Logo
শিরোনাম

পাপ কাজ ছেড়ে দেওয়ার উপায়

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মানুষ মাত্রই দুর্বল আর সে ভুল করবে এটাই স্বাভাবিক। অনেক সময় এ ভুলের অনেক বড় মাশুল দিতে হয়। অনেক ভুলের সংশোধন নেই। যার ফলে অনেকে জীবনভর এর মূল্য দিতে থাকে। আধ্যাত্মিক জগতের অবস্থাও অনুরূপ।

মানুষ যেহেতু ভুল করে তাই সে দুর্বল। কিন্তু পৃথিবীতে ক’জন আছে, যে নিজেকে দুর্বল বলে স্বীকার করে? তার ভুলের জন্য আল্লাহর দরবারে ক্ষমা চায়? খুব কম লোকই এমন রয়েছে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-

وَيَا قَوْمِ اسْتَغْفِرُواْ رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوبُواْ إِلَيْهِ يُرْسِلِ السَّمَاء عَلَيْكُم مِّدْرَارًا وَيَزِدْكُمْ قُوَّةً إِلَى قُوَّتِكُمْ وَلاَ تَتَوَلَّوْاْ مُجْرِمِينَ

আর হে আমার জাতি! তোমাদের পালন কর্তার কাছে তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা কর, অতপর (তাওবা করে) তাঁরই প্রতি মনোনিবেশ কর। তিনি আসমান থেকে তোমাদের উপর বৃষ্টিধারা বর্ষণ করবেন এবং তোমাদের শক্তির উপর শক্তি বাড়িয়ে দেবেন। তোমরা কিন্তু অপরাধীদের মত বিমুখ হয়ো না।' (সুরা হুদ : আয়াত ৫২)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, হে লোকেরা! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর এবং গোণাহর জন্য ক্ষমা চাও, আমি এক দিনে একশত বার তাওবাহ করি।’ (মুসলিম)

ইসলাম মানুষকে সর্বদা উচ্চতর শ্রেণিতে উন্নীত করতে চেয়েছে। তাই ইসলাম মানুষকে ওই সব নির্দেশ দিয়েছে যা তাকে উচ্চ আসনে সমাসীন করাতে পারে। পবিত্র কুরআনের বহু স্থানে আল্লাহ তাআলা তাওবাহ করতে বলেছেন। নিজের পাপের জন্য ক্ষমা চাইতে বলেছেন। আধ্যাত্মিক জীবনে তাওবাহ বা ক্ষমা চাওয়া ব্যতিত উন্নতি করা সম্ভব নয়।

পাপ থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারি। অশ্লীলতা ও চারিত্রিক অসৎ কামনা-বাসনা মুক্ত থাকতে হাদিনের নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি। হাদিসে এসেছে-

হজরত যিয়াদ ইবনে ইলাক্বাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الأَخْلاَقِ وَالأَعْمَالِ وَالأَهْوَاءِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন মুনকারাতিল আখলাক্বি ওয়াল আ’মালি ওয়াল আহওয়ায়ি।’

অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার কাছে খারাপ চরিত্র, অন্যায় কাজ ও কুপ্রবৃত্তির অনিষ্টতা তথা মন্দ কামনা-বাসনা থেকে পানাহ চাই।’ (তিরমিজি)

আল্লাহ তাআলা কুরআনে পাকে বলেন, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল। এর ফলে তিনি তোমাদের ওপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। তোমাদেরকে ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দেবেন। তোমাদের জন্যে উদ্যানরাজি স্থাপন করবেন এবং তোমাদের উপকারার্থে নদী বইয়ে দেবেন।’ (সুরা নূহ: আয়াত ১০-১২)

এক কথায় ক্ষমা চাওয়া একটি ফলদায়ক বৃক্ষ। আল্লাহ পাকের কাছে ক্ষমা চাওয়া শুধু গোনাহগারের জন্যই নয় বরং সবার ক্ষমা চাওয়া উচিত। বলতে গেলে ইসতেগফার বা ক্ষমা না চাওয়া অহংকারের লক্ষণ। আর অহংকার এমন একটি পাপ যা মানুষকে ধ্বংসের অতল গহ্বরে নিক্ষেপ করে।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম তার উম্মতকে নসিহত করেছেন, হে আমার উম্মত! তোমরা ইসতেগফার কর। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। তোমরা আমাকে দেখ। আমিও দিনে সত্তর বার আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। এখানে সত্তর অর্থ সত্তর নয় বরং অগণিত।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের মত নিষ্পাপ ব্যক্তি এবং আল্লাহর সবচেয়ে নৈকট্যপ্রাপ্ত সত্তা যদি দিনে অগণিতবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে থাকেন তবে আমাদের অবস্থা কী হওয়া উচিত। আমরা তো পাপে নিমজ্জিত।

প্রতি নিয়তই পাপ কাজ করে যাচ্ছি। তাহলে আমাদের তো সর্বদাই ইসতেগফার নিয়োজিত থাকা দরকার। আসলে ইসতেগফার মানুষকে বিনয়ী করে তুলে। মানুষকে অহংকারী থেকে মুক্ত করে।

