Logo
শিরোনাম

খাঁটি মুমিনেরা কারো অবৈধভাবে উপার্জিত সম্পদ ব্যবহার করবে না

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

একবার নবীজি (সা.) সাহাবীদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কি জানো নিঃস্ব কে? তারা বললেন, যার অর্থ-সম্পদ নেই আমরা তো তাকেই নিঃস্ব মনে করি। তখন নবীজি (সা.) বললেন, আমার উম্মতের মধ্যে নিঃস্ব সেই ব্যক্তি, যে কিয়ামতের ময়দানে নামাজ, রোজা, জাকাতসহ (অনেক নেক আমল) নিয়ে হাজির হবে। তবে সে হয়ত কাউকে গালি দিয়েছে বা কারো উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করেছে বা কারো সম্পদ আত্মসাৎ করেছে বা কাউকে খুন করেছে অথবা কাউকে আঘাত করেছে। ফলে প্রত্যেককে তার হক অনুযায়ী এই ব্যক্তির নেক আমল থেকে দিয়ে দেয়া হবে। যদি কারও হক বাকি থেকে যায় আর এই ব্যক্তির নেক আমল শেষ হয়ে যায়, তাহলে হকদার ব্যক্তির পাপ পাওনা অনুসারে এই ব্যক্তির ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হবে। ফলে সে এই পাপের বোঝা নিয়ে জাহান্নামে যাবে। (সহীহ মুসলিম, হাদিস ২৫৮১; জামে তিরমিজি, হাদিস ২৪১৮)

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, নবী কারিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, কিয়ামতের ময়দানে কোনো বান্দা তার এক পাও নড়াতে পারবে না। যতক্ষণ না তাকে পাঁচটি প্রশ্ন করা হবে- ১. সে তার জীবন কোন পথে শেষ করেছে। ২. যতটুকু ইলম শিখেছে তার উপর কতটুকু আমল করেছে। ৩. সম্পদ কোন পথে আয় করেছে। ৪. এবং কোন পথে ব্যয় করেছে। ৫. নিজের যৌবনকে কোন পথে শেষ করেছে। (জামে তিরমিযী, হাদিস ২৪১৭)

অন্যের অবৈধ সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কঠোরতা

কোনো মুমিন নিজে তো অস্বচ্ছ ও অবৈধভাবে সম্পদ উপার্জন করবেই না। এমনকি অন্যের অবৈধভাবে উপার্জিত সম্পদও সে ব্যবহার করবে না।

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জেনেশুনে চুরি করে আনা মাল ক্রয় করল, সেও চুরির পাপের মধ্যে শামিল হল। (মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস ২২৫৩)

লেনদেনে অস্বচ্ছতার কারণে দুআ-ইবাদত কবুল হয় না

আমরা নামাজ-রোজাসহ অন্যান্য ইবাদত পালন করি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। আর তিনি সেই আমলের দ্বারাই সন্তুষ্ট হন, যে আমল তার কাছে গ্রহণযোগ্য। যে ব্যক্তি অবৈধভাবে উপার্জিত সম্পদ থেকে তার প্রয়োজন পুরা করে; আল্লাহ পাক তার ইবাদত-বন্দেগী ও দুআ-মুনাজাত কবুল করেন না। হাদিস শরীফে রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র। তিনি পবিত্র (আমল) ছাড়া গ্রহণ করেন না। তিনি রাসূলগণকে যে আদেশ করেছেন। একই আদেশ করেছেন মুমিনদেরকে। তিনি বলেছেন- (হে রাসূলগণ! আপনারা উত্তম (হালাল) রিযিক থেকে আহার করুন এবং নেক আমল করুন।

তিনি মুমিনদেরকেও বলেছেন- হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার প্রদত্ত হালাল রিযিক থেকে আহার কর। অতপর নবীজি একজন লোকের বর্ণনা দিলেন যে ,দীর্ঘ সফর করেছে। চুলগুলো এলোমেলো, শরীর ধূলি ধূসরিত। আসমানের দিকে হাত উত্তোলন করে দুআ করছে- হে আমার রব! হে আমার রব!! অথচ তার খাদ্য-পানীয় হারাম, পোশাক-পরিচ্ছদ হারাম; তাহলে কীভাবে তার দুআ কবুল হবে? (সহিহ মুসলিম, হাদিস ১০১৫; জামে তিরমিজি, হাদিস ২৯৮৯)

