকপি একটি শীতকালীন সবজি। স্বাস্থ্যকর এই সবজি বিভিন্ন রোগের দাওয়াই হিসেবে কাজ করে। ওজন কমানো থেকে শুরু করে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যানসারসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে। ফুলকপি হলো সরিষা পরিবারে সদস্য। ব্রোকলি, বাঁধাকপি ও ব্রাসেলস স্প্রাউট সবই এ পরিবারের অংশ। সাধারণত ক্রুসিফেরাস সবজি হিসেবে পরিচিত ফুলকপি।

ইউএসডিএর তথ্যমতে, প্রায় ১০৭ গ্রাম ওজনের ১ কাপ কাটা কাঁচা ফুলকপিতে প্রায় ২৭ ক্যালোরি, ২ গ্রাম প্রোটিন, ৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ০.৩ গ্রাম ফ্যাট থাকে। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন বি ৬, পটাসিয়াম, কোলিন ও ফোলেট সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনও খনিজ আছে। তবুও ফুলকপি শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে-

হজমের সমস্যা: ক্রুসিফেরাস সবজি হজম করা কঠিন, বিশেষ করে যখন আধা সেদ্ধ বা অবস্থায় কাঁচা খাওয়া হয়। গর্ভাবস্থায় ও বুকের দুধ খাওয়ান যেসব নারীরা, তারাও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফুলকপি খাওয়া উচিত নয়। কারণ এ সবজি কিছু কিছু ওষুধে পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

ওষুধের সঙ্গে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ঘটায়: ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের মতে, ভিটামিন কে রক্ত পাতলা করার ওষুধের সঙ্গে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। তাই আপনি যদি রক্ত পাতলা করা ওষুধ ব্যবহার করেন, তাহলে ফুলকপি খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

অ্যালার্জি বাড়ে: ফুলকপি খেলে অনেকেরই অ্যালার্জি হয়। এটিও ফুলকপির একটি সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। ফুলকপিসহ বিভিন্ন ধরনের প্রোটিনযুক্ত সবজি ও ফলে অনেকের অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে। মায়োক্লিনিকের তথ্য অনুসারে, কিছু শাক-সবজি ও ফলে অ্যালার্জি-সৃষ্টিকারী প্রোটিনই মূলত এ ধরনের অ্যালার্জির জন্য দায়ী।

গ্যাস্ট্রিক: এছাড়া ফুলকপি খাওয়ার পর অনেকেই গন্ধযুক্ত ঢেঁকুর ওঠে। ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ডিসঅর্ডার বলছে, শুধু ফুলকপি নয় মটরশুঁটি, গোটা শস্য, বাঁধাকপি, ব্রাসেলস স্প্রাউট, ব্রোকলি, অ্যাসপারাগাসসহ বিভিন্ন শাকসবজি খাওয়ার ফলে রাফিনোজ গ্যাস হতে পারে।

থাইরয়েড ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়: ২০১৫ সালে পুষ্টি ও ক্যানসারে প্রকাশিত একটি মেটা-বিশ্লেষণের তথ্য অনুসারে, ক্রুসিফেরাসযুক্ত শাক-সবজি অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে থাইরয়েড ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। গবেষণায় আরও জানানো হয়, ক্রুসিফেরাস সবজি ও আয়োডিনের প্রাপ্যতার উপর থাইরয়েড ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়ে।

কতটুকু ফুলকপি খাওয়া নিরাপদ? নিয়ম অনুযায়ী ও নির্দিষ্ট পরিমাণে খাওয়া হলে ফুলকপি স্বাস্থ্যের জন্য হতে পারে অনেক উপকারী। সপ্তাহে একদিন বা দুদিন অল্প পরিমাণে এটি খেতে পারেন। ফুলকপি বিভিন্ন উপায়ে খেতে পারেন। তবে আপনার যদি হজমের সমস্যা থাকে তাহলে আধা সেদ্ধ বা কাঁচা ফুলকপি খাবেন না।

নিউজ ট্যাগ: ফুলকপি

আরও খবর

৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




বিশ্বের যে স্থানে রাত হয় না!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৯৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বের বেশ কয়েকটি স্থোন আছে যেখানে সূর্যের দেখা পাওয়াই মুশকিল। আবার এমনও কিছু স্থান আছে যেখানে সূর্য অস্ত যেতেই ভুলে যায়। বিশ্বে এমন কয়েকটি স্থান আছে, যেখানে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্তই কখনো কখনো দিন থাকে। সেসব স্থান কখনো পুরোপুরি অন্ধকার হয় না। দিনের পরিমাণই হয় সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ টানা ২৪ ঘণ্টাই সেখানে আপনি কেবল দিন দেখতে পাবেন। জেনে নিন সেসব অদ্ভুত জায়গার তালিকা-

