Logo
শিরোনাম

গার্ড অব অনারে নারী কর্মকর্তাদের বিকল্প চায় সংসদীয় কমিটি

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বৈঠকে একটি প্রস্তাব এসেছে। মহিলার বিকল্প একজন পুরুষকে দিয়ে গার্ড অব অনার দেওয়ার বিষয়টি এসেছে। আমরা মন্ত্রণালয়কে এটা পরীক্ষা করে দেখতে বলেছি

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গার্ড অব অনার দেওয়ার ক্ষেত্রে নারী কর্মকর্তাদের বাদ রাখতে বলেছে সংসদীয় একটি কমিটি। সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা মারা যাওয়ার পর তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানায় সংশ্লিষ্ট জেলা/উপজেলা প্রশাসন।

ডিসি বা ইউএনও সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে উপস্থিত থেকে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। অনেক স্থানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা নারী কর্মকর্তারা এই দায়িত্ব পালন করেন; আর সেখানেই আপত্তি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির।

রবিবার সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা ওঠে। এরপরই গার্ড অব অনার দেওয়ার ক্ষেত্রে নারী ইউএনওদের বিকল্প খুঁজতে সরকারের কাছে সুপারিশ রাখা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গার্ড অব অনার প্রদানের ক্ষেত্রে দিনের বেলায় আয়োজন করা এবং নারী ইউএনওর বিকল্প ব্যক্তি নির্ধারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এ বিষয়ে সংসদীয় কমিটির সভাপতি শাজাহান খান জানান, নারী ইউএনও গার্ড অব অনার দিতে গেলে স্থানীয় পর্যায়ে অনেকে প্রশ্ন তোলেন- মহিলারা তো জানাজায় থাকতে পারেন না। সেক্ষেত্রে মহিলা গার্ড অব অনার দেন। বৈঠকে একটি প্রস্তাব এসেছে। মহিলার বিকল্প একজন পুরুষকে দিয়ে গার্ড অব অনার দেওয়ার বিষয়টি এসেছে। আমরা মন্ত্রণালয়কে এটা পরীক্ষা করে দেখতে বলেছি।

সংসদ ভবনে শাজাহান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির এই বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকসহ কমিটির সদস্য আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম, রাজিউদ্দিন আহমেদ, ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল, মোছলেম উদ্দিন আহমদ এবং জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ অংশ নেন।

নিউজ ট্যাগ: গার্ড অব অনার

আরও খবর



সৌদিতে নতুন ইতিহাস, হজে নিরাপত্তার দায়িত্বে নারী সেনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এবছরের হজে প্রথমবারের মতো পবিত্র কাবা ঘরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো এবং মদিনায় মসজিদে নববীতে নারী সেনা নিয়োগ দিয়েছেন সৌদি সরকার। হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এপ্রিলের প্রথম থেকেই হজ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নারী সেনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ঘোষিত ভিশন-২০৩০ ঘোষণার পর থেকে সৌদি আরব সংস্কারের দিকে এগুচ্ছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে, বিশেষ করে নারীদের কর্মক্ষেত্র প্রসার ঘটেছে ব্যাপকভাবে।

রক্ষণশীল সৌদি আরবে একসময় নারীদের কর্মক্ষেত্রে তেমন একটা দেখা যেত না। এর আগে সৌদি পুলিশে নারীরা যোগ দিলেও তা ছিল তুলনামূলক খুবই কম। বেসরকারি সেক্টরে নারীদের তেমন একটা দেখা যেত না। কিন্তু সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের হাত ধরেই দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে সৌদি নারীরা।

সৌদি আরবের সর্বোচ্চ আইন পরিষদ মজলিসে শুরা কমিটি থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি সেক্টরে পুরুষের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন সৌদি নারীরা।

এ বছর সৌদি আরবের পবিত্র হজ পালনে সময় পবিত্র কাবা ঘর ও হজ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্ব পুরুষ সেনাদের পাশাপাশি নারীরাও পালন করেছে। বিশেষ করে হজ উপলক্ষে তিন বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত নিরাপত্তা টিমের মুখপাত্র হিসেবেও কাজ করেছেন সৌদি নারী পুলিশ কর্মকর্তা মিস আবির আল রশিদ।

কয়েক বছর আগেও অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া ভ্রমণ করা, গাড়ি চালানো, স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখতে পারতো না নারীরা। বেশকিছু ক্ষেত্রে সৌদি আরবে নারীদের অনুমতি দিয়েছে সৌদি সরকার।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্সের সাথে এক সাক্ষাৎকারে মোনা নামের সৌদি নারী সেনা বলেন, হাজিদের সেবায় কাজ করা খুবই মহৎ এবং সম্মানজনক।

