Logo
শিরোনাম

মুক্তিযোদ্ধা তালিকার ৩য় পর্বে ১২১১৬ জনের নাম

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১১৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের  নামের  সমন্বিত তালিকা (তৃতীয় পর্ব) প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) অনুমোদনবিহীন বেসামরিক গেজেট নিয়মিতকরণ অন্তে ৮ বিভাগের ৩৮৮ উপজেলার ১২ হাজার ১১৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এ তালিকা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (www.molwa.gov.bd) পাওয়া যাবে।

প্রকাশিত তালিকায় ঢাকা বিভাগের ৩ হাজার ৪৫৯ জন  চট্টগ্রাম বিভাগের ২ হাজার ৩৭৪ জন, বরিশাল বিভাগের  ১ হাজার ১৮০ জন, খুলনা বিভাগের ২ হাজার ২৯০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৩৩ জন, রাজশাহী বিভাগের ১ হাজার ৪৩৭ জন, রংপুর বিভাগের ৭৬৮  জন ও সিলেট বিভাগের  ২৭৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।

এর আগে গত ২৫ মার্চ  প্রথম ধাপে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৭ জন এবং দ্বিতীয় ধাপে গত ৯ মে ৬ হাজার ৯৮৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার নামের সমন্বিত তালিকায় প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



‘বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তির স্বপ্ন না দেখলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না’

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
তাছনিম আদনান

Image

বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তির স্বপ্ন না দেখলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। সোমবার (০৭ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে দুগ্ধ সপ্তাহ ২০২১ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস প্রসঙ্গে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, সকল সময়ে সকল প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু অনিবার্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অনিবার্য। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ ভাবা যায় না, বাংলাদেশের আজকের উন্নয়ন ভাবা যায় না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি বাঙালির মুক্তির স্বপ্ন না দেখতেন, বাঙালিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে না চাইতেন, বাঙালি জাতিকে সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করে ৭০-এ বিজয় ছিনিয়ে না আনতেন, ৭১ সালের ৭ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশনা না দিতেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিতেন, তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। তিনি ১৯৬৬ সালের ৭ জুন বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন। ছয় দফার জন্য বঙ্গবন্ধুকে সাজা ভোগ করতে হয়েছিল। ছয় দফার ইতিহাস বাঙালি জাতির প্রতিটি মানুষকে জানতে হবে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা, স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার-ইতিহাসের সে বণার্ঢ্য অধ্যায় অবশ্যই মনে রাখতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আজ বাংলাদেশ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে যে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে, যে বিপ্লব হয়েছে, সেই বিপ্লবের সৃষ্টি হতো না যদি দেশ স্বাধীন না হতো। আমার দেশের সম্পদের সমৃদ্ধির কারণে কোরবানির সময় এখন বিদেশ থেকে পশু আনতে হয় না। আমার দেশের সমৃদ্ধির কারণে মাছের উৎপাদন বিশ্বের বুকে একটা চ্যালেঞ্জিং জায়গায় পৌঁছে গেছে। আজ দুধ, ডিমের উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। আর এ উৎপাদিত দ্রব্য একদিকে খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারছে, অন্যদিকে পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে। এসব কিছু  সম্ভব হয়েছে দেশ স্বাধীন হয়েছে বলে।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, গ্রামের সাধারণ মানুষ যাদের গবাদিপশু আছে তারা যাতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চমৎকার ব্যবহার ও ভালো সেবা পায় সেটা লক্ষ্য রাখতে হবে। করোনাকে মাথায় রেখেই প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এ খাতের উন্নয়নে জীবনের ঝুঁকি নিয়েও লড়াই করতে হবে। সর্বোপরি সরকারি কর্মকর্তাদের মানুষের কল্যাণে, দেশের উন্নয়নে নিবেদিত রাখতে হবে।

দুগ্ধ সপ্তাহ পালনে ভূমিকা রাখা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে এসময় মন্ত্রী আরো যোগ করেন, দুগ্ধ সপ্তাহে দেশব্যাপী একটা সাড়া জেগেছে। মানুষের ভেতর একটা উৎসাহ এসেছে, অনুপ্রেরণা এসেছে। তারা দুধ খাবার প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারছে। দুগ্ধ খাতের উন্নয়নের সাথে সাথে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে, পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পূরণ হচ্ছে। এভাবে দুগ্ধ খাতসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের সাথে সম্পৃক্ত সকল খাতকে বেগবান করতে হবে। এজন্য বেসরকারি খাতকে এগিয়ে যেতে হবে। বেসরকারি খাতকে সরকার বিভিন্নভাবে সহায়তা দিচ্ছে। বেসরকারি খাত বিকশিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ১০২টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছেন। সরকারি ও বেসরকারি সকল খাত যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে বাংলাদেশকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম এবং দুগ্ধ সপ্তাহের কার্যক্রম তুলে ধরেন একই প্রকল্পের প্রধান কারিগরী সমন্বয়ক ড. গোলাম রব্বানী। এছাড়া বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি ক্রিশ্চিয়ান বার্গার ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক, শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বর্তমান ও প্রাক্তন কর্মকর্তাবৃন্দ, ও গবেষকবৃন্দ, ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও খামারিগণ সমাপনী অনুষ্ঠান ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ১ জুন তারিখকে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। একই বছর থেকে বৈশ্বিক খাদ্য হিসেবে দুধের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং দৈনন্দিন খাদ্য গ্রহণে দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য অন্তর্ভুক্ত করাকে উৎসাহিত করতে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী এ দিবসটি উদযাপন হয়ে আসছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ বছর বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উদযাপনের পাশাপাশি প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করুন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করুন-এ প্রতিপাদ্যে প্রথমবারের মতো দেশব্যাপী ১ জুন থেকে ৭ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দুগ্ধ সপ্তাহ উদযাপন করেছে।