ইউমা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ওয়ার্ল্ড মেটিওরো লজিক্যাল অর্গানাইজেশনের মতে, ইউমা (অ্যারিজোনা) হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম দিনযুক্ত স্থান। এখানে শীতকালে মোট ১১ ঘণ্টা ও গ্রীষ্মে ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত সূর্যের আলো দেখা যায়। এর মানে হলো, ইউমা বছরে গড়ে চার হাজার ১৫ ঘণ্টা সূর্যালোক পায়। এখানকার ৯০ হাজারেরও বেশি বাসিন্দা শুষ্ক জলবায়ুর সম্মুখীন হন। এই স্থানে বৃষ্টিপাত ২০০ মিলি মিটারের বেশি হয় না ও তাপমাত্রা বেশিরভাগ সময়ে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে থাকে।

ফিনিক্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: পৃথিবীর দ্বিতীয় রৌদ্রজ্জ্বল স্থান হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফিনিক্স। সেখানেও সূর্য অস্ত যায় না। ফিনিক্স কিন্তু আসলে অ্যারিজোনার রাজধানী। এই স্থান বছরে ৩ হাজার ৮৭২ ঘণ্টা সূর্যালোক পায়। এ কারণে স্থানটি সূর্যের উপত্যকা নামে পরিচিত। এই স্থানের জনসংখ্যা প্রায় দেড় মিলিয়ন। জুন ও সেপ্টেম্বর মাসে এখানকার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির উপরে চলে যায়। ১৯৯০ সালে এখানকার তাপমাত্রা রেকর্ড ৫০ ডিগ্রিতে গিয়ে পৌঁছেছিল।

আসওয়ান, মিশর: নীল নদী উপত্যকা সম্পর্কে কথা বলা জরুরি। মিশরের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত আসওয়ান আফ্রিকার সবচেয়ে রৌদ্র করোজ্জ্বল শহর। সেখানে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার বেশি সূর্যের আলো থাকে। প্রতিবছর প্রায় সূর্যের আলো থাকে প্রায় ৩ হাজার ৮৬৩ ঘণ্টা। এখানকার প্রাচীন শহর এলিফ্যান্টাইন হেলেনিস্টিক যুগ পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছিল।

রাজুকান, নরওয়ে: নরওয়ের দক্ষিণে একটি উপত্যকায় অবস্থিত ছোট গ্রাম রাজুকান। এর প্রাকৃতিক সম্পদ নানা কারণে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে রাজুকান এলাকাটি বছরের ৬ মাস সূর্যের আলোও দেখতে পায় না। সেপ্টেম্বর মাস থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এখানে সূর্যের রশ্মি সবচেয়ে কম পড়ে।

ব্যারো, আলাস্কা: আলাস্কার এই ব্যারো অঞ্চলে সূর্য অস্ত যায় না। তবে নভেম্বর মাস থেকে শুরু করে পরবর্তী ৩০ দিন সূর্যের বিন্দুমাত্র আলোও দেখা যায় না। এই স্থান পোলার নাইটস নামেও পরিচিত। প্রচণ্ড শীতেও এই অঞ্চল পুরোপুরি অন্ধকারে ঢাকা থাকে। তুষারে ঢাকা পাহাড় ও মনমুগ্ধকারী হিমবাহ দেখতে যেতে পারেন বিখ্যাত আলাস্কার ব্যারোতে। গ্রীষ্ম বা শীতকাল যে কোনো সময়ই সেখানে যেতে পারেন পর্যটকরা।

নিউজ ট্যাগ: ইউমা

আরও খবর

সেন্টমার্টিনের রিপ কারেন্ট থেকে সাবধান!

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে শিশু শিহাবকে হত্যা করা হয় : পিবিআই

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ জানুয়ারী ২০23 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গাজীপুর মহানগরীর মাজুখান এলাকার শিশু সিহাব হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ছাড়া এ হত্যা মামলার আসামি নাসির মিয়াকে (২৮) গত ১৬ জানুয়ারি মাজুখান থেকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

নাসিরের বাড়ি নোয়াখালির কবিরহাট থানার সোনাপুর জমিদারহাট গ্রামে। তিনি গাজীপুর মহানগরের মাজুখান বাগের টেকের সাইদের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

নিহত শিশু শিহাব মাজুখান এলাকার জুয়েলের ছেলে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় সে। পরদিন সকালে হাজী ছালাম মুন্সির বাড়ী সংলগ্ন এলাকায় তার লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় শিহাবের দাদি বাদী হয়ে পুবাইল থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার পর পুবাইল থানা-পুলিশ ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ব্যর্থ হলে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে এর দায়িত্ব পায় গাজীপুর পিবিআই। ঘটনার প্রায় চার মাসের মধ্যেই হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটন করেছে পিবিআই।

পিবিআই জানায়, মাজুখান উত্তরপাড়ায় ফারুকের মুরগীর দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন নাসির। বেশির ভাগ সময় মালিক দোকানে থাকতেন না। তখন নাসির নিজেই মুরগি ও ফিড বেচাকেনা করতেন। পাশের গলির জুয়েলের ছেলে সিহাব মাঝে মধ্যে তার দোকানে আসত।

ফিড খেয়ে ফেলার সময় মুরগি তাড়ানোর জন্য দোকানদার খেলনা পিস্তল ব্যবহার করতেন। খেলনা পিস্তলের ছোড়া গুলি সিহাব কুড়িয়ে আনত। নাসির মাঝে-মধ্যে সিহাবকে চিপস্ কিনে দিতেন। ভুক্তভোগী সিহাব নাসিরকে মুরগি চাচ্চু বলে ডাকত। এভাবে সিহাবের সঙ্গে নাসিরের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

গত ২৫ নভেম্বর নাসির তার ভাড়া বাসায় নিজ কক্ষে ল্যাপটপে পর্ণ দেখছিলেন। দুপুরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সময় সিহাব নাসিরের রুমে যায়। তখন নাসির সিহাবকে বলাৎকার করতে চাইলে সে চিৎকার দেয়।

নাসির মুখ চেপে ধরলে সিহাবের দেহ নিথর হয়ে যায়। সিহাবের মরদেহ খাটের নিচে রেখে দরজা লাগিয়ে নাসির বাইরে চলে যান। পরে ভোর রাতে সিহাবের মরদেহ সালাম মুন্সীর বাড়ির পাশে ফেলে রাখেন নাসির। ঘটনার তিন দিন পরে নাসির এলাকা ছেড়ে চট্টগ্রাম চলে যান। দুই দিন পরে চিটাগাং থেকে ফিরে আসেন তিনি। এর এক সপ্তাহ পর নাসির তাবলিগ জামাতের ৪০ দিনের চিল্লায় চলে যান।

এ বিষয়ে পিবিআই, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বলেন, ঘটনায় জড়িত একমাত্র আসামি নাসির বিকৃত মানসিকতা সম্পন্ন। ল্যাপটপে নীল ছবি দেখে উত্তেজিত হয়ে শিশু সিহাবকে বলৎকারের চেষ্টাকালে পাশবিক নির্যাতনের পর  হত্যা করেন। বৃহস্পতিবার আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



বরিশালে জামায়াত-শিবিরের ৩ নেতাকর্মী আটক

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ককটেল ও বিভিন্ন ধরনের বইসহ জামায়াত-শিবিরের তিন নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।শনিবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল নগরের লঞ্চঘাটসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- পটুয়াখালীর বাউফল এলাকার ইব্রাহিম খলিল বাহারি (৩৫), রায়হান হাওলাদার (১৯) ও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া এলাকার মেহেদি হাসান (২০)। তারা সবাই নগরের বিসিক সংলগ্ন এলাকার কোকোনাট গলির একটি বাসায় থাকতেন।

জানা গেছে, জামায়াত নেতাকর্মীরা বরিশাল নদী বন্দর এলাকা থেকে মিছিল করার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান পরিচালনা করলে বিষয়টি টের

পেয়ে নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়। এ সময় ধাওয়া দিয়ে সেখান থেকে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল ও বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু বই জব্দ করা হয়েছে।

কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল করিম জানান, জামায়েতের তিন কর্মীকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ককটেলসহ বিভিন্ন জিনিস জব্দ করা হয়েছে। এখনও অভিযান চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।


