Logo
শিরোনাম

কোভিড-১৯ : শিশুর জগত ও তাদের ভাবনা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শিশুরা বাধাহীন। চলাফেরা, চিন্তা-চেতনায় অপ্রতিরোধ্য। পরিপূর্ণ উচ্ছলতায়। সীমানা নির্ধারণ বলাই বাহুল্য। এরা চঞ্চল, এরা পাখির মতো ডানা মেলে স্বপ্নের জগতে উড়বেই।

থমকে দিলো করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। বিশ্ব্য ব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত মানবজীবন। এর থেকে বাঁচার জন্য মানবকলে উৎকণ্ঠা। আর এই মানবকল বা মানব জাতির বড় একটা অংশ হলো শিশুরা। এ মুহূর্তে শিশুরা ভুগছে মানসিক চাপে। স্কুল নেই, বন্ধুদের সাথে দেখা নেই, খেলা নেই, ঘরের চার দেয়াল ছাড়া কোথাও যাওয়ার উপায় নেই।

মার্চ ০৮, ২০২০ ইং তারিখে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।  জনসমাগম এড়াতে ১৮ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। এর পর থেকে ছুটির মেয়াদ বাড়তে থাকে। দুর্ভাগ্য, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আসে আরও শক্তিশালী হয়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নেয়া হয় বিভিন্ন পদক্ষেপ। বর্তমান এ পরিস্থিতিতে চলছে কঠোর লকডাউন। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও জুলাই ২০২১ সাল পর্যন্ত চলমান। এ পরিস্থিতিতে শিশুরা গৃহবন্দী। চিন্তার বিষয় দীর্ঘ সময় শিশুরা এ অবস্থায় থেকে তাদের মানসিক অবস্থা কী দাঁড়ায়? ভাবতেই গা শিউরে ওঠে। ছোট একটি শিশু প্রায় দেড় বছর ধরে ঘরের বাইরে যাচ্ছে না। নেই কোন সামাজিক যোগাযোগ (ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম নয়), সংস্কৃতি চর্চা। এর ফলে শিশুদের মনোজগতে পড়ছে বিরূপ প্রভাব। গভীর উদ্বেগের বিষয়।

দীর্ঘদিনের আবদ্ধ অবস্থা শিশুর সকল ধরনের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে। একটি শিশুর ছবি আঁকা, নাচ, গান, আবৃত্তি চর্চা এসব মানসিক বিকাশের অংশ। এ পরিস্থিতিতে শিশুর সকল ধরনের বিকাশ, বুদ্ধির বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া শিশুর সময় কাটানোর জন্য দরকার আরেকটা শিশুর।