আরও খবর



আবু ত্ব-হা আদনানের সন্ধান চেয়ে অ্যামনেস্টির বিবৃতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নিখোঁজ ইসলামিক বক্তা আদনানের সন্ধান চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সোমবার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সাউথ এশিয়ার ভেরিফায়েড টুইটার থেকে ওই বিবৃতি দেয়া হয়।

গত চারদিন ধরে নিখোঁজ বাংলাদেশের আলোচিত ইসলামিক বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান। আবু ত্ব-হা যদি নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে থাকে, তাহলে দ্রুত মুক্তি দেওয়ারও দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।


সোমবার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সাউথ এশিয়ার ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ত্ব-হা নিখোঁজ সংক্রান্ত বাংলাদেশের একটি ইংরেজি দৈনিক পত্রিকার প্রতিবেদন শেয়ার করা হয়েছে। এর সঙ্গে দেওয়া বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তাঁর তিন সঙ্গী গত বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে নিখোঁজ হন।

অ্যামনেস্টির দাবি, নিখোঁজ আবু ত্ব-হা ও তাঁর সঙ্গীদের অবস্থান শনাক্তে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে দ্রুত এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। আর তারা যদি রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকে, তাহলে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রংপুর থেকে ঢাকায় রওনা হওয়ার পর থেকে আবু ত্ব-হার খোঁজ মিলছে না বলে জানিয়েছে তার পরিবার। একই সঙ্গে তার সঙ্গে থাকা আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দীন ফয়েজেরও খোঁজ মিলছে না।


আরও খবর



উড়িষ্যায় আছড়ে পড়লো ঘূর্ণিঝড় ইয়াস

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উড়িষ্যার স্থলভাগে আছড়ে পড়লো অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। বুধবার (২৬ মে) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের বুলেটিনে আবাহওয়া অফিস জানিয়েছে, উড়িষ্যার বালেশ্বরের দক্ষিণে ইয়াস স্থলভাগে আছড়ে পড়া শুরু করেছে।

এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার, সর্বোচ্চ ১৫৫ কিলোমিটার। আগামী ৩ ঘণ্টা ধরে এই প্রক্রিয়া চলবে।

এই মুহূর্তে ধামরা থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্ব উত্তর-পূর্ব, দিঘা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিম ও বালেশ্বর থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে ইয়াস-এর চোখ।

আবাহওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত ৬ ঘণ্টা ধরে ঘণ্টায় ১৭ কিলোমিটার গতিবেগে এগোচ্ছে ইয়াস। বুধবার দুপুরের মধ্যে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রূপে ইয়াস উড়িষ্যার পারাদ্বীপ ও পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপের মধ্যে উড়িষ্যার বালেশ্বরের দক্ষিণ ও ধামরার উত্তর দিক দিয়ে অতিক্রম করে যাবে বলেই পূর্বাভাস। তারপর ঘূর্ণিঝড় চলে যাবে ঝাড়খণ্ডের দিকে।

বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উড়িষ্যার বালেশ্বর, ভদ্রক, কেন্দ্রাপাড়া, জগৎসিংহপুরের মতো উপকূলবর্তী বিভিন্ন জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। অতি ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা পশ্চিবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও। দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকাতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় ইয়াস

আরও খবর



প্রকাশ্যে আসলো শ্রাবন্তীর নতুন প্রেমিকের নাম-পরিচয়

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী প্রায় সবসময়ই সংবাদের শিরোনামে থাকেন। কখনো ব্যক্তিগত কারণে আবার কখনো ক্যারিয়ারের জন্য। কমাস আগে তৃতীয় সংসার নিয়ে শিরোনামে ছিলেন এই নায়িকা। রোশান সিংয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদ দিয়েই গুঞ্জনে ছিলেন তিনি। যদিও শ্রাবন্তীর সঙ্গে থাকতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন রোশন। তবে টালিপাড়ায় এখন গুঞ্জন চলছে রোশন একসঙ্গে থাকতে চাইলেও নতুন প্রেমিকের সঙ্গে ডুবে রয়েছেন শ্রাবন্তী।

