শিরোনাম

মঙ্গলবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৯৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামীকাল মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে  পরিকল্পনা করে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।

বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০২১ পালনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে পৃথক বাণী প্রদান করবেন।

দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৭ টা ৫ মিনিটে  মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে শহীদ বুদ্ধিজীবী  পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং যুদ্ধাহত ও উপস্থিত  বীর মুক্তিযোদ্ধারা  সকাল ৭টা ২২ মিনিটে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবকবক অর্পণ করবেন। সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে  থেকে সর্বস্তরের জনগণ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য বেসরকারি টিভি চ্যানেল দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় ও দলীয়  পতাকা অর্ধনমিতকরণ। সকাল ৮টায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন। সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে এবং  সকাল ৯ টায় রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ।

একাত্তরে ত্রিশ লাখ শহীদের মধ্যে বুদ্ধিজীবীদের বেছে বেছে হত্যার ঘটনা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তারা শহীদ হন এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে। হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী তাদের পরাজয় আসন্ন জেনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বুদ্ধিজীবী নিধনের এই পরিকল্পনা করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শহীদ জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতার সহধর্মিনী বাসন্তী গুহঠাকুরতা তার একটি গ্রন্থে লিখেছেন, নীল নকশার রেখা অংকন শুরু হয়েছিল একাত্তরের পয়লা মার্চের আগেই  সত্তরের ১৭ ডিসেম্বর গণভোট বা তারো অনেক আগে উনসত্তরের  গন আন্দোলনের সময় থেকেই , কিংবা বাহান্নর ভাষা আন্দোলনের পরে। একাত্তরে তারা প্ল্যান করে যুদ্ধে নামে। যুদ্ধতো নয় , কেবল নিরস্ত্র মানুষ নিধন। প্রথমে ওদের এলোপাতাড়ি মারা , তারপর শহরে , গ্রামে গঞ্জে বেছে বেছে ধনী , ব্যাবসায়ী , বুদ্ধিজীবি নিধণ করে নদীতে খালে ফেলে দেয়া।

অনেকে মনে করেন, চরম বিপর্যয় আসন্ন, পরাজয় একেবারেই সন্নিকটে- তখনই তারা সেই পরিকল্পনা কার্যকর করে। তালিকাভুক্ত বুদ্ধিজীবীদের চোখ বেঁধে নিয়ে হত্যা করে। তারা স্বাধীন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে এভাবেই অন্ধকার করার পাঁয়তারা করেছিল।

একাত্তরের সেই যুদ্ধাপরাধী ও বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে সংশ্লিষ্ট অনেকের বিচারের রায় কার্যকর হয়েছে।এর মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত অনেকের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় ঘোষিত হয়েছে। মানবতাবিরোধী হত্যা মামলায় দণ্ডিত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হয়েছে। জামায়াতের অপর নেতা মো. কামারুজ্জামান এবং বুদ্ধিজীবী হত্যার অন্যতম হোতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে ।

২০১৬ সালের ১১ মে মুক্তিযুদ্ধকালে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা বাস্তবায়নকারী গুপ্তঘাতক আলবদর বাহিনীর প্রধান ও জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হয়। তবে বুদ্ধিজীবী হত্যায় সরাসরি জড়িত চৌধুরী মইনুউদ্দীন ও আশরাফুজ্জামান খান পলাতক থাকায়  তাদের বিচার এখনও কার্যকর করা সম্ভব হয়নি । চৌধুরী মইনুদ্দীন যুক্তরাজ্য এবং আশরাফুজ্জামান খান যুক্তরাষ্ট্রে পলাতক রয়েছে। তাদেরকে ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানের এ দেশীয় দোসর আল-বদরের সাহায্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, সংস্কৃতি কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার বরেণ্য ব্যক্তিদের অপহরণ করা হয়। পরে নিদারুণ যন্ত্রণা দিয়ে রায়েরবাজার ও মিরপুরে তাদের হত্যা করা হয়। এ দুটি স্থান এখন বধ্যভূমি হিসেবে সংরক্ষিত।

মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে আল-বদর বাহিনী আরও অনেক বুদ্ধিজীবীকে ধরে নিয়ে মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে স্থাপিত আল-বদর ঘাঁটিতে নির্যাতনের পর রায়েরবাজার বধ্যভূমি ও মিরপুর কবরস্থানে নিয়ে হত্যা করে।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন, অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, ডা.আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান, ড. ফজলে রাব্বী, সিরাজ উদ্দিন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক জিসি দেব, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী,অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন,অধ্যাপক আনোয়ার পাশা,অধ্যাপক রশীদুল হাসান, ড.আবুল খায়ের,ড.মুর্তজা,সাংবাদিক খন্দকার আবু তাহের, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এসএ মান্নান (লাডু ভাই), এ এন এম গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক, সেলিনা পারভিনসহ আরো অনেকে।


আরও খবর

আজ খুলনা মুক্ত দিবস

শুক্রবার ১৭ ডিসেম্বর ২০২১

আজ দাউদকান্দি মুক্ত দিবস

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




শীতে শিশুর কানের সংক্রমণ এড়ানোর উপায়

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শীতকালে শিশুদের বিভিন্ন রকম সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী নয় বলে ঠান্ডা মৌসুমে তাদের সংক্রমণের ঝুঁকি অন্য মৌসুমের তুলনায় বেশি।

শীতকালে শিশুদের অন্যতম বহুল প্রচলিত অসুস্থতা হলো কানের সংক্রমণ। ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টারের মতে, প্রথম তিন বছরের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ শিশুর কানে সংক্রমণ হয়ে থাকে। এর অধিকাংশই ঠান্ডার দিনগুলোতে হয়ে থাকে।

* শিশুদের কানের সংক্রমণের কারণ

শীতকালে কমন কোল্ড বা ঠান্ডা লাগা সংক্রমণের আধিপত্য চলে। এই সংক্রমণের সবচেয়ে প্রচলিত উপসর্গ হলো সর্দিজ্বর। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ঠান্ডা লাগলে কানে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

কানের ক্যানাল ও গলাকে সংযুক্তকারী একটা টিউব আছে। এটাকে ইউস্ট্যাশিয়ান টিউব বলে। এই টিউব মধ্যকানে উৎপন্ন তরলকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দূর করে থাকে। ঠান্ডা আবহাওয়ায় এসব তরল ঘন হয়ে যায় এবং কমন কোল্ড ইউস্ট্যাশিয়ান টিউবে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এর ফলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে কানের ক্যানালে তরল জমে যায়। অতঃপর কানে সংক্রমণ হয়। কেবল কমন কোল্ড নয়, ফ্লু ও অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রীয় সংক্রমণ থেকেও কানে সংক্রমণ হতে পারে।

* শিশুদের কানের সংক্রমণের উপসর্গ

শিশুদের কানের সংক্রমণের সবচেয়ে প্রচলিত উপসর্গ হলো কানে ব্যথা। সংক্রমিত শিশুদের আচরণে বোঝা যেতে পারে যে, কানে কিছু একটা হয়েছে অথবা কানে ব্যথা করছে। জ্বরও আসতে পারে। সাধারণত কানের সংক্রমণে শিশুদের শরীরের তাপমাত্রা ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত বাড়তে পারে। শিশুদের বালিশে হলুদ-সাদা তরলও কানের সংক্রমণের নির্দেশক হতে পারে। এতে দুর্গন্ধ থাকতেও পারে, আবার নাও থাকতে পারে। সংক্রমিত কানে লক্ষণীয় ফোলা দেখা যেতে পারে। মাথাব্যথাও করতে পারে। অল্পবয়সী শিশুরা মাথায় হাত দিয়ে এটা বোঝানোর চেষ্টা করতে পারে।

* শিশুদের কানের সংক্রমণের চিকিৎসা

শীতকালে শিশু কানের সংক্রমণে ভুগলে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়াই ভালো। এটা ভাইরাস সৃষ্ট হলে তিনি ব্যথানাশক ওষুধ ও নন অ্যান্টিবায়োটিক ইয়ার ড্রপস দিতে পারেন। এটা চার/পাঁচদিনে সেরে ওঠে। অন্যদিকে ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব থাকলে প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক উল্লেখ করেন। সংক্রমিত শিশুকে প্রচুর তরল ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে। ধোঁয়া থেকে দূরে রাখুন, কারণ উপসর্গ শোচনীয় হতে পারে। যথাসম্ভব বাইরে যেতে দেবেন না।

* শিশুদের কানের সংক্রমণ এড়াতে যা করবেন

শীতকালে শিশুদের জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এনে কানের সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো যেতে পারে। বাইরে বের হলে তাদেরকে কানটুপি বা মাফলার পরাতে হবে। যেহেতু শীতে সংক্রমণের প্রবণতা বেশি, তাই শিশুদের খাদ্যতালিকায় বেশি করে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। সম্ভব হলে ফ্লু শট দিয়ে দিন। অসুস্থ মানুষ থেকে দূরে রাখুন। ঘরে বেশি শীত লাগলে হিটারের ব্যবস্থা করুন। দিনের বেলা জানালা খুলে দিন। শিশুদেরকে দীর্ঘসময় বাইরে খেলতে দেবেন না, কারণ অত্যধিক ঠান্ডায় কানের তরল শক্ত হয়ে যায়। বাইরে থেকে আসলে গরম পানীয় অথবা গরম স্যূপ খেতে দিন।

নিউজ ট্যাগ: শীতে কানের যত্ন

আরও খবর

মুখে স্বাদ ফেরাতে বানান মুরগির পুলি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২

চাইনিজ সবজি রান্নার সহজ রেসিপি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




