Logo
শিরোনাম

রাবির সাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্য

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের স্মৃতিকে ধরে রাখতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নির্মিত হয়েছে বিভিন্ন ভাস্কর্য। এসব ভাস্কর্য মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে, তুলে ধরে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, দেশ গঠনে সাহস যোগায় তরুণ প্রজন্মকে। দেশজুড়ে নির্মিত এমন ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি ভাস্কর্য হচ্ছে সাবাস বাংলাদেশ। ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অবস্থিত। শিল্পী নিতুন কুন্ডের শৈল্পিক হাতের ছোয়ায় এই ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের অন্যতম এক ভাস্কর্য হয়ে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশে যে কয়টি প্রতীকি ভাস্কর্য রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম নান্দনিক ভাস্কর্য এটি। 

১৯৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থানে রাবির ভূমিকা ছিলো অনন্য। ৬৯ এর ১৮ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদের বাঁচাতে শহীদ হন বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা। এরপর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঘাটি স্থাপন করে রাবিতে।  ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ হন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক হবিবুর রহমান, সুখরঞ্জন সমাদ্দার, মীর আবদুল কাইউমসহ আরো অনেকে। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিকে চির অম্লান করে রাখতে উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের দক্ষিণ পাশে সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণ কাজ শেষ হলে ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কংক্রিটে তৈরি ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করেন   জাহানারা ইমাম।

মূল ভাস্কর্যটি ৪০ বর্গফুট মাপের একটি বেদির উপর অবস্থিত। ভাস্কর্যটিতে রাইফেল হাতে দুই জন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখা যায়। দুজনকেই খালি গায়ে উপস্থাপন করা হয়েছে। একজন লুঙ্গি পরা এবং মাথায় গামছা বাঁধা গ্রামীণযুবা- কৃষক সমাজের প্রতিনিধি যার এক হাতে রাইফেল ধরা, মুষ্টিবদ্ধ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ অন্য হাতটি উপরে উত্থিত। প্যান্ট পরিহিত অন্য যুবকটি শহুরে যুবকের প্রতিনিধি- দুই হাত দিয়ে ধরে রয়েছে রাইফেল, কোমরে গামছা বাঁধা, বাতাসের ঝাপটায় চুলগুলো পেছনের দিকে সরে গেছে। সিড়ির উপরে মঞ্চের পিছনের দেয়াল গাত্রে নারী-পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ সমাজের সকল বয়সী মানুষের মিছিলের দৃশ্য। রাইফেল হাতে যুবক-যুবতী, একতারা হাতে বাউল, গেঞ্জিপরা এক কিশোর তাকিয়ে আছে পতাকার দিকে।

সব মিলিয়ে বাংলার জনজীবনের ছবি এঁকেছেন শিল্পী, বুঝিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধে গণমানুষের সম্পৃক্ততার কথা। মূল ভাস্কর্যের পেছনে রয়েছে ৩৬ ফুট উঁচু একটি স্তম্ভ যার ভেতরে ৫ ফুট ব্যাসের গোলাকার শূণ্যতা যা স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকার প্রতীক। সরাসরি রনাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়ার দৃশ্যরুপ যেনো এই ভাস্কর্যটি। প্রতিদিন অনেক দর্শনার্থী ভাস্কর্যটি দেখতে আসেন। 

নিউজ ট্যাগ: সাবাশ বাংলাদেশ

আরও খবর



গোহত্যা বন্ধ হলে মিটে যাবে পৃথিবীর সব সমস্যা, ভারতীয় বিচারকের মন্তব্য

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের মহারাষ্ট্র থেকে বেআইনিভাবে গরু পরিবহনের একটি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে গুজরাটের একটি আদালত। এ সময় আদালত বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

মহারাষ্ট্রের তাপি জেলা আদালত ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেছে, যেদিন পৃথিবী থেকে গরু জবাই বন্ধ হবে, সেদিন থেকে পৃথিবীর সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আবার মহাবিশ্ব থেকে যেদিন গরু বিলুপ্ত হয়ে যাবে, সেদিন মহাবিশ্বই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আইনবিষয়ক ওয়েবসাইট লাইভ ল’ তাপি জেলা আদালতের এ খবর প্রকাশ করেছে বলেও হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

লাইভ ল জানিয়েছে, গত বছরের নভেম্বরে তাপি জেলা আদালতের প্রধান বিচারক সমীর বিনোদচন্দ্র ব্যাস এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে যে গোবর দিয়ে তৈরি ঘরগুলোতে পারমাণবিক বিকিরণের প্রভাব পড়ে না। গোমূত্র ব্যবহার করলে অনেক দুরারোগ্য রোগের নিরাময় হয়। গরু হল ধর্মের প্রতীক।