শিক্ষাব্যবস্থা সচল রাখার জন্য দেশের প্রায় অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা চালু হয়েছে। বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জুম অ্যাপস, গুগল ক্লাসরুম, গুগল মিট, ওয়েবএক্স, ফেসবুক লাইভ, ইউটিউবের মতো বিভিন্ন সাইট ব্যবহার করে তাদের শিক্ষকদের সঙ্গে ক্লাস করছে। কিন্তু শিশুরা দীর্ঘ সময় ধরে ডিভাইসের সামনে বসে ক্লাস করায় তাদের মধ্যে দেখা দিচ্ছে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা। এ সকল সমস্যা দূর করার জন্য শিশুদেরকে বেশি বেশি সময় দিতে অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে বেশি সময় অনলাইনে ক্লাস করার কারণে অনেক শিশুর পিঠ, কোমর, চোখ ও ঘাড়ে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এতে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। আর অধিকাংশ সময় জুমে ক্লাস করা নিয়েও বিরক্ত হচ্ছে শিশুরা। মাঝে মধ্যে শোনা যায়, এ করোনাভাইরাস লাইফটা শেষ করে দিলো। আর ভালো লাগে না এসব। কবে, কখন স্কুলে যাবএ প্রশ্নই তাদের মনে। অভিভাবকরাও কিছু বলবেন তার উপায় কোথায়? কারণ প্রতিউত্তর তোমরা বাইরে যাও, চাকরি করো, কলিগদের সাথে দেখা হয়, গল্প করো...কিন্তু আমরা কোথায় যাবো??? একজন অভিভাবক হিসেবে আমারও জানার আগ্রহ সত্যিই ওরা কোথায় যাবে, কী করবে? এই সরল প্রশ্নের উত্তর কী হতে পারে, একজন অভিভাবক হিসেবে কী করা উচিত? কোমলমতি এসব শিশুদের রক্ষা করার উপায় কী? আমার জানা নেই। নৈতিক শিক্ষা, শিক্ষাগুরুর সন্নিকটে শিক্ষা গ্রহণ, বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ এসব থেকে বঞ্চিত তারা। কিন্তু আমাদের শিশুদের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। তারা স্বপ্ন দেখে ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রতিবদ্ধ। মোটেও কল্পনার জগতে বাস করে না তারা। আমাদের শিশুরা বিভিন্ন ধরনের গল্পের বই পড়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বই পড়ার তালিকায় রয়েছে জনপ্রিয় বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক, কলাম লেখক, পদার্থবিদ, শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবালের বই। শিশুরা তাঁর লেখা পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে হতে চায় বিজ্ঞানী। তারা নাসার বিজ্ঞানী হতে চায়, হতে চায় জুনিয়র আইনস্টাইন। আজকালকার শিশুদের আলোচনার বিষয় সৌরজগত, ফুটবল (কোপা আমেরিকা, ইউরো কাপ) ও ক্রিকেট খেলা ইত্যাদি। অভিভাবকদের জন্য এটি স্বস্তির।

এতোকিছুর পরেও সন্তানদের ওপর ভীষণ রাগ করি। দীর্ঘ সময় ডিভাইস নিয়ে থাকার কুফল নিয়ে ব্যাখ্যা করতে গেলেই বেধে যায় লঙ্কাকান্ড (একটু আগেই লিখেছি ধারাবাহিকভাবে ডিভাইস ব্যবহারে কী কী ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে শিশুরা)। দীর্ঘক্ষণ ল্যাপটপ, মোবাইল নিয়ে থাকার ফলে খিটখিটে মেজাজ, ধৈর্যের ঘাটতিসহ আচরণগত কিছু পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে। এছাড়া, প্রাত্যহিক জীবনেও এসেছে ভয়াবহ পরিবর্তন। নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলার বিষয়টি তাদের মাথায়ই নেই। রাত জাগা ও দিনের অধিকাংশ সময় ঘুমিয়ে থাকা (ক্লাসের একটু আগে ওঠা) একটি শিশুর জন্য কতোটা ক্ষতিকর তা কেবল ভুক্তভোগীরাই বোঝে। সকাল ১০টা থেকে বেলা ১:০০টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে (১০ মিনিটের বিরতি কথা থাকলেও) ক্লাস চলে। জুমে ক্লাস করা, গাদাগাদা অ্যাসাইনমেন্ট এসবের চক্রাকারে পড়ে তারা আজ বিপর্যস্ত। এর সঙ্গে এটাই বাস্তব যে, জুমে ক্লাস অন করে শিশুরা শুয়ে-বসে সময় কাটায়। ক্লান্তি আর বিরক্ত। যা একটি পরিবারের জন্য বেদনাদায়ক ও কষ্টদায়ক। সন্তানের এ অবস্থা থেকে মুক্তির উপায় কী? সংশ্লিষ্ট মহল এ বিষয়টি আরোও গুরুত্বসহকারে বিশ্লেষণ ও নজরদারিতে আনবেন একজন অভিভাবক হিসেবে এ আকুতি।