ইবনে রজব হান্বলী রাহ. হাদিসটির ব্যাখ্যায় লিখেছেন, এই হাদিসে উদাহরণস্বরূপ শুধু দুআর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। নতুবা হারাম দ্বারা প্রতিপালিত হলে তার কোনো আমলই আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না। (জামিউল উলূমি ওয়াল হিকাম, পৃ. ১৮৫)

আল্লাহ তায়ালা অবৈধ সম্পদের দান কবুল করেন না

ইসলামের সুস্পষ্ট ঘোষণা হচ্ছে, কেবলমাত্র নেক আমলই বদ আমলকে নির্মূল করে। বদ আমল কখনো অন্য বদ আমলকে নির্মূল করতে পারে না। অর্থাৎ আমরা দান-সদকা, জাকাত-ফিতরা আদায় করি, যাতে আমাদের পাপ মোচন হয় এবং সম্পদ পবিত্র হয়। কিন্তু এ কাজ পাপের পথে অর্জিত সম্পদ দ্বারা সম্ভব নয়। কারণ অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন করাই একটি পাপ। সুতরাং সেই পাপ দ্বারা অন্য পাপ মাফ হওয়ার আশা নেই। তেমনই অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ অপবিত্র, সুতরাং তা দ্বারা নিজের সম্পদ পবিত্র করাও অসম্ভব। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, এমন হবে না যে, কোনো বান্দা হারাম পন্থায় সম্পদ উপার্জন করবে অতপর তা থেকে (বৈধ ও নেক কাজে ) খরচ করবে আর তাতে বরকত দান করা হবে। সে তা থেকে সদকা করবে আর তা কবুল করা হবে। বরং ঐ ব্যক্তি ঐ সম্পদ (মিরাছ হিসাবে) তার মৃত্যুর পর রেখে গেলেও তা তাকে আরো বেশি করে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা পাপ দ্বারা অপর পাপকে নির্মূল করেন না। তবে নেক আমল দ্বারা পাপকে নির্মূল করেন। নিশ্চয়ই নাপাক বস্তু অপর নাপাক বস্তুর নাপাকি দূর করতে পারে না। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ৩৬৭২; মুসনাদে বায্যার, হাদিস ২০২৬)

হাদিস শরীফে রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ পাক পবিত্রতা ব্যতীত নামাজ কবুল করেন না এবং আত্মসাতের মালের ছদকা কবুল করেন না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস ২২৪)

এর বিপরীতে হালাল ও বৈধ সম্পদ সদকা করার ব্যাপারে নবীজি (সা.) ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ পাক কেবল (হারামের মিশ্রণ থেকে) পবিত্র বস্তুই কবুল করেন। যে ব্যক্তি হালাল উপার্জন থেকে এক মুষ্ঠি খেজুরও দান করে আল্লাহ পাক তা নিজ হাতে গ্রহণ করেন। অতঃপর তা ওই  ব্যক্তির জন্য প্রতিপালন করতে থাকেন। যেমন তোমাদের কেউ উটের বাচ্চা প্রতিপালন করে। বৃদ্ধি পেতে পেতে এক সময় ওই সামান্য খেজুরমুষ্ঠি পাহাড়সম হয়ে যায়। (সহিহ বুখারী, হাদিস ১৪১০; সহিহ মুসলিম, হাদিস ১০১৪)

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন, যখন তুমি তোমার সম্পদের জাকাত আদায় করলে তখন তুমি এ সম্পদের ব্যাপারে তোমার অবশ্যকরণীয় বিধান পালন করলে। যে ব্যক্তি হারাম মাল উপার্জন করবে অতপর তা সদকা করবে সেই সদকায় তার কোনো সওয়াব হবে না বরং অবৈধ উপার্জনের পাপের বোঝা তার ঘাড়ে চেপেই থাকবে। (সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস ৩২১৬) তাবেঈ কাসেম বিন মুখায়মিরাহ রাহ. (সাহাবীর মধ্যস্থতা উল্লেখ না করে সরাসরি রাসুলের থেকে) যেসকল হাদিস বর্ণনা করেছেন তার একটি হল, নবীজি (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি কোনো পাপের পথে সম্পদ উপার্জন করল অতপর তা আত্মীয়তা রক্ষায় খরচ করল বা সদকা করল অথবা তা আল্লাহর রাস্তায় খরচ করল; তাহলে (কিয়ামতের মাঠে) এসবকিছুই একত্রিত করা হবে অতপর তা জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করা হবে। (কিতাবুল মারাসীল, আবু দাউদ, হাদিস ১৩১)