শ্লোকের উল্লেখ করে সমীর বিনোদচন্দ্র আরও বলেছেন, যেখানে গরু সুখী হয়, সেখানে সম্পদ লাভ হয় এবং যেখানে গরু নির্যাতিত হয়, সেখানে বিপরীত ঘটনা ঘটে। গরু রুদ্রের মা, বাসু কন্যা, অদিতিপুত্রের বোন এবং ধৃতরূপ অমৃতের ধন।’ 

নিউজ ট্যাগ: গোহত্যা

আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরিষার বাম্পার ফলনের আশা

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মাঠ জুড়ে যেন হলুদের সমাহার। তাকালেই দুই চোখে দেখা যায় হলুদ আর হলুদ। যেন অলংকারে সেজেছে প্রকৃতি। বাতাসে হেলে দুলে সরিষা ফুল গুলো সুভাস ছড়িয়ে দিচ্ছে চারদিকে। আর মৌমাছি দল বেঁধে সরিষা ফুল থেকে মধু আহরণ করছে। এ জেলায় এবার সরিষার আবাদ বেড়েছে। বৃষ্টিপাত না হওয়াই এখন পর্যন্ত মাঠের অবস্থা ভালো। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। 

চলতি মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর, নবীনগর, বিজয়নগর, আশুগঞ্জ, সরাইল, নাসিরনগর, বাঞ্ছারামপুরসহ ৯ উপজেলায় সরিষার ব্যাপক আবাদ হয়েছে। আবাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে নতুন জাতের সম্প্রসারণ। এ বছর সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে ধরা হলেও আবাদ হয়েছে ১৫ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে। 

নতুন জাতের বিনা-৯ ও বারি-১৪, ১৭ এবং ১৮ জাতের সরিষা। তৈল জাতীয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমন মৌসুমের শুরু থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরিষার আবাদ কার্যক্রম শুরু করে কৃষি বিভাগ। 

একাধিক কৃষক জানান, তবে গত কয়েক বছর ধরে বৃষ্টিপাত হওয়ায় সরিষার অনেক ক্ষতি হয়েছিল। সার এবং প্রয়োজনীয় উপকরণের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়লেও ফলন এবার ভালো হয়েছে। প্রতি কানি (৩৯ শতাংশ) জমিতে ৩/৪ মণ সরিষা পাওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি। সরিষা জমিতে মধু সংগ্রহের জন্য ভন ভন করছে মৌমাছি।

সদর উপজেলার উত্তর সুহিলপুর গ্রামের কৃষক ফারুক মিয়া বলেন, সরিষা চাষে দ্বিগুন লাভ। সরিষার ফুল ও পাতা ঝরে জমিতে জৈব সার তৈরি হয়। সে কারণে জমিতে পরবর্তী ধানের ফলনও ভালো হয়।

অষ্টগ্রাম গ্রামের কৃষক রিপন হোসেন বলেন এ বছর সরিষার ভালো ফলন হবে। সাদেকপুরে কৃষক আবদুল্লাহ মিয়া জানান গত বছর আমি এক কানি (৩০ শতক) জমিতে সরিষা চাষ করেছিলাম, এবার দেড় কানি জমিতে সরিষা চাষ করেছি।

গজারিয়া গ্রামের কৃষক সোহেল মিয়া জানান, আশা করি আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার সরিষার ভালো ফলন হবে। তিনি বলেন, কৃষি অফিস থেকে চাষিদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। তিনি জানান এক কানি (৩০ শতক) জমিতে সরিষা চাষ করে সব খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৪-৫ হাজার টাকা লাভ হবে।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত সাহা বলেন, ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে এ বছর নতুন জাতের সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রায় আড়াই হাজার হেক্টর অতিরিক্ত জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এতে এ বছর জেলায় প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদিত হবে। সরিষার আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে জন প্রতিনিধিদের নিয়ে কৃষক সমাবেশের পাশাপাশি ২২ হাজার কৃষককে প্রতি ১ বিঘা জমির জন্য প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়ার কথা জানালেন কৃষি বিভাগের এ শীর্ষ কর্মকর্তা।