‘‘আমি আমার প্রয়াত বাবার অনুপ্রেরণাতেই সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছি। তার স্বপ্ন পূরণের উদ্দেশে তারই পথ অনুসরণ করছি। পবিত্র কাবার সামনে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করছি।’’



আরও খবর



জুনে সড়কে প্রাণ গেলো ৩৯৮ জনের

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
জুন মাসের অর্ধেক সময়জুড়ে এলাকাভিত্তিক লকডাউনে বিভিন্ন জেলা শহরে যানবাহন বন্ধ ছিল এবং ২৮ জুন থেকে সর্বাত্মক লকডাউনে সারা দেশে গণপরিবহন বন্ধ ছিল

চলতি বছরের জুন মাসে দেশে ৩২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৯৮ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এই প্রতিবেদনটি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুনে মোটরসাইকেল সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে এবং সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪৩.৪২ শতাংশ ও নিহতের ৩৭.৯৩ শতাংশ।

এতে আরো বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে নারী ৫২, শিশু ৩৩। দুর্ঘটনায় ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষ নিহত হয়েছেন ৩২৯ জন, অর্থাৎ ৮২.৬৬ শতাংশ। মোট আহত ৪২৩ জন। এছাড়া ১৪২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৫১ জন। দুর্ঘটনায় ৯৪ জন পথচারী নিহত হয়েছে, যা মোট নিহতের ২৩.৬১ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৭ জন, যা ১৬.৮৩ শতাংশ।

এই সময়ে ২টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত এবং ১ জন আহত হয়েছে। ১টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১ জন নিহত হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উঠে আসে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, মে মাসে ৪৪১টি দুর্ঘটনায় ৫৬২ জন নিহত হয়েছিল। গড়ে প্রতিদিন নিহত হয়েছিল ১৮.১২ জন। জুন মাসে প্রতিদিন নিহত হয়েছে ১৩.২৬ জন। জুন মাসের অর্ধেক সময়জুড়ে এলাকাভিত্তিক লকডাউনে বিভিন্ন জেলা শহরে যানবাহন বন্ধ ছিল এবং ২৮ জুন থেকে সর্বাত্মক লকডাউনে সারা দেশে গণপরিবহন বন্ধ ছিল। তারপরেও দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির এই উদ্বেগজনক চিত্র।

ফাউন্ডেশন আরো বলছে, ট্রাক এবং মোটরসাইকেল সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চরম হুমকি হয়ে উঠেছে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক এবং যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর কারণে তারা নিজেরা দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে এবং অন্যান্য যানবাহনকে আক্রান্ত করছে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় সড়ক দুর্ঘটনারোধে একটি সমন্বিত টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

যানবাহনভিত্তিক নিহতের চিত্র

দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৫১ জন (৩৭.৯৩%), বাস যাত্রী ১৪ জন (৩.৫১%), ট্রাক-পিকআপ-ট্রলি যাত্রী ৩৮ জন (৯.৫৪%), মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-এ্যাম্বুলেন্স যাত্রী ২০ জন (৫.০২%), থ্রি-হুইলার যাত্রী (সিএনজি-ইজিবাইক-অটোরিকশা-টেম্পু-লেগুনা) ৫৭ জন (১৪.৩২%), নসিমন-মাহিন্দ্র-চান্দের গাড়ি-টমটম যাত্রী ৯ জন (২.২৬%) এবং প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান-বাইসাইকেল ও ঠ্যালাগাড়ি আরোহী ১৫ জন (৩.৭৬%) নিহত হয়েছে।

দুর্ঘটনা সংঘটিত সড়কের ধরন

ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১১৫টি (৩৫.১৬%) জাতীয় মহাসড়কে, ১২৭টি (৩৮.৮৩%) আঞ্চলিক সড়কে, ৫১টি (১৫.৫৯%) গ্রামীণ সড়কে, ৩০টি (৯.১৭%) শহরের সড়কে এবং অন্যান্য স্থানে ৪টি (১.২২%) সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার ধরন

দুর্ঘটনাসমূহের ৭৮টি (২৩.৮৫%) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১১৩টি (৩৪.৫৫%) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৯৭টি (২৯.৬৬%) পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া, ৩৫টি (১০.৭০%) যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৪টি (১.২২%) অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহন

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে- ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ ২৪.৯০ শতাংশ, ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি ৩.০৬ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-এ্যাম্বুলেন্স-জীপ ৬.১৩ শতাংশ, যাত্রীবাহী বাস ১২.০৬ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২৭.২০ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা-টেম্পু) ১৯.৩৪ শতাংশ, নসিমন-মাহিন্দ্র-চান্দের গাড়ি-টমটম ২.৪৯ শতাংশ, প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান-বাইসাইকেল-ঠ্যালাগাড়ি ৩.৪৪ শতাংশ এবং অন্যান্য (তেলবাহী ট্যাংকার-ড্রাম ট্রাক-ডাম্পার-হ্যান্ড ট্রলি) ১.৩৪ শতাংশ।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা ৫২২টি। (ট্রাক ৮৭, বাস ৬৩, কাভার্ডভ্যান ১২, পিকআপ ৩১, ট্রলি ৮, ট্রাক্টর ৬, লরি ২, মাইক্রোবাস ১৬, প্রাইভেটকার ১২, এ্যাম্বুলেন্স ৩, জীপ ১, তেলবাহী ট্যাঙ্কার ১, ড্রাম ট্রাক ৩, ডাম্পার ২, হ্যান্ড ট্রলি ১, মোটরসাইকেল ১৪২, থ্রি-হুইলার ১০১(ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা-টেম্পু), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ১৩ (নসিমন-মাহিন্দ্র-চান্দের গাড়ি-টমটম) এবং প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান-বাইসাইকেল-ঠ্যালাগাড়ি ১৮টি।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণ

সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুর্ঘটনাসমূহ ঘটেছে ভোরে ৩.৯৭%, সকালে ২৫.০৭%, দুপুরে ২২.৯৩%, বিকালে ১৯.৫৭%, সন্ধ্যায় ৭.০৩% এবং রাতে ২১.৪০%।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান

পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনা ২৬.২৯%, প্রাণহানি ২৫.৮৭%, রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১১.৬২%, প্রাণহানি ১৩.৫৬%, চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ২০.৭৯%, প্রাণহানি ২১.৩৫%, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ৮.২৫%, প্রাণহানি ৭.৫৩%, বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৮.৮৬%, প্রাণহানি ৮.৫৪%, সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ৭.০৩%, প্রাণহানি ৫.৫২%, রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ৭.৬৪%, প্রাণহানি ৫.৭৭% এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৯.৪৮%, প্রাণহানি ১১.৮০% ঘটেছে।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ৮৬টি দুর্ঘটনায় নিহত ১০৩ জন। সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে। ২৩টি দুর্ঘটনায় নিহত ২২ জন। একক জেলা হিসেবে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ১৯টি দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত। সবচেয়ে কম নড়াইল জেলায়। ২টি দুর্ঘটনা ঘটলেও কেউ হতাহত হয়নি।

আহত ও নিহতদের পেশাগত পরিচয়

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, নিহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্য ৩ জন, আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্য ২ জন, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ১ জন, স্কুল-কলেজ-মাদরাসার শিক্ষক ৮ জন, আইনজীবী ২ জন, আমিরাত প্রবাসী ১ জন, স্থানীয় সাংবাদিক ২ জন, ব্যাংক কর্মকর্তা ৩ জন, বিআরডিবির কর্মকর্তা ১ জন, এনজিও কর্মকর্তা-কর্মচারী ৪ জন, ঔষধ ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বিক্রয় প্রতিনিধি ১১ জন, স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ১৮ জন।

এছাড়া রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শ্রমিক ১ জন, সেনা নিবাসের কর্মচারী ১ জন, রেল কর্মচারী ১ জন, পোশাক শ্রমিক ৬ জন, জুতা কারখানার শ্রমিক ২ জন, কৃষি শ্রমিক ৪ জন, মটর শ্রমিক ১ জন, নির্মাণ শ্রমিক ৩ জন, ইটভাটার শ্রমিক ৫ জন, মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধি ২ জন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ৯ জন এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ জন ছাত্রসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৩ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

দেশে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণসমূহ

ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন; বেপরোয়া গতি; চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা; বেতন ও কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট না থাকা; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল; তরুণ ও যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো; জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা; দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা; বিআরটিএর সক্ষমতার ঘাটতি; গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।

সুপারিশসমূহ

দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে; চালকের বেতন ও কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট করতে হবে; বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে; পরিবহনের মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্বরাস্তা (সার্ভিস লেন) তৈরি করতে হবে।

এছাড়া পর্যায়ক্রমে সকল মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে; গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে; রেল ও নৌ-পথ সংস্কার ও সম্প্রসারণ করে সড়ক পথের উপর চাপ কমাতে হবে; টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে; সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।


আরও খবর



হঠাৎ বন্যায় জার্মানি-বেলজিয়ামে ৮১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এর মধ্যে শুধু জার্মানিতেই মারা গেছেন ৮১ জন। নিখোঁজ রয়েছে অন্তত ১ হাজার ৩০০ জন। বেলজিয়ামে মারা গেছে ১১ জন। নেদারল্যান্ড ও লুক্সেমবার্গেও বন্যা পরিস্থিতির নাজুক অবস্থা।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন বলছে, প্রবল বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় এমন ভয়াবহ অবস্থা দাঁড়িয়েছে। বড় নদীগুলোর পানি বেড়ে তীর ছাড়িয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। অসংখ্য বাড়ি-ঘর ধসে পড়েছে।