করোনা সংক্রমণের এই পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিকে অবান্তর বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এর পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেছেন, করোনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের কম না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা বিজ্ঞানসম্মত নয়। করোনা মহামারীর মধ্যে শিক্ষাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শ নেয়া হয়ে থাকে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সহমত পোষণ করে সবিনয়ে বলতে চাই : পড়াশুনা দরকার কিন্তু তার আগে প্রয়োজন সুস্থ-স্বাভাবিক শিশুকে রক্ষা করা। এ সমস্ত প্রতিযোগিতায় দুরন্ত শিশুদের ধ্বংস করা হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সুন্দর ভবিষ্যৎ। বিকলাঙ্গ ভবিষ্যৎ কারো কাম্য নয়। সুস্থ থাকুক শিশুরা, সুন্দর হোক আগামী।

নিউজ ট্যাগ: শিশুর জগত

আরও খবর



চার দিন পর করোনা টিকাদান শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঈদের ছুটির তিন দিন এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারসহ চার দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার (২৪ জুলাই) ফের শুরু হয়েছে করোনাভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী যারা করোনার টিকা নেয়ার জন্য নিবন্ধন করে আজ টিকা নেয়ার ক্ষুদে বার্তা পেয়েছেন সেই সব নাগরিকদের টিকা প্রদান করা হচ্ছে। বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালে সিনোফার্ম, মডার্না ও ফাইজারের টিকা দেয়া হচ্ছে নিবন্ধনকারী নাগরিকদের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, দেশে গত ১৯ জুলাই পর্যন্ত সিরাম ইনস্টিটিউটের অক্সফোর্ডের কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জন এবং দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৬ জন। টিকার মজুত শেষ হওয়ায় কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজের টিকা নেয়া অনেকেই এখনো দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাননি।

শনিবার (২৪ জুলাই) বিকেলে কোভ্যাক্সের আওতায় জাপান সরকারের উপহারের প্রায় আড়াই লাখ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা আসছে দেশে। যারা দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাননি সেসব নাগরিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব টিকা প্রদান করা হবে।

এদিকে দেশে সিনোফার্মের প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৬৬০ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৩ হাজার ৩১৯ জন, ফাইজারের প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫০ হাজার ১০৪ জন এবং মডার্নার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ২ লাখ ৬৯ হাজার ৫৩৭ জন।



আরও খবর



কেনিয়ায় পেট্রোল ট্যাংকার বিস্ফোরণে নিহত ১৩

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পশ্চিম কেনিয়ার একটি মহাসড়কে পেট্রোল ট্যাঙ্কার উল্টে গিয়ে বিস্ফোরণে আগুন লেগে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আরো বেশ কিছু লোক আহত হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে জানা যায়, শনিবার ( ১৭ জুলাই) গভীর রাতে নাইরোবির উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ৩১৫ কিলোমিটার (১৯৫ মাইল) দূরে মালাঙ্গার কাছে জ্বালানী ট্রাকটি অন্য একটি গাড়ির সাথে সংঘর্ষে উল্টে যায়। এতে দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দুঘণ্টা লেগে যায়।

দুধ ভর্তি লরিটি উগান্ডা সীমান্তের কাছে বুসিয়া থেকে কিসুমুতে যাচ্ছিল। সে সময়ই বিপরীত দিক থেকে আসা পেট্রোল ট্যাংকারের সঙ্গে সেটি ধাক্কা খায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সিয়া কাউন্টির স্থানীয় পুলিশ প্রধান চার্লস বলেন, "আমরা ঘটনাস্থলে বারোটি লাশ গণনা করেছি। অপর একজন আহত হয়ে হাসপাতালে মারা যান।"তিনি জানান,"অনেককে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।"