তাই আসুন! আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের নির্দেশানুযায়ী আমাদের ভুল-ত্রুটির জন্য দৈনিক ইসতেগফার করি এবং আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির অধিকারী হই।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে নিজেদের পাপের জন্য বেশি বেশি তাওবাহ ও ইসতেগফার করার তাওফিক দান করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের ক্ষমার দৃষ্টিতে সন্তুষ্টির চাদরে আবৃত করে নিন। আমিন।


আরও খবর



অ্যাভাটারের সিকুয়েল বাতিল করেছিলেন জেমস ক্যামেরন

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২০০৯ সালে মুক্তি পায় ‌অ্যাভাটার। দীর্ঘ ১৩ বছরের বিরতি নিয়ে এ বছর ডিসেম্বরে আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে সিকুয়েল অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার। ২০০৯ থেকেই পরবর্তী অ্যাভাটার গল্পের জন্য দর্শকের পাশাপাশি অপেক্ষা করেছেন নির্মাতা জেমস ক্যামেরন। দীর্ঘ এক বছর সময় নিয়ে অ্যাভাটার টু লিখেও ফেলেছিলেন। কিন্তু তাকে দিন শেষে আবর্জনার স্তূপে ফেলে দিয়েছেন ক্যামেরন। সেপ্টেম্বরেই সে খবর জানিয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি টোটাল ফিল্ম ম্যাগাজিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তুলে ধরলেন সেই হারিয়ে যাওয়া সিকুয়েলের গল্প। ‌অ্যাভাটার: দ্য হাই গ্রাউন্ড নামে লেখা সে পাণ্ডুলিপি ছিল ১০০ পৃষ্ঠারও বেশি।

জেমস ক্যামেরন বলেন, একদল লেখকের সঙ্গে লিখতে বসেছিলাম। প্রচুর আইডিয়া ছিল হাতে। একটা ফ্রেমে রাখতে চেষ্টা করলাম, কিন্তু কেন যেন খাপ খাচ্ছিল না। এক সময় জেদ চেপে গেল প্রায়। মনে মনে বললাম, যেভাবে হোক শেষ করবই, দেখি সিনেমা হয় কিনা। তার পর সত্যিই শেষ হলো কাজ। খুব সম্ভবত ১৩০ পৃষ্ঠার মতো হয়েছিল। দুর্দান্ত গল্প, পড়তেও চমৎকার। তারপরও অ্যাভাটার: দ্য হাই গ্রাউন্ড-কে বাদ দিতে হলো। কারণ সিকুয়েল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তাতে অনুপস্থিত। ঘটনাপ্রবাহের দিক থেকেও খুব বেশি অপ্রত্যাশিত কিছু ছিল না। অ্যাভাটার চরিত্রে কিছুটা কমতি ছিল। অথচ অ্যাভাটার আমাদের স্বপ্নের জগতের সঙ্গে যুক্ত করে, তার মাঝে থাকা আধ্যাত্মিক উপাদান ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। অন্য সবকিছুতে ঠিক হলেও এ জায়গার কমতি মানা যায় না।

অ্যাভাটার: দ্য হাই গ্রাউন্ড থেকে কিছু উপাদান নিয়েই পরবর্তী সময়ে দাঁড় করানো হয়েছে অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার। ১৯৯৪ সালের শুরুর দিকেই অ্যাভাটার নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন নির্মাতা জেমস ক্যামেরন। সে সময়ে ছিল ৮০ পৃষ্ঠার পাণ্ডুলিপি। ১৯৯৭ সালে টাইটানিক সিনেমা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাভাটারের কাজ শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু সিনেমার দৃশ্যায়নের জন্য তখনো প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হয়নি। অপেক্ষার পাশাপাশি ক্যামেরন ২০০৫ সালে নাভির ভাষা নিয়ে কাজ করেন। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করেন ফিকশনাল দুনিয়া তৈরির কাজ, ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যা সাড়া ফেলে বিশ্বজুড়ে। অ্যাভাটারের সিকুয়েল হিসেবে লেখা শতাধিক পৃষ্ঠার পাণ্ডুলিপিও তাই দর্শকের কৌতূহল জাগায়।

নিউজ ট্যাগ: অ্যাভাটার

আরও খবর



সেন্টমার্টিনে ঘুরতে গিয়ে রাবি অধ্যাপকের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সেন্টমার্টিনে ঘুরতে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সরকার সুজিত কুমার স্ট্রোক করে মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার ভোরে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শহীদ ইকবাল।

অধ্যাপক ইকবাল বলেন, অধ্যাপক সুজিত কুমার সরকার সপরিবারে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি স্ট্রোক করেন। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড সদস্যরা তার চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করেন। তবে চেষ্টা করে তাকে বাঁচানো যায়নি। সেন্টমার্টিনে ভোর ৫টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি আরও বলেন, অধ্যাপক সুজিত কুমারের মরদেহ নিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স ইতোমধ্যে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। মরদেহ রাজশাহী পৌঁছালে বিভাগের সামনে এনে শ্রদ্ধা জানাবেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