শ্রাবন্তীর নতুন প্রেমিকের নাম ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গেছে তার নতুন প্রেমিকের নাম অভিরূপ নাগ চৌধুরী। পেশায় একজন ব্যবসায়ী। সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রামে একজন আরেকজনকে ফলো করেন তারা। সম্প্রতি শ্রাবন্তীর একটি পোস্টের মাধ্যমে নেটাগরিকদের নজরে আসে অভিরূপ নাগ চৌধুরীর কমেন্ট।

শ্রাবন্তী একটি ফটোশ্যুটের ভিডিও পোস্ট করেন। বেবি পিঙ্ক শিফন শাড়ি আর সবুজ রঙের গর্জিয়াস ব্লাউজে দেখা যাচ্ছে এ অভিনেত্রীকে। গলায় হীরের গয়না আর ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে বলিউডের ইসক দে চাসনি গান। আর এখানেই মন্তব্য করেছেন অভিরূপ। লিখেছেন, ম্যাজিক্যাল। আর তার সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন হৃদয়ের ইমোজি।

এদিকে জানা গেছে, অভিরাগ ও শ্রাবন্তী একই আবাসনের বাসিন্দা। গুঞ্জন রয়েছে প্রেমিকের জন্মদিনে হীরা বসানো একটি প্ল্যাটিনামের আংটি উপহার দিয়েছেন শ্রাবন্তী। আবার সেই ছবি অভিরূপের ফেসবুকেও দেখা গেছে। ক্যাপশনে তিনি নাম উল্লেখ না করে লিখেছেন, অনেক গুরুত্বপূর্ণ মানুষের কাছ থেকে পাওয়া; ধন্যবাদ। 

নিউজ ট্যাগ: শ্রাবন্তী

আরও খবর



চাকরিতে বয়সসীমা ৩২’র দাবিতে আজ শাহবাগে সমাবেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাকালীন যুব সমাজের ক্ষতি বিবেচনা করে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩২-এ উন্নীতকরণের দাবি জানিয়ে জনসমাবেশের ডাক দিয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশী যুবপ্রজন্ম। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ও মুজিব বর্ষের উপহার হিসেবে এই দাবি জানিয়েছেন তারা। এ লক্ষ্যে আজ শুক্রবার দুপুর ৩টায় শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই তারা একাধিকবার স্মারকলিপি জমাদান সাংবাদিক সম্মেলন, সংসদ ভবন এলাকার মৌন সমাবেশ করেছেন। এবার জনসমাবেশের ডাক দিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে তারা কয়েকটি যুক্তি তুলে ধরেছেন।

১। করোনাকালীন অচলাবস্থায় সকল বয়সের শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা ইতোমধ্যেই দেড় বছর হারিয়ে ফেলেছে যা দুই বছরের দিকে ধাবমান।

২। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ হওয়ায় দেড় লাখ তরুণ-তরুণী (করোনার শুরুর সময়ে যারা ২৮+ বয়সের ছিলো) চাকরির পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ না পেয়েই ৩০ এর গণ্ডি অতিক্রম করতে চলেছে।

৩। যে ছেলেমেয়েরা ২৬ বছর বয়সে শিক্ষাজীবন শেষ করে সেই করোনা শুরুর সময় থেকে আশায় বসে আছে চাকরি পরীক্ষায় তারাও দেড় বছর হারাতে চলেছে।

সরকারি নিয়ম মোতাবেক ৩০ বছর  অবধি আবেদনের সুযোগ পাওয়ার কথা থাকলেও করোনার প্রকোপে প্রকৃতপক্ষে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

৪। ১৯৯১ সালে শেষবার সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৭ থেকে বৃদ্ধি করে ৩০ করা হয় যখন গড় আয়ু ছিল ৫৭ বছর। এই ৩০ বছরে গড় আয়ু ১৬ বছর বৃদ্ধি পেয়ে ৭০ বছর হলেও বৃদ্ধি পাইনি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা।

৫। ২০১১ সালে এসে অবসরের বয়স বেড়ে হয় ৫৯ আর মহান মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য হয় ৬০। অবসরের বয়স যেহেতু বৃদ্ধি পেয়েছে সেক্ষেত্রে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ২ বছর বৃদ্ধি করলে সেটাও আর সাংঘর্ষিক হয় না।

৬। প্রাপ্ত তথ্যমতে, করোনাকালে চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরিমাণ ৮৭% কমে ১০% এ উপনীত হয়েছে বেকারত্বের হার ২০% থেকে ৩৫% এ উন্নীত হয়েছে। করোনাকালীন ক্ষতিগ্রস্তের স্বীকার এই দেড় লাখ চাকরিপ্রত্যাশী বেকার। যা আরও বৃদ্ধি পাবে।

৭। ব্যাকডেট দেওয়ার মাধ্যমে সকল বয়সী শিক্ষার্থী তথা চাকরিপ্রত্যাশীদের ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়। চাকরিতে আবেদনের বয়স স্থায়ীভাবে ২ বছর বাড়িয়ে ৩২ বছর করলে সকলেই তাদের হারিয়ে যাওয়া বছর ফিরে পাবে। উদাহরণ স্বরুপ- করোনাকালে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের আসাম রাজ্যে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২ বছর বৃদ্ধি করা হয়েছে।


আরও খবর