বিখ্যাত সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. কে একবার জিজ্ঞাসা করা হলো, যে ব্যক্তি এখন নেক আমল করছে। তবে পূর্বে জুলুম-অত্যাচার করত এবং হারাম গ্রহণ করত। এখন সে নেকদিলে তওবা করে পূর্বের সেই সম্পদ দিয়ে হজ্ব করল, গোলাম আযাদ করল এবং আল্লাহর রাস্তায় দান-সদকা করল (তার ব্যাপারে কী বলেন?)। জবাবে তিনি বললেন, নিশ্চয়ই নাপাকী অপর নাপাকীকে দূর করতে পারে না। (মুসনাদে বায্যার, হাদিস ৯৩২)

সুতরাং যারা হারাম পথে সম্পদ উপার্জন করে আর মনে মনে ভাবে, এখান থেকে কিছু সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় দান করে দেব;  ব্যস, সাত খুন মাফ, তাদের উচিত, নবীজি (সা.) এর এই বাণীগুলো ভালোভাবে স্মরণ রাখা।

এ বিষয়ে আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. এর একটি বড় শিক্ষণীয় ঘটনা আছে। তার সময়ে বসরার আমির ছিল আব্দুল্লাহ বিন আমের। সে মুসলমানদের বায়তুল মাল থেকে তার প্রাপ্যের চেয়ে বেশি গ্রহণ করত। কিন্তু তার স্বভাব ছিল, সে এসব সম্পদ গরিবদের মাঝে বিলিয়ে দিত, মসজিদ নির্মাণের কাজে খরচ করত, বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করত। যখন সে মৃত্যুশয্যায় উপনীত হল তখন লোকজন তার চারপাশে ভীড় জমাল এবং তার দান-দাক্ষিণ্য ও মানুষের প্রতি তার অনুগ্রহের ভূয়সী প্রশংসা করতে লাগল। তবে ইবনে ওমর রা. চুপচাপ রইলেন। যখন বসরার আমির ইবনে আমের স্বয়ং তাকে কথা বলতে ও নিজের জন্য দুআ করতে আবেদন করল।

তখন তিনি তাকে নবীজি (সা.) এর একটি হাদীস শোনালেন-আল্লাহ পাক আত্মসাতের মালের ছদকা কবুল করেন না। অতপর তাকে বললেন, তুমি তো বসরা শহরেরই আমির ছিলে। অর্থাৎ আমি তোমার কীর্তি-কর্ম সম্পর্কে ভালোভাবেই অবগত যে, তুমি বায়তুল মালের সম্পদ না-হকভাবে গ্রহণ করতে। সুতরাং কীভাবে তোমার এসকল দান-সদকা কবুল হবে? আর তোমার জন্যে দুআ করলে সেই দুআই বা কীভাবে কবুল হবে? (সহীহ মুসলিম, হাদীস ২২৪)

হারাম হতে সৃষ্ট শরীর জান্নাতে যাবে না

হযরত জাবির রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন-এমন শরীর কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যা হারাম দ্বারা বর্ধিত। জাহান্নামই তার উপযুক্ত স্থান। -মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১৪৪৪১; মুসান্নাফে আব্দুর রায্যাক, হাদীস ২০৭১৯; মুসনাদে আবদ ইবনে হুমাইদ, হাদীস ১১৩৮

নবীজী (সা.) একবার হযরত কাব বিন উজরাহ রা.-কে ডেকে বললেন, হে কাব! শুনে রাখো, ওই দেহ জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যা হারাম হতে সৃষ্ট। কেননা জাহান্নামের আগুনই তার অধিক উপযোগী।-জামে তিরমিযী, হাদীস ৬১৪; আলমুজামুল কাবীর, তবারানী, ১৯/২১২