জার্মানিতে বন্যার ভয়াবহতা সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে রাইনল্যান্ড-প্যালাটাইনেট ও নর্থ রাইন-ওয়েস্টফেলিয়া রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির বেশি অবনতি হয়েছে।

রাইনল্যান্ড-প্যালাটাইনেট রাজ্যের প্রধান কর্মকর্তা মালু দ্রিয়ার পরিস্থিতিকে বিপর্যয়কর মন্তব্য করে বলছেন, মানুষ মারা গেছে, নিখোঁজ রয়েছে এবং অনেকে এখন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে রয়েছে। আমাদের সব জরুরি সেবা বিভাগ ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে।

জার্মান আবহাওয়া অধিদপ্তরের আন্দ্রেস ফ্রেডরিচ বলেছেন, গত ১০০ বছরের মধ্যে এতো বেশি বৃষ্টিপাত আমরা দেখিনি। পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক।


আরও খবর



দ্বিতীয় দিনে যেমন চলছে ‘সবচেয়ে কঠোর লকডাউন’

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশব্যাপী হু হু করে বাড়তে থাকা প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় নতুন করে আরোপিত সবচেয়ে কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিন আজ শনিবার (২৪ জুলাই)। সরেজমিনে দেখো যায়- রাজধানী ঢাকায় সড়কে জরুরি প্রয়োজনে অনুমোদিত যানবাহন চলাচল করছে, ইঞ্জিনচালিত কোন গণপরিবহন চোখে পড়েনি। মাঝেমাঝে দুএকটা রিকশার দেখা পাওয়া যাচ্ছে। তবে পায়ে হেঁটে সড়কে হাটতে দেখা গেছে অনেককেই। এক্ষেত্রে চেকপোস্টগুলোতে পায়ে হেঁটে বের হওয়াদের তেমন একটা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে দেখা যায়নি।

৫ই আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত এই কঠোর বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এসময় খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হলে তাকে শাস্তির আওতায় আনার কথা বলেছে প্রশাসন। বিধিনিষেধ চলাকালে জনগণকে সতর্ক থাকা, মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশ দেওয়া হয়। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, বিধিনিষেধ আগের চেয়ে কঠোর হবে। বিধিনিষেধ কার্যকর করতে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্যরা মাঠে তৎপর রয়েছেন।

গত ১৩ জুলাই বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই আদেশে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছিল ঈদের কারণে। ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল ওই ঘোষণায়।

কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিন গতকাল শুক্রবারে (২৩ জুলাই) ঢাকায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪০৩ জন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, লকডাউন অমান্য করে অহেতুক ঘোরাফেরা করায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২০৩ জনকে ১ লাখ ২৭ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান জানান, করোনা সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি সবচেয়ে কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিনে সারাদেশব্যাপী র‌্যাবের ১৬৮টি টহল ও ১৫৮টি চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। বিনা প্রয়োজনে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে র‌্যাবের জনসচেতনামূলক মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি চলমান ছিল।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। বিধি-নিষেধ অমান্য করায় সারাদেশে পরিচালিত ১২টি ভ্রাম্যমাণ আদালতে সর্বমোট ৯৫ জনকে ৪৮ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বিনামূল্যে এক হাজারের বেশি মাস্ক বিতরণ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করে র‌্যাব।

সরকার আরোপিত ‌বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে-

১) সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

২) সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

৩) শপিং মল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৪) সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৫) সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

৬) জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

৭) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৮) ব্যাংক-বিমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৯) সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কাজগুলো ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-টেন্ডারিং, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন।

১০) আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন: কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন/বিক্রি, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি করপোরেশন/পৌরসভা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

১১) বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

১২) জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক, লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌ-যান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৩) বন্দরগুলো (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৪) কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাবেচা করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

১৫) অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনা, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৬) টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা নেওয়ার জন্য যাতায়াত করা যাবে।

১৭) খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রি (অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে।

১৮) আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন।

১৯) স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

২০) আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার বিধানের আওতায় মাঠপর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

২১) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি সময় নির্ধারণ করবেন। সেইসঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনও কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলো এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

২২) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২৩) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।



আরও খবর



করোনা ২৪ ঘণ্টায় কাড়ল ১৯৯ প্রাণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৬৫১ জন, যা একদিনে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ৮৯ হাজার ২১৯ জনে

করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ হাজার ৮৯৩ জন। আগের দিন বুধবার ২০১ জনের সর্বোচ্চ রেকর্ড মৃত্যু হয়েছিল।

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৬৫১ জন, যা একদিনে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ৮৯ হাজার ২১৯ জনে।

করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তের সবশেষ পরিসংখ্যান জানাতে বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর