
সরকারের অনুমতি পেলেই চীন বাংলাদেশে যৌথ টিকা উৎপাদন শুরু করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের ডেপুটি চিফ অব মিশন হুয়ালং ইয়ান।আজ সোমবার (১২ জুলাই) অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-চায়না অ্যালামনাই আয়োজিত এক ওয়েবিনারে এ কথা জানান তিনি।
চীনের ডেপুটি চিফ অব মিশন হুয়ালং ইয়ান বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে টিকার যৌথ উৎপাদন শুরু করতে চায় চীন। টিকার যৌথ উৎপাদনে প্রস্তুত চীন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অনুমতি পেলে চীন টিকা উৎপাদন শুরু করবে।’
চীনা কমিউনিস্ট পার্টির শতবছর পূর্তিতে আয়োজিত ওয়েবিনারে এবিসিএর প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। ওয়েবিনারে কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন।
এ সময় সিনোফার্ম থেকে বাংলাদেশ সরকারের কেনা ৫০ লাখ টিকা আগস্টের শুরুর দিকে আসতে পারে বলে জানান চীনের ডেপুটি চিফ অব মিশন।
এর আগে গত ৬ জুলাই হুয়ালং ইয়ান জানিয়েছিলেন, করোনাভাইরাসের টিকার যৌথ উৎপাদনে চীনা কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে।
গত ৭ জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, যৌথভাবে দেশে টিকা উৎপাদনে বাংলাদেশ অনেক দূর অগ্রসর হয়েছে। ড. মোমেন বলেছিলেন, আমরা টিকার যৌথ উৎপাদনের জন্য চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের কাছে আমরা দেশে টিকা উৎপাদনে যাওয়ার প্রস্তাব রেখেছি। এটা নিয়ে আলোচনা অনেক দূর অগ্রসর হয়েছে। সবশেষ গত শনিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক ভিডিও বার্তায় জানান, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে টিকার যৌথ উৎপাদনে আলাপ চলছে।

