Logo
শিরোনাম

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৬৩

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনায় দেশে গেলো ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় করোনা আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৬২৬ জন। একদিনে শনাক্তের হিসেবে যা নতুন রেকর্ড।

বুধবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গতকাল করোনায় এযাবতকালের সর্বোচ্চ ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ সময় করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছিল ৭ হাজার ২১৩ জন।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৪৪৭ জন। এ যাবত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৫৯ হাজার ২৭৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৪ হাজার ৬৬৮ জনের। শনাক্তের হার ২২.২। এছাড়া গেলো ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৬৬ জনের মধ্যে ৩৯ জন পুরুষ, বাকি ২৪ জন নারী। গেলো ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৫৬ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৩৮৩ জন।


আরও খবর



নুসরাত হত্যার দুই বছর: আজও আতঙ্কিত পরিবার

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে করা শ্লীলতাহানির মামলা তুলে না নেওয়ায় ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে নিয়ে নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে তার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে

আজ নুসরাত হত্যার দুই বছর পূর্ণ হলো। ২০১৯ সালের ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে নয়টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দগ্ধ মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি। ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল বিকেলে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে সোনাগাজী মোহাম্মদ ছাবের সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল মাঠে নামাজে জানাজা শেষে তাকে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

নুসরাত জাহান রাফির উপর অগ্নিসন্ত্রাসের দুই বছর উপলক্ষে তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় সুনসান নীরবতা। নুসরাতের বাড়ির দরজায় পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তায় তিনজন পুলিশ পাহারায় রয়েছেন।

নুসরাতের মৃত্যুবার্ষিকীতে কোরআন খতমের মাধ্যমে সামাজিক মসজিদ ও পারিবারিকভাবে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হবে বলে জানান নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান।

নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বলেন, দুই বছর পার হলেও আজও প্রতিদিন ভোরে তাকে খুঁজি। মনে হয় এই বুঝি নুসরাত এসে জড়িয়ে ধরে মা বলে ডাকছে। তার স্মৃতি আজও ঘরের, বাড়ির সবকিছুতেই রয়েছে। তার পড়ার বই, জামা কাপড় ও পছন্দের সবকিছুই গোছানোভাবে রাখা হয়েছে ঘরের মধ্যে। আমরা বিচারিক আদালতে ন্যায় বিচার পেয়েছি। শুনেছি উচ্চ আদালতে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আপিল করেছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আসামিদের রায় দ্রুত কার্যকরের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

নুসরাতের বড় ভাই ও মামলার বাদী মাহমুদুল হাসান নোমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসামিদের স্বজন ও একশ্রেণির অপপ্রচারকারীরা সক্রিয় হয়ে আমাদের পরিবার নিয়ে অপপ্রচার করে যাচ্ছে। যার কারণে আমরা সামাজিক মান-সম্মানের ভয়ে আতঙ্কিত থাকি। আমরা বিচারিক আদালতে ন্যায় বিচার পেয়েছি। উচ্চ আদালতেও আমরা ন্যায় বিচার প্রত্যাশী। আমাদের পরিবারের জন্য খুনিরা ও তাদের স্বজনরা মারাত্মক হুমকি হচ্ছে তাদের ফেসবুক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে বিষোদ্‌গার করে যা ইচ্ছা তাই লেখে যাচ্ছে। আমাদের জন্য খুনি ও তাদের স্বজনদের ব্যবহৃত ফেসবুকই হচ্ছে চরম আতঙ্ক।

তিনি আরও জানান, আমরা এই মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানি না। তবে কিছুদিন পূর্বে আমাদের আইনজীবী শাহাজাহান সাজুর মাধ্যমে জেনেছি করোনা পরিস্থিতির কারণে মামলাটির বেঞ্চ গঠনে বিলম্ব হচ্ছে। তিনি দ্রুত রায় কার্যকর করার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।

ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফির গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনার দুই বছর পার হয়েছে। ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে নিয়ে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ মামলার রায়ে ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়।