Share

আরও খবর

ভালোবাসা সম্পর্কে ইসলাম যা বলে

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

সরস্বতী পূজা আজ

মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১




টিকা নিলেন আরো ২ লাখ ৬২ হাজার জন, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ২৭

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৫৬জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট টিকা নিয়েছেন ২ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৫ জন। তাদের মধ্যে মাত্র ২৭ জনের সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (যেমন: জ্বর, টিকা দেওয়া স্থানে লাল হাওয়া ইত্যাদি) দেখা গেছে।

এখন পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ১৮ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৩ জন। তাদের মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে মোট ৫৩৭ জনের।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট টিকা নিয়েছেন ২ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৫ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৬ জন ও নারী ৯৭ হাজার ৯ জন।

এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৭৩ হাজার ৫১৪ জন, ময়মনসিংহে ১১ হাজার ৯০১ জন, চট্টগ্রামে ৫৪ হাজার ৭৮৮ জন, রাজশাহীতে ৩২ হাজার ২২৪ জন, রংপুরে ২৫ হাজার ৫৭৯ জন, খুলনায় ৩৪ হাজার ১৯৫ জন, বরিশালে ১৪ হাজার ৪৪৪ জন ও সিলেটে ১৫ হাজার ৩০০ জন টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের তথ্যানুসারে, গত ২৭ জানুয়ারি দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথম দিন টিকা দেওয়া হয় ২৬ জনকে। করোনা ভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিনে (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর পাঁচ হাসপাতালে মোট ৫৪১ ব্যক্তিকে টিকা দেওয়া হয়।

৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। এ দিনে সারাদেশে টিকা নেন ৩১ হাজার ১৬০ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২৩ হাজার ৮৫৭ জন ও নারী সাত হাজার ৩০৩ জন।

এর আগে স্বাস্থ্যঅধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, রাজধানী ঢাকায় ৫০টি হাসপাতাল ও সারাদেশে ৯৫৫টি হাসপাতালসহ সারাদেশে মোট এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে টিকাদান কার্যক্রম চলবে। রাজধানী ঢাকায় ৫০টি হাসপাতালে ২০৪টি ও সারাদেশে ৯৫৫টি হাসপাতালে দুই হাজার ১৯৬টি টিম কাজ করবে। মোট এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে মোট ২ হাজার ৪০০টিম কাজ করবে।

এছাড়া ভ্যাকসিন বিষয়ক কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুত রয়েছে সাত হাজার ৩৪৪টি টিম।

Share

আরও খবর



দলে শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ অপরিহার্য নয়: কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দলের ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে। তারাই দুঃসময়ে দলের সঙ্গে থাকবে, বসন্তের কোকিলদের খুঁজেও পাওয়া যাবে না। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্জনের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকতে হবে

দলে যে কোনো পর্যায়ে শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ অপরিহার্য নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় একথা জানান তিনি।

দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপে কেউ জড়িত থাকলে যত বড়ই নেতা হোক, কেউ পার পাবে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কে কোথায়, কখন কী করছেন সবাই নজরদারিতে আছেন। শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে আগামী কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুটিকয়েক লোক শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করলে দল তার বোঝা নেবে না।

ওবায়দুল কাদের ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিজের অবস্থান ভারী করার জন্য পকেট কমিটি বরদাশত করা হবে না। সম্মেলনের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে পর্যায়ক্রমে থানা পর্যন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে পরাজিত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সবাইকে ঐকবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দলের ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে। তারাই দুঃসময়ে দলের সঙ্গে থাকবে, বসন্তের কোকিলদের খুঁজেও পাওয়া যাবে না। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্জনের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকতে হবে। আওয়ামী লীগ একটি পরিবার, যারা এই পরিবারের ঐক্যে ফাটল ধরাবে তাদের কোনোভাবেই ক্ষমা করা হবে না।

দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো বক্তব্য বা দ্বিমত থাকলে তা দলীয় ফোরামে আলোচনা করতে হবে, তাতেও সমাধান না হলে লিখিতভাবে সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, দলের জেলা, উপজেলা, থানা পর্যায়ের যে কোনো কমিটি কেন্দ্রের অনুমতি ছাড়া বাতিল করা যাবে না।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের
Share

আরও খবর



যে কারণে ইসলাম ত্যাগ করে ইহুদি হলেন কুয়েতের গায়িকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
আমার পরিবার আমাকে গ্রহণ করবে কিনা আমি জানি না। তবে এ নিয়ে আমি শঙ্কিত নই। সবারই নিজের একটি চিন্তাশক্তির জায়গা রয়েছে

পশ্চিম কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে অনেক তারকাই নানা ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন বলে খবর শোনা যায় প্রায়ই। তবে এবার ইসলাম থেকে ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করে হৈচৈ ফেলে দিলেন কুয়েতি গায়িকা বাসমা-আল-কুয়েতি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিও শেয়ার করে তিনি নিজেই তার ধর্মান্তরিত হওয়ার খবরটি প্রকাশ্যে আনেন।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাসমা-আল-কুয়েতির পোস্ট করা ভিডিওতে তিনি বলেন, প্রথমেই সন্ত্রাস এবং ভণ্ডামির প্ররোচণায় চলতে থাকা এক ধর্ম থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে আসতে পেরে খুব আনন্দবোধ করছি। আপনারা সকলেই জানেন আমার ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করার কথা। ইসলাম মেয়েদের নানা অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। তাই এই ধর্ম থেকে বের হয়ে নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করছি।

নিজের পরিবার এবং দেশের ভাবনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি আরও জানান, আমার পরিবার আমাকে গ্রহণ করবে কিনা আমি জানি না। তবে এ নিয়ে আমি শঙ্কিত নই। সবারই নিজের একটি চিন্তাশক্তির জায়গা রয়েছে। দেশ নিয়ে বললে, আমি এর আগেও কুয়েতের রাজতন্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে নিন্দা করেছি। এমনকি আমাদের দেশের সাথে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্থাপনে অস্বীকার করার ব্যপারটিও ঘৃণার চোখে দেখি।

প্রসঙ্গত, কুয়েতি মায়ের কাছে বড় হওয়া বাসমা জন্মসুত্রেও একজন কুয়েতের নাগরিক। কিন্তু অনেকর মতে নাগরিক হিসেবে তিনি ইরাকের জাতীয় পরিচয়পত্র বহন করেন। তবে একটি সুত্র জানিয়েছে, বাসমা বর্তমানে কুয়েত সরকারের কড়া নজরদাড়িতে রয়েছেন। তার টুইট একাউন্টসহ সবকিছুতেই খেয়াল রাখা হচ্ছে। বাসমার কারণে জনগণ বিভ্রান্ত হলে শিগগিরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share

আরও খবর



প্রকাশক দীপন হত্যায় ৮ আসামির মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৫৭জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা

জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় বহিষ্কৃত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়াসহ ৮ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এই রায় হয়। ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

গত ২৪ জানুয়ারি দুপুরে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমানের আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এ তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

দীপন হত্যা মামলায় অভিযুক্ত বরখাস্তকৃত মেজর জিয়া ছাড়াও অন্য আসামিরা হলেন, আকরাম হোসেন, মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুস সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে সাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার এবং শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের। আসামিদের মধ্যে জিয়া ও আকরাম হোসেন পলাতক রয়েছে।

উল্লেখ্যা, ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই দিনে লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে ঢুকে এর স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ টুটুল, লেখক রণদীপম বসু ও প্রকৌশলী আবদুর রহমানকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। ফয়সল আরেফিন দীপনকে হত্যার পর ওই দিনই তার স্ত্রী রাজিয়া রহমান শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার ফজলুর রহমান চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর আট আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। গত ২৩ ডিসেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। চার্জশিটভুক্ত ২৬ সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

Share

আরও খবর



আগামী চারদিন বাড়তে পারে তাপমাত্রা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ দেশের তিন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। তবে আগামী চারদিন টানা তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আজ বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে। আজ দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সকাল নয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

Share

আরও খবর