Logo
শিরোনাম

মেয়েটাকে ভুত'ই মেরেছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
পরিবারের সবাই জানত ওই ছেলের সাথে এই মেয়ের সম্পর্ক আছে। এবং হয়ত এই সম্পর্কটা পরিবারের সবাই মেনে নিয়েছে। অন্য ব্যাখ্যা হতে পারে- কেউ কিছু জানত'ই না।

আমিনুল ইসলাম

মেয়েটিকে নিয়ে আমি কিছু লিখবো না। মেয়েটির বয়েস কম ছিল। কলেজে পড়ছিল। কতো হবে বয়েস?  ১৫-১৬? কিংবা সর্বোচ্চ ১৭? এর বেশি তো কোন ভাবেই নয়। এতটুকু মেয়ে ভুল করছিল না সঠিক কাজ করছিল; এই নিয়ে যারা লিখছেন; তাদের চিন্তার দৈন্যতা নিয়ে বরং আলোচনা হতে পারে।

দেশের নামকরা পত্রিকা গুলো পড়ে যা জানলাম, তাতে অবশ্য মনে হচ্ছে মেয়েটি মারা গিয়েছে কোন এক ভুতের সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে! কেউ তাদের নাম বলছে না। পরিচয় প্রকাশ করছে না। এই হচ্ছে আমাদের নামকরা সংবাদ মাধ্যম গুলো দৌড়!

অবশ্য ভুতের বাবার যদি নিজের'ই দুই-চারটা পত্রিকার মালিকানা থাকে। দুই-চারটা টেলিভিশন চ্যানেল থাকে। বিরাট শপিং মল আর একটা আস্ত শহরের বিশাল অংশের জমির মালিকানা থাকে; তাহলে এমন দুই চারটা "মানুষ" মেরে ফেলা যায়। এতে কোন সমস্যা নেই।

তাছাড়া শুনেছি ভুত সমাজের নাকি মানুষ খেতে ভালো লাগে। মানুষের মাংসের স্বাদ নাকি একটু বেশি'ই!

তো, দেশের নামকরা পত্রিকা গুলো পড়ে প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছি- মেয়েটাকে ভুত'ই মেরেছে! তাই ভুতের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও তারা মেয়ের পরিবারের কে কোথায় থাকে। কে, কি করে এইসব হদিস'ই পেয়ে গিয়েছে। অবশ্য মেয়েটি তো মানুষ! কেবল ভুতের পরিচয় পাওয়া যায়নি! অবশ্য মানুষ হয়ে ভুতের পরিচয় পাওয়া কি আর এতো সহজ নাকি!

শেষমেশ নাম না জানা সাধারণ অন-লাইন পত্রিকা গুলো পড়ে জানতে পারলাম- ভুত না; বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকের ছেলের (সায়েম বোধকরি নাম) সাথে ওই মেয়ের সম্পর্ক ছিল।

মেয়েটার বাড়ি কুমিল্লায়। সে কলেজে পড়তে ঢাকা এসছিল। মাস তিনেক হয় গুলশানের ওই ফ্ল্যাটে থাকতো। সেই ফ্ল্যাটের ভাড়া মাসে লাখ টাকারও বেশি। ওই ফ্ল্যাটে মেয়েটা একা'ই থাকতো। আর ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিল ওই মালিকের ছেলে। যে নিজেও বসুন্ধরা গ্রুপের একজন এমডি।  সে-ই ওই ফ্ল্যাটের ভাড়া দিত।

মৃত্যুর আগের দিন ওই মেয়ে তার বোনকে বলেছিল- সে বিপদে পরেছে। এরপর তার বোন কুমিল্লা থেকে ঢাকায় এসে দেখে তার বোনের মৃত দেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে।

এখন নামকরা পত্রিকা গুলো লিখছে- এই মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। এই মেয়ে যে আত্মহত্যা করেছে; আপনারা কি করে নিশ্চিত হলেন? অবশ্য ভুতের সাথে সম্পর্ক ছিল বলে কথা। ভুত সমাজ তো আবার চাইলে যে কাউকে উধাও করে দিতে পারে। ভুত ভলে কথা। একটা ফুঁ দিলেই উধাও!

এই পর্যন্ত লিখেই ভেবেছিলাম লেখাটা শেষ করবো।

আগেই বলেছি মেয়েটাকে নিয়ে আমি কিছু লিখবো না। অতটুকু মেয়ে ভুল করছিল নাকি ভালো করছিল; সেটা বুঝার হয়ত বয়েস'ই তার হয়নি। এই বয়েসে সবার কাছেই সব কিছু রঙিন মনে হয়। অতি সাধারণ জিনিসকেও মনে হয় বিশাল কিছু। আমরা সবাই এই বয়েস পার করে এসছি। সুতরাং এই বিষয় গুলো আমাদের জানা।

তাহলে আমরা কেন ভুল পথে যাইনি?