এক কোটি ৮৪ লাখ টাকার সোনাসহ ইতালি প্রবাসী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা মূল্যের তিন কেজি ৭০ গ্রাম স্বর্ণসহ ইতালি থেকে আসা এক প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজ। তার নাম আমরানুল হক।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আড়াইটার দিকে এসব সোনাসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আমরানুল হক ইতালিয়ান পাসপোর্টধারী। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাসিন্দা তিনি।

ঢাকা কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মো. সানোয়ারুল কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ইতালি থেকে আসা একটি ফ্লাইটে শাহজালালে নামেন আরমানুল। ইমিগ্রেশন শেষে গ্রিণ চ্যানেল পার হওয়ার সময় তার সঙ্গে থাকা লাগেজ স্ক্যানিং করা হয়। এ সময় তার ব্যাগের ভেতর স্বর্ণের অস্তিত্বের ইমেজ পাওয়া যায়। পরে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে আমরানুল হকের ব্যাগে থাকা পাত আকতি ৭ পিস এবং পিণ্ড আকতি ১০ পিস স্বর্ণ জব্দ করা হয়। পরে ওই যাত্রীকে আটক করা হয়।

জব্দ করা এসব সোনার ওজন ৩ কেজি ৭০ গ্রাম। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা বলে জানান সানোয়ারুল। আমরানুল হকের বিরুদ্ধে ডিএমপির বিমানবন্দর থানায় কাস্টমস আইনে মামলা করা হয়েছে।


আরও খবর



রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে করতে ভরসা থাকুক রসুনে

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোভিড উদ্বেগে নিজে সুস্থ থাকতে ও পরিজনদের সুস্থ রাখতে অনেকেই জোর দিচ্ছেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির উপর। আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে একটি কার্যকর উপাদান হয়ে উঠতে পারে রসুন। শুধু আধুনিক পুষ্টিবিদরাই নন, প্রাচীন আয়ুর্বেদের মধ্যেও রয়েছে রসুনের গুণাগুণ সংক্রান্ত নানা তথ্য। এক ঝলকে দেখে নিন এই কঠিন সময়ে কী ভাবে রসুনই হয়ে উঠতে পারে আপনার বন্ধু।

১। রসুনে থাকে ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, আয়রন ও জিঙ্কের মতো নানা খনিজ। পাশাপাশি এতে থাকে অ্যালিসিন নামক একটু উপাদান যা বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

২। রসুনে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা পক্স, শ্বসনতন্ত্রের নানা রোগ ও সাধারণ সর্দি জ্বর নিরাময়ে চমকপ্রদ কাজ করে। তাই করোনা-স্ফীতির বহু আগে থেকেই শ্বাস যন্ত্রের নানা রোগের পথ্য হিসেবে রসুনের প্রচলন রয়েছে।

৩। বিশেষজ্ঞদের মতে হার্ট ভাল রাখতেও বেশ উপযোগী রসুন। রসুনে উপস্থিত অ্যালিসিন রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড এর পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে ফলে ভালো থাকে সংবহনতন্ত্র।

৪। বিভিন্ন জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করতেও রসুন বেশ কার্যকর। পাশাপাশি রক্তে শর্করার পরিমাণ হ্রাস করতে সাহায্য করে রসুন। প্রাকৃতিক উপায়ে প্রদাহ নির্মূল করতেও রসুন সহায়তা করে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

নিউজ ট্যাগ: রসুন

আরও খবর

মুখে স্বাদ ফেরাতে বানান মুরগির পুলি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২

চাইনিজ সবজি রান্নার সহজ রেসিপি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জন হাসপাতালে

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আরও সাতজন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। রোববার (৯ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নতুন সাতজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চারজন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে তিনজন। 

এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৪৭টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ২৮ জন এবং অন্য বিভাগে বর্তমানে সর্বমোট ১৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ৭১ জন। একই সময়ে তাদের মধ্য থেকে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৮ রোগী। এ বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি।

২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৮ হাজার ২৬৫ জন এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১০৫ জন।


আরও খবর

দেশে মোট ৫৫ জনের দেহে ওমিক্রন শনাক্ত

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা ইসরায়েলের

প্রকাশিত:বুধবার ২২ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বে এখনো কমেনি করোনার প্রকোপ। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়ছেই। করোনা থেকে বাঁচতে বুস্টার ডোজের দিকে আগাচ্ছে অনেক দেশ। এর মধ্যে চতুর্থ ডোজ টিকা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ইসরায়েল। আজ বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইসরায়েল বলছে, ওমিক্রনের প্রভাবে যেন করোনার নতুন ঢেউ আছড়ে না পড়ে সে লক্ষ্যেই চতুর্থ ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের মহামারি বিশেষজ্ঞরা ৬০ বছরের বেশি বয়সী এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট চতুর্থ ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি দেশটির কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে প্রস্তুতি শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ইসরায়েলে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এরপরই করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানা গেল।

ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ পর্যন্ত দেশটিতে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনে কমপক্ষে ৩৪০ জন শনাক্ত হয়েছেন। জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব অনুসারে ইসরায়েলে ১৩ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং ৮ হাজার ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর

আবুধাবিতে ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২