নিউজ ট্যাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আরও খবর

লোগো পদ্ধতি ধান চাষে ফলন বাড়ে

মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩

লালশাক চাষ করার সহজ উপায়

মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩




দেশে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার দাম বাড়ল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের বাজারে সোনার দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়ার পর এবার বাড়ল স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার দাম। প্রতিটি স্বর্ণমুদ্রার দাম ৩ হাজার টাকা করে বাড়িয়ে ৭৮ হাজার টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে সোনা, রুপা ও ব্রোঞ্জের দাম বাড়ার কারণে এই দাম বৃদ্ধি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (৯ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন এ দাম সোমবার থেকেই কার্যকর হয়েছে। স্মারক মুদ্রা কাগুজে নোট বা ধাতব কয়েনের মতো লেনদেন করা যায় না। সংগ্রহে রাখার জন্যই মানুষ সাধারণত এসব মুদ্রা কিনে থাকেন। আর এসব মুদ্রা শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও শাখা কার্যালয়গুলোতে পাওয়া যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০০০, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১ উপলক্ষে তৈরি করা ১০ গ্রাম স্বর্ণের পৃথক তিনটি মুদ্রার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে মুদ্রাগুলোর নতুন দাম ৭৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৭৮ হাজার টাকা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০০০ , জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবর্ষ ১৯২০-২০২০ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১ শীর্ষক স্মারক স্বর্ণমুদ্রার প্রতিটি ২২ ক্যারেট মানের স্বর্ণে তৈরি। প্রতিটির ওজন ১০ গ্রাম। স্মারক স্বর্ণমুদ্রাগুলোর (বাক্সসহ) দাম প্রতিটির ৭৮ হাজার টাকায় পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী ১৯৯৬ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের রজতজয়ন্তী ১৯৯৬ উপলক্ষে ৩১ দশমিক ৪৭ গ্রাম ওজনের রৌপ্যমুদ্রার দাম ৪ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।

অন্যান্য স্মারক মুদ্রার মধ্যে ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ছাড়া রৌপ্য ও ব্রোঞ্জের ৩০ গ্রাম মুদ্রার দাম ৪ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। বাংলাদেশের ৪০ তম বিজয়বার্ষিকী ও বিদ্রোহী কবিতার ৯০ বছর উপলক্ষে তৈরি করা ২৫ গ্রাম রৌপ্যমুদ্রার দাম ১ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশততম জন্মবার্ষিকী ২০১১ উপলক্ষে ছাড়া ২১ দশমিক ১০ গ্রাম রৌপ্যমুদ্রার দামও ১ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।

আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ ২০১১ উপলক্ষে প্রকাশিত ৩০ গ্রাম রৌপ্যমুদ্রার দাম ৪ হাজার টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের শতবর্ষ ১৯১৩-২০১৩ উপলক্ষে বাজারে ছাড়া ২২ গ্রাম রৌপ্যমুদ্রার দাম ১ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১ উপলক্ষে প্রকাশিত ৩০ গ্রাম রৌপ্যমুদ্রার দাম ৪ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা।

পাশাপাশি বাংলাদেশ-জাপান কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ছাড়া ২০ গ্রাম ওজনের রৌপ্যমুদ্রার দাম ৫০০ টাকা বাড়িয়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।


আরও খবর



দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে, বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মৌলভীবাজারে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়ার তারতম্য ও শীতের দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারাদেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল চারপাশ। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে রোদের তেজ।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে উঠানামা করছে।

কয়েকদিন ধরে দুপুরের আগে মিলছে না সূর্যের দেখা। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না কেউ। ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলো চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। দিনে ও রাতে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন অনেকেই। বিকেল হলে শীতের তীব্রতা বেড়ে সকাল পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকছে। শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে হাওরপাড় ও চা বাগান এলাকাসহ শ্রমজীবী মানুষরা।

শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউড়া চা বাগানে শ্রমিক নিপেন বাউরী ও রবি দাশ বলেন, বাগানে শীতের তীব্রতা বেশি রয়েছে।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তা আনিছুর রহমান  বলেন, সোমবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে। সোমবার তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘন কুয়াশা কমে গেলে তাপমাত্রা আরও কমতে থাকবে।


আরও খবর

কড়াইয়ের গরম তেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩




গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে ক্রিকেটার ঋষভ পান্ত

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের উত্তরাখণ্ড থেকে দিল্লি আসার পথে গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটার ঋষভ পান্ত। তিনি নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন।

পান্তের মাথা ও হাঁটুতে আঘাত লেগেছে। তার চামড়াও অল্প ঝলসে গেছে। তার পায়ের হাড় ভাঙতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পান্তকে দেরাদুনের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পান্ত তার মার্সিডিস গাড়ি নিজেই চালাচ্ছিলেন। উত্তরাখণ্ডের রুরকির কাছে তার গাড়ি রাস্তার ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। ওই সময় পান্ত একাই গাড়িতে ছিলেন।

উত্তরাখণ্ড পুলিশের ডিজি অশোক কুমার বলেন, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। উইন্ডস্ক্রিন ভেঙে পান্ত বাইরে আসেন।

দুর্ঘটনার সময় পান্ত ঘুমিয়ে পড়েছিলেন বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশে সদ্যসমাপ্ত সিরিজে পান্ত ভারতীয় দলে ছিলেন। তারপর তিনি দুবাইতে মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে ক্রিসমাস কাটান। তবে শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি ও একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে ভারতীয় দল থেকে তিনি বাদ পড়েছেন। তার ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।


আরও খবর