আরও খবর

সাবেক ইউপি সদস্যের বাড়িতে মিলল ২ নারীর মরদেহ

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে শিশুদের হাঁপানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গ্যাসের চুলায় রান্নার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের মধ্যে হাঁপানি রোগ বাড়ছে। হাঁপানি আক্রান্ত প্রতি ৮ শিশুর একজন আক্রান্ত হচ্ছে গ্যাস স্টোভ নির্গমনের কারণে। যা শতকরা হিসেবে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব অ্যানভার্নমেন্টাল রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিক হেলথ প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। পাশাপাশি আমেরিকান হাউজিং সার্ভেতেও একই পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী নিয়মিত গ্যাসের চুলায় রান্নার কারণে হাঁপানি আক্রান্ত সর্বোচ্চ শিশু রোগী পাওয়া গেছে ইলিয়ন অঙ্গরাজ্যে ২১ দশমিক ১ শতাংশ। ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০ দশমিক ১ শতাংশ। নিউইয়র্কে ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ। তাছাড়া নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলের প্রায় ৬০ হাজার শিশু হাঁপানি রোগে ভুগছে। হেলথ ডিপার্টমেন্টের ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী নিউইয়র্ক সিটির প্রায় ৭৩ শতাংশ বাড়িতে গ্যাসের চুলায় রান্না হয়। আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩৫ শতাংশ বাড়িতে গ্যাসের চুলা রয়েছে। এর অধ্যে নিউইয়র্কের ৮৪ শতাংশ স্বল্প আয়ের পরিবারের রান্না হয় ফসিল ফুয়েলে; পুরো যুক্তরাষ্ট্রে যা প্রায় ৫৪ শতাংশ।

গবেষণা বলছে, বাসা থেকে গ্যাসের চুলা অপসারণ করা গেলে হাঁপানি আক্রান্ত শিশুর রোগীর সংখ্যার হার আরও কমিয়ে আনা সম্ভব। তাছাড়া হাঁপানি আক্রান্তের হার কমিয়ে আনতে গ্যাস স্টোভ ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। পাশাপাশি রিনিউয়েবল পাওয়ার স্টোভ ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব সম্ভব না হলে শিশুদের গ্যাস স্টোভ থেকে দূরে রাখতে পরামর্শ গবেষকদের।

এদিকে গবেষণা প্রতিবেদনে বিস্মিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য অ্যানার্জি জাস্টিস ল অ্যান্ড পলিসির কর্মকর্তারা। যদিও এমন প্রতিবেদন নতুন নয়। ২০১৯ সালের এক রোডম্যাপে ক্লাইমেট লিডারশিপ অ্যান্ড কম্যুনিটি প্রটেকশন অ্যাক্ট একই আশংকা প্রকাশ করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর অনেকে রান্না ও হিটিংয়ের জন্য গ্যাস ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছেন। ব্যবহার বেড়েছে সোলার পাওয়ারের (সৌর বিদ্যুৎ)।

গত বছর নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলে পাশ হওয়া একটি বিলে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে নির্মিত সব নতুন ভবনে কোনো গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। গ্যাসের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ইলেকট্রিক ব্যবস্থা করা হবে। তবে নিউইয়র্ক রাজ্য এ ধরনের কোনো বিল এখনও পাশ করতে পারেনি। তবে আশা করা হচ্ছে, খুব শিগিগির এমন একটি বিল এ বছর আলবেনিতে পাশ হবে।

নিউজ ট্যাগ: শিশুদের হাঁপানি

আরও খবর



কথিত শিশু বক্তা রফিকুল মাদানীর বিরুদ্ধে চার্জগঠন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গাজীপুরের বাসন থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এক মামলায় শিশু বক্তা খ্যাত রফিকুল ইসলাম মাদানীসহ দুজনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেছেন সাইবার ক্রাইম ট্টাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আগামী ১ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ. এম জুলফিকার হায়াতের আদালতে আসামি অব্যাহতির আবেদন না মঞ্জুর করে চার্জগঠনের এ আদেশ দেন। বিচার শুরু হওয়া অপর আসামি হলেন- হাফেজ মাসুম বিল্লাহ।

মাদানী পক্ষের আইনজীবী শোহেল মো. ফজলে রাব্বী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মাদানীর বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন। চার্জগঠনের সময় এই দুই আসামি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচারের প্রার্থনা করেন।

২০২১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গাজীপুর বাসন থানার সাব ইন্সপেক্টর মো. সাখাওয়াত হোসেন দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলা থেকে জানা যায়, আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র, সরকার, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবমাননা ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করে। এই বক্তব্যের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা অবনতি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়। ওই বছরের ৮ এপ্রিল ধানমন্ডির ১৫ নম্বর মিতালী সড়কের বাসিন্দা সৈয়দ আদনান হোসেন রফিকুল মাদানীর বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ২৫ মার্চ বিক্ষোভকালে ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আটক করলেও পরে পরে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এরপর একই বছর ৭ এপ্রিল নেত্রকোনার বাড়ি থেকে রফিকুল মাদানীকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন তাকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর গাছা থানায় দায়ের করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

এদিকে ২০২১ সালের ৭ এপ্রিল হাফেজ মাসুম বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: রফিকুল মাদানী

আরও খবর