উল্লেখ্য, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে করা শ্লীলতাহানির মামলা তুলে না নেওয়ায় ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে নিয়ে নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে তার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে যায়। ৪দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে নয়টায় মৃত্যুবরণ করে নুসরাত।

গত ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায়ে ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ। পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেন।

আসামিরা হলেন- সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ-দৌলা (৫৭), নুর উদ্দিন (২০), শাহাদাত হোসেন শামীম (২০), কাউন্সিলর ও সোনাগাজী পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম (৫০), সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের (২১), জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন (১৯), হাফেজ আব্দুল কাদের (২৫), আবছার উদ্দিন (৩৩), কামরুন নাহার মনি (১৯), উম্মে সুলতানা পপি (১৯), আব্দুর রহিম শরীফ (২০), ইফতেখার উদ্দিন রানা (২২), ইমরান হোসেন মামুন (২২), সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাদরাসার সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন (৫৫), মহিউদ্দিন শাকিল (২০) ও মোহাম্মদ শামীম (২০)।


আরও খবর



রুপগঞ্জে দুই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ১৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রুপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ) থেকে বিশ্বজিৎ দাস

নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জ পাট ও বস্ত্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোয় ছাত্রলীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ২৩ শে মার্চ রাতে রুপগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন গাজী গ্রুপের এডমিন ম্যানেজার মোজাম্মেল হক। রুপগঞ্জ থানার ওসি মহসিনুল কাদির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ইসাখালী গ্রামের আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া জেমিন ও তুষার সহ আরো কয়েকজন মিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে জেমিন এর ফেসবুক একাউন্ট থেকে গাজী একাডেমির জমির কিছু ছবিসহ মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দেন। গাজী গ্রুপের দাবি মন্ত্রী গাজীকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এমন কাজ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত জেমিন ও তুষার কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।

তারা বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী ও তার ছেলে গোলাম মর্তুজা পাপ্পার পক্ষে রাজনীতি না করায় ও তার জবর-দখলের প্রতিবাদ করায় এই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার শাসনআমলে রুপগঞ্জের এমন কোন নেতাকর্মী নেই যারা মামলার শিকার হননি।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানা ও ফাঁড়িতে পুলিশের এলএমজি পোস্ট

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সব থানায় লাইট মেশিনগান (এলএমজি) চৌকি বা হালকা মেশিনগানসহ নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ঝুঁকি বিবেচনায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের বিভিন্ন সহিংস ও ধ্বংসাত্মক কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, থানা, পুলিশ ফাঁড়িসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বালির বস্তা ফেলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারসহ জনবল বৃদ্ধি ও এলএমজি চেকপোষ্ট স্থাপন করাসহ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

থানাগুলো হচ্ছে- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা, বিজয়নগর থানা, নবীনগর থানা, আশুগঞ্জ থানা, সরাইল থানা, নাসিরনগর থানা, কসবা থানা, আখাউড়া থানা ও বাঞ্চারামপুর থানা।

পুলিশ ক্যাম্পগুলো হচ্ছে আশুগঞ্জ সার কারখানা পুলিশ ক্যাম্প, আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেড (পিডিবি) পুলিশ ক্যাম্প, আশুগঞ্জ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর টোলপ্লাজা পুলিশ ক্যাম্প, নবীনগর উপজেলার শিবপুর পুলিশ ক্যাম্প ও ছলিমগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্প, বিজয়নগর উপজেলার চম্পনগর পুলিশ ক্যাম্প, জেলা পুলিশ লাইন্সে ৪ টি এবং পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ১টি সহ মোট ২৭টি এলএমজি চেকপোষ্ট স্থাপন করা হয়েছে।