প্রয়াত অধ্যাপক সুজিত কুমার সরকারের গ্রামের বাড়ি নাটোর জেলায়। তিনি রাজশাহী নগরীতেই থাকতেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক কন্যা ও এক ছেলে রেখে গেছেন বলে জানা গেছে।


আরও খবর



সিআরবিতে হাসপাতাল হবে না: রেলমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, চট্টগ্রামের সেন্ট্রাল রেলওয়ে বিল্ডিং (সিআরবি)-তে হাসপাতাল হবে না; আমাকে এমনটাই নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকালে চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেলমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ বিষয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে সিআরবিতে একটি হাসপাতাল করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু চট্টগ্রামবাসীর দাবি ছিল, এখানে যেন কোনও হাসপাতাল করা না হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও একই কথা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণকাজ যাতে না করি। যেটি রেলওয়ের অন্য জায়গায় করা হবে।

চট্টগ্রাম নগরের ফুসফুস হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ঐতিহ্যবাহী সিআরবিতে পিপিপি প্রকল্পের আওতায় ৫০০ শয্যার হাসপাতাল এবং ১০০ আসনের মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের জন্য ২০২০ সালের ১৮ মার্চ ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরপর হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের বিরোধিতা করে সবুজ সিআরবিকে বাঁচানোর দাবিতে চট্টগ্রামের লোকজন আন্দোলন শুরু করেন।


আরও খবর



কোনো ব্যাংক চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না: হাইকোর্ট

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এখন থেকে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। এ সময় ঋণ আদায়ের জন্য এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্র্যাংক ব্যাংকের চেক ডিজঅনার মামলা বাতিল করে আদালত এ আদেশ দেন।

এ ছাড়াও ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি হাইকোর্টের রায়ের আলোকে নির্দেশনা জারি করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালত জানান, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য শুধু ২০০৩ সালের অর্থঋণ আইনের বর্ণিত উপায়ে অর্থঋণ আদালতে মামলা করতে পারবে। বর্তমানে আদালতে চলমান ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা সব চেক ডিজঅনার মামলার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলেও রায়ে বলা হয়েছে।

আদালত আরও বলেন, ব্যাংক ঋণের বিপরীতে যে চেক নিচ্ছে সেটা জামানত। বিনিময়যোগ্য দলিল নয়। জামানত হিসেবে রাখা সেই চেক দিয়ে চেক ডিজঅনার মামলা করা যাবে না। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ একটি চুক্তির মাধ্যমে নেয়া হয়ে থাকে। ব্যাংকের কিছু দুর্নীতিবাজ, অসাধু কর্মকর্তা নিজেদের স্বার্থে, তাদের হিডেন এজেন্ডা বাস্তবায়নে চেকের অপব্যবহার করে মামলা করে থাকে। তাদের ব্যবহার দাদন ব্যবসায়ীদের মতো। ঋণের বিপরীতে ব্ল্যাংক চেক নেয়াটাই বেআইনি। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে এই বেআইনি কাজ করে আসছে।

রায়ে হাইকোর্ট নিম্নআদালতের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে বলেন, আজ থেকে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান যদি চেক ডিজঅনার মামলা করে তাহলে আদালত তা সরাসরি খারিজ করে দেবেন। একইসঙ্গে তাদের ঋণ আদায়ের জন্য অর্থঋণ আদালতে পাঠিয়ে দেবেন।

আদালত বলেন, ব্যাংক হওয়ার কথা ছিল গরিবের বন্ধু, কিন্তু তা না হয়ে ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান গরিবের রক্ত চুষে খাচ্ছে, এটা হতে পারে না। যারা হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে খেলাপি হচ্ছে ব্যাংক তাদের ঋণ মওকুফ করার কথা শুনি। কিন্তু কোনো গরিবের ঋণ মওফুফ করার কথা কোনোদিন শোনা যায়নি। নীলকর চাষিদের মতো, দাদন ব্যবসায়ীদের মতো যেনতেন ঋণ আদায় করাই তাদের লক্ষ্য। লোন আদায়ের জন্য অর্থঋণ আইনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান মামলা দায়ের না করে চেক ডিজঅনার মামলা করছে। এ কারণে আমাদের ক্রিমিনাল সিস্টেম প্রায় অকার্যকর হয়ে গেছে। তাই এখন থেকে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান শুধু অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবে। অন্যকোনো আইনে নয়।


আরও খবর



ঘোষণা হল ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার তারিখ

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৭তম নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্কুল-২ ও স্কুল পর্যায়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। আর কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা ৩১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা হবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত।

২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি শিক্ষক নিবন্ধনের ১৭তম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে আবেদন করেন ১১ লাখ ৭২ হাজার ২৮৬ জন। ওই বছরের ১৫ মে প্রিলিমিনারির তারিখ ঘোষণা করা হয়। তবে করোনার কারণে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের দ্বিতীয় ধাপে লিখিত পরীক্ষা হবে। শেষ ধাপে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।


আরও খবর