আরও খবর



করোনা ও উপসর্গ বিভিন্ন জেলায় ১৬৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন জেলায় এ পর্যন্ত ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জুলাই) নিউজপোষ্ট24 এর জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে রাজশাহী ও বগুড়া জেলায়। এ দুই জেলায় ১৯ জন করে মোট ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর পরেই রয়েছে চুয়াডাঙ্গা-১৭, খুলনা-১৭, কুষ্টিয়া-১৩, ফরিদপুর-১২, যশোর-১২, রংপুর-১০, চট্টগ্রাম-৯, ময়মনসিংহ-৭, টাঙ্গাইল-৭, বরিশাল-৭, রাজবাড়ী-৫, ঠাকুরগাঁও-৫, কিশোরগঞ্জ-৪ ও জয়পুরহাট-৩ জন।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সারাদেশে ১৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল। আজ মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।


আরও খবর



ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ৫-০ গোলে হারাবে ব্রাজিল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনার তারকা লিওনেল মেসির সঙ্গে দেখা হবে ব্রাজিল ফরোয়ার্ড নেইমারের।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হওয়া মানে জিবে জল আনা লড়াই। এমন ম্যাচে আবার অনেকেরই জিবের লাগাম ছুটে যায়।

পছন্দের দলের হয়ে বেমক্কা অনেক কিছু বলে বসেন অনেকেই। তবে সাধারণ সমর্থকেরা এমন কিছু বললে না হয় উড়িয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু ভরা মজলিশে কথাটা যদি বলেন স্বয়ং ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট!

আর কথাটা যদি হয়, কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ব্রাজিল এক-দুই গোল নয় ৫-০ গোলে হারাবে, তাহলে!

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে বসেছিলেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারো। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ।

এ সময় বলসোনারো বলেন, মারাকানায় শনিবার একমাত্র (ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল) দ্বৈরথটি হবে। আমার মতে ব্রাজিল ৫-০ গোলে জিতবে। কথাটি বলার সময় হাতের পাঁচটি আঙুলও তুলে দেখান বলসোনারো। ব্রাজিল প্রেসিডেন্টের কথায় মুচকি হাসেন আলবার্তো ফার্নান্দেজ।

 


আরও খবর



সুনামগঞ্জের অচিন্তপুর রাজারগাঁও নদী ভাঙ্গনের প্রতিরক্ষার কাজ উদ্বোধন

প্রকাশিত:সোমবার ২৮ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
Image

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের অচিন্তপুর রাজারগাঁও নদী ভাঙ্গনের প্রতিরক্ষার কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার ২৮ জুন দুপুরে নদী ভাঙ্গনের কাজ জরুরী ভিত্তিতে উদ্বোধন করেন সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান।

এ সময় তিনি  বলেন, সুনামগঞ্জের অচিন্তপুর রাজারগাঁও প্রামের নদী ভাঙ্গনের জন্য আমরা প্রকল্প পাঠিয়েছিলাম। এই আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ জোড়ালো ভাবে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধের জন্য সংসদে দাবী উত্থাপন করেছেন। আমাদের দাবীর প্রেক্ষিতে পানিসম্পদ মন্ত্রী ও নদী ভাঙ্গনে জরুরী প্রতিরক্ষামূলক বরাদ্দ দিয়েছেন। আজ এই কাজ শুরু করছি।

তিনি আরো বলেন নদী ভাঙ্গন প্রতিরোরোধে আমরা স্থায়ী বরাদ্দের জন্য পুরো জেলার প্রতিবেদন ও প্রকল্প পাঠিয়েছি। এই প্রকল্পে অচিন্তপুর রাজারগাঁও রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধাদের গ্রাম হিসেবে এই দুটি গ্রামকে প্রধান্য দেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী প্রকৌশলী , অচিন্তপুর গ্রামের মুক্তিযুদ্ধা নুরুল ইসলাম, আব্বাস উদ্দীন, ইউপি আওয়ামীলীগ নেতা নাজিম উদ্দীন, যুবলীগ নেতা আজিমুল হক, জাতীয় পার্টি নেতা সাজ্জাদুর রহমান, মুহাম্মদ আমিনুল হক মাস্টার , ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের শাহাব উদ্দিন, সমাজ কর্মী সালেহ আহমদ, ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন, মিনারুল, খোকন প্রমুখ।


আরও খবর