পুলিশ ফাঁড়িগুলো হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ১ নং শহর পুলিশ ফাঁড়ি, ২ নং শহর পুলিশ ফাঁড়ি, বিজয়নগর উপজেলার ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ি ও আখাউড়া উপজেলার ধরখার পুলিশ ফাঁড়ি। তদন্ত কেন্দ্রগুলো হচ্ছে নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় তদন্ত কেন্দ্র ও বিজয়নগর উপজেলার আউলিয়া বাজার তদন্ত কেন্দ্র।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. রইছ উদ্দিন বলেন, পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া না পর্যন্ত থানা, পুলিশ ফাঁড়ি, তদন্ত কেন্দ্র ও পুলিশ ক্যাম্পগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল থাকবে। এইসব পুলিশি স্থাপনাগুলোতে বালির বস্তা স্তুপ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রশিক্ষিত পুলিশ অফিসার নিয়োগসহ লোকবল বৃদ্ধি করা হয়েছে ও তাদেরকে আধুনিক অস্ত্রসহ অন্যান্য সরঞ্জাম প্রদান করা হয়েছে।


আরও খবর



অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তেনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ইনোভেশন শোকেসিং, ২০২১ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ হুশিয়ারি উচ্চারন করেন।

এসময় তিনি বলেন, করোনার সংকটেও দেশকে উচ্ছৃঙ্খলতার মাধ্যমে অস্থিতিশীল করার জন্য স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক একটি মহল মাঠে নেমেছে। তারা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ পছন্দ করে না, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ পছন্দ করে না, বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য স্বাধীন বাংলাদেশ পছন্দ করে না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান মিলে হাজার বছরের সৌভাতৃত্ব ও সহমর্মিতার বাংলাদেশ পছন্দ করে না। সেই চক্র শেষ হয়ে যায় নি। এ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা বিএনপি দিয়েছে, জাতীয় পার্টি দিয়েছে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ক্ষমতায় এনে রাজাকার শাহ আজিজ, আব্দুল আলীম, মাওলানা মান্নান, খান এ সবুরদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে বিশ্বাসঘাতকের নাম ছিল মীরজাফর, ১৯৭৫ সালে সে বিশ্বাসঘাতকের নাম হয়েছে খন্দকার মোশতাক এবং জিয়াউর রহমান। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যারা নষ্ট করতে চাইবে, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ যারা ধ্বংস করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর-কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা দেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করবে, বঙ্গবন্ধুকে আঘাত করবে, স্বাধীনতার স্বপ্নে আঘাত করবে তাদের সকলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরো যোগ করেন, সংবিধোনের ৭ (ক) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংবিধানের কোন বিধি-বিধানকে অসাংবিধানিক উপায়ে রদ, রহিত, বাতিল, স্থগিত করলে বা করার জন্য ষড়যন্ত্র করলে তা ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া সংবিধানের বিধানের প্রতি নাগরিকদের আস্থা-বিশ্বাস নষ্ট করলে বা প্রত্যেক্ষ বা পরোক্ষভাবে সমর্থন করলেও তা রাষ্ট্রদ্রোহিতা-র অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে সাংবিধানিক বিধান ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতির পিতা-ইত্যাদি নিয়ে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর কৃতকর্ম স্পষ্ঠভাবে ফৌজদারী অপরাধ হিসেবে প্রতিভাত।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত নিয়ে এসময় তিনি বলেন, এ খাত একসময় অবহেলিত ছিল। এখন এ খাতে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। সরকারে নীতি-নির্ধারণ ও বিভিন্ন পদক্ষেপের কারনে এটা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিসর বৃদ্ধি করেছেন। তিনি সবসময় প্রাণিসম্পদ, পোল্ট্রি ও মৎস্য সম্পদকে সামনে নিয়ে আসেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ভাবন, মনোসংযোগ, দায়বদ্ধতা ও আন্তরিক অংশগ্রহণের কারণে আজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত বর্তমান জায়গায় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী সবসময় গবেষণাধর্মী কাজের মাধ্যমে নতুন কিছু সৃষ্টির কথা বলেন। তার নির্দেশনায় আমাদের মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির অনেক মাছ ফিরিয়ে এনেছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের নতুন নতুন উদ্ভাবন বাস্তবায়নের জন্য সরকার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অত্যাধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য সকলে মিলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন করতে হবে। এ খাতকে আধুনিকায়ন ও যান্ত্রিকীকরণ করতে হবে। পুষ্টি ও আমিষসমৃদ্ধ খাবার মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সরবরাহের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। এ খাতের পরিসর বৃদ্ধির জন্য কর্মকর্তারা কাজ করতে হবে। সরকার ও রাষ্ট্র পাশে আছে।-যোগ করেন মন্ত্রী।

করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী আরো বলেন, করোনার মধ্যে কাজ না করলে রাষ্ট্রযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাবে। রাষ্ট্রযন্ত্র বন্ধ হয়ে গেলে উৎপাদন হবে না। উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে অর্থনীতি ঠিক থাকবে না। অর্থনীতি ঠিক না থাকলে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ডিজিটাল রাষ্ট্র ব্যবস্থা আমরা কেউ পাবো না। এজন্য করোনার মধ্যে কাজও করতে হবে, সচেতনও থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোটা জাতি, দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নকে সাথে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও চীফ ইনোভেশন অফিসার মোঃ তৌফিকুল আরিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক ও শ্যামল চন্দ্র কর্মকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ৩২টি উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করা হয়। প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি উদ্ভাবনী ধারণাগুলো ঘুরে দেখেন ও এবিষয়ে সম্যক ধারণা নেন।



আরও খবর



পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে বিধানসভার নির্বাচন শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ শনিবার (২৭ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে বিধানসভার ভোট-গ্রহণ শুরু হচ্ছে। মোট ৮ দফায় চলবে এ ভোট। প্রথম পর্বে পশ্চিমবঙ্গে ৩০ আসনে ১৯১ জন প্রার্থী লড়াই করছেন এবং আসামে ৭৭ আসনে ভোট-গ্রহণ চলছে। পশ্চিমবঙ্গের ৩০ আসনের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের ৬, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৭, ঝাড়গ্রামের ৪ (সবগুলি), বাঁকুড়ার ৪ এবং পুরুলিয়ায় ৯টি (সবগুলি) আসন রয়েছে। মোট ভোটদাতার সংখ্যা ৭৩ লাখ ৮০ হাজার ৯৪২।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এজন্য ভোটারদের শরীরে তাপমাত্রা পরীক্ষা করার জন্য থার্মাল স্ক্যানার বসানো হয়েছে। এছাড়াও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের ৫ জেলায় মোট ৭৩২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

৩০ আসনগুলো হলো- পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, ভগবানপুর, খেজুরি, এগরা ও রামনগর। পশ্চিম মেদিনীপুরের ৬টি আসন দাঁতন, কেশিয়াড়ি, গড়বেতা, শালবনী, মেদিনীপুর ও খড়গপুর। ঝাড়গ্রাম জেলার ৪ কেন্দ্র বিনপুর, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রামে। বাঁকুড়ার ৪ আসন রায়পুর, রানিবাঁধ, ছাতনা ও শালতোড়ায়। পুরুলিয়ার ৯টি কেন্দ্র- বাঘমুন্ডি, বলরামপুর, বান্দোয়ান, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পারা ও রঘুনাথপুরে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মতো আসামেও আজ শুরু হচ্ছে প্রথম দফার ভোট। ২৬৪ প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে এদিন। ১২ জেলার ৪৭ আসনে ভোট শুরু হবে সকাল ৭টায়। চলবে ৬টা পর্যন্ত। লড়াই মূলত শাসক বিজেপি এবং কংগ্রেস-এআইইউডিএফ জোটের।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ১১,৫৩৭ ভোট কেন্দ্রে নেয়া হবে ভোট। মোট ভোটার ৮১,০৯,৮১৫ জন। পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৪০,৭৭, ২১০ জন। মহিলা ভোটার ৪০,৩২,৪৮১ জন।


আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১