কারণ আমাদের পরিবারের সদস্যরা সব সময় আমাদের সঠিক পথ'টা দেখিয়ে দিতেন। বাবা-মা; বড় ভাই-বোনদের দায়িত্ব হচ্ছে- ছোটরা যদি কোন ভুল করে থাকে; কিংবা ভুল পথে যায়; তাহলে তাদেরকে সঠিক পথটা দেখিয়ে দেয়া।  এই মেয়েটা ঢাকা শহরে গুলশানের মতো একটা জায়গায় এতো বিশাল ফ্ল্যাটে থাকতো। যার ভাড়া'ই হচ্ছে এক লাখ টাকার উপর। আমি মোটামুটি নিশ্চিত- এক জীবনে আমার নিজের অন্তত এই সামর্থ্য হবে না।

তো, এই মেয়েটা এমন একটা অভিজাত এলাকায় এতো দামী একটা ফ্ল্যাটে থাকছিল; তার বড় বোন এবং পরিবারের অন্য সবাই সেটা জানত। এর দুটো ব্যাখ্যা হতে পারে। প্রথম ব্যাখ্যা হচ্ছে- পরিবারের সবাই জানত ওই ছেলের সাথে এই মেয়ের সম্পর্ক আছে। এবং হয়ত এই সম্পর্কটা পরিবারের সবাই মেনে নিয়েছে। অন্য ব্যাখ্যা হতে পারে- কেউ কিছু জানত'ই না।

দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটা গ্রহণযোগ্য হবার কথা নয়। কারণ মেয়েটা ওই ফ্ল্যাটে তিন মাসের মতো থাকছিল এবং তার বড় বোন অন্তত ওই বাসাটা চিনত।

ভালোবাসা জাত মানে না। ভালোবাসা শ্রেণী মানে না। ভালোবাসা কোন কিছুই মানে না। তাদের মাঝে যদি ভালোবাসার সম্পর্ক থেকে থাকে; তাহলে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু তাদের মাঝে যদি ভালোবাসার সম্পর্ক থেকে না থাকে; তাহলে মেয়েটা ভুল করছিল। সেই ভুলটা ধরিয়ে দেয়ার দায়িত্ব ছিল পরিবারের বড়'দের।  এমনকি ভালোও যদি বেসে থাকে; এরপরও পরিবারের দায়িত্ব ছিল মেয়েটাকে সতর্ক করা। কারণ মেয়েটা পরিণত বয়েসের ছিল না।

ভুতের সাথে মানুষের সম্পর্ক হয় না।

ভুতের কাজ ভুত করেছে; মাঝখান থেকে মানুষটা হারিয়ে গিয়েছে। ভুতেদের বিচার হয় না। কারণ তারা অস্পৃশ্য। তাদের দেখা যায় না। ছোঁয়া যায় না। তারা ইচ্ছে হলে মানুষের মাংস খায়। মাঝখান থেকে দোষ হয় ওই মানুষটার- কেন সে ভুতের সামনে হাজির হলো। তাই নিজেদেরই সতর্ক হতে হবে। সেই শিক্ষা পরিবারকেই দিতে হবে।


আরও খবর



কওমি মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের রাজনীতি নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের সহিংস কর্মকাণ্ডের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সব কওমি মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ এপ্রিল) কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী বোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের স্থায়ী কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বোর্ডের অফিস সম্পাদক মু. অছিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সভায় সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া কওমি মাদরাসার ছাত্র, শিক্ষক, আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসলমান এবং মসজিদের ইমাম ও মুসল্লিদের রমজানের এই রহমতের মাস বিবেচনায় সরকারের নিকট তাদের মুক্তির আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি আলেম-ওলামা, মাদরাসার ছাত্র ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের হয়রানি না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।

এছাড়া সভায় ঠিক হয়, কওমি মাদরাসা সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নেবে আল-হাইআতুল উলয়া। আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন এক বা একাধিক বোর্ড কিংবা কোনো সংগঠন বা ব্যক্তি আল-হাইআতুল উলয়ার সিদ্ধান্ত ব্যতীত পৃথকভাবে কওমি মাদরাসা বিষয়ক কোনো সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ বা উদ্যোগ নিতে পারবে না।

নিউজ ট্যাগ: কওমি মাদরাসা

আরও খবর



ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্থগিত

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে দেশে চলছে লকডাউন। সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ ছাড়াও চলছে না গণপরিবহণ। এর মধ্যেই ২০২১ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত ঘোষণা করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়।

অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি জানিয়ে গতকাল শুক্রবার আদেশ জারি করে মাউশি।

মাউশির আদেশে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ মহামারির বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ২০২১ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করা হলো।

এর আগে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল।


আরও খবর



‘৩৩৩’ নম্বরে কল দিলেই বাসায় পৌঁছে যাবে খাবার

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোনও মধ্যবিত্ত পরিবার যদি খাদ্য সঙ্কটে থাকেন তবে তিনি ৩৩৩ নম্বরে কল দিলে তার বাসায় খাবার পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। আজ রবিবার (২৫ এপ্রিল) সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় মজুত এবার কম, তারপরও ভারত থেকে ৫ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। বোরো ধান কেনা হলে সরকারের ত্রাণ বিতরণ নিয়ে কোনও সমস্যা থাকবে না।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ এর ফলে বাংলাদেশে চলাচল সীমিতকরণের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সারা দেশের কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের জন্য সরকার গত বছর বিপুল খাদ্য সামগ্রীসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছিল। এবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে কর্মহীন মানুষের মানবিক সহায়তায় এ পর্যন্ত ৫৭৪ কোটি ৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এনামুর রহমান আরও বলেন, জিআর ক্যাশ দিয়েছি ১২১ কোটি টাকা, ভিজিএফ দিয়েছি ৪৭২ কোটি টাকা। বড় সিটি করপোরেশনগুলোকে ৫৭ লাখ টাকা করে, ছোটগুলোকে ৩২ লাখ টাকা করে দিয়েছি। পৌরসভায় ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোতেও টাকা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিতরণের জন্য সাড়ে ৭ কোটি টাকার প্যাকেটজাত খাবার ক্রয় করা হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেটে চাল, ডাল, তেল, লবণ, চিনি, নুডুলস, চিড়াসহ বিভিন্ন আইটেম আছে। ১০ কেজি চালসহ প্রতিটি প্যাকেটের মধ্যে প্রায় ১৭ কেজি ওজনের খাদ্যসামগ্রী থাকবে যা দিয়ে একটি পরিবারের প্রায় এক সপ্তাহ চলবে বলে আশা করা যায়। আরও ১০ কোটি টাকার খাদ্যসামগ্রী কেনা হবে।

এদিকে ত্রাণ সচিব মো. মোহসীন জানিয়েছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৫৭৪ কোটি ৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

কোনও মধ্যবিত্ত পরিবার যদি খাদ্য সঙ্কটে থাকেন তবে তিনি ৩৩৩নম্বরে কল দিলে তার বাসায় খাবার পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। আজ রবিবার (২৫ এপ্রিল) সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় ৩০ কি‌লো‌মিটার যানজট

প্রকাশিত:বুধবার ১২ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
পুলিশের চেকপোস্ট থাকায় খালি কোনো যানবাহন দেখলেই যাত্রীরা তাতেই উঠে বসছে। তাদের অধিকাংশই গার্মেন্টস কর্মী। ঘরমুখী এসব মানুষদের গুণতে হচ্ছে চার থেকে পাঁচগুণ বেশি ভাড়া। গাদাগাদি করে বাড়ি ফেরা

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের ৩০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এই এলাকায় থেমে থেমে যান চলাচল করছে। বুধবার (১২ মে) সকাল থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পাড় পর্যন্ত এ যানজটের সৃষ্টি হয়। এ কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ট্রাক, পিকআপ ও মোটরসাইকেলে চলাচল করা ঘরমুখী মানুষ। এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের করটিয়া, টাঙ্গাইল বাইপাস, এলেঙ্গা, সল্লা, হাতিয়া এলাকায় যানবাহনের সঙ্গে যাত্রীদের জটলা সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের চেকপোস্ট থাকায় খালি কোনো যানবাহন দেখলেই যাত্রীরা তাতেই উঠে বসছে। তাদের অধিকাংশই গার্মেন্টস কর্মী। ঘরমুখী এসব মানুষদের গুণতে হচ্ছে চার থেকে পাঁচগুণ বেশি ভাড়া। গাদাগাদি করে বাড়ি ফেরা এসব মানুষদের মাঝে বেড়ে যাচ্ছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি।

এ দিকে, চন্দ্রা, গোড়াই, মির্জাপুর ও দেওহাটা এলাকায় যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ রয়েছে। যার অধিকাংশই উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার লোক।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত জানান, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপার থেকে গাড়ি টানতে না পারায় টাঙ্গাইলের অংশে থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক হবে।

নিউজ ট্যাগ: বঙ্গবন্ধু সেতু

আরও খবর



এক হাজার শয্যার করোনা হাসপাতালের উদ্বোধন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
এখানে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সর্বোচ্চ সেবার সুযোগ রাখা হচ্ছে। যারা উপসর্গ নিয়ে আসবে তাদেরও রাখা হবে, যাদের আইসিইউ প্রয়োজন তাদেরও রাখা হবে। সবার জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে

আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো করোনা রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় বেড ও আইসিইউ সুবিধাসম্বলিত দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল। আজ রবিবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে নির্মিত এ হাসপাতালটির উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আগামীকাল সোমবার থেকে এখানে রোগী ভর্তি শুরু হবে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, এই হাসপাতাল দেশের সবচেয়ে বড় করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল। এখানে থাকছে ১০০টি আইসিইউ বেড, ১১২টি এইচডিইউসহ মোট ১০০০ বেড।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, এটি দেশের সবচেয়ে বড় করোনা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলছি। এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করে আনা হয়েছে। এখানে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সর্বোচ্চ সেবার সুযোগ রাখা হচ্ছে। যারা উপসর্গ নিয়ে আসবে তাদেরও রাখা হবে, যাদের আইসিইউ প্রয়োজন তাদেরও রাখা হবে। সবার জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এরই মধ্যে এই হাসপাতালে ৫০০ চিকিৎসক, ৭০০ নার্স, ৭০০ স্টাফসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ ও যন্ত্রপাতি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। করোনা রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষাও এখানে করা যাবে।


আরও খবর